গুঁড়া মসলা প্যাকেজিং
মসলা পিষে প্যাকেট করে বিক্রি। বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক — শুধু ল্যাব পরীক্ষাতেই পণ্যপ্রতি ৳২,৯০০–৫,৩০০, আর লাইসেন্স পেতে ১৯–৯৪ কর্মদিবস।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,২০,০০০ – ৳৭,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ১৩৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৬ – ১০ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · কঠিন
ব্যবসাটি কী
হলুদ, মরিচ, ধনে বা জিরা কিনে এনে পিষে, ওজন করে প্যাকেটে ভরে বিক্রি করা — এটাই গুঁড়া মসলার ব্যবসা। কাজটা দেখতে সহজ, কিন্তু আসল বাধা মেশিনে নয়, কাগজে। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় হলুদের গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া, ধনিয়ার গুঁড়া, জিরার গুঁড়া আর কারি পাউডার — সবগুলোই আছে। মানে সিএম লাইসেন্স ছাড়া প্যাকেট করে বিক্রি করলে সেটা আইনত অপরাধ। লাইসেন্স নিতে হলে প্রতিটি পণ্যের আলাদা নমুনা বিএসটিআই-এর গবেষণাগারে পরীক্ষা করাতে হয়, আর এই পরীক্ষার ফিটাই বেশির ভাগ মানুষ হিসাবে ধরে না। হলুদের গুঁড়া পরীক্ষা ৳৪,৬০০, মরিচের গুঁড়া ৳৫,৩০০, ধনিয়ার গুঁড়া ৳৩,১০০, জিরার গুঁড়া ৳২,৯০০। চারটা পণ্য দিয়ে শুরু করলে শুধু পরীক্ষাতেই ৳১৫,৯০০ চলে যায়। সঙ্গে আবেদন ফি ৳১,০০০, আর বছরে বছরে কারখানার উৎপাদনমূল্যের শূন্য দশমিক এক শতাংশ হারে সিএম ফি — সর্বনিম্ন ৳৩,৫০০। লাইসেন্স হাতে পেতে ১৯ থেকে ৯৪ কর্মদিবস লাগে, বেশির ভাগ পণ্যে ১৯ থেকে ৩৪ কর্মদিবস। এর উপর মোড়কজাত পণ্য বিক্রি করতে হলে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদও লাগে; সনদ ছাড়া বিক্রি ধরা পড়লে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আর পাঁচ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। কাঁচামালের দর টিসিবির ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তালিকায় — দেশি হলুদ ৳৩২০–৩৫০, শুকনা মরিচ ৳৩২০–৩৮০, জিরা ৳৫৫০–৬৫০ কেজি। বাজারের প্রায় সত্তর ভাগ একটাই ব্র্যান্ডের দখলে, তাই নতুন লোকের জায়গা দোকানের তাকে নয়, এলাকার বাজারে আর ছোট হোটেলে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,০০,০০০ – ৳৬,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৬০০ – ৳১,৩০০ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩২০ – ৳৬৫০ / কেজি | সরকারি সূত্র | |
| মোট লাভের হার | ৪৭% – ৫০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ১৩৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৬ – ১০ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ২০ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ১২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৩০ – ২০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- মসলা পেষার মিল, ছাঁকনি, ডিজিটাল ওজন যন্ত্র, প্যাকেট সিল করার মেশিন আর শুকানোর ব্যবস্থা। হাতে ধরা সিলিং মেশিন ৳৮৭০ থেকে শুরু, ফয়েল সিলিং মেশিন ৳৯,৫০০–১৫,০০০। পেষার মিলের দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- বিএসটিআই সিএম (সার্টিফিকেশন মার্কস) লাইসেন্স — হলুদের গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া, ধনিয়ার গুঁড়া, জিরার গুঁড়া ও কারি পাউডার বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত। নতুন আবেদন ফি ৳১,০০০, নবায়ন আবেদন ফি ৳৫০০–১,০০০ (বিএসটিআই-এর দুই পাতায় দুই রকম লেখা)। বাৎসরিক সিএম ফি উৎপাদনমূল্যের ০.১০%, সর্বনিম্ন ৳৩,৫০০, সর্বোচ্চ ৳৩৫,০০,০০০।লাইসেন্স
- পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ — বিএসটিআই মেট্রোলজি উইং, ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮। মোড়কে পণ্য বিক্রি করলেই লাগে। সনদ ছাড়া বিক্রির শাস্তি অনূর্ধ্ব ২০ লাখ টাকা জরিমানা, অনূর্ধ্ব ৫ বছর কারাদণ্ড বা উভয়। ফি এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
- খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন — নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ ৩ বছর। মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদনকারীর জন্য বাধ্যতামূলক।লাইসেন্স
- ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সনদ — সিএম লাইসেন্সের আবেদনের সঙ্গে সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়, তাই ব্র্যান্ডের নাম আগে নিবন্ধন করাতে হবে।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়।লাইসেন্স
- বস্তা খুলে কাঁচা মসলার মান বোঝা, আর্দ্রতা ধরা আর পোকা-ধরা মাল চেনা। এই একটা কাজ ভুল হলে নমুনা ল্যাবে ফেল করে আর পুরো পরীক্ষার টাকা জলে যায়।দক্ষতা
- মসলার পাইকারি বাজার — ঢাকায় মৌলভীবাজার ও রহমতগঞ্জ, চট্টগ্রামে খাতুনগঞ্জ। প্যাকেট, লেবেল ও ফয়েলের জন্য আলাদা সরবরাহকারী।সরবরাহকারী
- আলাদা পেষার ঘর, শুকানোর জায়গা, প্যাকেটের ঘর ও গুদাম — বিএসটিআই-এর পরিদর্শক কারখানার স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বাংলাদেশ মানের সমান কি না তা দেখে তবেই নমুনা নেন।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কোন কোন মসলা দিয়ে শুরু করবেন। প্রতিটি পণ্যের জন্য আলাদা ল্যাব পরীক্ষা আর আলাদা লাইসেন্স লাগে, তাই তালিকা যত লম্বা খরচ তত বেশি।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং তাতে মসলা প্রক্রিয়াজাতকরণের কথা লেখান। এনবিআর থেকে টিআইএন নিন।
- 3নিজের ব্র্যান্ডের নামে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করান — বিএসটিআই সিএম লাইসেন্সের আবেদনে ট্রেডমার্ক সনদের সত্যায়িত কপি চায়।
- 4ঘর ঠিক করুন — পেষার ঘর, শুকানোর জায়গা, প্যাকেটের ঘর আর গুদাম আলাদা রাখুন। বিএসটিআই-এর পরিদর্শক এসে কারখানার স্বাস্থ্য ও পরিবেশ দেখে যাবেন, না মিললে নমুনাই নেবেন না।
- 5বিএসটিআই-তে সিএম লাইসেন্সের আবেদন করুন — ফি ৳১,০০০, সঙ্গে প্রসেস ফ্লো ডায়াগ্রাম আর মানসম্মত লেবেলের নমুনা দিতে হবে।
- 6নমুনা পরীক্ষার টাকা আলাদা করে রাখুন। হলুদের গুঁড়া ৳৪,৬০০, মরিচের গুঁড়া ৳৫,৩০০, ধনিয়ার গুঁড়া ৳৩,১০০, জিরার গুঁড়া ৳২,৯০০ — সাধারণ গতিতে ১৪ কর্মদিবস। জরুরি চাইলে দ্বিগুণ।
- 7বিএসটিআই-এর মেট্রোলজি উইং থেকে পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ নিন। এটা সিএম লাইসেন্সের থেকে আলাদা জিনিস, আর মোড়কে বিক্রি করলেই লাগে।
- 8খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করুন — নতুন নিবন্ধন ফি ৳১,০০০, তিন বছর মেয়াদ, নবায়ন ৳৫০০।
- 9কাঁচামাল কেনার জায়গা ঠিক করুন। ঢাকায় মৌলভীবাজার ও রহমতগঞ্জ মসলার পাইকারি বাজার, চট্টগ্রামে খাতুনগঞ্জ। বস্তা খুলে দেখে কেনা শিখতে হবে।
- 10লেবেলে ওজন, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ, ব্যাচ নম্বর আর বিএসটিআই মান চিহ্ন বসান। মোবাইল কোর্ট প্রথমে লেবেলই দেখে।
- 11এলাকার মুদি দোকান আর ভাতের হোটেল ধরে বিক্রি শুরু করুন। বড় দোকানের তাকে জায়গা পেতে যে টাকা চায়, শুরুতে তা দেওয়া যাবে না।
- 12প্রতি বছরের সিএম ফি আর লাইসেন্স নবায়নের তারিখ ক্যালেন্ডারে লিখে রাখুন। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পুরনো প্যাকেটও অবৈধ হয়ে যায়।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · খাতুনগঞ্জ দেশের সবচেয়ে বড় মসলার পাইকারি বাজার আর আমদানির দরজা; বিএসটিআই-এর আঞ্চলিক কার্যালয়ও এখানে।
- খুব উপযোগীঢাকা · মৌলভীবাজার ও রহমতগঞ্জ মসলার পাইকারি বাজার এখানে, আর বিএসটিআই-এর প্রধান কার্যালয় ও ল্যাবও ঢাকায় — নমুনা জমা দিতে দূরে যেতে হয় না।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · ঢাকার কারখানা বলয় — জায়গার ভাড়া কম, শ্রমিক পাওয়া যায়, আর ঢাকার পাইকারি বাজার এক ঘণ্টার পথ।
- সম্ভববরিশাল · বিএসটিআই-এর আঞ্চলিক কার্যালয় আছে, কিন্তু কাঁচামাল বেশির ভাগ বাইরে থেকে আনতে হয়।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র, মরিচ ও হলুদের চাষ কাছেই। তবে এখানে রং মেশানো মসলা কারখানায় অভিযান ও জরিমানার নজির আছে, তাই নজরদারি বেশি।
- সম্ভবখুলনা · বিএসটিআই-এর আঞ্চলিক কার্যালয় আছে, দক্ষিণাঞ্চলের বাজার ধরা যায়।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · প্যাকেট, ফয়েল ও লেবেল ছাপার কারখানা কাছে, আর ঢাকার বাজারও কাছে।
- সম্ভবরাজশাহী · বিএসটিআই-এর আঞ্চলিক কার্যালয় থাকায় লাইসেন্সের কাজ স্থানীয়ভাবে করা যায়।
- সম্ভবসিলেট · বিএসটিআই-এর আঞ্চলিক কার্যালয় আছে; প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি বলে ব্র্যান্ডের মসলার চাহিদা তুলনামূলক ভালো।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্স ছাড়া প্যাকেট করে বিক্রি করা যাবে না, আর লাইসেন্স পেতে ১৯–৯৪ কর্মদিবস লাগে। এই পুরো সময়টা খরচ চলবে কিন্তু আয় হবে না। নমুনা ল্যাবে ফেল করলে আবার নমুনা, আবার ফি — হলুদের গুঁড়ায় প্রতিবার ৳৪,৬০০, মরিচে ৳৫,৩০০। চার পণ্য নিয়ে শুরু করলে একবারেই শুধু পরীক্ষায় ৳১৫,৯০০।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: রং আর ভুসি মেশানো এই লাইনের সবচেয়ে পুরনো অভ্যাস, আর ভ্রাম্যমাণ আদালত এখন নিয়মিত অভিযান চালায়। মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ ছাড়া বিক্রি ধরা পড়লে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আর পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। একবার কারখানা সিলগালা হলে লাইসেন্সও যায়।
- বেশিচাহিদা: মোড়কজাত মসলার বাজারের প্রায় সত্তর ভাগ একটি ব্র্যান্ডের দখলে, বাকিটা কয়েকটি বড় কোম্পানি ভাগ করে নেয় (২০২১ সালের হিসাব, এখন বদলে থাকতে পারে)। নতুন নামের প্যাকেট বড় দোকানের তাকে উঠতে চাইলে জায়গার টাকা চায়, আর সেই টাকা ছোট উদ্যোক্তার থাকে না। তাই বিক্রি আটকে থাকে এলাকার মুদি দোকান আর হোটেলে।
- মাঝারিচলতি মূলধন: জিরা ৳৫৫০–৬৫০ কেজি, আর মসলার দাম মৌসুমে ওঠানামা করে। বছরের সস্তা সময়ে কিনে রাখতে না পারলে দাম বাড়ার সময় প্যাকেটের দাম বাড়াতে হয়, কিন্তু ছাপানো লেবেলে দাম লেখা থাকলে সেটা সহজে বদলানো যায় না।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: মুদি দোকান আর পাইকার মাল নেয় বাকিতে, টাকা দেয় পরের চালান দেওয়ার সময়। বিক্রি না হলে মাল ফেরত দেয়। মেয়াদ থাকা অবস্থায় ফেরত এলে চলে, মেয়াদ শেষ হলে ওটা পুরো ক্ষতি।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
মেট্রোলজি উইং-এর আইনগত কার্যক্রম — ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ এবং পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সারণী-২: পণ্যের পরীক্ষণ ফি'র তালিকা, রসায়ন পরীক্ষণ উইং (ফুড, কেমিক্যাল ও হালাল ডিভিশন)
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিএম লাইসেন্স প্রসেস ফ্লো (বাধ্যতামূলক পণ্য) — সেবা প্রোফাইল ও প্রসেস ম্যাপ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: পরিবর্তনশীল খরচ · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: পরিবর্তনশীল খরচ · ঢাকা মহানগরী
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসরিষা ফুলের মধু বোতলজাতকরণ
শীতে সরিষা ক্ষেতে মৌবাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ, ছেঁকে বোতলে ভরে সারা বছর বিক্রি।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ৯০ দিন
মিষ্টির দোকান
দুধ থেকে ছানা কেটে মিষ্টি বানিয়ে বিক্রি। মিষ্টি ৳৩৮০–৬০০ কেজি, দই ৳২১০–৩০০ লিটার, কিন্তু দুধ ৳১২০–১৪০ লিটার — লাভ পুরোটাই দুধের দরের উপর।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৯ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ৪৫ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশুকনো আম উৎপাদন
মৌসুমে কেজি ১৫–৪০ টাকার কাঁচা আম কেটে শুকিয়ে সারা বছর বিক্রি। ৮–১০ কেজি কাঁচা আম থেকে ১ কেজি শুকনো আম হয়।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৬০ দিন
মধু প্রক্রিয়াজাত ও বোতলজাত
মৌচাষির কাঁচা মধু কিনে ছেঁকে বোতলে নিজের নামে বিক্রি। বোতলজাত মধু ৳৮০০–২,১০০ কেজি, তবে বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক আর নমুনা পরীক্ষার ফি ৳৭,৫০০।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১৫০ দিন
