কংক্রিট ব্লক তৈরি
সিমেন্ট-বালু-পাথরের কুচি দিয়ে ব্লক বানিয়ে বিক্রি। একটি হলো ব্লক ৳৩২–৫০, আর একটি ব্লক পাঁচটি ইটের জায়গা নেয়। সরকারি কাজে শতভাগ ব্লকের সময়সীমা ২০২৫ সালের জুনে শেষ, কিন্তু মানা হয়নি।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳১২,০০,০০০ – ৳৪৫,০০,০০০ বাজারদর
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ৯০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৯ – ২৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
সিমেন্ট, বালু আর পাথরের কুচি মিশিয়ে ছাঁচে চেপে ব্লক বানানো, তারপর কয়েক দিন পানি দিয়ে শক্ত করে বিক্রি। পোড়া ইটের মতো এখানে মাটি লাগে না, কয়লা পোড়াতে হয় না, ভাটার চিমনিও লাগে না — খোলা জায়গা, একটা মেশিন আর পানি হলেই চলে। এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় কথাটা বাজারের নয়, সরকারি আদেশের। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ২৪ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে প্রজ্ঞাপন দিয়ে বলেছিল, সরকারি নির্মাণকাজে ধাপে ধাপে ব্লক ব্যবহার বাড়াতে হবে — ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১০ ভাগ, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩০ ভাগ, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬০ ভাগ, আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শতভাগ। সেই শতভাগের সময় ২০২৫ সালের জুনে শেষ হয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি। জানুয়ারি ২০২৬-এর হিসাবে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ছাড়া আর কেউ পুরোপুরি মানেনি, সব মিলিয়ে সরকারি কাজের আনুমানিক ৩০–৪০ ভাগে বিকল্প উপকরণ ব্যবহার হয়েছে। দেশে এখনো প্রায় সাত হাজার ইটভাটা চলছে। তার উপর ব্লকের উপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বসে, আর ইটভাটার মালিক প্রথম পাঁচ লাখ ইটে দেন থোক হারে — অর্থাৎ নিয়ম ব্লকের পক্ষে, কিন্তু করের হিসাব ইটের পক্ষে। ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন ব্লকের ব্যবহার ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে আর কর কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে, তবে নতুন কোনো তারিখ এখনো ঘোষণা হয়নি। তাই এই ব্যবসায় টাকা ঢালার আগে একটাই প্রশ্ন — আপনার এলাকায় ব্লক আসলে কে কিনবে, সরকারি ঠিকাদার না বেসরকারি ভবনমালিক, আর তিনি কত দিনে টাকা দেবেন।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩,০০,০০০ – ৳১৬,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩২ – ৳৫০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২৪ – ৳৩৪ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২৫% – ৩২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৯ – ২৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ২০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২০০ | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত |
শুরু করতে যা লাগবে
- ব্লক তৈরির মেশিন (হাতে চালানো, আধা-স্বয়ংক্রিয় বা স্বয়ংক্রিয়), মিক্সার, বিভিন্ন মাপের ছাঁচ, ভাইব্রেটর, পানির ট্যাংক ও ঠেলাগাড়ি। শরীয়তপুর বিসিক এলাকার এফ কে হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসে ২০২২ সালে মেশিনের দাম ছিল ১২–২২ লাখ টাকা।যন্ত্রপাতি
- সিমেন্ট, বালু ও পাথরের কুচি। ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বসুন্ধরা পিসিসি ৳৪৮০–৫৩০ ও ওপিসি ৳৫৩০–৫৫০, কিং ব্র্যান্ড পিসিসি ৳৪৯০–৫৩০ ও ওপিসি ৳৪৭০–৫১০ — প্রতি ৫০ কেজি বস্তা।প্রাথমিক মাল
- পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র — ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) অনুযায়ী 'ইট'-এর সংজ্ঞায় ব্লকও এসেছে। আপনার আকারের কারখানার জন্য আলাদা ছাড়পত্র লাগে কি না, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয় থেকে লিখিতভাবে জেনে নিন — ফি ও শর্ত যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। কাগজ ঠিক থাকলে ৩–৫ কার্যদিবস। প্রতি বছর নবায়ন।লাইসেন্স
- টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন (বিআইএন) — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ব্লকসহ ইটের বিকল্প উপকরণে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর প্রযোজ্য (মংগাবে, ০২-০১-২০২৬)। ঠিকাদারের বিল নিতে ভ্যাট চালান লাগে।লাইসেন্স
- মিশ্রণের অনুপাত ঠিক রাখা আর পানি দেওয়ার নিয়ম মানা। এই দুটোর উপরেই ব্লকের শক্তি নির্ভর করে, আর শক্তি পরীক্ষায় ফেল করলে সরকারি কাজে ব্লক নেওয়া হয় না।দক্ষতা
- সিমেন্টের ডিলার, বালু ও পাথরের কুচির সরবরাহকারী, আর মেশিনের যন্ত্রাংশ ও মেরামতের লোক। মেশিন নষ্ট হলে উৎপাদন বন্ধ, তাই কাছাকাছি মিস্ত্রি থাকা জরুরি।সরবরাহকারী
- খোলা জায়গা: মেশিনের ছাউনি, কাঁচামাল রাখার জায়গা, ব্লক শুকানো ও পানি দেওয়ার চাতাল, পানির উৎস, তিন ফেজ বিদ্যুৎ, আর ট্রাক ঢোকার রাস্তা।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ক্রেতা ঠিক করুন, তারপর কারখানা। এলাকার ঠিকাদার, গণপূর্ত বা এলজিইডির কাজ, আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের কাজ — কে কত ব্লক নেবে, লিখে নিন। সরকারি আদেশ থাকলেই অর্ডার আসে না, এটাই এই ব্যবসার প্রথম শিক্ষা।
- 2খোলা জায়গা নিন — মেশিন বসানোর ছাউনি, বালু-পাথর রাখার জায়গা, ব্লক শুকানো ও ভেজানোর চাতাল, আর ট্রাক ঢোকার রাস্তা লাগবে। রাস্তা না থাকলে ব্লক নিয়ে বের হওয়াই যাবে না।
- 3সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন (বিআইএন) করান — ঠিকাদারকে বিল দিতে হলে ভ্যাট চালান লাগবে।
- 4মেশিন বাছুন। শরীয়তপুর বিসিক এলাকার এফ কে হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের মতো দেশি প্রস্তুতকারক আছে; ২০২২ সালে তাদের মেশিনের দাম ছিল ১২–২২ লাখ টাকা। হাতে চালানো ছোট মেশিনও আছে, দাম যাচাই করে নিন।
- 5সিমেন্ট, বালু ও পাথরের কুচির নিয়মিত সরবরাহকারী ঠিক করুন। ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বসুন্ধরা ও কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের ৫০ কেজির বস্তা ছিল ৳৪৮০–৫৫০। সিমেন্টের দাম বাড়লে আপনার লাভ সরাসরি কমে।
- 6মিশ্রণের অনুপাত ঠিক করে ব্লক ঢালুন, তারপর ছায়ায় রেখে নিয়মিত পানি দিন। পানি কম দিলে ব্লক ঝুরঝুরে হয়, আর একবার দুর্নাম হলে ঠিকাদার আর ফিরে আসে না।
- 7প্রতিটি চালানের নমুনা ব্লকের চাপ সহনক্ষমতা পরীক্ষা করান। সরকারি কাজে ব্লক দিতে হলে পরীক্ষার কাগজ চাওয়া হয়; নিজের ল্যাব না থাকলে স্থানীয় প্রকৌশল কলেজ বা বুয়েটের ল্যাব ব্যবহার করতে হয়।
- 8দাম বলার সময় ইটের সঙ্গে পিস ধরে তুলনা করবেন না, গাঁথুনির জায়গা ধরে করুন — একটি ব্লক পাঁচটি ইটের জায়গা নেয়। এই হিসাবটা মিস্ত্রি ও মালিককে বুঝিয়ে বলতে না পারলে ব্লক দামি মনে হয়।
- 9ঠিকাদারের সঙ্গে বাকির শর্ত আগে লিখে নিন — কত দিনে টাকা, বিল কার কাছে জমা হবে, আর জামানত কত। সরকারি কাজের বিল পাস হতে সময় লাগে, সেই সময়টা আপনার টাকায় চলতে হবে।
- 10বর্ষার চার মাস (আষাঢ় থেকে আশ্বিন) নির্মাণ কমে যায়। আগের শুকনো মৌসুমের লাভ থেকে ওই সময়ের শ্রমিকের মজুরি ও জমির ভাড়া আলাদা করে রাখুন।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাকম
- আগকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবাগেরহাট · ছোট উদ্যোক্তাদের প্রমাণিত ক্লাস্টার — ২০২৩ সালে ২০ জন উদ্যোক্তার কারখানায় ১২০ জন কাজ করতেন আর মাসে দশ লাখের বেশি ব্লক তৈরি হতো।
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · মিরসরাইয়ে গ্যাসমিন লিমিটেডের ব্লক কারখানা ২০১৬ সাল থেকে চলছে; বন্দর, শিল্পাঞ্চল ও উপকূলীয় বাঁধের কাজ মিলিয়ে চাহিদা ধারাবাহিক।
- খুব উপযোগীঢাকা · দেশের সবচেয়ে বড় নির্মাণ বাজার, আর বড় ক্রেতা এখানেই — কনকর্ড গ্রুপ বছরে দেড় কোটি পিস ব্লক বানায় আর বিটিআইয়ের নিজেদের প্রকল্পে বছরে ৩৬ লাখ পিসের চাহিদা।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · মেঘনা ও শীতলক্ষ্যার বালুমহাল কাছে, নৌপথে পাথরের কুচি আসে, আর ঢাকার বাজারে ট্রাকে অল্প সময়ে পৌঁছানো যায়।
- সম্ভববরিশাল · নদীভাঙন ঠেকাতে ব্লকের কাজ হয় আর ইটভাটার জন্য মাটি পাওয়া কঠিন; ২০২২ সালে এখানে ব্লকের মেশিন গেছে।
- সম্ভবকক্সবাজার · উপকূল রক্ষার সিসি ব্লকের চাহিদা আছে — টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে ঢেউয়ের ধাক্কায় ব্লক সরে যাওয়ার খবর ৪ আগস্ট ২০২৬; পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজই এখানে বড় ক্রেতা।
- সম্ভবগাজীপুর · কারখানা ও শ্রমিক আবাসনের নির্মাণ বেশি, ঢাকার সঙ্গে মহাসড়ক যোগাযোগ ভালো।
- সম্ভবমাদারীপুর · শরীয়তপুরের প্রস্তুতকারক ২০২২ সালে এখানে মেশিন বিক্রি করেছেন, অর্থাৎ ব্লকের কারখানা ইতিমধ্যে আছে আর সরবরাহের ব্যবস্থাও চেনা।
- সম্ভবশরীয়তপুর · বিসিক শিল্পনগরীতে এফ কে হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস ব্লকের মেশিন বানায়, তাই মেশিন ও যন্ত্রাংশ হাতের কাছে।
- সম্ভবসিলেট · ভোলাগঞ্জ ও জাফলং থেকে পাথরের কুচি সবচেয়ে কাছে পাওয়া যায়, তাই কাঁচামালের পরিবহন খরচ কম।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: এই ব্যবসার বাজারটা সরকারি আদেশে তৈরি, আর সেই আদেশ এখনো কাগজেই। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ২৪ নভেম্বর ২০১৯-এর প্রজ্ঞাপনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকারি কাজে শতভাগ ব্লকের কথা ছিল; সময় শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের জুনে। জানুয়ারি ২০২৬-এর হিসাবে কেবল গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় পুরোপুরি মেনেছে, সব মিলিয়ে সরকারি কাজের আনুমানিক ৩০–৪০ ভাগে বিকল্প উপকরণ গেছে, আর দেশে প্রায় সাত হাজার ইটভাটা এখনো চলছে। অর্থাৎ সময়সীমা ধরে মেশিন কিনলে অর্ডার না-ও আসতে পারে।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: কর কাঠামো ইটের পক্ষে। ব্লকসহ বিকল্প উপকরণে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর দিতে হয়, আর ইটভাটার মালিক প্রথম পাঁচ লাখ ইটের উপর থোক হারে কর দেন — ফলে বাজারে ব্লক দামি হয়ে যায় (মংগাবে, ০২-০১-২০২৬)। ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে পরিবেশমন্ত্রী কাঁচামালের শুল্ক যৌক্তিক করা, উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট কমানো ও রেয়াতের কথা বলেছেন, কিন্তু কোনো হার বা তারিখ ঘোষণা হয়নি। অর্থাৎ ছাড় পাওয়ার আশায় হিসাব কষা ঠিক হবে না।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: সিমেন্টই সবচেয়ে বড় খরচ, আর সেই দাম আপনার হাতে নেই। ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ৫০ কেজির বস্তা ছিল ৳৪৭০–৫৫০। বস্তায় ৩০–৪০ টাকা বাড়লে ব্লকের দাম সঙ্গে সঙ্গে বাড়ানো যায় না, কারণ ঠিকাদারের সঙ্গে দাম আগেই ঠিক করা থাকে — ক্ষতিটা মাঝখানে আপনার।
- বেশিচলতি মূলধন: পুরো টাকা আগে ডুবে যায়। মেশিন, জমি ও কাঁচামালের টাকা একটা ব্লক বিক্রি হওয়ার আগেই খরচ হয়ে যায়, আর ঢালাইয়ের পরেও ব্লক কয়েক দিন চাতালে পড়ে থাকে। শরীয়তপুরের প্রস্তুতকারকের ২০২২ সালের দরেই মেশিনের দাম ছিল ১২–২২ লাখ টাকা, আর সমকালের ২০ জানুয়ারি ২০২৩-এর প্রতিবেদনে একটি কারখানার বিনিয়োগ বলা হয়েছে ৪০–৪৫ লাখ টাকা।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: সরকারি কাজের ঠিকাদার বিল পাস হওয়ার পর টাকা দেন, আর বিল পাস হতে কত দিন লাগে তা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই। বড় চালান বাকি পড়ে গেলে পরের মাসের সিমেন্ট কেনা আটকে যায়। কত দিন দেরি হয়, তা এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
বরফ কল
মাছ সংরক্ষণের বরফ তৈরির কারখানা। এক ক্যান বরফ ১২০–৩০০ টাকা, কিন্তু ১২৫ কেজির এক ক্যান বানাতে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ লাগে — লোডশেডিংই এখানে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
- পুঁজি
- ৳১৫ লাখ – ৳১ কোটি
- জনবল
- ৫ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ২৪০ দিন
প্লাস্টিক পণ্য তৈরি
ছাঁচে গলানো প্লাস্টিক ঢেলে বালতি, মগ ও চেয়ার বানানো। বাজার ৫০ হাজার কোটি টাকার, কিন্তু আরএফএলের দোকানেই ৩০ লিটারের বালতি ৳১৯৩ — নতুন দানা কিনে এই দামে টেকা যায় না।
- পুঁজি
- ৳৬ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ২৪০ দিন
মশার কয়েল তৈরি
কাঠের গুঁড়া ও কীটনাশক মিশিয়ে মশার কয়েল বানানোর কারখানা। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদ লাগে, আর আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র মেলে না।
- পুঁজি
- ৳৪ লাখ – ৳৪০ লাখ
- জনবল
- ৫ – ৪০ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ২৭০ দিন
কম্পিউটার এমব্রয়ডারি কারখানা
মেশিনে কাপড়ের উপর সুতার নকশা বসিয়ে অন্যের জন্য কাজ করে দেওয়া। টুপির কারখানা, বুটিক ও শাড়ির কুঠিই খদ্দের। হাতে যে কারচুপিতে ১৫ দিন লাগে, মেশিন তা ঘণ্টায় করে।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ২ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
