যা কাজ করেছেসাভারের একজন মাশরুম চাষি
একটি সুপারশপ চুক্তি বদলে দিল হিসাব
প্রতিদিন ১৫ কেজির নির্দিষ্ট চাহিদা পাওয়ার পর নষ্ট হওয়া মাশরুম প্রায় শূন্যে নেমে এল।
- পুঁজি
- ৳৯০ হাজার
- চলেছে
- ২০ মাস
- কারণ
- নিয়মিত ক্রেতা, ভালো মান
বাস্তব মানুষের অভিজ্ঞতা, নাম গোপন রেখে, তাঁদের অনুমতি নিয়ে প্রকাশ।
প্রতিদিন ১৫ কেজির নির্দিষ্ট চাহিদা পাওয়ার পর নষ্ট হওয়া মাশরুম প্রায় শূন্যে নেমে এল।
৫,০০০ ব্যাগের করপোরেট অর্ডার নিয়ে কারিগরের বেতন দিতে পারিনি, ওয়ার্কশপ দুই মাস বন্ধ ছিল।
দ্বিতীয় মেশিন আর একজন সহকারী আগে নিলে দ্বিগুণ আয় হতো, কিন্তু বাকি সময় বসে থাকতে হতো।
প্রথম বছর একটা ডিমও বাকিতে দিইনি। নগদ বিক্রি না থাকলে খাবার কেনার টাকা থাকত না।
বর্ষার আর্দ্রতা মাপিনি। ৪০০ কেজি আমে ছত্রাক ধরে গেল, ড্রায়ারের কিস্তি তখনও বাকি।