ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি
অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও তোলার কাজ। ছোট প্যাকেজ ৳১৫,০০০ থেকে শুরু, আর কাজ চালানোর মতো ক্যামেরা-লেন্স-ট্রাইপডেই লাগে প্রায় ৳১,০৫,০০০।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৮৫,০০০ – ৳৪,০০,০০০ বাজারদর
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ৩০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৫ – ১২ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘুরে ঘুরে সেবা · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
বিয়ে, গায়েহলুদ, আকিকা, জন্মদিন, ছাত্রছাত্রীর অনুষ্ঠান আর ছোট ব্যবসার পণ্যের ছবি — ক্যামেরা নিয়ে গিয়ে ছবি তোলা আর ভিডিও করা, তারপর সম্পাদনা করে দেওয়া। এই কাজে দুটো সংখ্যা মুখোমুখি দাঁড়ায়: যন্ত্রের দাম আর এক অনুষ্ঠানে কত পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর স্টার টেকের দরে লেন্সসহ সনি জেডভি-ই১০ ক্যামেরা ৳৭৩,৫২৫, একটা ৫০ মিলিমিটার লেন্স ৳২৫,৬২০, ট্রাইপড ৳৫,৭০০ — অর্থাৎ কাজ চালানোর মতো একটা সেট দাঁড়ায় প্রায় ৳১,০৫,০০০। আর সিনেমার মতো ভিডিওর জন্য সনি এফএক্স৩০-এর বডিই ৳১,৭৫,৮৯০। অন্যদিকে ঢাকা ও চট্টগ্রামের একটি পরিচিত স্টুডিওর তালিকায় সবচেয়ে ছোট প্যাকেজ — একজন ফটোগ্রাফার, চার ঘণ্টা, ১০০টি সম্পাদিত ছবি — ৳১৫,০০০। মাঝারি প্যাকেজ ৳৩৫,০০০–৬০,০০০, আর সবচেয়ে বড়টি ৳২,৫০,০০০। ভিডিওর ছোট প্যাকেজও ৳১৫,০০০ থেকে শুরু। সংখ্যা দুটো মিলিয়ে দেখলেই বোঝা যায়, শুরুর যন্ত্রের দাম উঠতে ছয়-সাতটা অনুষ্ঠান লাগে। সমস্যা হলো অনুষ্ঠান সারা বছর হয় না। শীতের বিয়ের মৌসুমে একদিনে দুটো কাজও পড়ে, আবার বর্ষার চার-পাঁচ মাস প্রায় কিছুই থাকে না। ওই মরা মাসগুলোতে যন্ত্রের কিস্তি আর সহকারীর টাকা কোথা থেকে আসবে — দ্বিতীয় বছর টিকবেন কি না সেটাই ঠিক করে দেয়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১৫,০০০ – ৳৮০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৫,০০০ – ৳২,৫০,০০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৬,০০০ – ৳৭০,০০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৬০% – ৭২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৫ – ১২ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৭ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১ – ২ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- সম্পাদনার কম্পিউটার আর অন্তত দুটি হার্ডডিস্ক — একটাতে কাজ, আরেকটাতে নকল। একটা কার্ড নষ্ট হলে পুরো বিয়ের ছবি চলে যায়।যন্ত্রপাতি
- ক্যামেরা ও লেন্স। ১৬-০৯-২০২৬ তারিখে স্টার টেকের দর: লেন্সসহ সনি জেডভি-ই১০ ৳৭৩,৫২৫, সনি জেডভি-১এফ ৳৫৩,৯৫০, সনি এফএক্স৩০ সিনেমা বডি ৳১,৭৫,৮৯০; ক্যানন ইএফ ৫০ মিমি ৳১৪,৫৩৫, সনি এফই ৫০ মিমি ৳২৫,৬২০, সনি এফই ৮৫ মিমি ৳৪৬,৮৬০।যন্ত্রপাতি
- ট্রাইপড, ভিডিও হেড, বাড়তি ব্যাটারি, মেমোরি কার্ড, আলো ও মাইক। স্টার টেকের দরে ট্রাইপড ৳১,৮০০–৫,৭০০, ভিডিও ফ্লুইড হেড ৳১৫,৪০০।যন্ত্রপাতি
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের কাজ নিতে হলে টিআইএনও লাগে।লাইসেন্স
- কম আলোয় ছবি তোলা, অনুষ্ঠানের গতি বুঝে দাঁড়ানো, আর সম্পাদনা — রং ঠিক করা ও ভিডিও কাটা। ভালো যন্ত্র থাকলেই ভালো ছবি হয় না।দক্ষতা
- সহকারী ফটোগ্রাফার ও সিনেমাটোগ্রাফারের দল, আর যন্ত্র ভাড়ার দোকান। বড় প্যাকেজে ৩ থেকে ৫ জন লাগে, আর হঠাৎ বেশি কাজ পড়লে ভাড়ার ক্যামেরাই ভরসা।সরবরাহকারী
- আলাদা দোকান লাগে না — কাজ হয় অনুষ্ঠানের জায়গায়, আর সম্পাদনা বাড়িতেই চলে। তবে ক্লায়েন্টের সঙ্গে বসার জায়গা থাকলে বড় কাজ পেতে সুবিধা।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ঠিক করুন কী করবেন — শুধু ছবি, শুধু ভিডিও, নাকি দুটোই। দুটো একসঙ্গে করতে গেলে যন্ত্র ও লোক দুটোই দ্বিগুণ লাগে।
- 2যন্ত্র কেনার আগে ভাড়া নিয়ে কয়েকটা কাজ করুন। কাজ আসছে কি না আর আপনি সামলাতে পারছেন কি না — দুটোই টাকা ঢালার আগে বুঝে নেওয়া ভালো।
- 3শুরুর সেটটা ঠিক করুন — লেন্সসহ একটা বডি, একটা পোর্ট্রেট লেন্স, ট্রাইপড, মেমোরি কার্ড আর ব্যাগ। ১৬-০৯-২০২৬ তারিখে এই সেট প্রায় ৳১,০৫,০০০।
- 4সম্পাদনার ব্যবস্থা করুন — কম্পিউটার আর অন্তত দুটো হার্ডডিস্ক। ছবি হারিয়ে গেলে টাকা তো যাবেই, নামও যাবে।
- 5ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। কমিউনিটি সেন্টার, স্কুল বা কোম্পানির কাজ পেতে বিল দিতে হয়, আর বিলের জন্য লাইসেন্স লাগে।
- 6নিজের প্যাকেজের তালিকা বানান — কত ঘণ্টা, কতজন লোক, কতগুলো সম্পাদিত ছবি, ভিডিও কত মিনিট, কবে দেবেন। দাম বলার আগে এই তালিকাটা থাকতে হবে।
- 7প্রতিটি বুকিংয়ে অগ্রিম নিন আর তারিখ লিখে রাখুন। শীতের মৌসুমে একই তারিখে দুটো বুকিং পড়লে ঝামেলা হয়, আর অগ্রিম ছাড়া বুকিং বাতিলও হয়ে যায়।
- 8সহকারী ফটোগ্রাফার ও সিনেমাটোগ্রাফারের একটা দল তৈরি রাখুন। বড় প্যাকেজে ৩ থেকে ৫ জন লাগে, আর মৌসুমে একদিনে সবাইকে পাওয়া যায় না।
- 9কাজ শেষ হওয়ার কত দিনের মধ্যে ছবি ও ভিডিও দেবেন তা আগেই লিখিত বলুন, আর সেটা মানুন। দেরি হলেই বাকি টাকা আটকে যায়।
- 10ফেসবুক ও ইউটিউবে কাজ দেখাতে থাকুন। এই ব্যবসায় বেশির ভাগ বুকিং আসে আগের কাজ দেখে আর মুখে মুখে।
- 11বর্ষার মরা মাসগুলোর জন্য আলাদা কাজ ঠিক করুন — পণ্যের ছবি, পাসপোর্ট ছবি, স্কুলের অনুষ্ঠান, ছোট কোম্পানির ভিডিও। মৌসুমের আয় দিয়েই ওই মাসগুলো পার করতে হয়।
- 12প্রতি কাজের হিসাব আলাদা লিখুন — কত পেলেন, সহকারীকে কত দিলেন, যাতায়াতে কত গেল। তিনটা বাদ দিয়ে যা থাকে সেটাই আসল আয়।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাকম
- আগকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় স্টুডিওগুলো ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামেও আলাদা দল ও আলাদা মূল্যতালিকা রাখে — বাজারটা যথেষ্ট বড়।
- খুব উপযোগীঢাকা · দেশের সবচেয়ে বেশি কমিউনিটি সেন্টার ও কনভেনশন হল এখানেই; নামকরা ওয়েডিং স্টুডিওগুলোর ঘাঁটিও ঢাকা, আর প্যাকেজের দামও এখানে সবচেয়ে বেশি।
- খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবারের বিয়েতে খরচ বেশি হয়, আর শহরে পেশাদার ওয়েডিং স্টুডিও বসেছে — বড় প্যাকেজ বিক্রির সুযোগ এখানে ভালো।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বড় শহর, আশপাশের জেলার অনুষ্ঠানেও এখান থেকে দল যায়।
- সম্ভবকক্সবাজার · প্রি-ওয়েডিং ও বেড়াতে আসা দম্পতির ছবি তোলার আলাদা বাজার; তবে পর্যটন মৌসুমের বাইরে কাজ কমে যায়।
- সম্ভবকুমিল্লা · প্রবাসী পরিবার বেশি আর মহাসড়কের ধারে কমিউনিটি সেন্টারের সংখ্যাও বাড়ছে।
- সম্ভবগাজীপুর · ঢাকার লাগোয়া, কমিউনিটি সেন্টার বাড়ছে আর ঢাকার দল এসে কাজ করে যায় বলে প্রতিযোগিতাও বেশি।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহরের বিয়ে ও অনুষ্ঠানের বাজার আছে, কিন্তু বড় প্যাকেজের ক্রেতা কম।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও বহু অনুষ্ঠানের জায়গা; ঢাকার একেবারে কাছে বলে যাতায়াত খরচ কম।
- সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহর ও বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক অনুষ্ঠান; দাম ঢাকার চেয়ে কম।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: টাকা আগে যন্ত্রে ঢালতে হয়, আয় আসে পরে। কাজ চালানোর একটা সেটই প্রায় ৳১,০৫,০০০, আর সিনেমার মতো ভিডিও করতে চাইলে শুধু বডিই ৳১,৭৫,৮৯০। সবচেয়ে ছোট প্যাকেজ ৳১৫,০০০ ধরলে ওই টাকা উঠতেই ছয়-সাতটা অনুষ্ঠান লাগে — আর মৌসুম ছাড়া অত অনুষ্ঠান পাওয়া যায় না।
- বেশিঅন্যান্য: যন্ত্র নষ্ট, চুরি বা হারিয়ে যাওয়া। ভিড়ের অনুষ্ঠানে লেন্স পড়ে ভাঙলে ৳২৫,০০০–৪৬,০০০ সঙ্গে সঙ্গে চলে যায়, যা কয়েকটা অনুষ্ঠানের আয়ের সমান। এর চেয়েও খারাপ হলো মেমোরি কার্ড নষ্ট হয়ে বিয়ের ছবি হারিয়ে যাওয়া — তখন টাকা ফেরত দিতে হয় আর এলাকায় নাম নষ্ট হয়ে যায়।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: অগ্রিম নেওয়া হয় অল্প, বাকি টাকা আসে ছবি-ভিডিও দেওয়ার পর। সম্পাদনায় দেরি হলে বা ক্লায়েন্ট পছন্দ না করলে সেই টাকা মাসের পর মাস আটকে থাকে, অথচ সহকারীদের টাকা অনুষ্ঠানের দিনই দিতে হয়েছে।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: বেশির ভাগ কাজ আসে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে, আর বুকিং আসে আগের কাজ দেখে ও মুখে মুখে। কমিউনিটি সেন্টার বা ইভেন্ট আয়োজকের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে গেলে বা ফেসবুক পাতা বন্ধ হয়ে গেলে কাজের উৎসটাই হঠাৎ শুকিয়ে যায়।
- বেশিচাহিদা: কাজ সারা বছর নেই। শীতের বিয়ের মৌসুমে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি একদিনে দুটো বুকিংও পড়ে, আবার বর্ষার চার-পাঁচ মাস প্রায় কিছুই থাকে না। রোজার মাসেও অনুষ্ঠান বন্ধ থাকে। ওই মরা মাসগুলোতেও কিস্তি, ইন্টারনেট আর যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ চলতেই থাকে — দ্বিতীয় বছর টিকতে না পারার সবচেয়ে বড় কারণ এটাই।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
সাউন্ড ও লাইট ভাড়া
মাইক, সাউন্ড বক্স ও আলো কিনে অনুষ্ঠানে দিন হিসেবে ভাড়া দেওয়া। ভেড়ামারায় গাড়িসহ এক দিনের মাইক ভাড়া ৳১,২০০, তার ৳৫০০ যন্ত্রের। শব্দদূষণ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী এখন লিখিত অনুমতি লাগে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳৪.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
ইজিবাইক চার্জিং স্টেশন
ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার ব্যাটারি চার্জ করার গ্যারেজ। বিদ্যুতের দর এলটি-ডি৩ শ্রেণিতে ইউনিটপ্রতি ৳৯.০৯–১৪.২০, আর আবাসিক সংযোগ থেকে বাণিজ্যিক চার্জিং নিষিদ্ধ।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
এসি ও ফ্রিজ সার্ভিসিং
বাসা ও অফিসে গিয়ে এসি-ফ্রিজ সার্ভিসিং ও মেরামত। মার্চ-জুনে কাজের চাপ, শীতে প্রায় বন্ধ — তাই বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ছাড়া বারো মাস চালানো কঠিন।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
কার ওয়াশ ও সার্ভিসিং
গাড়ি ধোয়া, ভেতর পরিষ্কার ও পলিশ। ঢাকায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের দর ৳১,৭৯০–৫,৭০০ প্রতি গাড়ি, আর প্রেশার ওয়াশার ৳৭,২৫০ থেকেই কেনা যায়।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
