পেয়ারা বাগান ও ভাসমান বাজার
খালপাড়ের পেয়ারা বাগান আর ভীমরুলীর ভাসমান হাটে বিক্রি। ২০২৬ সালে মণ ৳১,০০০–১,২০০, কিন্তু দশ বিঘার বাগানে দিনে ১০ মণের জায়গায় মিলছে ৩–৫ মণ, আর হিমাগার নেই বলে বাকিটা পচে যায়।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫০,০০০ – ৳৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৮ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩৬৫ – ৭৩০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ২৪ – ৩৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
খালের ধারে উঁচু ভিটায় পেয়ারার বাগান, আর সকালবেলা কোষা নৌকায় করে সেই পেয়ারা নিয়ে ভাসমান হাটে যাওয়া। বাণিজ্যিক চাষটা মূলত তিন জায়গায় — বরিশালের বানারীপাড়ার ১৬ গ্রামে ৯৩৭ হেক্টর, ঝালকাঠি সদরের ১৩ গ্রামে ৩৫০ হেক্টর আর পিরোজপুরের নেছারাবাদের ২৬ গ্রামে ৬৪৫ হেক্টর। প্রায় ৫০ হাজার কৃষক এখনো এই আবাদে আছেন। মৌসুম তিন মাস — আষাঢ়, শ্রাবণ আর ভাদ্র। বেচাকেনা জমে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা, আর ভীমরুলীসহ আশপাশে ২০টিরও বেশি ছোট-বড় মৌসুমি মোকাম বসে। সেখান থেকে পেয়ারা যায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ফেনী, পটুয়াখালী, ভোলা ও মাদারীপুরে। দাম তিন বছরে তিন গুণ হয়েছে — ২০২৩ সালে মণ ছিল ৳৩০০–৪৫০, ২০২৫ সালে ৳৬০০–৮০০, আর ২০২৬ সালে আকার ও মানভেদে ৳১,০০০–১,২০০। কিন্তু দাম বেড়েছে ফলন কমেছে বলেই। ফাল্গুনে মুকুল আসার সময় বৃষ্টি না হলে আর গরম বেশি পড়লে ফুল ঝরে যায়। দশ বিঘা বাগান থেকে দিনে ১০ মণ পাওয়ার কথা, ২০২৬ সালে পাওয়া যাচ্ছে ৩ থেকে ৫ মণ। সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো পেয়ারা দ্রুত পচে, অথচ এলাকায় হিমাগার বা প্রক্রিয়াজাত কারখানা কিছুই নেই — চাষিদের কথায়, প্রতিবছর কয়েক কোটি টাকার পেয়ারা নষ্ট হয়ে যায়। ভাসমান হাটের আরেকটা দিক আছে — পর্যটক। ভীমরুলীতে ৮–১০টি ভাসমান হোটেল, একশর বেশি ট্রলার আর ৩০–৩৫টি পর্যটকবাহী নৌকা চলে। কিন্তু ফলন কম হলে পর্যটকও কমে, তাই দুই দিক থেকেই ধাক্কা আসে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৪,০০০ – ৳৫০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৮ – ৳৩০ / কেজি | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৬ – ৳১৬ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২৫% – ৭০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩৬৫ – ৭৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ২৪ – ৩৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫০% – ৭০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১২০ – ৪০০ | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত |
শুরু করতে যা লাগবে
- কোষা বা ডিঙি নৌকা, ঝুড়ি ও বস্তা, আর মাপার দাঁড়িপাল্লা। মোকামে নৌকা থেকেই বেচাকেনা হয় বলে নৌকাই এখানে দোকান।যন্ত্রপাতি
- দেশি পেয়ারার চারা, আর প্রতি বছর মাঘ-ফাল্গুনে গাছের গোড়ার জন্য সার ও কাদামাটি — চাষিদের হিসাবে গাছপ্রতি তিন শ টাকার বেশি।প্রাথমিক মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। বাগানের ফল নিজে পাইকারি বিক্রি বা সরবরাহ করতে হলে লাগে। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — শুধু তাজা পেয়ারা বিক্রি করলে লাগে না, কিন্তু আচার, জেলি বা জুস বানিয়ে মোড়কে ভরলে মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদক হিসেবে নিবন্ধন লাগবে। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর।লাইসেন্স
- গোড়া পরিষ্কার ও সার দেওয়ার সময় ধরা, মুকুল রক্ষা করা, আর পাকার ঠিক আগে তোলা। একদিন দেরি হলেই পেয়ারা নরম হয়ে দাম পড়ে যায়।দক্ষতা
- মোকামের আড়তদার ও পাইকার। ভীমরুলীসহ আশপাশে ২০টির বেশি মৌসুমি মোকাম বসে, আর সেখান থেকেই মাল ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ফেনী, পটুয়াখালী, ভোলা ও মাদারীপুরে যায়।সরবরাহকারী
- খালের ধারে উঁচু ভিটা জমি, যাতে নৌকা বাগানের কাছ পর্যন্ত যেতে পারে। বানারীপাড়া, ঝালকাঠি সদর ও নেছারাবাদের ৫৫টি গ্রামজুড়ে এই ধরনের জমিতেই চাষ হয়।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1খালের ধারের উঁচু ভিটা জমি দেখুন। এই অঞ্চলে পেয়ারা হয় খালের পাড়ে সরু উঁচু বেডে, আর নৌকা ঢুকতে পারে এমন খাল না থাকলে মাল বের করাই কঠিন।
- 2উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে দেশি পেয়ারার চারা ও প্রণোদনার সার-বীজের খোঁজ নিন। ঝালকাঠিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রণোদনার সার ও বীজ বণ্টন করে।
- 3মাঘ-ফাল্গুন মাসে গাছের গোড়া পরিষ্কার করে সার দিন, তারপর কাদামাটি দিয়ে গোড়া ঢেকে দিন। চাষিদের হিসাবে এতে গাছপ্রতি গড়ে তিন শ টাকার বেশি খরচ হয়, আর এটাই বছরের প্রধান খরচ।
- 4ফাল্গুনে মুকুল আসার সময় পানির ব্যবস্থা রাখুন। পরপর কয়েক বছর বৃষ্টি না হওয়ায় আর গরমে মুকুল ঝরে পড়ায় ফলন অর্ধেকেরও নিচে নেমেছে — সেচের ব্যবস্থা থাকলে এই ক্ষতিটা কমে।
- 5কোষা নৌকা ঠিক করুন। বাগান থেকে মোকাম পর্যন্ত মাল যায় ছোট ডিঙি বা কোষা নৌকায়, কুড়িয়ানা থেকে ভীমরুলী প্রায় ৪০ মিনিটের পথ।
- 6সকাল সকাল মোকামে পৌঁছান। ভীমরুলীসহ আশপাশে ২০টির বেশি মৌসুমি মোকাম বসে, আর সবচেয়ে বড় বেচাকেনা হয় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে।
- 7আকার ও রং ধরে আলাদা করে সাজান। দাম আকার ও মানভেদে ঠিক হয়, তাই বাছাই না করলে ভালো পেয়ারাও কম দামে চলে যায়।
- 8যেদিন যতটুকু নিশ্চিত বিক্রি হবে ততটুকুই তুলুন। পেয়ারা দ্রুত পাকে ও পচে, আর এলাকায় হিমাগার নেই — না বিক্রি হলে সেটা সরাসরি লোকসান।
- 9পর্যটনের দিকটা আলাদা আয় হিসেবে ধরুন। ভীমরুলীতে ৮–১০টি ভাসমান হোটেল, একশর বেশি ট্রলার ও ৩০–৩৫টি পর্যটকবাহী নৌকা চলে, আর কঠুরাকাঠি ও আদমকাঠিতে বাগানের ভেতর পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
- 10ঋণ নেওয়ার আগে সুদের হিসাব করুন। এই অঞ্চলে কম সুদের কৃষিঋণের ব্যবস্থা না থাকায় চাষিরা উচ্চ সুদে এনজিও ঋণ নেন, আর যা লাভ হয় তার বড় অংশ সুদেই চলে যায়।
- 11আচার, জেলি বা জুস বানানোর কথা ভাবলে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করে নিন। প্রক্রিয়াজাত করলে পচনের ক্ষতিটা কমে, কিন্তু এলাকায় এখনো সেই কারখানা গড়ে ওঠেনি।
মৌসুম
- জানুকম
- ফেব্রুকম
- মার্চকম
- এপ্রিকম
- মেকম
- জুনবেশি
- জুলাবেশি
- আগবেশি
- সেপ্টেবেশি
- অক্টোকম
- নভেকম
- ডিসেকম
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবরিশাল · বানারীপাড়ার ১৬ গ্রামে ৯৩৭ হেক্টর — তিন জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় আবাদ এখানেই।
- খুব উপযোগীঝালকাঠি · ভীমরুলীর ভাসমান হাট এখানেই। সদর উপজেলার ১৩ গ্রামে ৩৫০ হেক্টরে বাণিজ্যিক চাষ, আর ২০২৬ সালে জেলায় মোট ৫৬২ হেক্টরে আবাদ হয়ে প্রায় ৫,৬২৬ টন উৎপাদনের আশা করা হচ্ছিল।
- খুব উপযোগীপিরোজপুর · নেছারাবাদ বা স্বরূপকাঠির ২৬ গ্রামে ৬৪৫ হেক্টরে চাষ; কুড়িয়ানা থেকে নৌকায় ৪০ মিনিটেই ভীমরুলীর মোকাম।
- সম্ভবভোলা · ভীমরুলীর মোকাম থেকে নিয়মিত পেয়ারা যায় এই জেলায়; নৌপথ কাছেই।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · ভীমরুলীর পেয়ারা যাওয়া বড় জেলাগুলোর একটি, ফলের আড়ত বড়।
- সম্ভবঢাকা · সবচেয়ে বড় বিক্রির বাজার; পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর পাইকার ও পর্যটক দুটোই বেড়েছে বলে চাষিরা জানিয়েছেন।
- সম্ভবফেনী · ভীমরুলীর মোকাম থেকে যে জেলাগুলোতে পেয়ারা পাঠানো হয় তার একটি।
- সম্ভবখুলনা · মোকাম থেকে নিয়মিত পেয়ারা যায়, আর সড়কপথ কাছাকাছি।
- সম্ভবমাদারীপুর · পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকামুখী পথে পড়ে, আর এই জেলাতেও ভীমরুলীর পেয়ারা যায়।
- সম্ভবপটুয়াখালী · একই বদ্বীপের খালঘেরা জমি, আর ভীমরুলীর পেয়ারা যাওয়া জেলাগুলোর একটি — বিক্রির বাজার আছে।
- কম উপযোগীবরগুনা · কম-বেশি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পেয়ারার চাষ হয়, কিন্তু বাণিজ্যিক বাগান বা মোকাম নেই।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: আয় আসে বছরে মাত্র তিন মাস — আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র — আর ওই আয় দিয়েই বারো মাস চলতে হয়। খরচ যায় তার আগে, মাঘ-ফাল্গুনে গাছপ্রতি তিন শ টাকারও বেশি। কম সুদের কৃষিঋণের ব্যবস্থা না থাকায় চাষিরা উচ্চ সুদে এনজিও ঋণ নেন, আর যা লাভ হয় তার বড় অংশ সুদেই চলে যায়।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: পুরো আয়টাই একটা মৌসুমি হাটের উপর দাঁড়িয়ে। মোকামে যত আড়তদার ও পাইকার আসবেন দাম তত ভালো; ফলন কম হলে পাইকার আসা কমে যায়, সঙ্গে পর্যটকও কমে। ফলে খারাপ বছরে ফলন, দাম আর পর্যটন তিনটাই একসঙ্গে পড়ে।
- মাঝারিঅন্যান্য: চাষিরা আবাদ ছেড়ে দিচ্ছেন। ভীমরুলীর চাষি জাহিদ মিয়া বলেছেন, খরচের তুলনায় আয় না ওঠায় অনেকে পেয়ারা চাষ বন্ধ করে দিয়েছেন, কেউ বাগান ছোট করেছেন, আর আমড়া, লেবু, মাল্টা ও সবজির দিকে ঝুঁকছেন। বাগান কমলে মোকামও ছোট হয়, তখন বাকিদের দামও পড়ে।
- বেশিনষ্ট হওয়া: পেয়ারা খুব দ্রুত পাকে ও পচে, অথচ পুরো অঞ্চলে হিমাগার নেই আর প্রক্রিয়াজাত কারখানাও গড়ে ওঠেনি। জগদীশপুরের চাষি বিমল মিস্ত্রির কথায়, হিমাগারের অভাবে প্রতিবছর কয়েক কোটি টাকার পেয়ারা নষ্ট হয়ে যায়। মোকামে দুপুরের মধ্যে বিক্রি না হলে সেই মাল আর বাঁচে না — এটাই এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় ফুটো।
- বেশিচাহিদা: আবহাওয়াই ফলন ঠিক করে। ফাল্গুনে মুকুল আসার সময় বৃষ্টি না হলে আর তাপপ্রবাহ পড়লে ফুল ও কচি পেয়ারা ঝরে যায়। ২০২৬ সালে দশ বিঘার বাগানে দিনে ১০ মণের জায়গায় মিলেছে ৩–৫ মণ। ২০২৪ সালেও একই ধাক্কা গেছে। দাম বাড়লেও উৎপাদন কম বলে চাষির আয় বাড়ে না, বরং কমে।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
হাঁস-মুরগির হ্যাচারি
ইনকিউবেটরে ডিম বসিয়ে এক দিনের বাচ্চা ফুটিয়ে খামারিদের কাছে বিক্রি। হাঁসের বাচ্চায় খরচ ৳৩০–৩৫ ও বিক্রি ৳৭২–৭৫, কিন্তু মুরগির বাচ্চার দাম দুই মাসে ৳২৫ থেকে ৳৮৫ আবার ৳৫-এ নেমে আসে।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ২ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ২৮ – ৬০ দিন
অ্যালোভেরা চাষ
ঘৃতকুমারীর পাতা কেটে কোম্পানির কাছে বিক্রি। বিঘায় খরচ প্রায় ৳৫০,০০০, পাতা বিক্রি ৳১.৫–২.৫ লাখ, কিন্তু ক্রেতা শুধু কয়েকটি ওষুধ ও জুস কোম্পানি।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ১২০ দিন
দুধ সংগ্রহ ও সরবরাহ
খামারির কাছ থেকে দুধ কিনে শীতলীকরণ কেন্দ্র ও দোকানে পৌঁছে দেওয়া। খামারি পান লিটারে ৳৩৫–৫০, কারখানা দেয় ৳৪৮–৫৮ — ফারাকটাই এই ব্যবসা।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ২১ দিন
কাজু বাদাম ও কফি চাষ
পাহাড়ের জমিতে কাজুবাদাম ও কফির বাগান। চাষি কাঁচা বাদামে কেজি ৳১৮০–২০০ আর কাঁচা কফিতে ৳৩৫০–৪০০ পান, কিন্তু চারা লাগানোর পর প্রথম ফল পেতে কফিতে ৩–৪ আর কাজুতে ৪–৫ বছর লাগে।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১,০৯৫ – ১,৮২৫ দিন
