মূল অংশে যান
  • আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

মোটরসাইকেল সার্ভিসিং

মোটরসাইকেল সার্ভিসিং ও যন্ত্রাংশ বিক্রি। দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেল ৪৯ লাখ ৮০ হাজার, ২০২৫ সালের নতুন নিবন্ধনের ৮৬ শতাংশই মোটরসাইকেল।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳৫০,০০০ – ৳৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম বিক্রি
১০ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
৩ – ৮ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি কী

মোটরসাইকেল সার্ভিসিং মানে ইঞ্জিন অয়েল বদলানো, চেইন-ব্রেক ঠিক করা, ক্লাচ প্লেট, টায়ার ও ব্যাটারি লাগানো — আর তার সঙ্গে খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রি। দেশে যত মোটরযান নিবন্ধিত, তার তিন-চতুর্থাংশই মোটরসাইকেল। বিআরটিএর হিসাবে মে ২০২৬ পর্যন্ত নিবন্ধিত মোটরসাইকেল ৪৯ লাখ ৮০ হাজার ৭৪৭টি, সব মোটরযান মিলিয়ে ৬৭ লাখ ২৪ হাজার। শুধু ২০২৫ সালেই নতুন নিবন্ধন হয়েছে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৮৩০টি মোটরসাইকেল — সে বছরের মোট নিবন্ধনের ৮৬ শতাংশ। অন্য কোনো গাড়ি এত দ্রুত বাড়ছে না। সবচেয়ে বেশি কাজ দেয় রাইড শেয়ারিংয়ের চালকেরা, কারণ তাঁদের বাইক সারা দিন চলে। মার্চ ২০২৬-এ জ্বালানি সংকটের সময় প্রথম আলোকে চালকেরা বলেছিলেন, দিনে ৬ থেকে ৮ লিটার তেল লাগে তাঁদের। এত চললে ইঞ্জিন অয়েল, চেইন আর ব্রেক শু অনেক তাড়াতাড়ি ক্ষয় হয়। যন্ত্রাংশের দর জানা আছে: দারাজে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মোটরসাইকেলের ব্যাটারি ৳১,০৫০–১,৯৫০, আর টিমসান ব্র্যান্ডের টায়ার ৩.৫০-১২ মাপে ৳১,৭৫০, ৯০/৯০-১৭ মাপে ৳৫,৭০০। মনে রাখতে হবে, মোটরযান মেরামত কারখানার জন্য বিআরটিএর আলাদা লাইসেন্স আছে — আবেদন ফরম-৪০, লাইসেন্স ফরম-৪১।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳৩০,০০০ – ৳২,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১,০৫০ – ৳১৫,৬৫০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৮৪০ – ৳১৩,৩০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার১৫% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১০ – ৪৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৩ – ৮ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৭ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার২% – ৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৫ – ২০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • রেঞ্চ ও সকেট সেট, স্ক্রু ড্রাইভার, প্লায়ার, এয়ার কম্প্রেসার, টায়ার লিভার ও প্যাচ কিট, ব্যাটারি চার্জার, বাইক স্ট্যান্ড ও মাল্টিমিটার।যন্ত্রপাতি
  • ইঞ্জিন অয়েল, চেইন ও স্প্রকেট, ব্রেক শু, ক্লাচ প্লেট, বাল্ব; ব্যাটারি ৳১,০৫০–১,৯৫০ (ওয়াইটিএক্স৪এল, ওয়াইটিএক্স৫এল, ১২এন৫এ, ১২এন৭এ); টায়ার টিমসান ৳১,৭৫০–১৫,৬৫০ (৩.৫০-১২ থেকে ১৬০/৬০-১৭)।প্রাথমিক মাল
  • মোটরযান মেরামত কারখানার লাইসেন্স — বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। আবেদন ফরম-৪০ ('মোটরযান মেরামত কারখানা লাইসেন্স গ্রহণের আবেদনপত্র'), লাইসেন্স ফরম-৪১। ফি ও মেয়াদ বিআরটিএর ওয়েবসাইটে আলাদা করে প্রকাশ করা নেই — সার্কেল অফিস থেকে জেনে নিতে হয়।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
  • ইঞ্জিন খোলা ও জোড়া লাগানো, কার্বুরেটর ও ফুয়েল ইনজেকশন বোঝা, আর বৈদ্যুতিক গোলমাল ধরতে পারা। নতুন মডেলে ইলেকট্রনিক্স বাড়ছে, তাই শেখা থামানো যায় না।দক্ষতা
  • যন্ত্রাংশের পাইকারি বাজার ও ব্র্যান্ডের পরিবেশক। আসল ও নকল যন্ত্রাংশের পার্থক্য বোঝা এবং বিশ্বস্ত সরবরাহকারী ধরে রাখাই এই ব্যবসার আসল ভিত্তি।সরবরাহকারী
  • রাস্তার ধারে ছাউনিসহ একটি জায়গা যেখানে দুই-তিনটি বাইক একসঙ্গে দাঁড় করানো যায়, বিদ্যুৎ আছে আর পুরোনো তেল ও ব্যাটারি রাখার জায়গা আছে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1জায়গা বাছুন। বাইক সার্ভিসিংয়ের দোকান বাজারের মোড়ে, বাসস্ট্যান্ডের কাছে বা রাইড শেয়ারিংয়ের চালকেরা যেখানে জড়ো হন তার আশপাশে হওয়া দরকার।
  2. 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০ আর ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ফি; ৩–৫ কার্যদিবস।
  3. 3বিআরটিএ থেকে মোটরযান মেরামত কারখানার লাইসেন্স নিন। আবেদন ফরম-৪০, আর লাইসেন্সটি দেওয়া হয় ফরম-৪১-এ। ফি ও মেয়াদ নিজ সার্কেল অফিস থেকে জেনে নিন, কারণ ওয়েবসাইটে আলাদা করে লেখা নেই।
  4. 4যন্ত্রপাতি কিনুন: রেঞ্চ ও সকেট সেট, স্ক্রু ড্রাইভার, এয়ার কম্প্রেসার, টায়ার লিভার ও প্যাচ কিট, ব্যাটারি চার্জার, আর বাইক তোলার স্ট্যান্ড।
  5. 5প্রথম চালানে কী কী রাখবেন ঠিক করুন — ইঞ্জিন অয়েল, চেইন, ব্রেক শু, ক্লাচ প্লেট, বাল্ব, আর সবচেয়ে চলতি মাপের ব্যাটারি (১২এন৭এ, ওয়াইটিএক্স৫এল) ও টায়ার (৯০/৯০-১৭, ৩.৫০-১২)।
  6. 6রাইড শেয়ারিং ও ডেলিভারির রাইডারদের ধরুন। তাঁদের বাইক সারা দিন চলে — মার্চ ২০২৬-এ তাঁরা বলেছিলেন দিনে ৬–৮ লিটার তেল লাগে। এত চললে সার্ভিসিং ঘন ঘন লাগে, আর একজন খদ্দের বছরে বহুবার ফিরে আসে।
  7. 7প্রতিটি বাইকের নম্বর, কত কিলোমিটার চলেছে আর কী কাজ হয়েছে খাতায় লিখুন। পরের সার্ভিসিং কবে লাগবে আগে থেকে বলে দিলে খদ্দের অন্য দোকানে যায় না।
  8. 8যন্ত্রাংশের দাম আর মজুরি আলাদা করে বিল দিন। একসঙ্গে মিশিয়ে দিলে খদ্দের ভাবে ঠকেছে, আর আপনিও কোনটায় লাভ হচ্ছে বুঝতে পারেন না।
  9. 9নকল যন্ত্রাংশ থেকে দূরে থাকুন। কম দামে কিনে লাগালে এক মাসেই ফেরত আসে, আর তখন আপনাকেই বিনামূল্যে আবার লাগাতে হয়।
  10. 10একজন সহকারী তৈরি করুন। মিস্ত্রি একজন হলে তিনি অসুস্থ হলেই দোকান বন্ধ, আর বন্ধ দোকান থেকে খদ্দের একবার সরে গেলে সহজে ফেরে না।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাস্বাভাবিক
  8. আগস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর ও বন্দর এলাকা; রাইড শেয়ারিং ও ডেলিভারির রাইডার প্রচুর।
  • খুব উপযোগীঢাকা · রাইড শেয়ারিং ও ডেলিভারির রাইডারদের সবচেয়ে বড় জমায়েত এখানেই; একজন খদ্দের বছরে বহুবার ফেরে।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানার শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের যাতায়াতের প্রধান বাহন মোটরসাইকেল; ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ধারে কাজ পাওয়া সহজ।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · শিল্প এলাকা, বাইকের ঘনত্ব বেশি আর ঢাকার পাইকারি যন্ত্রাংশ বাজার কাছেই।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; উপজেলা শহরগুলোর চলাচলে মোটরসাইকেলই প্রধান।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে; দূরপাল্লার বাইক পথে থেমে কাজ করায়।
  • সম্ভবযশোর · সীমান্ত ও বাণিজ্যপথের শহর; বাইক চলাচল বেশি, যন্ত্রাংশ সরবরাহও সহজ।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা; ছাত্র ও চাকরিজীবীদের বাইকের সংখ্যা বাড়ছে।
  • সম্ভবরংপুর · গ্রামীণ যাতায়াতে মোটরসাইকেলের ব্যবহার বেশি, তবে খদ্দেরের খরচ করার ক্ষমতা কম।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের বাইকের সংখ্যা বেশি এবং দামি মডেলের অনুপাতও বেশি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: টাকা আটকে থাকে তাকের উপরে। একটি বাইকের যন্ত্রাংশ আরেকটিতে লাগে না — ব্যাটারির মাপ আলাদা, টায়ারের মাপ আলাদা, ক্লাচ প্লেট মডেল ধরে আলাদা। চলতি মাপ না থাকলে খদ্দের পাশের দোকানে চলে যায়, আবার সব মাপ রাখতে গেলে পুঁজির বড় অংশ অচল পড়ে থাকে। দশটি ব্যাটারি আর দশটি টায়ার রাখতেই প্রায় ৫০ হাজার টাকা বসে যায়।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: আয়ের বড় অংশ আসে রাইড শেয়ারিং ও ডেলিভারির রাইডারদের কাছ থেকে, আর তাঁদের আয় নির্ভর করে তেলের উপর। মার্চ ২০২৬-এ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন একবারে ২ লিটারের বেশি তেল না দেওয়ার নিয়ম করলে চালকেরা প্রথম আলোকে বলেন, দিনে ৬–৮ লিটার লাগে বলে তাঁদের আয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। চালকের আয় কমলে সার্ভিসিং পিছিয়ে যায়, আর দোকানের কাজও কমে।
  • মাঝারিঅন্যান্য: নকল যন্ত্রাংশের ঝুঁকি। পাইকারি বাজারে আসল ও নকল পাশাপাশি বিক্রি হয়, দামের পার্থক্য বড়। সস্তা মাল লাগিয়ে দিলে এক-দুই মাসে নষ্ট হয়, খদ্দের ফেরত আসে, আর আপনাকেই বিনামূল্যে বদলে দিতে হয়। এক-দুইবার এমন হলে এলাকায় নাম খারাপ হয়ে যায়, আর ছোট দোকান নামের উপরেই চলে।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: মোটরযান মেরামত কারখানা চালাতে বিআরটিএর লাইসেন্স লাগে — আবেদন ফরম-৪০, লাইসেন্স ফরম-৪১। অনেক দোকান শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই চলে, কিন্তু অভিযান হলে সেটি যথেষ্ট নয়। ফি ও নবায়নের মেয়াদ বিআরটিএ ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে না, তাই খরচটা আগে থেকে জানাও যায় না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

পেস্ট কন্ট্রোল সেবা

বাসা, রেস্টুরেন্ট ও গুদামে পোকামাকড় ও ইঁদুর নিয়ন্ত্রণের সেবা। বার্ষিক চুক্তিতে আয় নিশ্চিত হয়, আর লাইসেন্স ছাড়া এই কাজ করা আইনে নিষেধ।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৩ লাখ
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

এসি ও ফ্রিজ সার্ভিসিং

বাসা ও অফিসে গিয়ে এসি-ফ্রিজ সার্ভিসিং ও মেরামত। মার্চ-জুনে কাজের চাপ, শীতে প্রায় বন্ধ — তাই বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ছাড়া বারো মাস চালানো কঠিন।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

মোবাইল সার্ভিসিং

যন্ত্রাংশে লাভ কম, আসল লাভ হাতের মজুরিতে। মাদারবোর্ডের কাজ যিনি পারেন, অন্য দোকানও তাঁর কাছেই সেট পাঠায়।

পুঁজি
৳৪০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

কার ওয়াশ ও সার্ভিসিং

গাড়ি ধোয়া, ভেতর পরিষ্কার ও পলিশ। ঢাকায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের দর ৳১,৭৯০–৫,৭০০ প্রতি গাড়ি, আর প্রেশার ওয়াশার ৳৭,২৫০ থেকেই কেনা যায়।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳৬ লাখ
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান