• আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

পেস্ট কন্ট্রোল সেবা

বাসা, রেস্টুরেন্ট ও গুদামে পোকামাকড় ও ইঁদুর নিয়ন্ত্রণের সেবা। বার্ষিক চুক্তিতে আয় নিশ্চিত হয়, আর লাইসেন্স ছাড়া এই কাজ করা আইনে নিষেধ।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳৫০,০০০ – ৳৩,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
২.৫ – ৯.৫ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘুরে ঘুরে সেবা · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি কী

বাসা, অফিস, রেস্টুরেন্ট, গুদাম বা কারখানায় গিয়ে তেলাপোকা, ছারপোকা, উইপোকা, ইঁদুর আর মশা-মাছি মারার সেবা। কাজটা এক দিনের নয় — ওষুধ দেওয়ার পর কাজ হতে সময় লাগে, তাই সেবাদাতাকে আবার ফিরে যেতে হয়। বড় প্ল্যাটফর্ম শেবা ডট এক্সওয়াইজেড তাদের নিজের পাতায় লিখে রেখেছে: তেলাপোকার ক্ষেত্রে ফল পেতে ১৫ দিন অপেক্ষা, ছারপোকায় ৭ দিন, উইপোকায় ৩ দিন; আর তিন ক্ষেত্রেই ওয়ারেন্টি ৯০ দিন, যা শুরু হয় কাজ শেষের ১৫ দিন পর। পিঁপড়া আর মশার কোনো ওয়ারেন্টি নেই। বাসার দাম ঠিক হয় কয় রুম তার উপর, আর দোকান-অফিসের দাম বর্গফুট হিসাবে। বিল ৳৫০০-এর কম হলেও অন্তত ৳৫০০ সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। এই ব্যবসার আসল খুঁটি বার্ষিক চুক্তি। রেস্টুরেন্ট, বেকারি, খাবারের গুদাম আর হাসপাতাল বছরে কয়েকবার সেবা নেয়, আর সেই টাকাটা আগেই ঠিক থাকে — এক দিনের কাজের চেয়ে এটাই ভরসা। তবে এখানে বড় একটা আইনি ব্যাপার আছে যা অনেকে জানেন না। বালাইনাশক (পেস্টিসাইডস) আইন, ২০১৮ এর ৯ ধারা বলছে, লাইসেন্স ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণের কাজ করা যাবে না। লাইসেন্স দেয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের পরিচালক, মেয়াদ ২ বছর, আর মেয়াদ শেষের ৩০ দিন আগে নবায়নের আবেদন করতে হয়। লেবেলে লেখা গুণাগুণ নেই এমন বালাইনাশক ব্যবহার বা বিক্রি করলে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, দ্বিতীয়বারে ২ লাখ। ওষুধ যেমন কাজ করে, তেমনি ভুল ওষুধ মানুষেরও ক্ষতি করে — এই দায়টা সেবাদাতার।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳৪০,০০০ – ৳১,৫০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৫০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳১৫০ – ৳২৫০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৫০% – ৭০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়২.৫ – ৯.৫ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৭ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ১০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৩ – ৪সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • চাপযুক্ত স্প্রে মেশিন, জেল গান, ধোঁয়া বা ফগিং মেশিন (মশার জন্য), মাপার সরঞ্জাম, আর ব্যক্তিগত সুরক্ষা — মাস্ক, গ্লাভস, চশমা ও অ্যাপ্রন। রাসায়নিক রাখার আলাদা তালাবদ্ধ জায়গা।যন্ত্রপাতি
  • নিবন্ধিত ব্র্যান্ডের বালাইনাশক — তেলাপোকার জেল, ছারপোকার স্প্রে, উইপোকার জন্য মাটিতে দেওয়ার ওষুধ, ইঁদুরের টোপ। বাজারে খাবারের জায়গার জন্য এইচএসিসিপি সনদযুক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের চল আছে।প্রাথমিক মাল
  • বালাইনাশকের ব্র্যান্ড নিবন্ধন — একই উইংয়ের পরিচালক (নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ)। আইনের ৪ ধারা: নিবন্ধন ছাড়া কোনো বালাইনাশক আমদানি, উৎপাদন, বিক্রি, বিক্রয়ের জন্য মজুত বা বিজ্ঞাপন করা যাবে না।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। সাধারণত ৩–৫ কর্মদিবসে হয়।লাইসেন্স
  • বালাইনাশক লাইসেন্স — কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের পরিচালক (লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ)। বালাইনাশক (পেস্টিসাইডস) আইন, ২০১৮ এর ৯ ধারা: লাইসেন্স ছাড়া বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। ১০ ধারা: বিধি দ্বারা নির্ধারিত ফিসহ আবেদন। ১১ ধারা: মেয়াদ ২ বছর। ১২ ধারা: মেয়াদ শেষের ৩০ দিন আগে নবায়নের আবেদন, নবায়নের মেয়াদও ২ বছর। ফির অঙ্ক এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • কোন পোকার জন্য কোন ওষুধ, কত মাত্রায় আর কোথায় দিতে হয় তা জানা; ঘর কতক্ষণ খালি রাখতে হবে তা বলা; আর খদ্দেরকে অপেক্ষার সময়টা বুঝিয়ে বলা — কারণ তেলাপোকা মরতে ১৫ দিন লাগে, এটা না বললে খদ্দের ভাবেন কাজ হয়নি।দক্ষতা
  • নিবন্ধিত বালাইনাশকের অনুমোদিত ডিলার বা আমদানিকারক, আর স্প্রে ও ফগিং মেশিনের সরবরাহকারী।সরবরাহকারী

কাজের ধাপ

  1. 1আগে ঠিক করুন আপনি কী মারবেন — তেলাপোকা ও ছারপোকা, নাকি উইপোকা ও ইঁদুরও। প্রতিটার ওষুধ আলাদা, পদ্ধতি আলাদা, আর ফল পেতে সময়ও আলাদা।
  2. 2কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ে যান এবং লাইসেন্সের নিয়ম জেনে নিন। বালাইনাশক (পেস্টিসাইডস) আইন, ২০১৮ এর ৯ ধারায় লাইসেন্স ছাড়া বাণিজ্যিক কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ নিষিদ্ধ।
  3. 3যে ব্র্যান্ডের বালাইনাশক ব্যবহার করবেন তা নিবন্ধিত কি না দেখে নিন। আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী নিবন্ধন ছাড়া কোনো বালাইনাশক আমদানি, বিক্রি বা মজুত করা যায় না, আর নিবন্ধন দেয় ওই একই উইংয়ের পরিচালক।
  4. 4সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং এনবিআর থেকে টিআইএন করুন। প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে গেলে দুটোই চাইবে।
  5. 5স্প্রে মেশিন, জেল গান, মাস্ক-গ্লাভস-চশমা আর নিরাপদ রাসায়নিক রাখার আলাদা বাক্স কিনুন। নিজের ও কর্মীর নিরাপত্তার সরঞ্জাম বাদ দেওয়া যাবে না — ওষুধ মানুষের গায়েও লাগে।
  6. 6নিজে ও কর্মীদের হাতে-কলমে শিখুন: কোন ওষুধ কত পরিমাণে, কোথায় দিতে হয়, আর কতক্ষণ ঘর খালি রাখতে হয়। মাত্রা ভুল হলে পোকা মরে না, আর বেশি হলে খদ্দের অসুস্থ হয়।
  7. 7দাম ঠিক করার নিয়ম আগে থেকেই লিখে রাখুন — বাসার জন্য রুম হিসাবে, দোকান-অফিসের জন্য বর্গফুট হিসাবে। বিল যত কমই হোক, একটা সর্বনিম্ন সার্ভিস চার্জ রাখুন; বাজারে সেটা ৳৫০০।
  8. 8ওয়ারেন্টির শর্ত পরিষ্কার করে বলুন ও লিখুন। বাজারের চল হলো তেলাপোকায় ১৫ দিন, ছারপোকায় ৭ দিন আর উইপোকায় ৩ দিন অপেক্ষা, তারপর ৯০ দিনের ওয়ারেন্টি — আর সেই ওয়ারেন্টি শুরু হয় কাজ শেষের ১৫ দিন পর।
  9. 9বার্ষিক চুক্তির পেছনে সময় দিন। রেস্টুরেন্ট, বেকারি, খাবারের গুদাম আর হাসপাতালকে বছরে ৩–৪ বার সেবার প্যাকেজ দিন। এক দিনের কাজ আসে-যায়, চুক্তির টাকা মাসে মাসে ঠিক থাকে।
  10. 10প্রতিটি কাজের তারিখ, ব্যবহৃত ওষুধের নাম ও মাত্রা লিখে রাখুন। পরিদর্শক এলে বা কেউ অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ করলে এই খাতাটাই আপনার একমাত্র সুরক্ষা।
  11. 11লাইসেন্সের মেয়াদ শেষের ৩০ দিন আগে নবায়নের আবেদন করুন। মেয়াদ ২ বছর, নবায়নও ২ বছরের জন্য।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাস্বাভাবিক
  8. আগস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর, খাদ্য গুদাম ও আমদানি পণ্যের ডিপো থাকায় ইঁদুর ও পোকার চাপ বেশি; শেবার সেবা এলাকাতেও চট্টগ্রাম আছে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · ফ্ল্যাটবাড়ি, রেস্টুরেন্ট, অফিস ও খাবারের গুদাম সবচেয়ে বেশি এখানেই; শেবা ডট এক্সওয়াইজেডের পেস্ট কন্ট্রোল সেবাও ঢাকাকেই প্রধান এলাকা হিসেবে দেখায়।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · গার্মেন্টস কারখানা ও কাঁচামালের গুদামে নিয়মিত পেস্ট কন্ট্রোল দরকার হয়, আর এসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক চুক্তিতে যায়।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি, কারখানা ও নদীবন্দরের গুদাম — তিনটাই পোকা-ইঁদুরের বড় জায়গা।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; খাদ্যগুদাম ও হোটেল বেশি, আর প্রতিযোগী কম।
  • সম্ভবকক্সবাজার · আবাসিক হোটেল ও রেস্টুরেন্টে ছারপোকা ও তেলাপোকার সমস্যা নিয়মিত, আর পর্যটন মৌসুমের আগে কাজ বাড়ে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও গুদামে নিয়মিত কাজ পাওয়া যায়।
  • সম্ভবখুলনা · চিংড়ি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত কারখানায় কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ বাধ্যতামূলক অংশ, আর তারা চুক্তিতে যায়।
  • সম্ভবরাজশাহী · খাদ্যগুদাম, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়মিত ক্রেতা হতে পারে।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের বাসা ও হোটেল-রেস্টুরেন্টে খরচ করার ক্ষমতা বেশি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্স আর ওষুধ — দুই দিক থেকেই ঝুঁকি। বালাইনাশক (পেস্টিসাইডস) আইন, ২০১৮ এর ৯ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া বাণিজ্যিক কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। ২৯ ধারা অনুযায়ী লেবেলে লেখা গুণাগুণ নেই এমন বালাইনাশক বিক্রি বা মজুত করলে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও অনাদায়ে ১ বছর কারাদণ্ড, দ্বিতীয়বার একই অপরাধে ২ লাখ টাকা ও ২ বছর। ৩১ ধারা অনুযায়ী নিবন্ধন নম্বরের অননুমোদিত ব্যবহার, ওষুধে ভেজাল মেশানো বা পরিদর্শককে বাধা দিলে কমপক্ষে ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা জরিমানা অথবা ১ থেকে ২ বছর কারাদণ্ড। এই আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতও দণ্ড দিতে পারে।
  • বেশিঅন্যান্য: ওষুধ মানুষকেও ক্ষতি করে। বাসায় শিশু, বয়স্ক মানুষ, গর্ভবতী নারী বা অসুস্থ কেউ থাকলে, কিংবা ঘর ঠিকমতো খালি না রেখে আবার ব্যবহার শুরু করলে বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটে। খাবারের দোকান বা বেকারিতে ওষুধ খাবারে লাগলে দায় পুরোপুরি সেবাদাতার। এ কারণেই কোন ওষুধ কত দিয়েছেন তা খাতায় লিখে রাখা দরকার — অভিযোগ উঠলে এটাই একমাত্র প্রমাণ।
  • মাঝারিচাহিদা: এক দিনের কাজ ভরসা করার মতো নয়। খদ্দের সাধারণত সমস্যা বড় হলে তবেই ডাকেন, আর কাজ হয়ে গেলে বছরে আর ডাকেন না। বার্ষিক চুক্তি না থাকলে আয় মাসে মাসে ওঠানামা করে, আর তখন কর্মীর বেতন ও ওষুধের টাকা বের করা কঠিন হয়।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: ওয়ারেন্টির মধ্যে পোকা ফিরে এলে আবার বিনামূল্যে যেতে হয়। বাজারের চল ৯০ দিনের ওয়ারেন্টি, যা শুরুই হয় কাজ শেষের ১৫ দিন পর — অর্থাৎ একটি কাজের দায় প্রায় সাড়ে তিন মাস থাকে। পাশের ফ্ল্যাট বা পাশের দোকান পরিষ্কার না হলে পোকা ফিরে আসেই, অথচ খরচটা আপনারই।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: ওষুধ আগে কিনতে হয় আর টাকা আসে কাজের পর। প্রতিষ্ঠানের বিল পাস হতে সময় লাগে, অথচ কর্মীর বেতন ও যাতায়াতের খরচ প্রতিদিনের। একসঙ্গে কয়েকটা বড় চুক্তি ধরলে ওষুধের মজুদেই মোটা টাকা আটকে যায়।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

মোটরসাইকেল সার্ভিসিং

মোটরসাইকেল সার্ভিসিং ও যন্ত্রাংশ বিক্রি। দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেল ৪৯ লাখ ৮০ হাজার, ২০২৫ সালের নতুন নিবন্ধনের ৮৬ শতাংশই মোটরসাইকেল।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
১০ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

এসি ও ফ্রিজ সার্ভিসিং

বাসা ও অফিসে গিয়ে এসি-ফ্রিজ সার্ভিসিং ও মেরামত। মার্চ-জুনে কাজের চাপ, শীতে প্রায় বন্ধ — তাই বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ছাড়া বারো মাস চালানো কঠিন।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

মোবাইল সার্ভিসিং

যন্ত্রাংশে লাভ কম, আসল লাভ হাতের মজুরিতে। মাদারবোর্ডের কাজ যিনি পারেন, অন্য দোকানও তাঁর কাছেই সেট পাঠায়।

পুঁজি
৳৪০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

কার ওয়াশ ও সার্ভিসিং

গাড়ি ধোয়া, ভেতর পরিষ্কার ও পলিশ। ঢাকায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের দর ৳১,৭৯০–৫,৭০০ প্রতি গাড়ি, আর প্রেশার ওয়াশার ৳৭,২৫০ থেকেই কেনা যায়।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳৬ লাখ
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
পেস্ট কন্ট্রোল সেবা: লাইসেন্স, দাম ও বার্ষিক চুক্তি · আয়রোজগার