• আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

বাসা মেরামত ও হ্যান্ডিম্যান সেবা

বাসায় গিয়ে ফ্যান, লাইন, কল-পাইপ ও আসবাবের ছোট মেরামত। প্ল্যাটফর্মে একেকটি কাজ ৳৩০০–৮০৫, তবে সেখানে কমিশনের হার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳৫,০০০ – ৳৬০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম বিক্রি
৩ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
০.৫ – ১.৫ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘুরে ঘুরে সেবা · সহজ

ব্যবসাটি কী

বাসায় গিয়ে ছোট ছোট মেরামতের কাজ করা — ফ্যান লাগানো, লাইন ঠিক করা, সুইচ-সার্কিট দেখা, কল ও পাইপ সারানো, দরজা-জানালা ও আসবাব ঠিক করা। পুঁজি প্রায় লাগেই না; হাতের কাজ আর যন্ত্রপাতির বাক্সটাই মূলধন। আসল সিদ্ধান্তটা অন্য জায়গায়: আপনি কাজ পাবেন কোথা থেকে — নিজের এলাকা থেকে, নাকি অ্যাপের মাধ্যমে। শেবা ডট এক্সওয়াইজেডের ইলেকট্রিক ও প্লাম্বিং বিভাগে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দর ছিল: সিলিং ফ্যান লাগানো বা খোলা ৳৪০০, বৈদ্যুতিক চেকআপ ৳৬২৫, ফ্যান সার্ভিসিং ৳৩০০ থেকে, লাইট লাগানো ৳৩০০, মেইন সার্কিট ব্রেকার সার্ভিসিং ৳৪০০ থেকে, ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড ৳৮০০ থেকে, আর আসবাব জোড়া লাগানো ও ফিটিং ৳৮০৫ থেকে। রাত ১০টা থেকে সকাল ৮টার কাজে বাড়তি ৳৫০০ যোগ হয়। কিন্তু ওই টাকার পুরোটা কারিগর পান না। ওই প্ল্যাটফর্মের নিজের পাতার তথ্যেই লেখা আছে, সেবার শ্রেণিভেদে সর্বোচ্চ কমিশনের হার ৩০ শতাংশ (সংস্কার কাজে ১৫), আর ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ ৳৪০০ টাকার কাজে ১২০ টাকা পর্যন্ত প্ল্যাটফর্মের ঘরে যেতে পারে। এর বদলে প্ল্যাটফর্ম দেয় খদ্দের, আর কাজের পর টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা। নিজের এলাকায় সরাসরি কাজ করলে পুরো টাকাটা থাকে, কিন্তু খদ্দের খুঁজতে হয় নিজেকেই আর বাকিও পড়ে। এই দুইয়ের মধ্যে বেছে নেওয়াই এই কাজের আসল হিসাব।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳৩,০০০ – ৳২০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩০০ – ৳৮০৫ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৯০ – ৳২৪২ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৭০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়০.৫ – ১.৫ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৭ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ৮%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৩ – ৮সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • টেস্টার, স্ক্রু ড্রাইভার সেট, প্লায়ার্স ও কাটার, ড্রিল মেশিন ও বিট, পাইপ রেঞ্চ ও টেফলন টেপ, হাতুড়ি, করাত, মাপার ফিতা, মই আর একটা টানা-বাক্স। বৈদ্যুতিক কাজে ইনসুলেটেড হ্যান্ডেলের সরঞ্জাম আবশ্যক।যন্ত্রপাতি
  • বেশি চলে এমন কিছু যন্ত্রাংশ হাতে রাখা ভালো — সুইচ, সকেট, হোল্ডার, তার, টেপ, কলের ওয়াশার ও টেফলন টেপ, স্ক্রু ও র‍্যাপ্লাগ। এতে একই কাজে দুইবার যেতে হয় না।প্রাথমিক মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। সাধারণত ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু হয়।লাইসেন্স
  • বৈদ্যুতিক সংযোগ, আর্থিং ও সার্কিট ব্রেকার বোঝা; পানির লাইন ও কলের লিক সারানো; আসবাব খোলা-জোড়া ও ফিটিং। সবচেয়ে বড় দক্ষতা হলো সমস্যাটা কোথায় তা দ্রুত বের করা — কারণ খদ্দের কাজের জন্য টাকা দেন, খোঁজার সময়ের জন্য নয়।দক্ষতা
  • এলাকার হার্ডওয়্যার ও ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকান — যন্ত্রাংশের জন্য, আর খদ্দের পাওয়ার জন্যও। অনলাইনে কাজ পেতে চাইলে সেবা প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন।সরবরাহকারী
  • আলাদা দোকান লাগে না; কাজ হয় খদ্দেরের বাসায়। বাড়িতে যন্ত্রপাতি ও কিছু সাধারণ যন্ত্রাংশ রাখার একটা জায়গা থাকলেই চলে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1আপনি কোন কাজটা সত্যিই পারেন তা ঠিক করুন — বিদ্যুৎ, পানির লাইন, কাঠের কাজ, নাকি তিনটাই সামান্য করে। বিদ্যুতের কাজে ভুল হলে মানুষ মারা যায়, তাই যেটা জানেন না সেটা ধরবেন না।
  2. 2নিজের যন্ত্রপাতির বাক্স গুছান: টেস্টার, স্ক্রু ড্রাইভার, প্লায়ার্স, ড্রিল মেশিন, পাইপ রেঞ্চ, হাতুড়ি-করাত আর মাপার ফিতা। ভাড়ার যন্ত্রপাতি দিয়ে পেশাদার কাজ হয় না।
  3. 3কাজের দর আগে থেকে ঠিক করে একটা তালিকা বানান — কাজ ধরে দর, ঘণ্টা ধরে নয়। বাজারে লাইট লাগানো ৳৩০০, ফ্যান লাগানো ৳৪০০, বৈদ্যুতিক চেকআপ ৳৬২৫ — এই ধরনের দর ধরে নিজেরটা ঠিক করুন।
  4. 4যন্ত্রাংশের দাম আলাদা রাখুন এবং খদ্দেরকে আগেই বলুন। সুইচ, তার, কল বা বিয়ারিং আপনার নয়, ওগুলোর দাম আলাদা — এটা না বললে কাজ শেষে ঝগড়া হয়।
  5. 5সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। অফিস, দোকান বা বাড়িওয়ালার সঙ্গে নিয়মিত কাজ করতে গেলে এটা লাগে, আর প্ল্যাটফর্মেও কাগজ চাইতে পারে।
  6. 6নিজের এলাকার হার্ডওয়্যার ও ইলেকট্রিক দোকানের সঙ্গে সম্পর্ক করুন। দোকানদারের কাছেই খদ্দের আসে, আর তিনিই নাম বলে দেন — এই একটা জায়গা থেকেই বেশির ভাগ কাজ আসে।
  7. 7এলাকার ফ্ল্যাটবাড়ির কেয়ারটেকার ও বাড়িওয়ালাদের নম্বর দিন। একটা ভবনে কাজ পেলে সেখানে বারবার ডাক পড়ে, আর যাতায়াতের সময়ও বাঁচে।
  8. 8প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার আগে হিসাব করে দেখুন। শেবার তথ্যে সর্বোচ্চ কমিশনের হার ৩০ শতাংশ; ৳৪০০ টাকার কাজে ১২০ টাকা পর্যন্ত কাটা যেতে পারে। বিনিময়ে খদ্দের ও টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা মেলে — শুরুর দিকে এটা কাজে লাগে, কাজ ভরে গেলে নিজের খদ্দেরই বেশি লাভজনক।
  9. 9রাতের কাজের জন্য আলাদা দর রাখুন। বাজারে রাত ১০টা থেকে সকাল ৮টার কাজে বাড়তি ৳৫০০ নেওয়া হয়। জরুরি কাজে মানুষ সেটা দেয়, তাই কম নেবেন না।
  10. 10কাজের পর কয়েক দিনের ওয়ারেন্টি দিন এবং সেটা বলুন। বাজারে সাত দিনের সার্ভিস ওয়ারেন্টি দেওয়া হয়, আর যন্ত্রাংশের ওয়ারেন্টি কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী। এই কথাটা খদ্দেরের আস্থা তৈরি করে।
  11. 11প্রতিটি কাজের খদ্দেরের নাম, ঠিকানা, তারিখ ও কত নিলেন তা একটা খাতায় লিখে রাখুন। ছয় মাস পর ওই খাতাই আপনার খদ্দেরের তালিকা, আর সেখান থেকেই আবার কাজ আসে।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাস্বাভাবিক
  8. আগস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, ফ্ল্যাটবাড়ি অনেক, আর শেবার মতো প্ল্যাটফর্মের সেবা এলাকাতেও চট্টগ্রাম আছে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · ফ্ল্যাটবাড়ি আর ভাড়াটিয়ার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি; সেবা প্ল্যাটফর্মগুলোর কাজও মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানার কর্মীদের বাসা ও মেসের সংখ্যা বেশি; ছোট মেরামতের কাজ নিয়মিত পড়ে।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি আর ঢাকার লাগোয়া হওয়ায় কাজের চাপ বেশি, আর যাতায়াতও সহজ।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; দোকান ও অফিসের মেরামতের কাজ পাওয়া যায়।
  • সম্ভবকক্সবাজার · আবাসিক হোটেলে ফ্যান, এসি-লাইন ও পানির লাইনের কাজ নিয়মিত পড়ে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · শহরের ফ্ল্যাট ও প্রবাসী পরিবারের বাসায় কাজ মেলে।
  • সম্ভবখুলনা · শহরে ফ্ল্যাটবাড়ি বাড়ছে, তবে দর ঢাকার চেয়ে কম।
  • সম্ভবরাজশাহী · শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মেসের এলাকা; ছোট কাজ বেশি, বড় কাজ কম।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের বাসা বেশি, আর তাঁরা মেরামতের কাজে লোক ডাকতেই অভ্যস্ত।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনির্ভরশীলতা: প্ল্যাটফর্মের উপর নির্ভর করলে দর আর খদ্দের দুটোই অন্যের হাতে থাকে। শেবা ডট এক্সওয়াইজেডের নিজের পাতার তথ্যে সেবার শ্রেণিভেদে সর্বোচ্চ কমিশনের হার ৩০ শতাংশ লেখা (সংস্কার কাজে ১৫), ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ। কাজের দর প্ল্যাটফর্ম ঠিক করে, কমিশনের হারও তারাই বদলাতে পারে, আর খদ্দেরের নাম-নম্বর কারিগরের কাছে থাকে না। প্ল্যাটফর্ম কাজ পাঠানো কমিয়ে দিলে আয় সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যায়।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: সরাসরি কাজে টাকা আটকে যায়। বাড়িওয়ালা, কেয়ারটেকার বা অফিস 'পরে দেব' বলে রাখে, আর ছোট অঙ্কের জন্য বারবার তাগাদা দেওয়াও যায় না। যন্ত্রাংশ নিজের টাকায় কিনে দিলে সেই টাকাটাও আটকে থাকে। প্ল্যাটফর্মে এই ঝুঁকিটা থাকে না — সেটাই কমিশনের বদলে যা মেলে।
  • বেশিঅন্যান্য: বিদ্যুতের কাজ প্রাণঘাতী। মই থেকে পড়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া বা ভুল সংযোগে খদ্দেরের ক্ষতি — তিনটাই এখানে ঘটে, আর কারিগরের কোনো বিমা বা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেই। প্ল্যাটফর্মে কাজ করলেও সুরক্ষা সীমিত: শেবার শর্তে লেখা, খারাপ সেবার জন্য খদ্দেরকে দেওয়া ক্ষতিপূরণ অর্ডারের মূল্যের ১০ শতাংশ বা ৳৫,০০০ — যেটি কম, সেই পর্যন্ত। এক দিন হাত বা পা ভাঙলে আয়ও ওই দিন থেকেই বন্ধ।
  • মাঝারিচাহিদা: কাজ ছড়ানো-ছিটানো আর অনিয়মিত। একেকটি কাজে ৳৩০০–৮০৫, তাই দিনে দুটো কাজ পেলে আয় হাজার টাকার আশপাশে, কিন্তু ফাঁকা দিনও আসে। যাতায়াতে সময় ও ভাড়া দুটোই যায়, অথচ সেটার জন্য আলাদা টাকা পাওয়া যায় না — এক এলাকায় কাজ জমাতে না পারলে দিনের অর্ধেক রাস্তাতেই চলে যায়।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ঘড়ি মেরামত

হাতঘড়ি ও দেয়ালঘড়ি মেরামত। দেশে ঘড়ির বাজার ৩০০ কোটি টাকার বেশি, কিন্তু পাটুয়াটুলীতে ৩০ টাকাতেও ঘড়ি মেলে — তাই সস্তা ঘড়ি কেউ সারায় না।

পুঁজি
৳৫ হাজার – ৳১.৫ লাখ
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

মেহেদি ও ব্রাইডাল সেবা

বিয়ে, গায়েহলুদ ও ঈদে মেহেদির নকশা ও কনের সাজ। ঢাকায় উৎসবের মেহেদি ৳১,২২৫–১,৬২৫ আর ব্রাইডাল ৳৩,৯০০–৫,৫২৫ প্রতিজন।

পুঁজি
৳৩ হাজার – ৳৫০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

চাবি ও তালা সেবা

চাবি বানানো, তালা সারানো ও আটকে যাওয়া দরজা খোলা। চাবি ৳২৫–২০০, বাড়িতে ডাক পড়লে ৳২৫০–৫০০; ভালো দিনে হাজার টাকা, খারাপ দিনে কিছুই না।

পুঁজি
৳৩ হাজার – ৳৪০ হাজার
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
১ – ৭ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

জুতা মেরামত

জুতা সেলাই, সোল লাগানো ও পলিশ। সিলেটে পলিশ ৳৩০, দিনে আয় ৳৪০০–৫০০; লঞ্চে কাজ করা একজনের কোনো দিন ৳৭০০, কোনো দিন ৳২০০-ও নয়।

পুঁজি
৳২ হাজার – ৳৩০ হাজার
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
১ – ৭ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান