বীমা এজেন্ট
কমিশনে চলা কাজ, পুঁজি প্রায় শূন্য। লাইফ বীমায় প্রথম বছরের প্রিমিয়ামের সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ কমিশন, আর নন-লাইফে ব্যক্তি এজেন্টের কাজ ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বন্ধ।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫০০ – ৳১৫,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ৯০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ১ – ৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘুরে ঘুরে সেবা · সহজ
ব্যবসাটি কী
বীমা এজেন্টের ব্যবসায় দোকান লাগে না, মজুত লাগে না, কারখানা লাগে না। আয় আসে শুধু কমিশনে, আর সেই কমিশনের হার আইনে লেখা আছে বলে আয়ের অঙ্ক আগেই হিসাব করা যায়। বীমা আইন, ২০১০-এর ৫৮(৩) ধারা অনুযায়ী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে একজন এজেন্টকে প্রথম বছরের প্রিমিয়ামের সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরের নবায়ন প্রিমিয়ামের ১০ শতাংশ আর পরের বছরগুলোতে ৫ শতাংশ কমিশন দেওয়া যায়। যে বীমা কোম্পানির বয়স দশ বছরের কম, সে প্রথম বছরে ৪৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১২ আর পরে ৬ শতাংশ পর্যন্ত দিতে পারে। অর্থাৎ ৳১০,০০০ টাকার বার্ষিক প্রিমিয়ামের একটা পলিসি করালে প্রথম বছরে ৳৩,৫০০ পর্যন্ত, আর পলিসি চালু থাকলে দ্বিতীয় বছরে ৳১,০০০ আর তারপর প্রতি বছর ৳৫০০ করে আসতে থাকে। বড় পরিবর্তনটা হলো, নন-লাইফ অর্থাৎ সাধারণ বীমায় ব্যক্তি এজেন্টের কাজ এখন বন্ধ। আইডিআরএ ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের ৪৬টি নন-লাইফ কোম্পানির ব্যক্তি এজেন্টদের লাইসেন্স স্থগিত করেছে এবং কমিশন দেওয়া নিষিদ্ধ করেছে; প্রজ্ঞাপনটি কার্যকর হয়েছে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে। আগে এই কমিশন ছিল ১৫ শতাংশ। ব্যাংকাস্যুরেন্স ও ইনস্যুরটেক এর বাইরে। তাই আজ যে বীমা এজেন্ট হতে চায়, তার পথ একটাই — লাইফ ইন্স্যুরেন্স। আর সেখানেও আসল খেলা প্রথম বছরের কমিশন নয়, পলিসি টিকিয়ে রাখা। পলিসি তামাদি হয়ে গেলে নবায়ন কমিশনও শেষ।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,৫০০ – ৳৫,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩৫ – ৳৪৫ / একক | সরকারি সূত্র | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩ – ৳১২ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৫% – ৪৫% | সরকারি সূত্র | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১ – ৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১৫ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২০% – ৪০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫ – ৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- মোবাইল ফোন, প্রস্তাব ফরম ও রসিদ বই, আর নবায়নের তারিখ রাখার একটা খাতা বা ডায়েরি। আলাদা কোনো যন্ত্রপাতি বা মজুত লাগে না।যন্ত্রপাতি
- বীমা এজেন্ট হিসেবে নিবন্ধন — বীমাকারী বা ব্রোকার কর্তৃক, বীমা আইন, ২০১০-এর ১২৪(১) ধারা অনুযায়ী। যোগ্যতা, নিবন্ধনের মেয়াদ, নবায়ন ফি ও ফি পরিশোধের পদ্ধতি আইডিআরএ প্রবিধান দ্বারা নির্ধারণ করে (ধারা ১২৪(৪))। নন-লাইফ বীমায় ব্যক্তি এজেন্টের লাইসেন্স ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে স্থগিত।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা, যদি নিজের নামে অফিস খোলেন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী। শুধু কোম্পানির নিবন্ধিত এজেন্ট হিসেবে ঘুরে কাজ করলে দোকান লাগে না।লাইসেন্স
- পলিসির শর্ত পড়া ও বোঝানোর ক্ষমতা — মেয়াদ, প্রিমিয়াম, সারেন্ডার ভ্যালু, বোনাস আর দাবি বাতিলের কারণ। সংখ্যার হিসাব ও লেখাপড়ার অভ্যাস না থাকলে গ্রাহককে ভুল বোঝানো হয়ে যায়।দক্ষতা
- একটি লাইফ বীমা কোম্পানি বা লাইসেন্সধারী ব্রোকার, যারা আপনাকে নিয়োগ ও নিবন্ধন করবে। ১২৪(৫) ধারা অনুযায়ী একই সময়ে একাধিক কোম্পানির এজেন্ট হওয়া যাবে না।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1প্রথমে ঠিক করুন কোন শাখায় কাজ করবেন। নন-লাইফ অর্থাৎ সাধারণ বীমায় ব্যক্তি এজেন্টের কাজ ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বন্ধ, তাই কার্যত পথ একটাই — লাইফ ইন্স্যুরেন্স।
- 2একটি লাইফ বীমা কোম্পানি বা ব্রোকার বেছে নিন। আইনের ১২৪(১) ধারা অনুযায়ী বীমাকারী বা ব্রোকারই এজেন্ট নিয়োগ ও নিবন্ধন করে এবং সব নিয়োগের একটি রেজিস্টার রাখে। নিজে গিয়ে আইডিআরএ থেকে লাইসেন্স নেওয়ার ব্যবস্থা নেই।
- 3কোম্পানির দেওয়া নিবন্ধনের কাগজ শেষ করুন এবং নিবন্ধন নম্বর ও মেয়াদ লিখে রাখুন। নিবন্ধিত না থাকলে ৫৮(২) ধারা অনুযায়ী লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আপনার সংগ্রহ করা ব্যবসার নবায়ন কমিশন আপনি পাবেন না।
- 4কমিশনের হার লিখিতভাবে নিন। ধারা ৫৮(৩) সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিয়েছে, কিন্তু কোম্পানি এর কম দিতে পারে — মুখের কথায় নয়, নিয়োগপত্রে হার লেখা আছে কি না দেখুন।
- 5প্রথম বছরের কমিশনকে আয় ধরে চলবেন না। ৳১০,০০০ প্রিমিয়ামের পলিসিতে প্রথম বছর ৳৩,৫০০ এলেও, দ্বিতীয় বছরে আসবে ৳১,০০০ আর তারপর বছরে ৳৫০০। টিকে থাকা পলিসির সংখ্যাই আপনার স্থায়ী আয়।
- 6যা বিক্রি করছেন তা নিজে বুঝে নিন — মেয়াদ, প্রিমিয়াম, কত বছর পর কত ফেরত, আর কোন কোন কারণে দাবি বাতিল হয়। ভুল বুঝিয়ে করানো পলিসি কয়েক বছর পর তামাদি হয়ে যায় আর আপনার নবায়ন কমিশনও তখনই বন্ধ।
- 7প্রতিটি প্রিমিয়ামের রসিদ গ্রাহককে বুঝিয়ে দিন এবং নিজের খাতায় নবায়নের তারিখ লিখে রাখুন। নবায়নের আগে ফোন করাই এই কাজের আসল পরিশ্রম।
- 8এক কোম্পানির নিবন্ধিত এজেন্ট থাকা অবস্থায় অন্য কোম্পানির এজেন্ট হবেন না — ১২৪(৫) ধারায় নিষেধ। কোম্পানি বদলাতে চাইলে আগে অব্যাহতি আদেশ নিন; পাওনা না থাকলে আবেদনের ১৫ দিনের মধ্যে তা দিতে কোম্পানি বাধ্য।
- 9রেয়াত বা ছাড় দেবেন না। নিজের কমিশন থেকে গ্রাহককে টাকা ফিরিয়ে দিয়ে পলিসি করানো ৬০ ধারায় নিষিদ্ধ, আর ৫৯(৬) ধারায় কমিশনের বিধান ভাঙার জন্য সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।
- 10নিজের এলাকা ও পরিচিত বৃত্ত ধরে কাজ করুন, কারণ পলিসি বিক্রির পর বছরের পর বছর তার কাছে যেতে হবে। দূরের গ্রাহকের নবায়ন ধরে রাখা যায় না, আর নবায়ন না হলে আয়ও নেই।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীর ঘনত্ব বেশি আর প্রায় সব কোম্পানির আঞ্চলিক কার্যালয় আছে।
- খুব উপযোগীকুমিল্লা · প্রবাসী পরিবার ও মহাসড়কঘেঁষা ব্যবসার কারণে প্রিমিয়াম চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য তুলনামূলক বেশি।
- খুব উপযোগীঢাকা · প্রায় সব বীমা কোম্পানির প্রধান কার্যালয় এখানে, চাকরিজীবী পরিবারের সংখ্যা বেশি আর নিয়মিত প্রিমিয়াম দেওয়ার সামর্থ্যও বেশি।
- খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী আয়ের কারণে পরিবারগুলোর হাতে নিয়মিত টাকা থাকে, আর সঞ্চয়ভিত্তিক লাইফ পলিসির চাহিদাও বেশি।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের ব্যবসাকেন্দ্র, কোম্পানিগুলোর শাখা আছে আর আশপাশের জেলায়ও যাওয়া যায়।
- সম্ভবব্রাহ্মণবাড়িয়া · প্রবাসী আয় বেশি, আর গ্রামের বাজার ঘিরে পরিচিতির বৃত্ত শক্ত — এজেন্টের কাজ পরিচিতির উপরই চলে।
- সম্ভবগাজীপুর · কারখানার কর্মী ও সুপারভাইজারের সংখ্যা বিপুল, তবে বেতন কম হওয়ায় ছোট প্রিমিয়ামের পলিসিই চলে।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ছোট ব্যবসায়ী ও কারখানা মালিকের ঘনত্ব বেশি; একই এলাকায় বারবার যাওয়া সহজ বলে নবায়ন ধরে রাখা যায়।
- সম্ভবনোয়াখালী · প্রবাসী পরিবারের সংখ্যা বেশি এবং সঞ্চয়ের অভ্যাস আছে।
- কম উপযোগীবান্দরবান · বসতি ছড়ানো ও যাতায়াত কঠিন; প্রতি বছর প্রিমিয়াম আদায়ে গ্রাহকের কাছে যেতে যা খরচ হয়, কমিশনে তা ওঠে না।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: নন-লাইফ বীমায় এই কাজটাই আর নেই। আইডিআরএ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে 'নন-লাইফ বিমাকারীর ব্যক্তি এজেন্ট কমিশন এবং উন্নয়ন কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা' শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানির ব্যক্তি এজেন্টদের লাইসেন্স স্থগিত করেছে এবং কমিশন দেওয়া নিষিদ্ধ করেছে। প্রজ্ঞাপন কার্যকর ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে। বিআইএ-র হিসাবে ওই কোম্পানিগুলোতে প্রায় তিন হাজার এজেন্ট ছিলেন; তাঁদের কমিশন ছিল ১৫ শতাংশ। উন্নয়ন কর্মকর্তাদেরও আর প্রিমিয়ামের শতকরা হারে টাকা দেওয়া যাবে না, দিতে হবে নির্ধারিত বেতন-কাঠামোয়। একই ধরনের সিদ্ধান্ত লাইফ বীমায় আসবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা কোথাও নেই।
- বেশিচাহিদা: আয়ের ভার পুরোটাই প্রথম বছরের কমিশনে। আইনের সীমা অনুযায়ী প্রথম বছরে ৩৫ শতাংশ (নতুন কোম্পানিতে ৪৫), দ্বিতীয় বছরে ১০ আর তারপর ৫ শতাংশ। অর্থাৎ পুরনো পলিসি থেকে যা আসে তা প্রথম বছরের এক-সপ্তমাংশ। ফলে প্রতি মাসে নতুন পলিসি না করাতে পারলে আয় সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যায় — এই কাঠামোই এজেন্টকে যেভাবেই হোক নতুন পলিসি করানোর দিকে ঠেলে দেয়।
- বেশিবাকিতে বিক্রি: গ্রাহক পলিসি বন্ধ করে দিলে নবায়ন কমিশনও বন্ধ। বীমা এজেন্টের সম্পদ হলো টিকে থাকা পলিসির তালিকা, আর সেই তালিকা প্রতি বছর ক্ষয়ে যায়। ৫৮(২) ধারা আরও বলছে, লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১২৪(১) ধারার অধীন নিবন্ধিত না থাকলে নিজের সংগ্রহ করা ব্যবসার নবায়ন কমিশনও পাওয়া যাবে না — অর্থাৎ নিবন্ধন নবায়ন না করলে পুরনো আয়ও হারায়।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: রেয়াত ও অতিরিক্ত কমিশনের ফাঁদ। কমিশনের নির্ধারিত হারের বেশি নেওয়া বা গ্রাহককে ছাড় দিয়ে পলিসি করানো ৫৯ ও ৬০ ধারায় নিষিদ্ধ, আর ৫৯(৬) ধারায় বীমাকারী, এজেন্ট, এজেন্ট নিয়োগকারী বা ব্রোকার — যে-ই লঙ্ঘন করুক, সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা। নন-লাইফে এই অতিরিক্ত কমিশনের চর্চাই শেষ পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাটা বন্ধ করিয়ে দিয়েছে।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: কোম্পানির সুনামের উপর ভর করেই আপনার কাজ চলে। দাবি পরিশোধে দেরি বা অস্বীকার হলে গ্রাহক এজেন্টকেই ধরে, কারণ কোম্পানির অফিস সে চেনে না — সে আপনাকে চেনে। এক পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হলে সেই এলাকার পরের দশটা পলিসিও আর হয় না।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, মোট লাভের হার, বিক্রয় মূল্য · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
ফ্ল্যাট ও জমি ব্রোকারেজ
ক্রেতা ও বিক্রেতাকে মিলিয়ে দিয়ে কমিশন নেওয়া। ব্রোকারির জন্য আলাদা সরকারি লাইসেন্স লাগে না, পুঁজি বলতে একটা ফোন; ঢাকায় ফ্ল্যাট বিক্রি হয় ১ কোটি থেকে ১১ কোটি টাকায়।
- পুঁজি
- ৳১ হাজার – ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ২৭০ দিন
অনলাইন কোর্স বিক্রি
নিজের জানা কাজ শেখানোর কোর্স বানিয়ে বিক্রি। পুঁজি প্রায় শূন্য, কোর্সের দাম ৳১,২৫০–৮,৮০০; তবে নতুন কোর্সের প্রথম ব্যাচে ভর্তি হয় মাত্র ১৬–৭২ জন।
- পুঁজি
- ৳০ – ৳৯০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ৯০ দিন
ইউটিউব ও কনটেন্ট তৈরি
ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে বিজ্ঞাপন থেকে আয়। বিজ্ঞাপনের টাকার ৫৫% পান নির্মাতা, শর্টসে ৪৫%; আয় শুরু করতে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও ৪০০০ ঘণ্টা ওয়াচ টাইম লাগে, যা দ্বিগুণ হচ্ছে।
- পুঁজি
- ৳৩ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪০ জন
- প্রথম আয়
- ৩৬৫ – ৭৩০ দিন
ফেসবুক পেজে পণ্য বিক্রি
ঢাকার বাইরে এক পার্সেল পাঠাতে কুরিয়ারে ৳১৩৫–১৫০ ও ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ১%। ফেরত এলে যাওয়া-আসার দুই ভাড়াই আপনার — ফেরতের হারই এই ব্যবসার আসল সংখ্যা।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩ – ২১ দিন
