নারিকেল তেল তৈরি
নারকেল থেকে কোপরা বানিয়ে ঘানি বা এক্সপেলারে তেল বের করা। সাধারণ নারিকেল তেল লিটারে ৳৮০০–১,০০০, ভার্জিন ৳২,৪২০–৩,১৮০; দুটোরই বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স লাগে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳২,০০,০০০ – ৳১২,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৪৫ – ১৫০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৭ – ১৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
নারকেল কিনে শাঁস ছাড়িয়ে, শুকিয়ে কোপরা বানিয়ে, ঘানি বা ছোট এক্সপেলারে ভেঙে তেল বের করার কাজ। তেলটা দুই রকম বাজারে যায় — মাথায় দেওয়ার তেল আর রান্নার তেল। দাম দুই রকম, নিয়মও দুই রকম। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে চালডালে সাধারণ নারিকেল তেলের দর ছিল প্যারাসুট ৫০০ মিলি ৳৪৫০, জুঁই ৩৫০ মিলি ৳৩৪০, ন্যাচুরা পিওর ২০০ মিলি ৳১৬০ আর কিউট রিফাইন্ড ৩৩০ মিলি ৳২৭০ — লিটারে ধরলে ৳৮০০ থেকে ৳১,০০০। ভার্জিন কোকোনাট অয়েলের দর আলাদা: অ্যাগ্রিলাইফ ৪৫০ মিলি ৳১,০৮৯, সিলন অর্গানিক ৫০০ মিলি ৳১,৫৯০, অর্থাৎ লিটারে ৳২,৪২০ থেকে ৳৩,১৮০। কাঁচামালের দিকটা হলো নারকেল। একই দিনে চালডালে একটা নারকেল ছিল ৳১৬৯। পাবনার বেড়ায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে একটা নারকেল ৳১২৫ ছিল, যা তার দেড় বছর আগে ছিল ৳৬০–৭০ — অর্থাৎ কাঁচামালের দাম দ্রুত বাড়ছে। আইনের দিকটা স্পষ্ট। নারিকেল তেল বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় ১২০ নম্বরে আছে (BDS 99:2007), আর ভার্জিন কোকোনাট অয়েল ৯০ নম্বরে (BDS 2015:2023)। দুটোরই সিএম লাইসেন্স লাগে। পরীক্ষার ফি কিন্তু আকাশ-পাতাল তফাত: সাধারণ নারিকেল তেলের নমুনা পরীক্ষা ৳৩,০০০ (১৪ কর্মদিবস), আর ভার্জিন কোকোনাট অয়েলের ৳১৭,১০০ (১৪ কর্মদিবস)। ছোট উদ্যোক্তার জন্য এই পার্থক্যটাই ঠিক করে দেয় কোন পণ্য দিয়ে শুরু করা যায়। মোড়কে ওজন লিখে বিক্রি করলে পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদও লাগবে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৬০,০০০ – ৳৩,৫০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৮০০ – ৳৩,১৮০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৬০০ – ৳২,৬০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ১৮% – ৩০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৪৫ – ১৫০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৭ – ১৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫ – ৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- নারকেল ভাঙার যন্ত্র বা হাতুড়ি, শাঁস ছাড়ানোর ছুরি, কোপরা শুকানোর মাচা বা ড্রায়ার, ঘানি বা ছোট এক্সপেলার, ছাঁকনি ও থিতানোর ট্যাংক, বোতল ভরা ও সিল করার ব্যবস্থা।যন্ত্রপাতি
- বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স — নারিকেল তেল বাধ্যতামূলক তালিকার ক্রমিক ১২০, মান BDS 99:2007 (২য় সংশোধিত); ভার্জিন কোকোনাট অয়েল ক্রমিক ৯০, মান BDS 2015:2023 সংশোধনী-১:২০২৪। নতুন আবেদন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳১,০০০। নমুনা পরীক্ষার ফি: নারিকেল তেল ৳৩,০০০ (১৪ কর্মদিবস) বা জরুরি ৳৬,০০০ (৫ কর্মদিবস); ভার্জিন কোকোনাট অয়েল ৳১৭,১০০ (১৪ কর্মদিবস) বা জরুরি ৳২৯,২০০ (৫ কর্মদিবস)। বাৎসরিক সিএম ফি এক্স-ফ্যাক্টরি উৎপাদনমূল্যের ০.১০%, সর্বনিম্ন ৳৩,৫০০।লাইসেন্স
- পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ — বিএসটিআই মেট্রোলজি উইং, ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮। মোড়কজাত পণ্য বিক্রির আগে নিতে হয়। সনদ ছাড়া বিক্রি ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচার্য — ক্ষেত্রবিশেষে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা দুটোই।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু হয়।লাইসেন্স
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — ভোজ্য তেল উৎপাদকের জন্য প্রযোজ্য। নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রদান) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর; ভোজ্য তেলের ক্ষেত্রে লাইসেন্স ফি ৳১,০০০–৫,০০০ পর্যন্ত হতে পারে।লাইসেন্স
- নারকেল দেখে শাঁসের পরিমাণ বোঝা, কোপরা কতটা শুকালে তেল সবচেয়ে বেশি বেরোবে তা জানা, আর ভাঙার পর তেল ঠিকমতো থিতিয়ে পরিষ্কার করা।দক্ষতা
- নারকেলের নিয়মিত সরবরাহকারী — বাগানমালিক, স্থানীয় হাটের বেপারি বা নারকেলের আড়ত। সঙ্গে বোতল ও লেবেলের সরবরাহকারী, আর খইল কেনার ক্রেতা।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কোন তেল বানাবেন — মাথায় দেওয়ার সাধারণ নারিকেল তেল, না রান্নার ভার্জিন কোকোনাট অয়েল। বিএসটিআইয়ের মান ও পরীক্ষার ফি দুটোর জন্য আলাদা।
- 2নারকেলের সরবরাহ ঠিক করুন। উপকূল আর দক্ষিণের জেলাগুলোই সস্তা নারকেলের উৎস; এক দিনের দূরত্বের বাইরে থেকে আনলে পরিবহনেই লাভ চলে যায়।
- 3ঘর ভাড়া নিন — শুকানোর জায়গা, ভাঙার যন্ত্র আর তেল রাখার ট্যাংক সব একসঙ্গে ধরতে হবে। মেঝে ও দেয়াল ধোয়ার উপযোগী হতে হবে।
- 4শাঁস ছাড়িয়ে রোদে বা ড্রায়ারে শুকিয়ে কোপরা বানান। ভালো করে না শুকালে তেলের পরিমাণ কমে যায় আর তেলে গন্ধ হয়।
- 5ঘানি বা ছোট এক্সপেলারে কোপরা ভেঙে তেল বের করুন, তারপর ছেঁকে ও থিতিয়ে পরিষ্কার করুন। অবশিষ্ট খইল আলাদা বিক্রি হয়।
- 6সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন।
- 7ভোজ্য তেল বানালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করুন — ফি ৳১,০০০, মেয়াদ তিন বছর।
- 8বিএসটিআই-তে সিএম লাইসেন্সের আবেদন করুন। আবেদন ফি ৳১,০০০; নমুনা পরীক্ষা সাধারণ নারিকেল তেলে ৳৩,০০০ আর ভার্জিন কোকোনাট অয়েলে ৳১৭,১০০।
- 9মোড়কে ওজন লিখে বিক্রি করতে হলে বিএসটিআইয়ের মেট্রোলজি উইং থেকে পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ নিন।
- 10বোতলে ভরে লেবেল লাগিয়ে মুদি, কসমেটিকস ও সুপারশপে দিন। খইল গরুর খামারি বা ফিড মিলে বিক্রি করুন — ওটাই বাড়তি আয়।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবরিশাল · দক্ষিণের নারকেল বলয়, নদীপথে সস্তায় মাল আনা-নেওয়া করা যায়।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় খুচরা ও সুপারশপের বাজার; বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ও এখানেই।
- খুব উপযোগীলক্ষ্মীপুর · দেশের সবচেয়ে বড় নারকেল উৎপাদনের এলাকাগুলোর একটি; কাঁচামাল বাড়ির পাশেই মেলে, তাই পরিবহন খরচ কম।
- খুব উপযোগীনোয়াখালী · উপকূলীয় জেলা, বাড়ির আঙিনায় নারকেল গাছ অনেক; স্থানীয় হাটেই নারকেল কেনা যায়।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · খাতুনগঞ্জের আড়ত থেকে বড় পরিমাণে নারকেল কেনা যায়, আর শহরের খুচরা বাজারও বড়।
- সম্ভবকক্সবাজার · উপকূলজুড়ে নারকেল বাগান, আর পর্যটকের কাছে স্থানীয় পণ্য বিক্রির বাড়তি সুযোগ।
- সম্ভবঝালকাঠি · ছোট জেলা হলেও বাড়ির আঙিনার নারকেল গাছের ঘনত্ব বেশি।
- সম্ভবপিরোজপুর · নারকেলের বাগান বেশি, আর নৌপথে খুলনা-বরিশালের বাজারে যাওয়া সহজ।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: নারিকেল তেল আর ভার্জিন কোকোনাট অয়েল দুটোই বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্য, তাই সিএম লাইসেন্স ছাড়া নিজের নামে বোতল বিক্রি করা যায় না। ভার্জিন তেলের নমুনা পরীক্ষার ফি ৳১৭,১০০ — সাধারণ তেলের ৳৩,০০০-এর প্রায় ছয় গুণ। যে উদ্যোক্তা ভার্জিন তেল দিয়ে শুরু করতে চান, তাঁর শুরুর খরচেই এই পার্থক্যটা বসে যায়, আর নমুনা ফেল করলে আবার একই ফি।
- বেশিচলতি মূলধন: নারকেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। পাবনার বেড়ায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে একটা নারকেল ৳১২৫ ছিল, যা দেড় বছর আগেও ছিল ৳৬০–৭০; ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে চালডালে একটা নারকেলের দাম ৳১৬৯। কাঁচামালের দাম বাড়লেও বোতলের গায়ে ছাপা দাম সঙ্গে সঙ্গে বদলানো যায় না, তাই চাপটা পুরোটাই কারখানার ঘাড়ে পড়ে।
- মাঝারিচাহিদা: এই বাজারে প্যারাসুট, জুঁই আর ডাবর ভাটিকার মতো বড় ব্র্যান্ড বসে আছে, আর তাদের দাম দোকানে দোকানে এক। নতুন নামের তেল দোকানদার তুলতে চান না, কারণ ক্রেতা চেনা নাম খোঁজেন। তাই শুরুতে খুচরা দোকানে জায়গা পেতে কমিশন বা বাকি দিতে হয়, যা লাভ কমায়।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: কোপরা ঠিকমতো না শুকালে ছত্রাক ধরে আর তেলে বাজে গন্ধ হয়; সেই তেল বোতলে ভরলে দোকান থেকে ফেরত আসে। বর্ষায় রোদ না থাকলে শুকানোই যায় না, তাই ওই মাসগুলোয় হয় উৎপাদন কমে, নয় ড্রায়ারের জ্বালানি খরচ বাড়ে।
সূত্র
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
সি এম লাইসেন্স ফি শিডিউল — পাতা সর্বশেষ হালনাগাদ ২৭-০৭-২০২৫
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
কলা পাকানোর চেম্বার
কাঁচা কলা কিনে নিয়ন্ত্রিত চেম্বারে পাকিয়ে বিক্রি। নিরাপদ খাদ্য আইনের ২৩ ধারায় ক্যালসিয়াম কার্বাইড নাম ধরে নিষিদ্ধ, আর সেই অপরাধ অজামিনযোগ্য; ইথিলিন-ইথোফেন নির্ধারিত মাত্রায় চলে।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
কেক ও পেস্ট্রি শপ
কেক, পেস্ট্রি ও কাপকেক বানিয়ে দোকানে ও অর্ডারে বিক্রি। তাকের কেকে ক্ষতির ঝুঁকি, আর অর্ডারের সাজানো কেকেই আসল লাভ।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
গো-খাদ্য তৈরির মিল
ভুসি-খুদ-কুঁড়া মিশিয়ে দানাদার গো-খাদ্য বানিয়ে খামারিকে বিক্রি। কোম্পানির ফিড ৳৫৫–৬০ কেজি, আর উপকরণের দাম ৳৩৮–৬২ — ফাঁকটা পাতলা। লাইসেন্স ছাড়া করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৭৫ দিন
মিষ্টির দোকান
দুধ থেকে ছানা কেটে মিষ্টি বানিয়ে বিক্রি। মিষ্টি ৳৩৮০–৬০০ কেজি, দই ৳২১০–৩০০ লিটার, কিন্তু দুধ ৳১২০–১৪০ লিটার — লাভ পুরোটাই দুধের দরের উপর।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৯ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ৪৫ দিন
