টমেটো সস ও কেচাপ
শীতের টমেটো কিনে সস ও কেচাপ বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে সস ৳৩২০–৪৩০ কেজি, আর বিএসটিআইয়ের নমুনা পরীক্ষাতেই কেচাপে ৳১১,১০০, সসে ৳১২,২০০।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳২,৫০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৬০ – ১৮০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ১০ – ১৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
শীতের টমেটো কিনে সেদ্ধ করে, ছেঁকে, চিনি-লবণ-ভিনেগার মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে সস বা কেচাপ বানানো আর বোতলে ভরে বিক্রি করা। এই ব্যবসার পুরো বছরটা ঠিক হয়ে যায় শীতের দুই-তিন মাসে টমেটো কত দরে কিনতে পারলেন তার উপর — ঠিক আচারের ব্যবসার মতো। দাম কতটা ওঠানামা করে তার নমুনা: ৪ জানুয়ারি ২০২৬-এ রাজশাহীর পবার চাষি ভালো টমেটো বেচেছেন কেজি ৳৪৫–৫০ দরে, ঢাকার পাইকারিতে ২২ কেজির ক্যারেট ৳২,২০০ (কেজি ৳১০০), আর কারওয়ান বাজারে খুচরা ৳৯০–১১০। ওই বছরটা অস্বাভাবিক চড়া ছিল — আগের বছর জানুয়ারির শুরুতে খুচরা ছিল ৳৬০–৭০। মৌসুম ভরে গেলে, অর্থাৎ জানুয়ারির শেষ থেকে, দাম নামে; ওই সময়েই সারা বছরের টমেটো কিনতে হয়। বিক্রির দিকটা স্থির। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ চালডালে প্রাণ টমেটো সস ১ কেজি ৳৩২০, রুচি কেচাপ ৩৫০ গ্রাম ৳১২৫, আহমেদ ৩৪০ গ্রাম ৳১১৫, অরিজিন ৫০০ গ্রাম ৳১৬০ আর ওয়েল ফুড ৫০০ গ্রাম ৳১৯৫ — কেজিতে ৳৩২০ থেকে ৳৪৩০। কাগজপত্র ছাড় নেই। টমেটো কেচাপ বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকায় ২২ নম্বরে (BDS 530:2002), সস (ফল বা সবজি) ১৫ নম্বরে (BDS 512:2017) আর টমেটো পেস্ট ১৭ নম্বরে (BDS 517:2015)। নমুনা পরীক্ষার ফি কেচাপে ৳১১,১০০ আর সসে ৳১২,২০০ — মধুর ৳৭,৫০০-এর চেয়ে অনেক বেশি। সঙ্গে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন আর মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,০০,০০০ – ৳৬,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩২০ – ৳৪৩০ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৩০ – ৳২৪০ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২৫% – ৭০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৬০ – ১৮০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১০ – ১৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৩০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৪% – ৫% | বাজারদর | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১০০ – ৮০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ধোয়ার চৌবাচ্চা, সেদ্ধ করার বড় কড়াই বা স্টিম কেটল, পাল্পার বা ছাঁকনি, জ্বাল দেওয়ার চুলা, বোতল ভরা ও ক্যাপ সিল করার যন্ত্র, আর ব্যাচের নমুনা রাখার ব্যবস্থা।যন্ত্রপাতি
- মৌসুমে কেনা টমেটো, চিনি, লবণ, ভিনেগার ও মসলা; কাচের বা পেটের বোতল, ক্যাপ আর লেবেল। চিনির পাইকারি দর ১৫-০৯-২০২৬-এ ছিল ৳১০২–১০৩ কেজি।প্রাথমিক মাল
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রদান) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদকের জন্য বাধ্যতামূলক। নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর; প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী লাইসেন্স ফি ৳১,০০০–৫,০০০।লাইসেন্স
- পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ — বিএসটিআই মেট্রোলজি উইং, ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮। মোড়কজাত পণ্য বিক্রির আগে নিতে হয়; সনদ ছাড়া বিক্রি ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচার্য, ক্ষেত্রবিশেষে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু হয়।লাইসেন্স
- বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স — টমেটো কেচাপ বাধ্যতামূলক তালিকার ক্রমিক ২২ (BDS 530:2002), সস (ফল বা সবজি) ক্রমিক ১৫ (BDS 512:2017), টমেটো পেস্ট ক্রমিক ১৭ (BDS 517:2015)। নতুন আবেদন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳১,০০০। নমুনা পরীক্ষা: কেচাপ ৳১১,১০০ (১৪ কর্মদিবস) বা জরুরি ৳১৭,২০০ (৫ কর্মদিবস); সস ৳১২,২০০ বা জরুরি ৳১৯,৪০০; টমেটো পেস্ট ৳১১,৩০০ বা জরুরি ৳১৭,৬০০। ফল জাতীয় পণ্যের বাৎসরিক সিএম ফি উৎপাদনমূল্যের ০.০৭%, সর্বনিম্ন ৳৩,০০০।লাইসেন্স
- জ্বাল দেওয়ার মাত্রা বোঝা — কম হলে সস পাতলা থাকে আর নষ্ট হয়, বেশি হলে পুড়ে রং কালো হয়ে যায়। সঙ্গে প্রিজারভেটিভের অনুমোদিত মাত্রা জানা, কারণ বেশি দিলে বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় ফেল।দক্ষতা
- রাজশাহী, বগুড়া বা যশোরের টমেটোর আড়ত ও চাষি; ঢাকায় বোতল ও ক্যাপের সরবরাহকারী; লেবেল ছাপার প্রেস।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কী বানাবেন — টমেটো সস, কেচাপ, না টমেটো পেস্ট। তিনটির বিএসটিআই মান ও পরীক্ষার ফি আলাদা।
- 2রাজশাহী, বগুড়া বা যশোরের টমেটোর মোকামে গিয়ে চাষি ও পাইকারের সঙ্গে পরিচয় করুন। মৌসুম শুরুর আগেই দর ও সরবরাহের কথা ঠিক করে রাখুন।
- 3ঘর ভাড়া নিন — ধোয়া, সেদ্ধ করা, জ্বাল দেওয়া আর বোতল ভরার জায়গা আলাদা করে রাখতে হবে, আর মেঝে-দেয়াল ধোয়ার উপযোগী হতে হবে।
- 4সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন।
- 5বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদক হিসেবে নিবন্ধন করুন — ফি ৳১,০০০, মেয়াদ তিন বছর। রান্নাঘর সরেজমিন পরিদর্শন হয়।
- 6বিএসটিআই-তে সিএম লাইসেন্সের আবেদন করুন। আবেদন ফি ৳১,০০০; নমুনা পরীক্ষা কেচাপে ৳১১,১০০, সসে ৳১২,২০০, টমেটো পেস্টে ৳১১,৩০০ — প্রতিটিই ১৪ কর্মদিবসে।
- 7মোড়কে ওজন লিখে বিক্রি করতে হলে বিএসটিআইয়ের মেট্রোলজি উইং থেকে পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ নিন।
- 8মৌসুমে, অর্থাৎ ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারিতে, সারা বছরের টমেটো একসঙ্গে কিনুন। জানুয়ারির শেষ থেকে সরবরাহ বাড়ে আর দাম নামে — ওই সময়টাই সবচেয়ে ভালো।
- 9টমেটো ধুয়ে, সেদ্ধ করে, ছেঁকে খোসা ও বিচি আলাদা করুন; তারপর চিনি, লবণ, ভিনেগার ও মসলা দিয়ে ঘন হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিন।
- 10গরম অবস্থায় জীবাণুমুক্ত বোতলে ভরে সিল করুন, ঠান্ডা করে লেবেল লাগান। লেবেলে ওজন, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ, ব্যাচ নম্বর আর বিএসটিআই মান চিহ্ন থাকতে হবে।
- 11মুদি দোকান, সুপারশপ আর ফাস্ট ফুডের দোকানে বিক্রি শুরু করুন। রেস্টুরেন্ট ও ক্যাটারিং বড় প্যাকে কেনে — সেটাই নিয়মিত অর্ডারের জায়গা।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাকম
- আগকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের সবজির বড় মোকাম, শীতে টমেটোর সরবরাহ বিপুল আর ঢাকায় পাঠানোর গাড়ি সহজে মেলে।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় ক্রেতা — সুপারশপ, ফাস্ট ফুডের দোকান আর ক্যাটারিং সবই এখানে; বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ও ঢাকায়।
- খুব উপযোগীযশোর · সবজি চাষের বড় এলাকা; খুলনা ও ঢাকা দুই বাজারেই পৌঁছানো যায়।
- খুব উপযোগীরাজশাহী · দেশের অন্যতম প্রধান টমেটো উৎপাদনের জেলা; পবা উপজেলার চাষিরা ৪ জানুয়ারি ২০২৬-এ ভালো টমেটো ৳৪৫–৫০ কেজি দরে বেচেছেন — কারখানা মাঠের পাশে থাকলে ওই দরেই কেনা যায়।
- সম্ভবচাঁপাইনবাবগঞ্জ · বরেন্দ্র অঞ্চলের টমেটো আগাম ওঠে, ফলে মৌসুমের শুরুতেই কাঁচামাল পাওয়া যায়।
- সম্ভবগাজীপুর · শিল্প এলাকা, বিদ্যুৎ ও শ্রমিক সহজলভ্য, আর ঢাকার বাজার এক ঘণ্টার দূরত্বে।
- সম্ভবমানিকগঞ্জ · ঢাকার কাছে সবজি এলাকা; কারখানা ঢাকার বাজারের কাছাকাছি রাখা যায়।
- সম্ভবনাটোর · রাজশাহীর টমেটো বলয়ের ভেতরেই, আর মহাসড়কের পাশে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: সারা বছরের টমেটো শীতের দুই-তিন মাসে একসঙ্গে কিনতে হয়, আর সেই টাকা নগদে দিতে হয়। অথচ সস বিক্রি হয় সারা বছর ধরে, ধীরে ধীরে। ফলে বছরের শুরুতেই সবচেয়ে বড় টাকাটা বেরিয়ে যায় আর মাসের পর মাস আটকে থাকে। যাঁর হাতে ওই সময় টাকা থাকে না, তাঁকে চড়া দামে অমৌসুমে টমেটো কিনতে হয় — ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সেটা ছিল কেজি ৳১০০।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: টমেটো কেচাপ, সস আর টমেটো পেস্ট তিনটিই বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্য, তাই সিএম লাইসেন্স ছাড়া বোতল বিক্রি করা যায় না। শুধু নমুনা পরীক্ষাতেই কেচাপে ৳১১,১০০ আর সসে ৳১২,২০০, আর নমুনা ফেল করলে আবার একই ফি। রং বা প্রিজারভেটিভ অনুমোদিত মাত্রার বেশি দিলে নমুনা ফেল করে, আর বাজার থেকে নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করেও ধরা হয়।
- বেশিনির্ভরশীলতা: টমেটোর দাম আর সরবরাহ পুরোপুরি আবহাওয়ার হাতে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার ভাষ্যে, ২০২৫ সালের নভেম্বরের শেষে অতিবৃষ্টির কারণে টমেটো আবাদ পিছিয়ে যায়, আর তাতেই ভরা মৌসুমেও বাজারে সরবরাহ কম ছিল আর দাম চড়া থাকে। এক মৌসুমের বৃষ্টি পুরো বছরের কাঁচামালের খরচ বদলে দেয়।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: পাকা টমেটো দুই-তিন দিনের জিনিস। ঢাকার এক খুচরা বিক্রেতার হিসাবে ২২ কেজির ক্যারেটে প্রায় এক কেজি নষ্ট পাওয়া যায়। বেশি পরিমাণে কিনে সময়মতো প্রক্রিয়াজাত করতে না পারলে ওই হার অনেক বাড়ে, আর পচা টমেটো মিশে গেলে পুরো ব্যাচের স্বাদ ও মান নষ্ট হয়।
- মাঝারিচাহিদা: শেলফে প্রাণ, রুচি, আহমেদ, শেজান আর ওয়েল ফুড আগে থেকেই বসা, আর তাদের দাম দোকানে দোকানে এক। নতুন নামের সস তুলতে দোকানদার আগ্রহী হন না। ফলে শুরুতে ঢুকতে হলে কমিশন বা বাকি দিতে হয়, আর সেটাই লাভ কেটে নেয়।
সূত্র
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
সি এম লাইসেন্স ফি শিডিউল — পাতা সর্বশেষ হালনাগাদ ২৭-০৭-২০২৫
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: মাসিক চলতি মূলধন · ঢাকা মহানগর
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
আইসক্রিম ও পপসিকল তৈরি
দুধ, গুঁড়া দুধ ও চিনি দিয়ে আইসক্রিম, কুলফি ও পপসিকল তৈরি। বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক, আর মাইনাস ২০ ডিগ্রির ঠান্ডার শিকল একবার ভাঙলেই মাল নষ্ট।
- পুঁজি
- ৳২.৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ২ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১০০ দিন
ছোট বেকারি
পাউরুটি, বিস্কুট ও কেক বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। ময়দার বস্তা এক বছরে ৳২,৩০০ থেকে ৳৩,১০০, আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ৳১,০০০ — বাধ্যতামূলক।
- পুঁজি
- ৳২.৫ লাখ – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ৩ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
ফাস্ট ফুড ও বার্গার শপ
বার্গার, স্যান্ডউইচ, রোল ও ফ্রাই বিক্রির ছোট দোকান। রেস্তোরাঁর চেয়ে পুঁজি কম, কিন্তু লাইসেন্সের তালিকা হুবহু একই — ট্রেড, নিরাপদ খাদ্য, ফায়ার, পরিবেশ, ভ্যাট।
- পুঁজি
- ৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
ফ্রোজেন পরোটা ও সমুচা
কাঁচা পরোটা, সমুচা ও শিঙাড়া বানিয়ে জমিয়ে প্যাকেটে বিক্রি। খুচরায় পরোটা পিস ৳১২.৫–১৯, মিনি সমুচা ৳৮.৬–৯.৪। কারখানা থেকে দোকান পর্যন্ত ঠান্ডার শিকলই এই ব্যবসার আসল শর্ত।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ৯০ দিন
