সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

বাস্তব মানুষের অভিজ্ঞতা, নাম গোপন রেখে, তাঁদের অনুমতি নিয়ে প্রকাশ।

যা কাজ করেছেসাভারের একজন মাশরুম চাষি

একটি সুপারশপ চুক্তি বদলে দিল হিসাব

প্রতিদিন ১৫ কেজির নির্দিষ্ট চাহিদা পাওয়ার পর নষ্ট হওয়া মাশরুম প্রায় শূন্যে নেমে এল।

পুঁজি
৳৯০ হাজার
চলেছে
২০ মাস
কারণ
নিয়মিত ক্রেতা, ভালো মান
যা শিখেছিনারায়ণগঞ্জের একটি ছোট ওয়ার্কশপের মালিক

বড় অর্ডার, কিন্তু টাকা এল চার মাস পরে

৫,০০০ ব্যাগের করপোরেট অর্ডার নিয়ে কারিগরের বেতন দিতে পারিনি, ওয়ার্কশপ দুই মাস বন্ধ ছিল।

পুঁজি
৳৪ লাখ
চলেছে
১৪ মাস
কারণ
বাকি টাকা, চলতি মূলধন
মিশ্র অভিজ্ঞতামিরপুরের একজন দর্জি

ঈদের ভিড়ে অর্ডার ফেরাতে হয়েছিল

দ্বিতীয় মেশিন আর একজন সহকারী আগে নিলে দ্বিগুণ আয় হতো, কিন্তু বাকি সময় বসে থাকতে হতো।

পুঁজি
৳৩৫ হাজার
চলেছে
২৪ মাস
কারণ
চাহিদা কম, দক্ষতার ঘাটতি
যা কাজ করেছেসুনামগঞ্জের দুই বোন

৩০টি হাঁস থেকে তিন বছরে ৬০০

প্রথম বছর একটা ডিমও বাকিতে দিইনি। নগদ বিক্রি না থাকলে খাবার কেনার টাকা থাকত না।

পুঁজি
৳৪৫ হাজার
চলেছে
৩৬ মাস
কারণ
হিসাব রাখা, নিয়মিত ক্রেতা
যা শিখেছিরাজশাহীর একজন নতুন উদ্যোক্তা

প্রথম মৌসুমেই কেন পুরো ব্যাচ নষ্ট হলো

বর্ষার আর্দ্রতা মাপিনি। ৪০০ কেজি আমে ছত্রাক ধরে গেল, ড্রায়ারের কিস্তি তখনও বাকি।

পুঁজি
৳৩ লাখ
চলেছে
মাস
কারণ
নষ্ট হওয়া, চলতি মূলধন