চানাচুর ও নাস্তা তৈরি
দোকানে মাল যায় বাকিতে, টাকা আসে ১৫–৩০ দিন পর — তাই মেশিন নয়, হাতের টাকাই সীমা। ব্র্যান্ডের চানাচুর কেজি ৳৩০০–৩৩৩, ছোট ব্র্যান্ডকে নামতে হয় ৳২০০–২৫০-এ।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,৫০,০০০ – ৳৮,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ১২ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ১৩০ দিন সরকারি সূত্র
- খরচ উঠবে
- ৮ – ১০ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
চানাচুর বানানো কঠিন নয়। কঠিন হলো বানানোর পর টাকা ফেরত পাওয়া। মাল যায় দোকানে, আর দোকানদার টাকা দেন মাল বিক্রি হওয়ার পর — মাঝখানের এই পনেরো-ত্রিশ দিনই এই ব্যবসার আসল সমস্যা। মেশিন নয়, হাতের টাকাই এখানে সীমা। বাজারের দর দেখলে জায়গাটা বোঝা যায়। রুচি ও বোম্বে সুইটসের ৫০০ গ্রামের প্যাকেট ৳১৫০, অর্থাৎ কেজি ৳৩০০; ৩০০ গ্রামের প্যাকেট ৳১০০, কেজি ৳৩৩৩। ছোট ব্র্যান্ডগুলো নামতে বাধ্য — আফি চানাচুর ৩০০ গ্রাম ৳৬০ (কেজি ৳২০০), আরকু ৩০০ গ্রাম ৳৭৫ (কেজি ৳২৫০)। কাঁচামালের দর: ছোলা ৳১০০–১১০ কেজি, পাম তেল খোলা ৳১৬৬–১৭২ লিটার, সয়াবিন খোলা ৳১৮৬–১৯৫, আলু ৳২৫–৩০, শুকনা মরিচ ৳৩২০–৩৮০, হলুদ ৳৩২০–৩৫০, লবণ ৳৪০–৪২। আইনের দিকটা অনেকে জানেন না। চানাচুর বিএসটিআইয়ের ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় আছে (ক্রমিক ৫৫, বিডিএস ১৫৬৪:২০১৬), তাই সিএম লাইসেন্স ছাড়া প্যাকেটে বিক্রি করা যায় না। আবেদন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, আর লাইসেন্স পেতে সময় লাগে ১৯ থেকে ৯৪ কর্মদিবস। আরও বড় কথা — প্রতিটি স্বাদ আর প্রতিটি প্যাকেটের সাইজের জন্য আলাদা লাইসেন্স। এক উদ্যোক্তা তিন ধরনের চানাচুর চারটি সাইজে আনতে চেয়ে শুনেছেন, বারোটি আলাদা আবেদন করতে হবে। তার উপর প্রতি বছর বিক্রির উপর মার্কিং ফি, সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধনও লাগে, আর তেল-রঙের ব্যাপারে ছাড় নেই: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বগুড়ায় দুটি চানাচুর কারখানাকে পোড়া তেল ও নিষিদ্ধ রং ব্যবহারের জন্য এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৮০,০০০ – ৳৪,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২০০ – ৳৩৩৩ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৩০ – ৳১৬৫ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩৫% – ৫০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ১৩০ দিন | সরকারি সূত্র | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৮ – ১০ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১৫ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২৫ – ১২০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ভাজার কড়াই বা ডিপ ফ্রায়ার (ছোট বাণিজ্যিক ফ্রায়ার ৳১,৫৮৩–৯,৪৮০), সেভ বা নুডল মেশিন, মিক্সিং ড্রাম, দাঁড়িপাল্লা, ওজন মাপার যন্ত্র আর হ্যান্ড সিলিং মেশিন (৳১,৪৯৮–২,২৬৩)। সেভ ও ঝুরি বানানোর মেশিনের দর যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- ছোলা বা বেসন (ছোলা ৳১০০–১১০ কেজি; প্যাকেট বেসন খুচরায় ৫০০ গ্রাম ৳৮৫), ভাজার তেল (পাম খোলা ৳১৬৬–১৭২ লিটার, সয়াবিন খোলা ৳১৮৬–১৯৫), আলু ৳২৫–৩০, শুকনা মরিচ ৳৩২০–৩৮০, হলুদ ৳৩২০–৩৫০, ধনিয়া ৳২০০–২৫০, লবণ ৳৪০–৪২, বাদাম, আর প্যাকেট ও লেবেল।প্রাথমিক মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু। বিএসটিআইয়ের আবেদনে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স লাগবেই।লাইসেন্স
- টিআইএন সনদ ও ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন — বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্সের আবেদনে দুটোরই সত্যায়িত কপি বাধ্যতামূলক। খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে প্রিমিসেস লাইসেন্স এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবেশ ছাড়পত্রও লাগে।লাইসেন্স
- বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স — চানাচুর ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকার ৫৫ নম্বর পণ্য, মান বিডিএস ১৫৬৪:২০১৬ (১ম সংশোধিত)। আবেদন ফি ৳১,০০০ (নতুন) / ৳৫০০ (নবায়ন), সময় ১৯–৯৪ কর্মদিবস, মেয়াদ তিন বছর। বার্ষিক মার্কিং ফি উৎপাদন বা বিক্রির উপর হারে, সঙ্গে ১৫% ভ্যাট। ঢাকার প্রধান কার্যালয় বা পাঁচটি বিভাগীয় আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে ইস্যু হয়।লাইসেন্স
- নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধন — বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ ৩ বছর। ২০২৬ সালের নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালায় প্যাকেটজাত খাদ্য উৎপাদক বাধ্যতামূলকভাবে আওতাভুক্ত। প্রতিষ্ঠানভেদে লাইসেন্স ফি ৳১,০০০–৫,০০০।লাইসেন্স
- ছোলা ও তেলের পাইকারি সরবরাহকারী, মসলার আড়ত, আর প্যাকেট-লেবেল ছাপানোর প্রেস। প্যাকেটের সাইজ বদলালে বিএসটিআইয়ের নতুন লাইসেন্স লাগে, তাই সাইজ আগে থেকে ঠিক করে ছাপান।সরবরাহকারী
- আলাদা কারখানা ঘর — ভাজার জায়গা, ঠান্ডা করার জায়গা, প্যাকিংয়ের জায়গা ও মালের গুদাম আলাদা রাখতে হয়। বিএসটিআইয়ের পরিদর্শনে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত অবস্থা বাংলাদেশ মানের সমপর্যায়ে না হলে লাইসেন্স হয় না।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ঠিক করুন কয় রকম চানাচুর আর কয়টা সাইজে বাজারে দেবেন। বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স প্রতিটি ধরন ও প্রতিটি প্যাকেট সাইজের জন্য আলাদা, তাই তালিকা বড় হলেই খরচ লাফিয়ে বাড়ে।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর ট্রেড লাইসেন্সে পণ্যের নাম ঠিকভাবে লেখান — বিএসটিআইয়ের আবেদনে এটাই লাগবে।
- 3টিআইএন সনদ আর ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন করান। বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্সের আবেদনে দুটোই সত্যায়িত কপি হিসেবে জমা দিতে হয়।
- 4নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন নিন — নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। প্যাকেটজাত খাদ্য উৎপাদকের জন্য এটি বাধ্যতামূলক।
- 5কারখানা এমনভাবে গোছান যেন স্বাস্থ্য ও পরিবেশের দিক থেকে বাংলাদেশ মানের সমপর্যায়ের হয় — বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তা সরেজমিনে পরিদর্শন করে নমুনা নেবেন।
- 6সিএম লাইসেন্সের আবেদন করুন — আবেদন ফি ৳১,০০০ (নতুন) বা ৳৫০০ (নবায়ন), সঙ্গে প্রসেস ফ্লো ডায়াগ্রাম ও মানসম্মত লেবেল। পণ্যভেদে টেস্ট ফি ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
- 7তেলের হিসাব লিখে রাখুন। একই তেলে বারবার ভাজলে জরিমানা হয় — ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বগুড়ায় দুই কারখানাকে এই কারণে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
- 8অনুমোদিত রং ও উপাদান ছাড়া কিছু ব্যবহার করবেন না। নিষিদ্ধ রং ধরা পড়লে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩৯ ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সরাসরি জরিমানা করে।
- 9মুদি দোকান ও চায়ের দোকান ধরে ধরে ডিলার লাইন বানান। প্রথম চালান ছোট রাখুন আর কোন দোকান কত দিনে টাকা দেয় তা খাতায় লিখুন।
- 10টাকা না উঠলে পরের চালান বন্ধ করুন। বাকির অঙ্ক একবার বড় হয়ে গেলে ওই দোকান আর কখনো পুরো টাকা দেয় না, আর আপনার কাঁচামাল কেনার টাকাও থাকে না।
- 11রমজান ও শীতের মৌসুমের জন্য আগে থেকে তেল ও ছোলা কিনে রাখুন; ওই সময় চাহিদা বাড়ে আর কাঁচামালের দামও বাড়ে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের কেন্দ্র; বান্দীঘি ও এরুলিয়ায় চানাচুর কারখানা আছে, আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযানও এখানে নিয়মিত।
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বিএসটিআইয়ের বিভাগীয় আঞ্চলিক কার্যালয় আছে, আর বন্দরের কারণে তেল ও মসলার পাইকারি দর তুলনামূলক ভালো।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় বাজার আর বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয় এখানেই, তাই লাইসেন্স ও নমুনা পরীক্ষার কাজ দ্রুত হয়।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া, ছোট খাদ্য কারখানার ঘনত্ব বেশি আর ঢাকার বাজারে মাল পৌঁছানো সহজ।
- সম্ভববরিশাল · বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় আছে; নদীপথে দক্ষিণাঞ্চলে বিতরণ সহজ।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ঘিরে পরিবহন সহজ; মহাসড়কের দোকান ও হকারদের বড় চাহিদা।
- সম্ভবগাজীপুর · কারখানার শ্রমিকদের বড় বাজার; ক্যান্টিন ও গেটের দোকানে নিয়মিত বিক্রি।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় বাজার আর বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় আছে, তাই লাইসেন্সের জন্য ঢাকায় যেতে হয় না।
- সম্ভবরাজশাহী · বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় আছে; আশপাশে ডাল ও ছোলার সরবরাহ ভালো।
- সম্ভবসিলেট · বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় আছে আর চায়ের দোকানের ঘনত্ব বেশি — চানাচুরের প্রধান খুচরা বিক্রেতা এই দোকানগুলোই।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিবাকিতে বিক্রি: মাল যায় বাকিতে, টাকা আসে দেরিতে। মুদি ও চায়ের দোকান মাল নেয় বিক্রির পর টাকা দেওয়ার শর্তে, আর সেই সময়টা সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ দিন। দশটা দোকানে চালান দিলে ওই পুরো সময় আপনার টাকা দোকানের তাকে পড়ে থাকে, অথচ পরের চালানের ছোলা-তেল আজই কিনতে হয়। বাকি বড় হয়ে গেলে দোকান বদলাতে হয় আর আগের টাকা তোলা যায় না। (এই ১৫–৩০ দিনের হিসাব বাজারের প্রচলিত কথা, নথি থেকে যাচাই করা যায়নি।)
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স প্রতিটি স্বাদ ও প্রতিটি সাইজে আলাদা। মিম ফুড প্রোডাক্টসের কর্ণধার ইয়াকুব হোসেন জানিয়েছেন, তিন ধরনের চানাচুর চার সাইজে আনতে চাইলে তাঁকে বারোটি আলাদা আবেদন করতে বলা হয়েছে, প্রতিটির আবেদন ফি ও টেস্ট ফি আলাদা। পণ্যভেদে টেস্ট ফি ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ছোট উদ্যোক্তার পক্ষে পুরো তালিকা লাইসেন্স করানো কার্যত অসম্ভব, তাই অনেকে লাইসেন্স ছাড়াই বিক্রি করেন — আর ধরা পড়লে সব যায়।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: তেল ও রঙে ছাড় নেই। ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বগুড়ায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত বান্দীঘি এলাকার 'মাহি চানাচুর' ও এরুলিয়ার 'রুচি ফুড' — দুটি কারখানাকেই এক লাখ টাকা করে জরিমানা করে। অভিযোগ ছিল দুই-তিন মাস ধরে ব্যবহৃত পোড়া তেলে চানাচুর ভাজা, অননুমোদিত ও নিষিদ্ধ রং ব্যবহার এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩৯ ধারায় এই জরিমানা হয়।
- বেশিচলতি মূলধন: বার্ষিক মার্কিং ফি লাভের উপর নয়, বিক্রির উপর। বিএসটিআইয়ের সেবা প্রোফাইল বলছে দাখিলকৃত উৎপাদন তথ্যের ভিত্তিতে বছরে ০.১০% হারে সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা; সংবাদ প্রতিবেদন বলছে ০.০৭% হারে সর্বনিম্ন ৳১,৫০০ ও সর্বোচ্চ ৩০ লাখ, অথবা ০.১০% হারে সর্বনিম্ন ৳৩,৫০০ ও সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ, সঙ্গে ১৫% ভ্যাট। দুই হিসাব মেলে না। যেটাই হোক, লোকসান করলেও এই ফি দিতে হয়।
- মাঝারিচাহিদা: উপরে বড় ব্র্যান্ড, নিচে দাম। রুচি ও বোম্বে সুইটস কেজি ৳৩০০–৩৩৩-এ বসে আছে সারা দেশের বিতরণ নিয়ে; নতুন ব্র্যান্ডকে ৳২০০–২৫০-এ নামতে হয় আর সেই কম দামেই বিএসটিআইয়ের ফি, প্যাকেট ও দোকানের কমিশন সামলাতে হয়। দোকানদার তাকের ভালো জায়গা বড় ব্র্যান্ডকেই দেন।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: ভাজা জিনিস তেলে নষ্ট হয়। প্যাকেট ঠিকমতো সিল না হলে বা দোকানে অনেক দিন পড়ে থাকলে তেল বাসি হয়ে গন্ধ ধরে, আর ফেরত আসে। সয়াবিন তেলের দাম এক বছরে ১১.৪ শতাংশ বেড়েছে, তাই নষ্ট হওয়া মালের ক্ষতিও এখন আগের চেয়ে বেশি।
সূত্র
সিএম লাইসেন্স প্রসেস ফ্লো (বাধ্যতামূলক) — সেবা প্রোফাইল, ফি ও সময়
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: মাসিক চলতি মূলধন · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
৩১৫ বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকা — চানাচুর ক্রমিক ৫৫, বিডিএস ১৫৬৪:২০১৬ (১ম সংশোধিত)
সংগ্রহ: ১৫ এপ্রি, ২০২৬সমর্থন করে: প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
মিষ্টির দোকান
দুধ থেকে ছানা কেটে মিষ্টি বানিয়ে বিক্রি। মিষ্টি ৳৩৮০–৬০০ কেজি, দই ৳২১০–৩০০ লিটার, কিন্তু দুধ ৳১২০–১৪০ লিটার — লাভ পুরোটাই দুধের দরের উপর।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৯ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ৪৫ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশুকনো আম উৎপাদন
মৌসুমে কেজি ১৫–৪০ টাকার কাঁচা আম কেটে শুকিয়ে সারা বছর বিক্রি। ৮–১০ কেজি কাঁচা আম থেকে ১ কেজি শুকনো আম হয়।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৬০ দিন
মধু প্রক্রিয়াজাত ও বোতলজাত
মৌচাষির কাঁচা মধু কিনে ছেঁকে বোতলে নিজের নামে বিক্রি। বোতলজাত মধু ৳৮০০–২,১০০ কেজি, তবে বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক আর নমুনা পরীক্ষার ফি ৳৭,৫০০।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১৫০ দিন
বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ক্যাটারিং
অনুষ্ঠানে তিনশো-পাঁচশো মানুষের রান্না করে সরবরাহ। বায়নার টাকা আগে আসে, তবে ক্যাটারিং সেবায় মূসক ১৫ শতাংশ — রেস্টুরেন্টের ৫ শতাংশ নয়।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ৫ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ৩০ দিন
