জুতা তৈরির কারখানা
ছোট কারখানায় স্যান্ডেল ও জুতা বানিয়ে পাইকারের কাছে বিক্রি। স্যান্ডেল ৳২৫০–৭০০, চামড়ার জুতা ৳১,২০০। ভৈরবে ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,৫০,০০০ – ৳১০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ৯০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৪ – ৯ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
ছোট ঘরে কয়েকটা সেলাই মেশিন বসিয়ে স্যান্ডেল, কেডস ও জুতা বানানো। চামড়া বা রেক্সিনের উপর হাতে দাগ কেটে অংশগুলো কাটা হয়, সেলাই মেশিনে জোড়া দিয়ে জুতার 'আপার' তৈরি হয়, তারপর আঠা বা সেলাই দিয়ে সোলের সঙ্গে লাগিয়ে ফিনিশিং ও রং করে ক্রেতার দেওয়া মোড়কে ভরে দেওয়া হয়। দেশের সবচেয়ে বড় পাদুকা ক্লাস্টার কিশোরগঞ্জের ভৈরবে, ১৯৮৯ সাল থেকে। এসএমই ফাউন্ডেশনের নিজস্ব প্রতিবেদন অনুযায়ী সেখানে আনুমানিক ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন, আর গোটা ক্লাস্টারটি ভৈরব উপজেলা সদর ঘিরে ৫–৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৭ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে হাতে তৈরি পাদুকার কারখানা ছিল ৪৫–৫০টি আর মেশিনের দোকান ২৬টি; হাতের কারখানায় দিনে গড়ে ১২০ জোড়া আর মেশিনের কারখানায় ৫০০–৬০০ জোড়া জুতা হয়, শ্রমিকের বেতন ৳৮,০০০ থেকে ৳৩০,০০০, চামড়ার জুতার দাম ৳১,২০০ আর স্যান্ডেল ৳২৫০–৭০০। ব্যবসার আসল সমস্যা দুটো। এক, বেশির ভাগ কারখানার নিজের শো-রুম নেই — মাল যায় বাজারের পাইকার ও আড়তদারের হাত দিয়ে, দাম তাঁরাই ঠিক করেন। দুই, বছরের কয়েকটা মাস একদম মন্দা যায়; ২০১৩ সালে ভৈরবের মালিকেরা জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চকে মন্দা মাস বলেছিলেন আর ব্যাংকের কিস্তি দিতে না পেরে জটিলতায় পড়তেন — তাঁরা চেয়েছিলেন বারো মাসের কিস্তি যেন নয় মাসে দেওয়া যায়। ঈদ প্রতি বছর প্রায় এগারো দিন এগিয়ে আসে, তাই ব্যস্ত ও মন্দা মৌসুম দুটোই বছরে বছরে সরে যায় — এই ব্যবসায় ঢুকতে হলে ক্যালেন্ডারটা আগে বুঝে নিতে হয়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,২০,০০০ – ৳৬,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২৫০ – ৳১,২০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৮০ – ৳৭৮০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২৮% – ৩৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ৯ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৩০ – ৭৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১২০ – ৬০০ | বাজারদর |
শুরু করতে যা লাগবে
- সেলাই মেশিন, বব মেশিন, কালার মেশিন ও কাটার ছুরি — এসএমই ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে ভৈরব ক্লাস্টারের প্রধান যন্ত্র হিসেবে এগুলোই উল্লেখ করা হয়েছে। এই যন্ত্রগুলোর বর্তমান দাম এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- চামড়া, পেস্ট, সলিউশন, রেক্সিন, ফোম, রাবার, সুতা ও রং — এসএমই ফাউন্ডেশনের তালিকা অনুযায়ী ক্লাস্টারের প্রধান কাঁচামাল। সোল ও ফিতা আলাদা কিনতে হয়।প্রাথমিক মাল
- এনবিআর থেকে টিআইএন ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভ্যাট নিবন্ধন (বিআইএন) — বড় ব্র্যান্ড বা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করতে হলে চালান লাগে।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। কাগজ ঠিক থাকলে ৩–৫ কার্যদিবস, প্রতি বছর নবায়ন।লাইসেন্স
- হাতে দাগ কেটে অংশ কাটা আর সেলাই মেশিনে আপার তৈরি করা — পুরো কাজটাই এখনো মূলত হাতের। দক্ষ কারিগরের অভাবকে এসএমই ফাউন্ডেশন ক্লাস্টারের প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে।দক্ষতা
- বাজারের পাইকার ও আড়তদার (বিক্রির প্রধান পথ), চামড়া ও রেক্সিনের সরবরাহকারী, সোল প্রস্তুতকারক, আর মেশিন সারানোর মিস্ত্রি।সরবরাহকারী
- কাটা, সেলাই, আঠা লাগানো ও ফিনিশিংয়ের আলাদা জায়গাসহ একটি ঘর, বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা, আর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। ভৈরবে গোটা ক্লাস্টারটি উপজেলা সদর ঘিরে ৫–৬ কিলোমিটারের মধ্যে, তাই কাঁচামাল ও কারিগর দুটোই হাতের কাছে মেলে।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1কোন জিনিস বানাবেন আগে ঠিক করুন — সস্তা স্যান্ডেল, কেডস, না চামড়ার জুতা। ভৈরব ক্লাস্টারের প্রধান পণ্য পুরুষ, নারী ও শিশুদের স্যান্ডেল, তার সঙ্গে কেডস ও সু-জুতা।
- 2কারখানা বসানোর আগে ক্রেতা ঠিক করুন। বেশির ভাগ কারখানার নিজের শো-রুম নেই; মাল যায় বাজারের পাইকার ও আড়তদারের মাধ্যমে, আর কেউ কেউ সরাসরি অ্যাপেক্স বা বাটার মতো বড় কোম্পানিকে সরবরাহ করেন।
- 3ঘর ভাড়া নিন — কাটার টেবিল, সেলাই মেশিনের সারি, আঠা লাগানো ও ফিনিশিংয়ের জায়গা, আর মাল রাখার জায়গা আলাদা রাখুন। আঠা ও সলিউশনের গন্ধের জন্য বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা লাগবে।
- 4ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর বড় প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করতে চাইলে এনবিআরের টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধনও করিয়ে রাখুন — চালান ছাড়া তারা বিল দেয় না।
- 5যন্ত্র কিনুন: সেলাই মেশিন, বব মেশিন, কালার মেশিন আর কাটার ছুরি। এসএমই ফাউন্ডেশনের হিসাবে ভৈরব ক্লাস্টারে এগুলোই প্রধান যন্ত্র, আর কাজের বড় অংশ এখনো হাতেই হয়।
- 6কাঁচামালের সরবরাহকারী ঠিক করুন — চামড়া, পেস্ট, সলিউশন, রেক্সিন, ফোম, রাবার, সুতা ও রং।
- 7কারিগর জোগাড় করুন আর হাতে-কলমে শেখান। দক্ষ কারিগরের অভাব এই ক্লাস্টারের এক নম্বর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত, আর উদ্যোক্তারা নিজেরাই বলেছেন বক্তৃতার প্রশিক্ষণে কাজ হয় না, কারখানায় হাতে ধরে শেখাতে হয়।
- 8নমুনা বানিয়ে পাইকারের অনুমোদন নিন, তারপর মাপ ও মান ধরে রাখুন। ক্রেতা প্রায়ই নিজের মোড়ক দেন, অর্থাৎ বাক্সে তাঁর নাম আর ভেতরে আপনার শ্রম।
- 9ঈদের অন্তত দুই মাস আগে থেকে উৎপাদন বাড়ান, আর ঈদ প্রতি বছর প্রায় এগারো দিন এগিয়ে আসে — এই হিসাব মাথায় রেখে কাঁচামাল কিনুন।
- 10মালামাল পাঠানোর ব্যবস্থা আগে দেখে নিন। ভৈরবের সঙ্গে চট্টগ্রামের রেল যোগাযোগ থাকলেও ঢাকা বা ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন ভৈরবে পৌঁছানোর আগেই ভরে যায়, তাই রেলে পাদুকা পাঠানো যায় না — সড়কপথই ভরসা।
- 11ব্যাংকের কিস্তির সময়সূচি নিয়ে আগেই কথা বলুন। ভৈরবের মালিকেরা জানিয়েছেন বছরের তিন মাস কার্যত মন্দা যায় আর ওই সময় কিস্তি দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে; তাঁরা বারো মাসের কিস্তি নয় মাসে দেওয়ার সুযোগ চেয়েছিলেন।
- 12মন্দা মাসের মজুরি আগেই আলাদা করে রাখুন। কারিগর একবার ছেড়ে গেলে ঈদের আগে নতুন লোক পাওয়া কঠিন, আর অদক্ষ লোক দিয়ে অর্ডার মারা যায়।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাকম
- আগকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীব্রাহ্মণবাড়িয়া · হাতে তৈরি পাদুকার পুরোনো কেন্দ্র — ১৭ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে ৪৫–৫০টি হাতের কারখানা ও ২৬টি মেশিনের দোকান, মেশিনের কারখানায় প্রায় চার হাজার শ্রমিক। ভৈরবের লাগোয়া হওয়ায় কাঁচামাল ও কারিগর দুই দিকেই যাতায়াত চলে।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় ক্রেতা বাজার আর বড় কোম্পানির সদর দপ্তর; ভৈরবের কিছু কারখানা সরাসরি অ্যাপেক্স ও বাটার মতো প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহ করে, আর ঈদের অর্ডারও এখান থেকেই আসে।
- খুব উপযোগীকিশোরগঞ্জ · ভৈরব পাদুকা শিল্প ক্লাস্টার — ১৯৮৯ সাল থেকে চলছে আর এটিই দেশের সবচেয়ে বড় পাদুকা ক্লাস্টার; আনুমানিক ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন, পুরোটা উপজেলা সদরের ৫–৬ কিলোমিটারের মধ্যে। ভৈরব পাদুকা শিল্প মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডও এখানেই।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · ভৈরবের সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ আছে আর বন্দরনগরীর বাজারও বড়; তবে পণ্য পাঠানো কার্যত সড়কপথেই হয়।
- সম্ভবকুমিল্লা · কুমিল্লা ইপিজেডে জুতা তৈরির কারখানা হচ্ছে যেখানে প্রায় ৫০০ জনের কর্মসংস্থান হবে (২২-০৫-২০২৬) — অর্থাৎ এখানে দক্ষ কারিগর তৈরি হবে আর যন্ত্রাংশের সরবরাহও বাড়বে।
- সম্ভবময়মনসিংহ · ভৈরবের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত বিভাগীয় শহর, উত্তরের জেলাগুলোয় পাইকারি বিক্রির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · রেক্সিন, ফোম ও সুতার সরবরাহ এখান থেকেই সহজ, আর ঢাকার পাইকারি বাজারও কাছে।
- সম্ভবনরসিংদী · মেঘনার ওপারে ভৈরবের লাগোয়া, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ধরে ভৈরবের কাঁচামাল ও পাইকারি বাজারের সঙ্গে যুক্ত।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: বছরের একটা পুরো ত্রৈমাসিক কার্যত বসে থাকতে হয়। এসএমই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে মতবিনিময়ে ভৈরবের উদ্যোক্তারা জানিয়েছিলেন, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ — এই তিন মাস পাদুকা শিল্পের জন্য অত্যন্ত মন্দা সময়, আর তখন ব্যাংকের কিস্তি দেওয়া বেশির ভাগ উদ্যোক্তার পক্ষে কষ্টকর বা অসাধ্য হয়ে পড়ে; সারা বছর নিয়মিত কিস্তি দিয়েও এই তিন মাসে তাঁরা ব্যাংকের সঙ্গে জটিলতায় পড়েন। ঈদ প্রতি বছর এগারো দিন এগিয়ে আসায় মন্দা ত্রৈমাসিকটিও সরে যায়, তাই কোন মাসে কাজ থাকবে না তা প্রতি বছর নতুন করে হিসাব করতে হয়।
- বেশিনির্ভরশীলতা: দাম আপনি ঠিক করেন না। এসএমই ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী ভৈরব ক্লাস্টারের অধিকাংশ কারখানা মালিকের নিজস্ব শো-রুম বা বিক্রয়কেন্দ্র নেই, তাঁরা বাজারের পাইকার ও আড়তদারের মাধ্যমে মাল বিক্রি করেন। ভৈরবে কোনো পাইকারি পাদুকা বাজারও নেই — উদ্যোক্তাদের দাবিই ছিল সরকারি উদ্যোগে একটি পাইকারি বাজার হোক। মাঝখানের এই হাতবদলেই লাভের বড় অংশ চলে যায়।
- বেশিচলতি মূলধন: ঋণ পাওয়ার শর্তই অনেককে বাদ দিয়ে দেয়। ভৈরব ক্লাস্টারের প্রায় ৪০ শতাংশ উদ্যোক্তা পূবালী, জনতাসহ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন, কিন্তু ঋণের জন্য পৌরসভা এলাকার ভেতরের সম্পদ জামানত রাখতে হয় — যাঁরা বাইরে থেকে এসেছেন তাঁদের জন্য এটি বড় বাধা। অর্থাৎ কারিগরি দক্ষতা থাকলেও জমি না থাকলে পুঁজি মেলে না।
- মাঝারিঅন্যান্য: মেশিনের কারখানা হাতের কারখানাকে চেপে ধরছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৭ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে হাতে তৈরির কারখানা ছিল ৪৫–৫০টি আর মেশিনের ২৬টি, কিন্তু হাতের কারখানায় দিনে ১২০ জোড়ার বিপরীতে মেশিনে ৫০০–৬০০ জোড়া। একই মজুরিতে পাঁচ গুণ উৎপাদন মানে দামের লড়াইয়ে হাতে তৈরি জুতা টিকতে পারে না।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: দক্ষ কারিগর পাওয়া যায় না — এসএমই ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে এটিই ক্লাস্টারের এক নম্বর সমস্যা হিসেবে লেখা আছে, আর ক্লাস্টারে আধুনিক যন্ত্রসমৃদ্ধ কোনো কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টারও নেই। ঈদের আগে কারিগর অন্য কারখানায় চলে গেলে অর্ডার আটকে যায়, আর অর্ডার ফেরত গেলে পাইকার পরের মৌসুমে আর আসেন না।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২০ ফেব, ২০১৩
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · কিশোরগঞ্জ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
থাই গ্লাস ও অ্যালুমিনিয়াম
অ্যালুমিনিয়াম ও কাচ মেপে কেটে দরজা-জানালা-পার্টিশন বানিয়ে লাগানো। সাধারণ কাজের দর প্রতি বর্গফুট ৳৪৭০–৭৫০, আর মাপ ভুল হলে কাটা মাল ফেরত যায় না।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ২০ – ৬০ দিন
খাতা তৈরির কারখানা
কাগজ কেটে, ভাঁজ করে, মলাট দিয়ে খাতা বানানো। অনলাইনে ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯ আর ১২০ পৃষ্ঠার ৳৭৫, অথচ এক বছরে কাগজের প্যাকেট ১০০–১৫০ টাকা বেড়েছে।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৭ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
আগর-আতর উৎপাদন
আগরগাছের কাঠ ভিজিয়ে জ্বাল দিয়ে সুগন্ধি আতর নামানো। বড়লেখার সুজানগরে প্রায় ২৫০টি কারখানা, মানভেদে তোলাপ্রতি ৳৬,০০০–১০,০০০, আর প্রায় পুরোটাই রপ্তানি হয়।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ২,৫৫৫ – ১০,৯৫০ দিন
কাঠের ফার্নিচার ওয়ার্কশপ
অর্ডার নিয়ে খাট-আলমারি-টেবিল বানানো। এমডিএফের খাট ৳১২,০০০ থেকে, পুরো সেগুনের কিং খাট ৳১,৮০,০০০ পর্যন্ত — কিন্তু কাঠ কিনতে হয় আগে, টাকা আসে ডেলিভারির পরে।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
