রেশম চাষ ও সুতা
তুঁতপাতায় পলু পুষে গুটি ও রেশম সুতা। ডিম, চারা, উপকরণ ও প্রশিক্ষণ রেশম বোর্ড বিনা মূল্যে দেয়; বোর্ডের হিসাবে সুতার দর কেজি ৳৩,০০১–৩,৭০১।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৩,০০০ – ৳২০,০০০ সরকারি সূত্র
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ১৮০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৪ – ১২ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘরে বসে · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
তুঁতগাছের পাতা খাইয়ে পলু পুষে গুটি তোলা, আর সেই গুটি থেকে রেশম সুতা — রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুরোনো ঘরোয়া কাজ। এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় কথা হলো, শুরুর জিনিসগুলো সরকার বিনা মূল্যে দেয়। বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রেশম চাষিকে উন্নত জাতের তুঁত কাটিংস ও চারা, রোগমুক্ত রেশম ডিম, পলুপালনের উপকরণ, প্রশিক্ষণ, তুঁতপাতার মান পরীক্ষা — সবই বিনা মূল্যে দেওয়া হয়। এমনকি গুটি ন্যায্য দামে বেচার পরামর্শও বিনা মূল্যে। ডিম দেওয়া হয় বছরে চার বন্দে — চৈতা, জ্যৈষ্ঠা, ভাদুরী আর অগ্রহায়ণী, অর্থাৎ মার্চ, মে, আগস্ট ও অক্টোবরে। তাই বছরে চারবার টাকা আসার সুযোগ থাকে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে বোর্ড একই ডিম বিক্রি করে প্রতিশত ২০৫ টাকায়, তুঁতচারা প্রতিটি ৫০ পয়সায় — চাষি সেটাই পান বিনা পয়সায়। তুঁতগাছ একবার লাগালে ৩০-৩৫ বছর বাঁচে, আর রাস্তার ধার, বাঁধের ধার, জমির আইল — যেকোনো পতিত জায়গায় লাগানো যায়। সুতার দিকটাও দেখুন। ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বোর্ডের হিসাবে ফাইন সুতার বাজার দর কেজি ৳৩,৭০১ আর ডুপিয়ন সুতার ৳৩,০০১, সঙ্গে ১০ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ উৎসে কর। কিন্তু সাবধান — ওই একই হিসাবে দেখা যায় গুদামে ১,০০২ কেজি ডুপিয়ন সুতা পড়ে আছে, অথচ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চাষিদের গুটি থেকে সুতা হয়েছে মাত্র ৮৩২ কেজি। এক বছরের বেশি উৎপাদন বিক্রি না হয়ে জমে আছে — এটাই এই শিল্পের আসল ঝুঁকি।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩,০০০ – ৳১০,০০০ | সরকারি সূত্র | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩,০০১ – ৳৩,৭০১ / কেজি | সরকারি সূত্র | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২,২০০ – ৳২,৮০০ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৭% – ৪০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ১৮০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ১২ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ২০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১০% – ২৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০.১ – ১ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ডালা, চন্দ্রকী, জাল, কাটঘাই আর সুতা করতে চাইলে চরকা বা তাঁত। বোর্ডের নিজের ভাষ্য অনুযায়ী এগুলো অতি সাধারণ সরঞ্জাম, গ্রামেই অল্প ব্যয়ে বানানো যায়; চাহিদা ও সরবরাহ সাপেক্ষে বোর্ড বিনা মূল্যেও দেয়।যন্ত্রপাতি
- রোগমুক্ত রেশম ডিম — রেশম চাষির জন্য বিনা মূল্যে, সরবরাহ ১০ কার্যদিবসে, বছরে চার বন্দে (চৈতা, জ্যৈষ্ঠা, ভাদুরী, অগ্রহায়ণী; মার্চ, মে, আগস্ট, অক্টোবর)। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা এনজিওকে একই ডিম বিক্রি হয় প্রতিশত ২০৫ টাকায়।প্রাথমিক মাল
- উন্নত জাতের তুঁত কাটিংস ও চারা — চাষির জন্য বিনা মূল্যে, ৭ কার্যদিবসে, শুধু সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রতিটি চারা ৫০ পয়সা আর কাটিংস প্রতি মণ ৫০ টাকায় বিক্রি হয়।প্রাথমিক মাল
- রেশম চাষি হিসেবে নিবন্ধন — বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের রেশম সম্প্রসারণ কেন্দ্র বা রেশম বীজাগারে নির্ধারিত ছকে আবেদন। ফি নেই। নিবন্ধিত না হলে বিনা মূল্যের ডিম, চারা, উপকরণ ও প্রশিক্ষণ পাওয়া যায় না।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। শুধু নিজের গুটি বেচলে দরকার নেই; সুতা বা কাপড় বেচা শুরু করলে দরকার।লাইসেন্স
- পলুপালন — বোর্ডের বিনা মূল্যের প্রশিক্ষণে শেখানো হয়, ব্যাচ সাধারণত ২৫ জনের ও প্রায় ২৫ দিনের। বোর্ড বলছে অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত যে কোনো নারী-পুরুষ এই কাজ সহজেই রপ্ত করতে পারেন।দক্ষতা
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের রেশম সম্প্রসারণ কেন্দ্র ও পি-বীজাগার (ডিম ও চারার উৎস), আর গুটি বেচার জন্য বোর্ডের ক্রয়কেন্দ্র বা মিনিফিলেচার কেন্দ্র এবং বেসরকারি রিলিং কারখানা।সরবরাহকারী
- পলুপালনের জন্য বাড়ির একটি পরিষ্কার, শুকনো ঘর; আর তুঁতগাছের জন্য পতিত জমি — রাস্তার ধার, বাঁধের ধার, জমির আইল বা বাড়ির আশপাশের খণ্ডিত জমি। আলাদা জমি কেনা লাগে না।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1নিকটস্থ রেশম সম্প্রসারণ কেন্দ্র বা রেশম বীজাগারে গিয়ে নাম লেখান। রাজশাহী, রংপুর, ভোলাহাট, সিরাজগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, ঝিনাইদহ, বগুড়া ও গোপালগঞ্জে বোর্ডের কার্যালয় আছে।
- 2নির্ধারিত ছকে আবেদন করে উন্নত জাতের তুঁত কাটিংস ও চারা নিন — বিনা মূল্যে, ৭ কার্যদিবসে। চারা দেওয়া হয় শুধু সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে, তাই এই সময়টা ফসকালে এক বছর অপেক্ষা।
- 3পতিত জায়গায় তুঁতগাছ লাগান। আবাদি-অনাবাদি জমি, রাস্তার ধার, বাঁধের ধার, বাড়ির আশপাশের খণ্ডিত জমি, জমির আইল — সবই চলে। গাছ ৩০-৩৫ বছর বাঁচে, আর শিকড় গভীরে যায় বলে খরার সময়ও মোটামুটি ফসল হয়।
- 4বোর্ডের বিনা মূল্যের প্রশিক্ষণে যান। পলুপালনের ব্যাচ সাধারণত ২৫ জনের আর প্রায় ২৫ দিনের হয়; কেন্দ্রভেদে ৭ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত কোর্স আছে।
- 5বছরের চার বন্দের একটা ধরে রোগমুক্ত রেশম ডিমের আবেদন করুন — চৈতা, জ্যৈষ্ঠা, ভাদুরী বা অগ্রহায়ণী। চাষির জন্য ডিম বিনা মূল্যে, সরবরাহ ১০ কার্যদিবসে।
- 6ঘরের একটা পরিষ্কার শুকনো ঘরে পলুপালন করুন। ডালা, চন্দ্রকী, জাল, কাটঘাই — এসব সরঞ্জাম গ্রামেই অল্প খরচে বানানো যায়, আর চাহিদা ও সরবরাহ থাকলে বোর্ড বিনা মূল্যেও দেয়।
- 7পলু বা তুঁতগাছে রোগ-পোকা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন করুন। বোর্ডের প্রতিশ্রুতিতে এই পরামর্শ বিনা মূল্যে এবং তাৎক্ষণিক।
- 8গুটি বিজ্ঞানসম্মতভাবে শুকান ও সংরক্ষণ করুন। শুকানো, পরিবহন, সংরক্ষণ, রিলিং ও সুতার মান নিয়ে বোর্ডের পরামর্শও বিনা মূল্যে।
- 9গুটি বেচার আগে ন্যায্য দাম জেনে নিন। বোর্ডের সেবা তালিকায় 'রেশম গুটি ন্যায্য মূল্যে ক্রয়/বিক্রয়ে পরামর্শ' আলাদা করে লেখা আছে — এটা বিনা মূল্যে, আর এই একটা কাজ না করলে দাম আপনি জানবেন না।
- 10সুতা পর্যন্ত যেতে চাইলে রিলিং শিখুন, কিন্তু আগে ক্রেতা ঠিক করুন। বোর্ডের গুদামেই ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ১,০০২ কেজি ডুপিয়ন ও ১৮২ কেজি ফাইন সুতা অবিক্রীত পড়ে ছিল।
- 11সুতা বা কাপড় বেচা শুরু করলে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর ভ্যাট-উৎসে করের হিসাব রাখুন — সুতায় ১০ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ উৎসে কর ধরা হয়।
মৌসুম
- জানুকম
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চবেশি
- এপ্রিবেশি
- মেবেশি
- জুনবেশি
- জুলাকম
- আগবেশি
- সেপ্টেবেশি
- অক্টোবেশি
- নভেবেশি
- ডিসেকম
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচাঁপাইনবাবগঞ্জ · ভোলাহাটে জোনাল রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়; এখানেই নিয়মিত পলুপালনের ব্যাচ চলে।
- খুব উপযোগীরাজশাহী · বোর্ডের প্রধান কার্যালয়, আঞ্চলিক রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আর রাজশাহী রেশম কারখানা — সবই এখানে।
- খুব উপযোগীরংপুর · আঞ্চলিক রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়; ডিসেম্বর ২০২৫-এ এখানে ৭৫ জনের পলুপালন প্রশিক্ষণ হয়েছে।
- খুব উপযোগীসিরাজগঞ্জ · জোনাল রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয় আছে, ডিসেম্বর ২০২৫-এ এখানে ৫০ জনের পলুপালন ব্যাচ হয়েছে।
- সম্ভববগুড়া · জোনাল রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয় আছে, নিয়মিত প্রশিক্ষণ ব্যাচ চলে।
- সম্ভবগোপালগঞ্জ · জোনাল রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয় আছে, তবে রাজশাহীর সুতা-কারখানা থেকে দূর।
- সম্ভবঝিনাইদহ · আঞ্চলিক রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয় আছে; দক্ষিণ-পশ্চিমের রেশম এলাকা।
- সম্ভবনাটোর · রাজশাহীর রেশম বলয়ের ভেতরেই পড়ে, বীজাগার ও কারখানা কাছে।
- সম্ভবঠাকুরগাঁও · জোনাল রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়; উত্তরের পতিত জমি ও আইলে তুঁত লাগানোর সুযোগ বেশি।
- কম উপযোগীদিনাজপুর · উত্তরের জেলা, কিছু তুঁতচাষ হয়, কিন্তু কাছাকাছি বোর্ডের কার্যালয় কম।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: সুতা বিক্রি হচ্ছে না, গুদামে জমছে। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের নিজের হিসাবে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত মজুত ছিল ১,০০২ কেজি ডুপিয়ন ও ১৮২ কেজি ফাইন সুতা। অথচ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চাষিদের গুটি কিনে মিনিফিলেচার কেন্দ্রে সুতা হয়েছে মাত্র ৮৩২ কেজি। অর্থাৎ এক বছরের পুরো উৎপাদনের চেয়েও বেশি সুতা অবিক্রীত পড়ে আছে। উৎপাদনের ধারাও নামছে — ২০১৯-২০ সালে ছিল ১,৪৩৮ কেজি, ২০২৩-২৪ সালে ৭৮৯ কেজি।
- বেশিনির্ভরশীলতা: পুরো ব্যবসাটাই একটা সরকারি দপ্তরের উপর দাঁড়ানো। ডিম, চারা, উপকরণ, প্রশিক্ষণ, এমনকি গুটির ন্যায্য দামের পরামর্শ — সবই বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড থেকে আসে। ডিম দেওয়া হয় বছরে মাত্র চার বন্দে আর চারা শুধু সেপ্টেম্বর-নভেম্বরে। কোনো একটা বন্দ ফসকে গেলে বা বীজাগারে সরবরাহ না থাকলে চাষির নিজের হাতে বিকল্প নেই, পরের বন্দ পর্যন্ত বসে থাকা ছাড়া।
- বেশিঅন্যান্য: গুটির দাম কত, সেটা চাষি আগে থেকে জানেন না। বোর্ড সুতার বাজার দর প্রকাশ করে, চারা ও ডিমের দর প্রকাশ করে, কিন্তু চাষির কাছ থেকে গুটি কেনার দর তার ওয়েবসাইটে কোথাও নেই। বোর্ডের 'কোকুন পারচেজ অ্যান্ড পেমেন্ট সিস্টেম' নামে আলাদা সফটওয়্যার আছে, কিন্তু সেটি লগইন ছাড়া দেখা যায় না। যে ব্যবসায় বিক্রির দর আগে জানা যায় না, সেখানে আয়ের হিসাব করাই যায় না।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: পলু রোগে মরে গেলে সেই বন্দের পুরো ফসল যায়। বোর্ড যে ডিমকে আলাদা করে 'রোগমুক্ত রেশম ডিম' বলে এবং রেশমকীটের রোগ-বালাই নিয়ে তাৎক্ষণিক বিনা মূল্যের পরামর্শের ব্যবস্থা রেখেছে, তাতেই বোঝা যায় ঝুঁকিটা কত বাস্তব। কত শতাংশ ব্যাচ নষ্ট হয় সেই হিসাব প্রকাশ করা নেই।
- মাঝারিঅন্যান্য: তুঁতপাতা না থাকলে পলু খাওয়ানো যায় না, আর গাছ বড় হতে সময় লাগে। যার আগে থেকে তুঁতগাছ নেই তাকে সেপ্টেম্বর-নভেম্বরের চারা বিতরণ ধরতে হবে, তারপর গাছে খাওয়ানোর মতো পাতা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে — সেই অপেক্ষার সময়টা বোর্ড কোথাও জানায় না, তাই প্রথম আয় কবে আসবে তা আগে থেকে বলা যায় না।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি (সিটিজেনস চার্টার) — বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, নগদ চক্র, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
রেশম সুতার উৎপাদন ও মজুদ — মজুদ সুতার তথ্য ও বর্তমান বাজার দর
সংগ্রহ: ৩০ জুন, ২০২৬সমর্থন করে: বিক্রয় মূল্য · বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
রেশম চাষের সুবিধা এবং অর্থনৈতিক দিক (পাতার লেখা সর্বশেষ হালনাগাদ ০৬-১০-২০২০)
সংগ্রহ: ৬ অক্টো, ২০২০সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, মাসিক চলতি মূলধন · বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
হাইড্রোপনিক চাষ
মাটি ছাড়া পানিতে সবজি চাষ। ঢাকায় একটি ছাদের অবকাঠামোতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ৳২,০০,০০০, আর ঢাকার বাইরে এখনো বাণিজ্যিক ক্রেতা প্রায় নেই।
- পুঁজি
- ৳৪ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১২০ দিন
কেঁচো সার উৎপাদন
গোয়ালঘরের পাশে গোবর আর কেঁচো দিয়ে সার তৈরি। সার ৳১০–১৩ কেজি, খরচ ৳৬–৭; কিন্তু আসল আয় কেঁচো বিক্রিতে — কেজি ৳২,০০০।
- পুঁজি
- ৳৫ হাজার – ৳৬০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৫০ দিন
ছাদকৃষি ও নার্সারি
ছাদে টবে গাছ তুলে চারা বিক্রি। ছোট চারা ৳৫০, দামি ক্যাকটাস-ফার্ন ৳১,২০০–৫,০০০। গাছের চেয়ে টব-মাটি-সারেই বেশি টাকা — ৫০ টাকার গাছে ১৫০ টাকার জিনিস লাগে।
- পুঁজি
- ৳৫ হাজার – ৳৮০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
নেপিয়ার ঘাস ও গো-খাদ্য চাষ
গরুর খামারের জন্য কাঁচা ঘাস চাষ। একবার লাগালে ৪–৫ বছর ফলন, বছরে ৪–৬ বার কাটা যায়, আর এক বিঘায় উদ্বৃত্ত ঘাস বেচে বছরে ৳৩০,০০০–৩৫,০০০ বাড়তি আয় হচ্ছে।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার – ৳৫০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৫০ – ৭০ দিন
