• আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

নার্সারি ও চারা উৎপাদন

পলিব্যাগে চারা তুলে বিক্রি। খুচরা বিক্রিতে মাস চলে, কিন্তু সরকারি ও এনজিওর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চারা সরবরাহই আসল আয় — সেখানে আমের চারা ধরা হয় ৳৬০।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳৫০,০০০ – ৳৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৮ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
৬ – ১৮ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি কী

জমিতে পলিব্যাগ সাজিয়ে বীজ বোনা, কলম বাঁধা, আর এক মৌসুম পরে সেই চারা বিক্রি করা — এই হলো নার্সারি। দুই রকম বিক্রি হয়। এক, রাস্তার ধারে দোকান পেতে দু-চারটা করে বিক্রি; এতে মাস চলে, ব্যবসা হয় না। দুই, সরকারি আর এনজিওর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে একসঙ্গে হাজার হাজার চারা সরবরাহ — এইখানেই শখের নার্সারি আসল ব্যবসায় বদলায়। সরকারি দর কিন্তু কম নয়। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে চুয়াডাঙ্গায় কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির ২৫ হাজার চারার প্রকল্পে আমড়া, জাম ও বেলের চারা ধরা হয়েছিল প্রতিটি ৳৩০, জলপাই ৳৪০, আর আম ও তালের চারা ৳৬০; সঙ্গে প্রতিটি বাঁশের খুঁটি ৳৫০। খুচরা বাজারে একই চারা এর চেয়ে কম দামেও মেলে — পার্থক্যটাই সরবরাহকারীর লাভ। তবে এই কাজে ঢোকা সহজ নয়। ওই চুয়াডাঙ্গার প্রকল্পে উন্মুক্ত দরপত্রই ডাকা হয়নি, মাল নেওয়া হয়েছে হর্টিকালচার সেন্টার ও বিএডিসি থেকে। তাই উপজেলা কৃষি অফিস, বন বিভাগ আর এনজিওর সঙ্গে আগে থেকে যোগাযোগ না থাকলে বরাদ্দের খবরই পাওয়া যায় না। যশোরের মণিরামপুরে পাঁচ গ্রাম মিলে বছরে ৫০ কোটি টাকার বেশি চারা বিক্রি হয়, রংপুর অঞ্চলে ২১৬টি নিবন্ধিত ও ৮৪৪টি অনিবন্ধিত নার্সারি আছে — কাজটা ছোট মনে হলেও এর বাজার বড়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳১৫,০০০ – ৳৮০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩০ – ৳৬০ / এককসরকারি সূত্র
পরিবর্তনশীল খরচ৳৮ – ৳২৫ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৪০% – ৭৫%বিতর্কিত
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ৩৬৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৬ – ১৮ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৪৫ – ৩০০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১০% – ২৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা২০ – ১৫০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • পলিব্যাগ, কলমের ছুরি ও টেপ, ছায়ার জাল, সেচের পাম্প ও পাইপ, স্প্রে মেশিন, আর চারা পরিবহনের ভ্যান বা ট্রাক।যন্ত্রপাতি
  • বীজ, মাতৃগাছের ডাল, মাটি ও জৈব সার। মৌসুমের আগে এগুলো না তুললে বর্ষার বিক্রি ধরা যায় না।প্রাথমিক মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে দেওয়া হয়।লাইসেন্স
  • নার্সারি নিবন্ধন — উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসে নিবন্ধনের ব্যবস্থা আছে; রংপুর অঞ্চলে ২১৬টি নার্সারি নিবন্ধিত আর ৮৪৪টি অনিবন্ধিত। সরকারি কর্মসূচিতে চারা সরবরাহ করতে চাইলে নিবন্ধন ও টিআইএন থাকা দরকার। নিবন্ধনের ফি ও মেয়াদ এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • কলম বাঁধা — গুটি কলম, জোড় কলম ও চোখ কলম। জাত চিনতে ভুল হলে দুই বছর পর ফল ধরার সময় ধরা পড়ে, আর তখন গোটা এলাকায় নাম নষ্ট হয়।দক্ষতা
  • ভালো মাতৃগাছ, বীজ ও সায়ন; পলিব্যাগ, জৈব সার ও মাটির সরবরাহকারী। বন অধিদপ্তরের ৬২ জেলায় ১০১টি সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও ৩৩৪টি বাগান কেন্দ্র থেকে সুলভ মূল্যে চারা সংগ্রহ করা যায়।সরবরাহকারী
  • সেচের পানিসহ সমতল জমি, ছায়ার জাল আর ট্রাক ঢোকার রাস্তা। মণিরামপুরে নার্সারিগুলো ৩ থেকে ১২ বিঘা জমিতে, চার বিঘার বছরের ভাড়া ৳৬০,০০০।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1জায়গা ঠিক করুন — পানি সেচের ব্যবস্থা আছে, ছায়া দেওয়া যায় আর রাস্তা থেকে ট্রাক ঢোকে এমন জমি। চার বিঘা জমির বছরের ভাড়া মণিরামপুরে ৳৬০,০০০।
  2. 2উপজেলা কৃষি অফিস ও বন বিভাগে গিয়ে নার্সারি নিবন্ধনের খোঁজ নিন। রংপুর অঞ্চলে ২১৬টি নিবন্ধিত নার্সারির পাশে ৮৪৪টি অনিবন্ধিত — কিন্তু সরকারি সরবরাহে যেতে হলে কাগজ লাগে।
  3. 3ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। সরকারি বা এনজিওর কাছে বিল দিতে হলে লাইসেন্স ও টিআইএন দুটোই লাগে।
  4. 4কোন চারা তুলবেন ঠিক করুন। আশপাশে কী রোপণ হচ্ছে তা দেখে বাছুন — আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, লেবু, মেহগনি, তাল। ৩০০ রকমের চারা মণিরামপুরে ওঠে, কিন্তু শুরুতে ১০–১৫টাই যথেষ্ট।
  5. 5মাতৃগাছ ও ভালো বীজের উৎস ঠিক করুন, আর কলম বাঁধা শিখুন। কলমের চারার দামই বেশি, আর জাত ঠিক না হলে দুই বছর পর ক্রেতা আর ফিরবে না।
  6. 6পলিব্যাগে মাটি ভরে সারি করে বসান, আর কোন সারিতে কোন জাত তা লিখে রাখুন। মিশে গেলে পুরো চালানের দাম পড়ে যায়।
  7. 7বর্ষার আগে, অর্থাৎ মে-জুনের মধ্যে চারা বিক্রির উপযোগী করে রাখুন। বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ওই সময়েই হয় আর বছরের বেশির ভাগ বিক্রিও তখনই।
  8. 8উপজেলা কৃষি অফিস, বন বিভাগ ও এলাকার এনজিওতে নিয়মিত যান আর কোন কর্মসূচিতে কত চারা লাগবে তা আগে থেকে জেনে রাখুন। চুয়াডাঙ্গার ২৫ হাজার চারার প্রকল্পে উন্মুক্ত দরপত্র ডাকাই হয়নি — খবর না রাখলে বরাদ্দের কথা জানাই যাবে না।
  9. 9বড় সরবরাহের আগে লিখিত কার্যাদেশ নিন — কত চারা, কোন জাত, কত উচ্চতা, কবে দেবেন আর টাকা কবে পাবেন। মান নিয়ে অভিযোগ উঠলে চারা ফেরত যায়; আলমডাঙ্গায় প্রায় ৮০০টি চারা ফেরত দেওয়া হয়েছিল।
  10. 10রাস্তার ধারে বা বাজারে একটা বিক্রির জায়গা রাখুন। খুচরা বিক্রিতে নগদ টাকা আসে, আর সরকারি বিল পেতে দেরি হলে ওই নগদেই চলতে হয়।
  11. 11অন্য জেলার নার্সারির সঙ্গে পাইকারি বিক্রির যোগাযোগ রাখুন। মণিরামপুরের চারা প্রায় সব জেলায় যায় — বড় বিক্রি এভাবেই হয়।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিস্বাভাবিক
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাবেশি
  8. আগবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচুয়াডাঙ্গা · জেলা হর্টিকালচার সেন্টার ও বিএডিসি এখান থেকেই সরকারি কর্মসূচির চারা নেয়; ২০২৫–২৬ অর্থবছরে চার উপজেলায় ২৫ হাজার চারার কর্মসূচি হয়েছে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · দেশের সবচেয়ে বড় খুচরা বাজার — ছাদবাগান, বৃক্ষমেলা আর শহরের ক্রেতা; তবে জমি দামি বলে চারা বেশির ভাগই বাইরে থেকে আনা হয়।
  • খুব উপযোগীযশোর · মণিরামপুরের কুয়াদা বাজারকেন্দ্রিক পাঁচ গ্রামে বছরে ৫০ কোটি টাকার বেশি চারা বিক্রি হয়, ৩০০-র বেশি জাত ওঠে আর প্রায় সব জেলায় যায়।
  • খুব উপযোগীকুষ্টিয়া · কুবারহাটসহ আশপাশে ১৮টি নার্সারি বহু বছর ধরে এক কোম্পানির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চারা দেয় — প্রাতিষ্ঠানিক সরবরাহের বাজার এখানে তৈরি।
  • খুব উপযোগীরংপুর · অঞ্চলে ২১৬টি নিবন্ধিত ও ৮৪৪টি অনিবন্ধিত নার্সারি, প্রায় ৬,৫০০ শ্রমিক সরাসরি কাজ করেন আর ৫০ হাজার মানুষ পরোক্ষভাবে জড়িত।
  • সম্ভবচাঁপাইনবাবগঞ্জ · আমের এলাকা, তাই কলমের আমের চারার চাহিদা সবচেয়ে বেশি এখানেই এবং বাইরের জেলাতেও এখান থেকে যায়।
  • সম্ভবদিনাজপুর · ফলের চারার চাহিদা বাড়ছে আর জমি সস্তা, তবে বড় ক্রেতা শহর দূরে।
  • সম্ভবগাজীপুর · ঢাকার বাজার কাছে আর জমি তুলনামূলক সস্তা; বনাঞ্চল ঘেঁষা বলে বন বিভাগের কর্মসূচিও এখানে বেশি।
  • সম্ভবমেহেরপুর · চুয়াডাঙ্গা-যশোরের নার্সারি বলয়ের পাশেই, একই সরবরাহ শৃঙ্খলে ঢোকা যায়।
  • সম্ভবরাজশাহী · আম ও ফলবাগানের এলাকা; নতুন বাগান হলেই একসঙ্গে হাজারো চারা লাগে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিবাকিতে বিক্রি: সরকারি ও এনজিওর সরবরাহে চারা আগে দিতে হয়, বিল পাস হয়ে টাকা আসে পরে। ততদিনে শ্রমিকের মজুরি ও জমির ভাড়া দেওয়া হয়ে গেছে। মান নিয়ে অভিযোগ উঠলে চারা ফেরত যায় আর বিলও আটকে যায় — আলমডাঙ্গায় প্রায় ৮০০টি চারা নিম্নমানের বলে ফেরত দেওয়া হয়েছিল।
  • মাঝারিনষ্ট হওয়া: চারা জীবন্ত জিনিস। সেচ বন্ধ হলে, বন্যার পানি উঠলে বা প্রচণ্ড গরম পড়লে সারি সারি চারা মরে যায়, আর তখন ওই মৌসুমের পরিশ্রমটাই যায়। পরিবহনের সময় ব্যাগ ভেঙে গেলেও চারা টেকে না।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: বড় আয়টা আসে সরকারি ও এনজিওর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থেকে, কিন্তু সেই কাজ পাওয়ার পথ খোলা নয়। চুয়াডাঙ্গার ২৫ হাজার চারার প্রকল্পে উন্মুক্ত দরপত্রই ডাকা হয়নি — মাল নেওয়া হয়েছে সরকারি হর্টিকালচার সেন্টার ও বিএডিসি থেকে। বেসরকারি নার্সারি বরাদ্দের খবরই পায় না, আর একটা মৌসুমে কাজ না পেলে তোলা সব চারা হাতে পড়ে থাকে।
  • বেশিচাহিদা: বিক্রির সময় বছরে মাত্র চার-পাঁচ মাস, মূলত বর্ষার রোপণ মৌসুম। ওই সময়ে না বিকোলে চারা বড় হয়ে ব্যাগ ছাড়িয়ে যায়, তখন দাম কমে যায় বা ফেলে দিতে হয়। বাকি মাসগুলোতে জমির ভাড়া আর শ্রমিকের মজুরি কিন্তু চলতেই থাকে।
  • মাঝারিঅন্যান্য: বিনামূল্যে চারা বিলি বেসরকারি নার্সারির বাজার নষ্ট করে। ২০২৬ সালের আগস্টে কুষ্টিয়ায় অভিযোগ ওঠে, এক তামাক কোম্পানির বিনামূল্যের চারা বন বিভাগের কর্মকর্তারা এনে বিক্রি করে দিয়েছেন — কোম্পানি দিয়েছিল বলে দাবি ৩৫ হাজার চারা, বন বিভাগ বলছে ১৪ হাজার। এমন হলে যে নার্সারি টাকা দিয়ে চারা তোলে, সে বাজারেই দাঁড়াতে পারে না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

কৃষি ও খামার

হাঁস-মুরগির হ্যাচারি

ইনকিউবেটরে ডিম বসিয়ে এক দিনের বাচ্চা ফুটিয়ে খামারিদের কাছে বিক্রি। হাঁসের বাচ্চায় খরচ ৳৩০–৩৫ ও বিক্রি ৳৭২–৭৫, কিন্তু মুরগির বাচ্চার দাম দুই মাসে ৳২৫ থেকে ৳৮৫ আবার ৳৫-এ নেমে আসে।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৮ লাখ
জনবল
২ – ১৫ জন
প্রথম আয়
২৮ – ৬০ দিন
বাজারদর
কৃষি ও খামার

অ্যালোভেরা চাষ

ঘৃতকুমারীর পাতা কেটে কোম্পানির কাছে বিক্রি। বিঘায় খরচ প্রায় ৳৫০,০০০, পাতা বিক্রি ৳১.৫–২.৫ লাখ, কিন্তু ক্রেতা শুধু কয়েকটি ওষুধ ও জুস কোম্পানি।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৯০ – ১২০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
কৃষি ও খামার

দুধ সংগ্রহ ও সরবরাহ

খামারির কাছ থেকে দুধ কিনে শীতলীকরণ কেন্দ্র ও দোকানে পৌঁছে দেওয়া। খামারি পান লিটারে ৳৩৫–৫০, কারখানা দেয় ৳৪৮–৫৮ — ফারাকটাই এই ব্যবসা।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৭ – ২১ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

কাজু বাদাম ও কফি চাষ

পাহাড়ের জমিতে কাজুবাদাম ও কফির বাগান। চাষি কাঁচা বাদামে কেজি ৳১৮০–২০০ আর কাঁচা কফিতে ৳৩৫০–৪০০ পান, কিন্তু চারা লাগানোর পর প্রথম ফল পেতে কফিতে ৩–৪ আর কাজুতে ৪–৫ বছর লাগে।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
১,০৯৫ – ১,৮২৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
নার্সারি ও চারা উৎপাদন: দাম, সরকারি সরবরাহ ও আয়ের হিসাব · আয়রোজগার