• আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ছোট বেকারি

পাউরুটি, বিস্কুট ও কেক বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। ময়দার বস্তা এক বছরে ৳২,৩০০ থেকে ৳৩,১০০, আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ৳১,০০০ — বাধ্যতামূলক।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳২,৫০,০০০ – ৳২০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
৩ – ২০ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
১১ – ১৭ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · কঠিন

ব্যবসাটি কী

পাউরুটি, বনরুটি, বিস্কুট আর কেক বানিয়ে আশপাশের দোকানে সরবরাহ করা — এটাই ছোট বেকারির কাজ। রাতে খামির বানানো, ভোরে সেঁকা, সকালেই ভ্যানে করে দোকানে দোকানে পৌঁছে দেওয়া। দেশে এমন ছোট বেকারি আছে প্রায় সাত হাজার, শুধু ঢাকাতেই সাতশোর বেশি, আর এই শিল্পে কাজ করেন দশ লাখের বেশি মানুষ। কিন্তু গত এক বছরে খরচ বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। ৫০ কেজি ময়দার বস্তা এক বছর আগে ছিল ৳২,৩০০, এখন ৳৩,১০০। চিনি ৳১১০–১২০ কেজি। ১৮৫ কেজির তেলের ড্রামে বেড়েছে ৳৫,০০০ আর ১৬ কেজির ডালডার কার্টনে ৳৮০০। অথচ পাউরুটির দাম বাড়ানো যায়নি, তাই উৎপাদনও কমেছে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। একটা কারখানা যেখানে দিনে ৳৬০,০০০–৮০,০০০ বিক্রি করে ৳৫,০০০–৮,০০০ লাভ রাখত, সেখানে এখন লোকসান হচ্ছে। দুই বছর ধরে গ্যাসের সংকট, তাই বেশির ভাগ বেকারি এলপিজি সিলিন্ডারে চলে গেছে; ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এখন ৳১,৫৮৫। বিদ্যুৎ গেলে সেঁকার মাঝপথে মাল নষ্ট হয়। আর নিয়মের দিক থেকে সবচেয়ে বড় কথাটি হলো, বেকারির জন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক — নতুন নিবন্ধনে ৳১,০০০, নবায়নে ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। এই সামান্য টাকাটাই বেশির ভাগ ছোট বেকারি দেয় না, আর সেটাই তাদের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳১,৫৫,০০০ – ৳১২,৫০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১৯০ – ৳২৬০ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳১৫৫ – ৳২১৫ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৬% – ১০%বাজারদর
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১১ – ১৭ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র২ – ১০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ৮%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৫০ – ৪০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ওভেন (গ্যাস বা এলপিজি), স্পাইরাল মিক্সার, খামির ওঠানোর র‍্যাক, ট্রে ও ছাঁচ, স্লাইসার, প্যাকিং ও সিলিং মেশিন, আর জেনারেটর বা আইপিএস। যন্ত্রপাতির দাম এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • ময়দা (৫০ কেজির বস্তা ৳৩,১০০, পাইকারি), চিনি ৳১১০–১২০ কেজি, পাম বা সয়াবিন তেল, ডালডা (১৬ কেজির কার্টন), ইস্ট, ডিম, গুঁড়া দুধ ও প্যাকিং সামগ্রী।প্রাথমিক মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০। ব্যবসার ধরনে বেকারির নাম থাকতে হবে।লাইসেন্স
  • ফায়ার লাইসেন্স (ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স), পরিবেশগত ছাড়পত্র (পরিবেশ অধিদপ্তর) এবং এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন। কাগজ তৈরি থাকলে পুরো প্রক্রিয়ায় ২–৪ সপ্তাহ লাগে।লাইসেন্স
  • নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — খাদ্য নিরাপত্তা (নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী বেকারির জন্য বাধ্যতামূলক। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। নিবন্ধনের সময় রান্নাঘর সরেজমিনে পরিদর্শন হয়।লাইসেন্স
  • কারিগর — খামির, সেঁকার তাপ ও সময় ধরতে পারা। এক কারিগরের হাত বদলালে পাউরুটির স্বাদ ও আকার বদলে যায়, আর দোকানিরা সঙ্গে সঙ্গে টের পান।দক্ষতা
  • ময়দার মিল বা পাইকারি বাজার, চিনি ও তেলের পাইকার, এলপিজি ডিলার (১২ কেজির সিলিন্ডার ৳১,৫৮৫), আর প্যাকেট ছাপার প্রেস।সরবরাহকারী
  • পানি, নালা ও বাতাস চলাচলসহ কারখানার ঘর, কাঁচামালের শুকনো গুদাম আর ভ্যান দাঁড়ানোর জায়গা।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1আগে ক্রেতা গুনুন। আপনার এলাকায় কতগুলো মুদি ও চায়ের দোকান আছে আর তারা এখন কার কাছ থেকে রুটি নেয়, সেটাই ঠিক করবে দিনে কত সেঁকবেন।
  2. 2জায়গা নিন — পানি, নালা, বাতাস চলাচল আর ভ্যান দাঁড়ানোর জায়গাসহ। বসতবাড়ির ভেতরে বেকারি বসালে ধোঁয়া ও গন্ধ নিয়ে অভিযোগ আসে।
  3. 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর ব্যবসার ধরন হিসেবে বেকারির কথা স্পষ্ট করে লিখিয়ে নিন।
  4. 4নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করুন — ফি ৳১,০০০, মেয়াদ তিন বছর, নবায়ন ৳৫০০। রান্নাঘর সরেজমিনে দেখা হয়, তাই আগে জায়গা পরিষ্কার ও গোছানো রাখুন।
  5. 5ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র আর এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন।
  6. 6চুলা ও যন্ত্র বসান: ওভেন, মিক্সার, খামির ওঠানোর র‍্যাক, ট্রে, প্যাকিং মেশিন। গ্যাস না পেলে এলপিজির ব্যবস্থা রাখুন — বেশির ভাগ বেকারি এখন সিলিন্ডারেই চলে।
  7. 7বিদ্যুৎ চলে গেলে সেঁকার মাঝপথে মাল নষ্ট হয়, তাই জেনারেটর বা আইপিএসের ব্যবস্থা রাখুন। ঘণ্টা দুয়েকের লোডশেডিং এখন নিয়মিত।
  8. 8কারিগর ঠিক করুন। ভালো কারিগরই পাউরুটির স্বাদ ও আকার ঠিক রাখে, আর কারিগর চলে গেলে দোকানিরা টের পেয়ে যান।
  9. 9ময়দা, চিনি, তেল ও ডালডা বস্তা-ড্রাম-কার্টনে কিনুন। এক বছরে ময়দার বস্তা ৳২,৩০০ থেকে ৳৩,১০০ হয়েছে, তাই দাম দেখে সপ্তাহের হিসাব মিলিয়ে নিন।
  10. 10দোকানে দোকানে সরবরাহের রুট বানান এবং কোন দোকান কত নেয় তা লিখে রাখুন। বেশি পাঠালে ফেরত আসে, কম পাঠালে দোকানি অন্য বেকারি ধরে।
  11. 11প্রতিদিনের বিক্রি, ফেরত আর কাঁচামালের খরচ মিলিয়ে দেখুন। কাঁচামালের দাম বাড়লে সঙ্গে সঙ্গে ধরা না পড়লে মাসের শেষে লোকসান দাঁড়িয়ে যায়।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাস্বাভাবিক
  8. আগস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, বন্দর ও কারখানার শ্রমিক — সস্তা রুটি-বিস্কুটের চাহিদা সারা বছর।
  • খুব উপযোগীঢাকা · শুধু ঢাকাতেই সাতশোর বেশি ছোট বেকারি; ঘন বসতি, অসংখ্য মুদি ও চায়ের দোকান আর স্কুল-অফিসের ক্যানটিন।
  • খুব উপযোগীশরীয়তপুর · জেলায় ৯৫টি নিবন্ধিত বেকারি কারখানা, তার ১০টি বিসিকের শিল্পনগরীতে — ছোট জেলাতেও এই ব্যবসা যে চলে তার প্রমাণ।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলায় মাল পাঠানোর সুবিধা আছে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে; মহাসড়কের দোকান আর হোটেলেই বড় অংশ বিক্রি হয়।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, আশপাশে শিল্প ও ঘেরের শ্রমিক — সকালের নাশতার বাজার বড়।
  • সম্ভবরংপুর · ক্রয়ক্ষমতা কম, তাই সস্তা বিস্কুট ও বনরুটিই বেশি চলে; লাভের হার সরু।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি, কেক ও ভালো মানের বেকারি পণ্যের চাহিদা তুলনামূলক বেশি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: কাঁচামালের দাম এক বছরে ২০–২৫ শতাংশ বেড়েছে, কিন্তু পাউরুটির দাম বাড়ানো যায়নি। ৫০ কেজি ময়দার বস্তা ৳২,৩০০ থেকে ৳৩,১০০, চিনি ৳১১০–১২০ কেজি, ১৮৫ কেজির তেলের ড্রামে ৳৫,০০০ আর ১৬ কেজির ডালডার কার্টনে ৳৮০০ বেড়েছে। ফল হিসেবে উৎপাদন কমেছে ১০–১৫ শতাংশ; যে কারখানা দিনে ৳৬০,০০০–৮০,০০০ বিক্রি করে ৳৫,০০০–৮,০০০ রাখত, সেখানে একদিনে ৳১৮,০০০ লোকসানের ঘটনাও ঘটেছে। মালিক সমিতির হিসাবে ছয় মাসে ৫০০–৬০০টি ছোট বেকারি বন্ধ হয়ে যেতে পারে; ঢাকাতেই গত ছয় মাসে ছয়টি বন্ধ হয়েছে।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: বেকারির জন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক — ৳১,০০০ নতুন, ৳৫০০ নবায়ন, মেয়াদ তিন বছর। টাকাটা সামান্য, কিন্তু বেশির ভাগ ছোট বেকারি এটা নেয় না। নিবন্ধন ছাড়া ধরা পড়লে জরিমানা ও কারখানা বন্ধের ঝুঁকি থাকে, আর মামলা হলে সেই বেকারির নাম পত্রিকায় ওঠে — দোকানিরা তখন মাল নেওয়া বন্ধ করে দেন। ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশের ছাড়পত্র আর ভ্যাট নিবন্ধনও আলাদা করে লাগে।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: দুই বছর ধরে গ্যাসের সংকট চলছে, তাই বেশির ভাগ বেকারি এলপিজি সিলিন্ডারে চলে গেছে — ১২ কেজির সিলিন্ডার ৳১,৫৮৫। পাইপের গ্যাসের তুলনায় এটা অনেক দামি আর প্রতিদিন কয়েকটা সিলিন্ডার লাগে। এর সঙ্গে এক-দুই ঘণ্টার লোডশেডিং; বিদ্যুৎ গেলে ওভেনের মাঝপথের মালটাই নষ্ট।
  • মাঝারিনষ্ট হওয়া: পাউরুটি দুই-তিন দিনের জিনিস। দোকানে যতটা পাঠানো হয় তার একটা অংশ ফেরত আসে, আর ফেরত মাল বেশির ভাগ সময় বেকারিকেই ধরতে হয়। গরমে ও বর্ষায় ফেরতের পরিমাণ বাড়ে। ঠিক কত শতাংশ ফেরত আসে, তা এই গবেষণায় কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: মুদি ও চায়ের দোকান মাল নেয় প্রতিদিন, টাকা দেয় সপ্তাহে বা মাসে। একজন দোকানি বাকি নিয়ে দোকান বন্ধ করে দিলে সেই টাকা আর ওঠে না, আর ছোট বেকারির লাভ যেখানে বিক্রির ৬–১০ শতাংশ, সেখানে কয়েকটা এমন ঘটনা মাসের পুরো লাভ খেয়ে ফেলে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

টমেটো সস ও কেচাপ

শীতের টমেটো কিনে সস ও কেচাপ বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে সস ৳৩২০–৪৩০ কেজি, আর বিএসটিআইয়ের নমুনা পরীক্ষাতেই কেচাপে ৳১১,১০০, সসে ৳১২,২০০।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
৩ – ১২ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

আইসক্রিম ও পপসিকল তৈরি

দুধ, গুঁড়া দুধ ও চিনি দিয়ে আইসক্রিম, কুলফি ও পপসিকল তৈরি। বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক, আর মাইনাস ২০ ডিগ্রির ঠান্ডার শিকল একবার ভাঙলেই মাল নষ্ট।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
জনবল
২ – ১২ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১০০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

ফাস্ট ফুড ও বার্গার শপ

বার্গার, স্যান্ডউইচ, রোল ও ফ্রাই বিক্রির ছোট দোকান। রেস্তোরাঁর চেয়ে পুঁজি কম, কিন্তু লাইসেন্সের তালিকা হুবহু একই — ট্রেড, নিরাপদ খাদ্য, ফায়ার, পরিবেশ, ভ্যাট।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

ফ্রোজেন পরোটা ও সমুচা

কাঁচা পরোটা, সমুচা ও শিঙাড়া বানিয়ে জমিয়ে প্যাকেটে বিক্রি। খুচরায় পরোটা পিস ৳১২.৫–১৯, মিনি সমুচা ৳৮.৬–৯.৪। কারখানা থেকে দোকান পর্যন্ত ঠান্ডার শিকলই এই ব্যবসার আসল শর্ত।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ছোট বেকারির ব্যবসা: খরচ, লাভ ও বাধ্যতামূলক নিবন্ধন · আয়রোজগার