• আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

পান বরজ

বাঁশ ও ছনের বরজে পান চাষ। বিঘাপ্রতি খরচ প্রায় ৳১ লাখ, আর রাজশাহীতে ৬৪ পাতার এক বিড়া ৳১০০–১২০ থেকে নেমে ৳৪ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳১,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
১২০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
১০ – ২৮ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · কঠিন

ব্যবসাটি কী

বাঁশের খুঁটি পুঁতে, চটা আর ছন দিয়ে ছাউনি বানিয়ে তার ভেতরে পানের লতা তোলা। এই ঘেরা ঘরটাকেই বলে বরজ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নিজের ভাষায় পান চাষের পদ্ধতি 'খুব নিবিড়, ব্যয়বহুল এবং শ্রমসাধ্য'। একটা বরজ সাধারণত ১২ থেকে ২০ শতাংশ জমিতে হয়, আর ভালোভাবে রাখতে পারলে ১০ থেকে ২০ বছর চলে — তারপর নতুন জায়গায় নতুন বরজ তুলতে হয়। আয় আসে প্রতিদিন, কারণ পান প্রতিদিনই তোলা যায়। কিন্তু দামটা ভয়ানক ওঠানামা করে। রাজশাহীতে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এক বিড়া পান — ৬৪টি পাতা — বিক্রি হয়েছে মাত্র ৳৪ টাকায়, অথচ তার পনেরো দিন আগেই সেই বিড়া ছিল ৳১০০–১২০। একজন শ্রমিক দিনে বড়জোর তিন পোয়া পান তুলতে পারেন, তাতে মজুরিই যায় ৳৬০০, আর সেই তিন পোয়া বিক্রি করে পাওয়া যায় বড়জোর ৳৪০০। অর্থাৎ খারাপ দিনে পান তোলার মজুরিও ওঠে না। ২০২৬ সালে অতিবৃষ্টিতে রাজশাহীর দুর্গাপুর, পবা, বাঘা ও চারঘাটে শত শত বরজ নষ্ট হয়েছে, বিঘাপ্রতি প্রায় এক লাখ টাকা খরচের অর্ধেকও অনেকে তুলতে পারেননি। বাঁশ আর ছনের ঘর — ঝড় এলে সেটাই আগে পড়ে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳৮,০০০ – ৳২৫,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৪ – ৳১২০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৬ – ৳৭ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার০% – ৯৫%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১২০ – ১৮০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১০ – ২৮ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র১ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১০% – ৩০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৯৬সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • কাঠ-বাঁশ শোধনের ট্যাংক ও রাসায়নিক — ১০০ লিটার ১০ শতাংশ দ্রবণে তুঁতে ৪ কেজি, সোডিয়াম ডাইক্রোমেট ৪ কেজি, বোরিক এসিড ২ কেজি ও পানি ৯০ লিটার। ছন-খড়ের জন্য ২.৫ শতাংশ দ্রবণে ৬ ঘণ্টা ভেজাতে হয়।যন্ত্রপাতি
  • ২.৫–৩ মিটার লম্বা পাকা বাঁশের খুঁটি (গোড়ায় আলকাতরা), বাঁশের চটা ও কাইম, ছন বা খড়ের ছাউনি, আর শুকনা কলাপাতা-খেজুরপাতা-সুপারিপাতার বেড়া। এগুলোর ২০২৬ সালের বাজারদর যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • ২-৩ বছর বয়সের সুস্থ বরজ থেকে নেওয়া পানের লতা বা কাটিং, শোধন করে লাগাতে হয়।প্রাথমিক মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু। নিজের বরজের পান নিজে হাটে বেচলে সাধারণত লাগে না; আড়ত বা পাইকারি ব্যবসা শুরু করলে লাগে।লাইসেন্স
  • লতা নামানো, গোড়ায় মাটি তোলা, আর বিড়া বাঁধা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভাষায় পান চাষ 'খুব নিবিড়, ব্যয়বহুল এবং শ্রমসাধ্য' — শেখা ছাড়া নামা যায় না।দক্ষতা
  • স্থানীয় পানের হাট ও আড়তদার। রাজশাহীতে বছরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পান কেনাবেচা হয়।সরবরাহকারী
  • বরজ — সাধারণত ১২ থেকে ২০ শতাংশ জমির, বাঁশের খুঁটি ও ছনের ছাউনিসহ। একটা বরজ ১০–২০ বছর পর্যন্ত রাখা যায়, তারপর নতুন জায়গায় করতে হয়। সেচ ও নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1উঁচু, দো-আঁশ আর পানি না জমা জমি বাছুন। জমি এক বা দুই দিকে ঢালু রাখুন যাতে বৃষ্টির পানি দাঁড়াতে না পারে।
  2. 2জমি ৩-৪ বার চাষ দিয়ে, আগাছা বেছে, মই দিয়ে সমান করুন। চৈত্র-বৈশাখ মাসে এক মাস স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে ঢেকে মাটি শোধন করুন।
  3. 3বরজ তুলুন: ২.৫–৩ মিটার লম্বা পাকা বাঁশের খুঁটির গোড়ায় আলকাতরা লাগিয়ে চারদিকে পুঁতুন, উপরে বাঁশের চটা ও ছন-খড়ের ছাউনি দিন, আর চারপাশে শুকনা কলাপাতা, খেজুর ও সুপারি পাতার বেড়া দিন। একটা বরজ সাধারণত ১২–২০ শতাংশ জমির।
  4. 4বাঁশের শলা, খুঁটি ও ছন ব্যবহারের আগে তুঁতে, সোডিয়াম ডাইক্রোমেট ও বোরিক এসিডের দ্রবণে শোধন করে নিন — এতে এসবের আয়ু ৪-৫ গুণ বাড়ে। খরচ একবার, লাভ কয়েক বছর।
  5. 5বেড বানান — ৫০ সেমি চওড়া, ১৫ সেমি উঁচু, প্রতি বেডে দুই সারি, সারি থেকে সারি ২০–২৫ সেমি আর গাছ থেকে গাছ ১৫–২০ সেমি। দুই বেডের মাঝে ৩০ সেমি নালা রাখুন।
  6. 6২-৩ বছর বয়সের সুস্থ বরজ থেকে লতা নিন। লাগানোর আগে ছত্রাকনাশকের দ্রবণে ১২–১৫ মিনিট চুবিয়ে শোধন করে নিন।
  7. 7লতা বড় হলে বছরে দুইবার — মাঘ-বৈশাখ আর আষাঢ়-আশ্বিনে — লতা নামিয়ে গোল করে পেঁচিয়ে মাটি চাপা দিন। এতে পাতার আকার ঠিক থাকে আর ফলন বাড়ে।
  8. 8বছরে এক-দুইবার বাইরে থেকে ঝুরঝুরে মাটি এনে গোড়ায় দিন, নইলে শিকড় বেরিয়ে গাছ দুর্বল হয়ে যায়।
  9. 9কালো মাছি, সাদা মাছি, মিলিবাগ আর মাকড়ের দিকে চোখ রাখুন। গরম-আর্দ্র বরজে পোকা ও ছত্রাক অন্য ফসলের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
  10. 10বরজের পাশে লাউ, কুমড়া, করলা, পটল বা ডাঁটা লাগান। ছায়াও হয়, আর পানের দাম পড়ে গেলে ওই টাকাটাই কাজে লাগে।
  11. 11আকার ও মান দেখে বিড়া বাঁধুন। ভালো মানের বড় পানের বিড়া ৳৩০–৪০ পায়, ছোট পান ৳৪ — একসঙ্গে বাঁধলে পুরোটাই ছোটর দামে যায়।
  12. 12ঝড়ের মৌসুমের আগে খুঁটি, চটা আর ছাউনি দেখে নিন। বরজ পড়ে গেলে শুধু ঘর নয়, ভেতরের লতাগুলোও শেষ হয়ে যায়।

মৌসুম

  1. জানুকম
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাবেশি
  8. আগবেশি
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেকম
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বর্ণনায় চট্টগ্রামের পান গাঢ় সবুজ, টেকসই ও বাজারে চাহিদাসম্পন্ন — টেকসই বলে দূরে পাঠানো সহজ।
  • খুব উপযোগীনাটোর · কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বর্ণনায় রাজশাহী ও নাটোরের পান তুলনামূলক বড়, রসালো ও মিষ্টি — তাই বাজারে দামও ভালো।
  • খুব উপযোগীরাজশাহী · দেশের সবচেয়ে বড় পানের এলাকা — ৯টি উপজেলায় ৪ হাজার ৫০৯ হেক্টর, উৎপাদন লক্ষ্য ৭৯ হাজার ৬৮১ টন, আর বছরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার কেনাবেচা। দুর্গাপুর, পবা, বাঘা ও চারঘাটে বরজ ঘন।
  • সম্ভবকক্সবাজার · চট্টগ্রামের মতোই গাঢ় সবুজ ও টেকসই পান হয়; তবে এখানকার আবাদের পরিমাণ ও দর এই পাতায় যাচাই করা যায়নি।
  • সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বর্ণনায় নারায়ণগঞ্জের পান আকারে ছোট হলেও স্বাদে অনন্য; ঢাকার বাজার একেবারে হাতের কাছে।
  • জানা নেইবাগেরহাট · উপকূলের জেলা; বরজ বাঁশ ও ছনের কাঠামো বলে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতির ঝুঁকি বেশি, তবে এখানকার আবাদের হিসাব পাওয়া যায়নি।
  • জানা নেইবরিশাল · দক্ষিণাঞ্চলে পানের চাষ হয় বলে জানা, তবে এখানকার পরিসংখ্যান যাচাই করা যায়নি। উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ে বরজ ভাঙার ঝুঁকি বেশি।
  • জানা নেইযশোর · পান চাষের পুরোনো এলাকা হিসেবে পরিচিত, তবে এখানকার আবাদ, ফলন ও দরের কোনো দলিল এই গবেষণায় পাওয়া যায়নি।
  • জানা নেইকুষ্টিয়া · পান চাষের পুরোনো এলাকা হিসেবে পরিচিত, তবে এখানকার আবাদ ও দরের হিসাব যাচাই করা যায়নি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনষ্ট হওয়া: পান পচনশীল পাতা, রাখার উপায় নেই। তুলে ফেললে কয়েক দিনের মধ্যে বেচতেই হয়, হিমাগার নেই। তাই হাটে দাম যা-ই থাক, সেই দামেই ছাড়তে হয় — অপেক্ষা করার সুযোগই নেই। এখানেই আড়তদারের হাতে দরকষাকষির পুরো শক্তি চলে যায়।
  • বেশিচাহিদা: দাম কয়েক দিনেই ধসে যায়। রাজশাহীতে জুলাই ২০২৫-এ ৬৪ পাতার এক বিড়া নেমে আসে ৳৪ টাকায়, অথচ পনেরো দিন আগেই সেই বিড়া ছিল ৳১০০–১২০। বৃষ্টিতে ফলন একসঙ্গে বেড়ে যায় আর তখনই দাম পড়ে। একজন শ্রমিকের তিন পোয়া তোলার মজুরি ৳৬০০, কিন্তু সেই তিন পোয়া বিক্রি হয় বড়জোর ৳৪০০ — অর্থাৎ পান তোলাই তখন লোকসান।
  • বেশিঅন্যান্য: ঝড় ও অতিবৃষ্টিতে বরজ পড়ে যায়। বরজ বাঁশ, চটা আর ছনের ঘর — বাতাসে ভেঙে পড়ে, আর ভেতরের লতাও নষ্ট হয়। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে রাজশাহীর দুর্গাপুর, পবা, বাঘা ও চারঘাটে অতিবৃষ্টিতে শত শত বরজ নষ্ট হয়েছে; জমিতে পানি জমে গাছ পচেছে আর বাঁশের কাঠামো ভেঙে পড়েছে। ওই মৌসুমে বিঘায় প্রায় এক লাখ টাকা খরচ করে অনেক চাষি অর্ধেকও তুলতে পারেননি।
  • বেশিঅন্যান্য: পোকা ও ছত্রাকের উপদ্রব বেশি। বরজের ভেতর গরম ও আর্দ্র থাকে, তাই কালো মাছি, সাদা মাছি, মিলিবাগ আর মাকড়ের আক্রমণ অন্য ফসলের তুলনায় অনেক বেশি হয়। শীতে বরজে মড়ক লাগে। একবার রোগ ছড়ালে পুরো বরজের পাতা নষ্ট হয়, আর নতুন লতা লাগিয়ে ফল পেতে আবার সময় লাগে।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: টাকা আগে ঢালতে হয় আর প্রতি বছর ঢালতে হয়। বিঘাপ্রতি এক মৌসুমের খরচই প্রায় এক লাখ টাকা, এর উপরে বরজের বাঁশ-ছন-খুঁটি বদলানোর খরচ আছে। বরজ ১০–২০ বছর চলে বটে, কিন্তু ছাউনি ও চটা তার অনেক আগেই বদলাতে হয়, আর সেই খরচের কোনো প্রকাশিত হিসাব পাওয়া যায়নি।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

কৃষি ও খামার

টার্কি পালন

২০১৫–২০২০ সালের হুজুগে প্রায় ৫ হাজার খামার হয়েছিল, এখন কয়েক শ। বাচ্চার দাম ৬০০ থেকে ১৫০ টাকায় নেমেছে আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এই পালন নিরুৎসাহিত করে।

পুঁজি
৳১ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

সমতলের চা চাষ

সমতল জমিতে চা লাগিয়ে কাঁচা পাতা তুলে কারখানায় নগদে বিক্রি। মার্চ ২০২৬-এ নির্ধারিত দর কেজি ৳২৮, বাজারে ৳৩৪–৩৫; তবে ওজন থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কাটা যায়।

পুঁজি
৳১ লাখ – ৳৫ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭৩০ – ১,০৯৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

পুকুরে মাছ চাষ

মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে পুকুরে হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন ৪.৯৬ টন — ময়মনসিংহে ১২.৭২ টন আর রাঙ্গামাটিতে ২.০১ টন। জেলা বদলালেই আয় বদলে যায়।

পুঁজি
৳১ লাখ – ৳৬ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
২৪০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

ক্যাপসিকাম ও উচ্চমূল্যের সবজি

নভেম্বর-ফেব্রুয়ারিতে ক্যাপসিকাম চাষ। ঢাকায় খুচরা সবুজ ৳২২০ ও রঙিন ৳৪০০ কেজি, কিন্তু সারা দেশের মোট উৎপাদন বছরে মাত্র ৪৭৫ টন — ক্রেতার সংখ্যা সীমিত।

পুঁজি
৳১.১ লাখ – ৳৭ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৬০ – ৯০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
পান বরজ: খরচ, বিড়ার দাম ও ঝড়-বৃষ্টির ঝুঁকি · আয়রোজগার