মোমবাতি ও সাবান তৈরি
অল্প পুঁজিতে ছোট কারখানায় মোমবাতি ও সাবান তৈরি। সাবান বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকায় — সিএম লাইসেন্স ছাড়া বিক্রি করা যাবে না; মোমবাতি তালিকার বাইরে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳২০,০০০ – ৳৪,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ১০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৯ – ৯৪ দিন সরকারি সূত্র
- খরচ উঠবে
- ৩ – ৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
মোমবাতি আর সাবান — দুটোই অল্প টাকায় ঘরে বা ছোট ঘরের কারখানায় বানানো যায়। কিন্তু আইনের চোখে এ দুটো এক জিনিস নয়, আর এই পার্থক্যটাই সবচেয়ে জরুরি কথা। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক মান সনদের ৩১৫টি পণ্যের তালিকায় কাপড় কাচার সাবান (বিডিএস ১২) আর গোসলের সাবান (বিডিএস ১৩) দুটোই আছে; গ্লিসারিন সাবান, তরল সাবান, বাচ্চাদের সাবান আর স্বচ্ছ সাবানও আছে। মোমবাতি ওই তালিকায় নেই। অর্থাৎ সাবান বানিয়ে বাজারে বিক্রি করতে হলে বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স লাগবেই, মোমবাতির জন্য লাগবে না। সিএম লাইসেন্সের আবেদন ফি ৳১,০০০ (নতুন) বা ৳৫০০ (নবায়ন), আর প্রতি বছর মার্কিং ফি লাগে উৎপাদনের ০.১০ শতাংশ হারে — সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫ থেকে সর্বোচ্চ ৳১৫,০০,০০০। সময় লাগে ১৯ থেকে ৯৪ কর্মদিবস, আর বেশির ভাগ পণ্যে ১৯–৩৪ কর্মদিবস। আবেদনের আগেই ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন আর ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন হাতে থাকতে হবে, আর কারখানা সরেজমিনে পরিদর্শন হবে। বাজারের দিকটা এমন: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে চালডালে ১২৫ গ্রামের কাপড় কাচার সাবান ৳২৬–২৮, ১০০ গ্রামের গোসলের সাবান ৳৫৫–৮০, আর ছয় পিসের সাধারণ মোমবাতির প্যাকেট ৳৭৯। চট্টগ্রামের চাক্তাইয়ে ১০–১৫টি মোমবাতির কারখানা আছে, কাঁচামাল প্যারাফিন ওয়াক্স আসে রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও চীন থেকে, আর লোডশেডিং বাড়লে চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২০,০০০ – ৳৪,৩৫,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৩ – ৳৯০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৯ – ৳৪৫ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩১% – ৫০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৯ – ৯৪ দিন | সরকারি সূত্র | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩ – ৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৭ – ৪০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১৫০ – ২,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- মোম গলানোর চুলা ও বড় পাত্র, ছাঁচ (ডাইস), সুতা বা উইক, প্যাকেটের সরঞ্জাম; সাবানের জন্য মিশ্রণের পাত্র, ছাঁচ, কাটার ও ওজনের যন্ত্র।যন্ত্রপাতি
- মোমবাতির জন্য সিএম লাইসেন্স লাগে না — বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক ৩১৫টি পণ্যের তালিকায় মোমবাতি নেই। এটাই সাবান আর মোমবাতির মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবহারিক পার্থক্য।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০। হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া বিএসটিআই আবেদন নেয় না।লাইসেন্স
- বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স (সাবানের জন্য বাধ্যতামূলক) — বাধ্যতামূলক মান সনদের ৩১৫টি পণ্যের তালিকায় ১১৬ নম্বরে Laundry Soaps (BDS 12:2019) ও ১১৭ নম্বরে Toilet Soap (BDS 13:2021); গ্লিসারিন সাবান (BDS 1536), তরল সাবান (BDS 1740), বাচ্চাদের সাবান (BDS 1798) ও স্বচ্ছ সাবান (BDS 1908)-ও তালিকায় আছে। আবেদন ফি ৳১,০০০ নতুন / ৳৫০০ নবায়ন; মার্কিং ফি বছরে উৎপাদনের ০.১০% হারে সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫ সর্বোচ্চ ৳১৫,০০,০০০; পণ্যভেদে পরীক্ষণ ফি আলাদা। সময় ১৯–৯৪ কর্মদিবস। আইন: বিএসটিআই অধ্যাদেশ ১৯৮৫ (সংশোধিত ২০০৩)।লাইসেন্স
- টিআইএন সনদ (এনবিআর) ও ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন সনদ — দুটোরই সত্যায়িত কপি সিএম লাইসেন্সের আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হয়। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবেশ ছাড়পত্রও লাগে।লাইসেন্স
- প্যারাফিন ওয়াক্সের পাইকারি সরবরাহকারী। কাঁচামালের বেশির ভাগই আমদানি হয় — রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও চীন থেকে — তাই ডলারের দর আর পরিবহন খরচ সরাসরি আপনার খরচে লাগে।সরবরাহকারী
- স্বাস্থ্যসম্মত ও বাতাস চলাচলের কারখানা — বিএসটিআইয়ের ফিল্ড অফিসার সরেজমিনে দেখে যান এবং কারখানার স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত অবস্থা বাংলাদেশ মানের সমপর্যায়ে না হলে লাইসেন্স হয় না।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ঠিক করুন কী বানাবেন। মোমবাতি হলে আজই শুরু করা যায়; সাবান হলে বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ছাড়া বাজারে বিক্রি করা যাবে না।
- 2সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন আর এনবিআর থেকে টিআইএন করুন — সিএম লাইসেন্সের আবেদনে দুটোই লাগে।
- 3সাবান বানালে পণ্যের নামের ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নিন — বিএসটিআই আবেদনের সঙ্গে এর সত্যায়িত কপি চায়।
- 4প্রসেস ফ্লো ডায়াগ্রাম আর মানসম্মত লেবেল তৈরি করুন — এ দুটোও আবেদনের কাগজপত্রের তালিকায় আছে।
- 5কারখানার জায়গা এমনভাবে গোছান যেন স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত অবস্থা বাংলাদেশ মানের সমপর্যায়ে থাকে — ফিল্ড অফিসার সরেজমিনে পরিদর্শনে আসবেন আর নমুনা নিয়ে যাবেন।
- 6বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয় বা বিভাগীয় অফিসে (চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল) নির্ধারিত ফরমে আবেদন করুন — সরাসরি বা অনলাইনে। আবেদন ফি ৳১,০০০।
- 7কাঁচামালের সরবরাহকারী ঠিক করুন। মোমবাতির প্রধান কাঁচামাল প্যারাফিন ওয়াক্স, যা রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও চীন থেকে আমদানি হয়ে চাক্তাইয়ের মতো পাইকারি বাজারে আসে।
- 8মোম গলানোর চুলা, ছাঁচ ও সুতা বসান। ছাঁচে আগে সুতা টান করে বসিয়ে তারপর গলা মোম ঢালতে হয়, ঠান্ডা হলে খুলে প্যাকেট।
- 9নমুনা পরীক্ষার ফি আর বছরের মার্কিং ফি হিসাবে ধরুন — উৎপাদনের ০.১০ শতাংশ হারে, সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫।
- 10পাড়ার মুদি দোকান আর বাজারের পাইকারি দোকান ধরে বিক্রি শুরু করুন, তারপর অনুষ্ঠানের ডেকোরেটর ও অনলাইনে।
- 11লোডশেডিং বাড়ার মৌসুমে মজুত রাখুন — গ্রীষ্মে গ্রামে দিনে সাত-আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতির চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চবেশি
- এপ্রিবেশি
- মেবেশি
- জুনবেশি
- জুলাবেশি
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · চাক্তাই পাইকারি বাজারে ১০–১৫টি মোমবাতির কারখানা; সেখান থেকে ঢাকা, সিলেট, ফেনী ও নোয়াখালীতে মাল যায়। বিএসটিআইয়ের বিভাগীয় অফিসও এখানে।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় বাজার আর বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয় এখানেই — লাইসেন্স ও পরীক্ষার কাজ সবচেয়ে দ্রুত হয়।
- সম্ভববরিশাল · বিভাগীয় বিএসটিআই অফিস আছে, কিন্তু স্থানীয় বাজার ছোট।
- সম্ভবকুমিল্লা · বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় আছে আর মহাসড়ক ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম দুদিকেই মাল পাঠানো যায়।
- সম্ভবগাজীপুর · কারখানার জায়গা তুলনামূলক সস্তা আর বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় আছে।
- সম্ভবখুলনা · বিএসটিআইয়ের বিভাগীয় অফিস থাকায় লাইসেন্সের জন্য ঢাকা যেতে হয় না।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া শিল্প এলাকা, রাসায়নিক ও প্যাকেজিংয়ের সরবরাহকারী কাছে।
- সম্ভবনোয়াখালী · বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় আছে; চাক্তাইয়ের মোমবাতির নিয়মিত বাজার।
- সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় বিএসটিআই অফিস আছে, আর উত্তরবঙ্গের পাইকারি বাজার কাছে।
- সম্ভবসিলেট · বিভাগীয় বিএসটিআই অফিস আছে; চাক্তাই থেকে মোমবাতি এখানে আসে, অর্থাৎ বাজার আছে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: সাবান বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকার ভেতরে। সিএম লাইসেন্স ছাড়া বানিয়ে বাজারে দিলে সেটা অবৈধ, আর নকল-ভেজাল প্রসাধনী ও সাবানের কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ও জরিমানা নিয়মিত ঘটনা। লাইসেন্স নিতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন, ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন আর কারখানা পরিদর্শন — সব মিলিয়ে ছোট উদ্যোক্তার জন্য এটাই সবচেয়ে বড় বাধা।
- মাঝারিচলতি মূলধন: লাইসেন্স হাতে আসার আগে টাকা বের হতে থাকে। আবেদন ফি ৳১,০০০, পরীক্ষণ ফি, বছরের মার্কিং ফি সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫, তার আগে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন — আর ১৯ থেকে ৯৪ কর্মদিবস অপেক্ষা। এই পুরো সময়টায় সাবান বানিয়ে রাখলেও বিক্রি করা যায় না।
- বেশিনির্ভরশীলতা: মোমবাতির কাঁচামাল পুরোটাই আমদানিনির্ভর। প্যারাফিন ওয়াক্স আসে রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও চীন থেকে; আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ওঠানামা করলে, ডলার সংকট হলে বা পরিবহন খরচ বাড়লে উৎপাদন খরচ সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় — চাক্তাইয়ের ব্যবসায়ীরা ঠিক এই কথাই বলছেন।
- বেশিচাহিদা: মোমবাতির চাহিদা লোডশেডিংয়ের সঙ্গে ওঠানামা করে। যে গ্রীষ্মে শহরে দিনে দুই-চার ঘণ্টা আর গ্রামে সাত-আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, সে বছর বিক্রি কয়েক গুণ; বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ভালো হলে সেই বিক্রি নেমে যায়। এই ব্যবসায় বছরের হিসাব আগে থেকে করা যায় না।
- মাঝারিঅন্যান্য: ব্র্যান্ডের সঙ্গে দামে লড়াই। চালডালে ১২৫ গ্রামের কাপড় কাচার সাবান ৳২৬–২৮ আর এসিআই স্মার্ট ১৩০ গ্রাম ৳২০ — বড় কোম্পানির এই দামের নিচে গিয়ে ছোট কারখানার লাভ রাখা কঠিন। সুগন্ধি, হাতে বানানো বা ডেকোরেটিভ পণ্যে না গেলে ছোট উদ্যোক্তার জায়গা কম।
সূত্র
List of 315 Products Brought Under Mandatory Certification Marks Wing
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিএম লাইসেন্স প্রসেস ফ্লো (বাধ্যতামূলক) — সেবা প্রোফাইল ও প্রসেস ম্যাপ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
নকশি কাঁথা
কাপড় স্তরে স্তরে সাজিয়ে সুই-সুতায় নকশা তোলা কাঁথা। জামালপুরে মজুরিসহ খরচ ৳১,৬০০–১,৮০০, ঢাকার পাইকারকে বিক্রি ৳২,০০০, আর ঢাকার দোকানে সেটাই ৳৪,০০০–৫,০০০।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ১ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৩৬৫ দিন
কাঠের খেলনা তৈরি
আসবাবের কারখানার ফেলে দেওয়া কাঠের টুকরা দিয়ে শিশুদের খেলনা বানানো। বিসিকের মেলায় কাঠের পণ্য ৳১০০ থেকে ৳৩,০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳৩ লাখ
- জনবল
- ১ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১২০ দিন
সাইকেল ও রিকশা মেরামত
রাস্তার পাশে ছোট দোকানে সাইকেল, রিকশা ও ই-রিকশা মেরামত। যন্ত্রপাতি ও মালের দাম মিলিয়ে ৳১৫,০০০ থেকেই শুরু করা যায়, আর খদ্দের কাজ শেষে নগদ টাকা দিয়ে যান।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার – ৳১.২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
কাগজের ঠোঙা ও প্যাকেজিং
বর্জ্য কাগজ কিনে হাতে ঠোঙা বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। খাকি ঠোঙা কেজি ৳১৩৫–১৪০, সাদা ৳৮০; ৬০ কেজি কাগজে সাড়ে ৭ হাজার খরচে ৭০ কেজি ঠোঙা, লাভ ২,৩০০ টাকা।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার – ৳৬০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩ – ১৫ দিন
