টিউশন ও হোম টিউটর
ছাত্রের বাড়িতে বা নিজের ঘরে পড়িয়ে ছাত্রপ্রতি মাসিক আয়। পুঁজি প্রায় শূন্য। দেশে তিন-চতুর্থাংশের বেশি শিক্ষার্থী প্রাইভেট টিউটর বা কোচিংয়ে পড়ে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫০০ – ৳৮,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ১ – ১.৫ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘুরে ঘুরে সেবা · সহজ
ব্যবসাটি কী
ছাত্রের বাড়িতে গিয়ে পড়ানো, বা নিজের ঘরে দু-তিনজনের ব্যাচ বসানো। পুঁজি বলতে কিছুই লাগে না — একটা খাতা, একটা কলম আর যাওয়া-আসার ভাড়া। দেশের প্রায় প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের প্রথম রোজগার এখান থেকেই আসে। চাহিদা কল্পনার জিনিস নয়। গণসাক্ষরতা অভিযানের ‘এডুকেশন ওয়াচ-২০২৩’ গবেষণা বলছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক দুই স্তরেই তিন-চতুর্থাংশের বেশি শিক্ষার্থী প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়েছে বা কোচিংয়ে গেছে। কেন, তারও উত্তর আছে — মাধ্যমিকে ৮১ লাখ ৬৬ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার, সরকারি স্কুলে প্রতি ৩৭ জন ছাত্রে একজন শিক্ষক, আর শিক্ষকের পদের এক-পঞ্চমাংশ খালি পড়ে আছে। স্কুল যা পারে না, গৃহশিক্ষক সেটাই বেচেন। টাকার অঙ্কটা মাসিক, আর ছাত্রপ্রতি। ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের এক শিক্ষার্থী দুজন গৃহশিক্ষকের পেছনে মাসে ৳৬,৫০০ দেয় — ভাগ করলে শিক্ষকপ্রতি ৳৩,২৫০ (সেপ্টেম্বর ২০২৫)। মফস্সলের দর এর অনেক কম, তবে সেই দর এখানে যাচাই করা যায়নি। এডুকেশন ওয়াচের হিসাবে মাধ্যমিকের একজন শিক্ষার্থীর পেছনে পরিবারের বছরের খরচ ২০২২ সালে ছিল ৳২৭,৩৪০ — গ্রামে ৳২২,৯০৯, শহরে ৳৩৫,৬৬২; ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসেই তা ৫১ শতাংশ বেড়ে ৳২০,৭১২ হয়েছে, আর বাড়ার প্রধান কারণ প্রাইভেট টিউটরের বেতন ও নোট-গাইড। ঝুঁকি একটাই বড় — টিউশন হারানো। ছাত্র এক মাস না পড়লে আয় ওই মাসেই শূন্য, আর বকেয়া চাইতে গেলে টিউশনই চলে যায়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৫০০ – ৳৩,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩,২৫০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২৫০ – ৳৬০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৮১.৫% – ৯২.৩% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১ – ১.৫ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৩০ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৮% – ১৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২ – ৫ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- খাতা, কলম, নিজের কাছে ওই শ্রেণির পাঠ্যবই ও গাইড, আর ব্যাচ পড়ালে একটা হোয়াইট বোর্ড। ফটোকপির খরচও ধরতে হয় — মাধ্যমিকে ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী গাইড বইয়ের উপর নির্ভর করে।যন্ত্রপাতি
- ট্রেড লাইসেন্স — একা ছাত্রের বাড়িতে গিয়ে পড়ালে বাস্তবে কেউ নেয় না, কিন্তু ভাড়া করা ঘরে ব্যাচ বসিয়ে প্রতিষ্ঠানের চেহারা নিলে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স লাগে। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী।লাইসেন্স
- সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বিধিনিষেধ — প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের কক্ষ প্রাইভেট পড়ানো বা কোচিংয়ে ব্যবহার করা যাবে না, ব্যত্যয় হলে দায়িত্বপ্রাপ্তরা দায়ী থাকবেন।লাইসেন্স
- যে শ্রেণির পাঠ্যবই পড়াবেন তার উপর দখল, আর ছাত্রের দুর্বলতা ধরতে পারা। পাঠ্যবইয়ের চেয়ে বড় দক্ষতা হলো অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলতে পারা — টিউশন থাকে বা যায় এই কথাবার্তার উপর।দক্ষতা
- ছাত্রের উৎস — পরিচিত অভিভাবক, এলাকার স্কুল, আর টিউশন মিডিয়া। মিডিয়ার আগাম টাকা ও ফেরতের শর্ত আগে লিখিয়ে নিন।সরবরাহকারী
- ছাত্রের বাড়িই কর্মক্ষেত্র, তাই আলাদা জায়গা লাগে না। ব্যাচ পড়াতে চাইলে নিজের ঘরের এক কোণ বা ভাড়া ঘর, সঙ্গে বসার ব্যবস্থা ও আলো।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কোন শ্রেণি আর কোন বিষয় পড়াবেন। গণিত, ইংরেজি আর বিজ্ঞানের চাহিদা সবচেয়ে বেশি — মাউশির হিসাবেই মাধ্যমিকে ইংরেজি ও গণিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা আরও নেমে গেছে।
- 2নিজের এলাকার ভেতরেই ছাত্র খুঁজুন। যাওয়া-আসায় দিনে এক ঘণ্টার বেশি গেলে দিনে দুটোর বেশি টিউশন ধরা যায় না, আর ভাড়াতেই লাভ চলে যায়।
- 3প্রথম ছাত্র পেতে পরিচিতদের ধরুন — বড় ভাই-বোন, প্রতিবেশী, স্থানীয় মসজিদ-মন্দির বা দোকানে নোটিশ। টিউশন মিডিয়ার কাছে যাওয়ার আগে এটাই চেষ্টা করুন।
- 4টিউশন মিডিয়া ব্যবহার করলে আগে জেনে নিন কত টাকা আগাম চায় আর ফেরত দেয় কি না। চট্টগ্রামে টিউশন পেতে মিডিয়াকে বড় অঙ্কের টাকা দিতে হয় বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন।
- 5প্রথম দিনেই তিনটা কথা পরিষ্কার করে নিন — মাসে কত, সপ্তাহে কয় দিন, আর বেতন কত তারিখে। মুখে বলা থাকলেই পরে ঝামেলা হয় না।
- 6প্রথম মাসে ছাত্রের দুর্বলতা কোথায় তা খুঁজে বের করুন আর অভিভাবককে বলুন। যে শিক্ষক প্রথম মাসে এটা করতে পারেন, তাঁর টিউশন সহজে যায় না।
- 7পরীক্ষার ফল হাতে আসার পর অভিভাবকের সঙ্গে বসুন। এখানেই বেতন বাড়ানোর বা নতুন ছাত্র পাওয়ার কথা ওঠে — প্রায় সব নতুন ছাত্র আসে পুরোনো অভিভাবকের মুখে।
- 8তিন-চারজনের ব্যাচ করার কথা ভাবুন। একই এক ঘণ্টায় তিনজন পড়ালে ঘণ্টার আয় তিন গুণ হয়, তবে ঘর লাগে আর অভিভাবকের সম্মতি লাগে।
- 9স্কুল বা মাদ্রাসার শিক্ষক হলে নিয়ম দেখে নিন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে নির্দেশ দিয়েছে, বিদ্যালয়ের কক্ষ প্রাইভেট পড়ানো বা কোচিংয়ে ব্যবহার করা যাবে না; ব্যত্যয় হলে দায়িত্বপ্রাপ্তরাই দায়ী থাকবেন।
- 10ব্যাচ বড় হয়ে কোচিংয়ের চেহারা নিলে ভাড়া নেওয়া ঘরের জন্য সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে নিন — তখন আর এটা টিউশন থাকে না, প্রতিষ্ঠান হয়ে যায়।
- 11প্রতি মাসের আয় আর যাওয়া-আসার খরচ খাতায় লিখুন। কোন টিউশনটা ভাড়া বাদ দিয়ে আসলে কত দিচ্ছে, খাতা না থাকলে সেটা কেউ বুঝতে পারে না।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেবেশি
- ডিসেকম
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, চাহিদাও বেশি; তবে বিশ্ববিদ্যালয় শহর থেকে ২৩–২৫ কিলোমিটার দূরে বলে ছাত্রদের টিউশন পেতে কষ্ট হয়, আর টিউশন মিডিয়ার দাপট সবচেয়ে বেশি এখানেই।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় বাজার আর সবচেয়ে বেশি দর — ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের এক শিক্ষার্থীই দুজন গৃহশিক্ষকের পেছনে মাসে ৳৬,৫০০ দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের সংখ্যাও বেশি, তাই প্রতিযোগিতাও বেশি।
- খুব উপযোগীরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ঘনত্ব বেশি, শিক্ষানগরী হিসেবে পরিচিত; ছাত্র ও অভিভাবক দুই দিকেই বাজার আছে।
- খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি, ইংরেজি মাধ্যম ও ইংরেজি বিষয়ের গৃহশিক্ষকের চাহিদা তুলনামূলক বেশি।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের শিক্ষা ও বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের উপজেলা থেকে ছাত্র আসে।
- সম্ভবকুমিল্লা · শিক্ষাবোর্ডের কেন্দ্র, স্কুল-কলেজ অনেক আর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি।
- সম্ভবগাজীপুর · ঢাকার লাগোয়া, ঘন বসতি আর দ্রুত বাড়তে থাকা স্কুলের সংখ্যা; কারখানার কর্মীদের সন্তানেরাও এখন গৃহশিক্ষক নেয়।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, স্কুল-কলেজের সংখ্যা ভালো; মধ্যবিত্ত পরিবারই মূল ক্রেতা।
- সম্ভবময়মনসিংহ · কোচিং ও গৃহশিক্ষকের চর্চা এখানে ঢাকার মতোই — এক অভিভাবক জানিয়েছেন তাঁর অষ্টম শ্রেণির ছেলে সকালে কোচিং, স্কুল, বিকেলে কোচিং আর সন্ধ্যায় গৃহশিক্ষকের কাছে পড়ে।
- সম্ভবরংপুর · বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যাডেট কলেজ থাকায় শিক্ষকের জোগান আছে, তবে পরিবারগুলোর ক্রয়ক্ষমতা কম বলে দর কম।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: টিউশন হারানো এক মাসের নোটিশেও হয় না — অনেক সময় কোনো নোটিশই থাকে না। পরীক্ষার ফল খারাপ হলে, পরিবার বাসা বদলালে বা ছাত্র কোচিংয়ে ভর্তি হলে টিউশনটা ওই মাসেই শেষ। আয়ের পুরোটা ওই কয়েকটা ছাত্রের উপর দাঁড়ানো, তাই একটা গেলে আয়ের এক-তৃতীয়াংশ চলে যেতে পারে। এই কারণেই অভিজ্ঞরা সব সময় প্রয়োজনের চেয়ে একটা বেশি টিউশন ধরে রাখেন।
- বেশিবাকিতে বিক্রি: বেতন মাস শেষে, আর অনেক অভিভাবক পরের মাসের এক-দুই সপ্তাহ পর দেন। দুই মাস বকেয়া পড়ে গেলে চাইতে গেলে সম্পর্ক নষ্ট হয়, আর অনেক শিক্ষক চাইতেই পারেন না। ছাত্র ছেড়ে দিলে বকেয়া টাকা প্রায় কখনোই ফেরত আসে না — এটা লিখিত চুক্তিহীন পেশার সবচেয়ে সাধারণ ক্ষতি।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানোর উপর নিয়মের চাপ বাড়ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে বিদ্যালয়ের কক্ষে প্রাইভেট ও কোচিং নিষিদ্ধ করেছে। যিনি স্কুলের ঘর ব্যবহার করে ব্যাচ চালাতেন, তাঁর খরচ ও ঝুঁকি দুটোই বেড়ে গেছে।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: টিউশন মিডিয়ার উপর নির্ভর করলে ঝুঁকি আছে। চট্টগ্রামে টিউশন পেতে মিডিয়াকে বড় অঙ্কের আগাম টাকা দিতে হয় বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, আর টিউশন মিডিয়ার নামে প্রতারণার খবরও নিয়মিত আসে — নবীন শিক্ষার্থীরাই মূল লক্ষ্য।
- কমচলতি মূলধন: পুঁজি প্রায় লাগে না, কিন্তু যাওয়া-আসার ভাড়া প্রতিদিন আগে দিতে হয় আর বেতন আসে মাস শেষে। মাসের শুরুতে হাতে টাকা না থাকলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় — আর দুই দিন না গেলেই টিউশন নড়বড়ে হয়ে যায়।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
জুতা মেরামত
জুতা সেলাই, সোল লাগানো ও পলিশ। সিলেটে পলিশ ৳৩০, দিনে আয় ৳৪০০–৫০০; লঞ্চে কাজ করা একজনের কোনো দিন ৳৭০০, কোনো দিন ৳২০০-ও নয়।
- পুঁজি
- ৳২ হাজার – ৳৩০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২ জন
- প্রথম আয়
- ১ – ৭ দিন
মেহেদি ও ব্রাইডাল সেবা
বিয়ে, গায়েহলুদ ও ঈদে মেহেদির নকশা ও কনের সাজ। ঢাকায় উৎসবের মেহেদি ৳১,২২৫–১,৬২৫ আর ব্রাইডাল ৳৩,৯০০–৫,৫২৫ প্রতিজন।
- পুঁজি
- ৳৩ হাজার – ৳৫০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১ – ৩০ দিন
চাবি ও তালা সেবা
চাবি বানানো, তালা সারানো ও আটকে যাওয়া দরজা খোলা। চাবি ৳২৫–২০০, বাড়িতে ডাক পড়লে ৳২৫০–৫০০; ভালো দিনে হাজার টাকা, খারাপ দিনে কিছুই না।
- পুঁজি
- ৳৩ হাজার – ৳৪০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২ জন
- প্রথম আয়
- ১ – ৭ দিন
ঘড়ি মেরামত
হাতঘড়ি ও দেয়ালঘড়ি মেরামত। দেশে ঘড়ির বাজার ৩০০ কোটি টাকার বেশি, কিন্তু পাটুয়াটুলীতে ৩০ টাকাতেও ঘড়ি মেলে — তাই সস্তা ঘড়ি কেউ সারায় না।
- পুঁজি
- ৳৫ হাজার – ৳১.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ২ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
