তরমুজ চাষ
উপকূলের তিন মাসের ফসল। বিঘায় খরচ ৳৩০–৩৫ হাজার, ভালো বছরে বিঘায় বিক্রি ৳৮০ হাজার–১ লাখ, কিন্তু বিক্রির জানালা মাত্র দুই সপ্তাহ।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৩৫,০০০ – ৳৩,৫০,০০০ অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৯০ – ১২০ দিন অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- খরচ উঠবে
- ৩ – ৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
উপকূলের চরে তিন মাসের ফসল তুলে একবারে বিক্রি। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বীজ পড়ে, মার্চ-এপ্রিলে ফল ওঠে, আর ওই দুই মাসেই সারা বছরের হিসাব মিলে যায় বা ভেঙে যায়। টাকার অঙ্ক ভালো। খুলনার দাকোপের চাষি শংকর মন্ডল বলেছেন, বিঘায় খরচ ৳৩০,০০০–৩৫,০০০, আর ফলন ভালো হলে বিঘার তরমুজ বিক্রি হয় ৳৮০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকায়। প্রতিটি ফল ৪–৫ কেজি। সেই জন্যই চাষ বাড়ছে — ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে ১৭ লাখ ৮৯ হাজার টন তরমুজ হতো, ২০২৪-২৫ সালে তা ৩৫ লাখ ৫২ হাজার টন। চার বছরে প্রায় দ্বিগুণ। আর জোগান বাড়ায় দামও পড়েছে: ২০২৫ সালের এপ্রিলের শুরুতে কেজি ছিল ৳৫০–৬০, ২০২৬ সালের একই সময়ে ৳৩০–৩৫, কারওয়ান বাজারে ৳২৫–৩০। এখন আসল কথাটা। বিক্রির জানালা একটাই, আর সেটা দুই সপ্তাহের। ২০২৬ সালের এপ্রিলে বরগুনায় জ্বালানি সংকটে ট্রাকভাড়া ৩৫ হাজার থেকে ৫০ হাজারে উঠে যায়, ব্যবসায়ীরা আসা বন্ধ করে দেন। তার উপর দুই দিনের বৃষ্টিতে খেত ডুবে যায়। এম বালিয়াতলীর ইয়াসিন তিন কানি জমি বন্ধক নিয়ে, স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে আর এনজিও ঋণ নিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ করেছিলেন; বৃষ্টি না হলে ১২–১৫ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি হতো। মাসে ২০ হাজার টাকার কিস্তি তাঁর তখনো চালু। একই গ্রামের হারুনের খেতে পড়ে ছিল ১৩ হাজার তরমুজ। তরমুজে লাভ আছে, কিন্তু লাভটা আবহাওয়া আর একটা ট্রাকের ভাড়ার উপর ঝুলে থাকে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১০,০০০ – ৳১২,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২৫ – ৳৬০ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩ – ৳৬ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ০% – ৭০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৯০ – ১২০ দিন | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩ – ৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৯০ – ১২০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ৩০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২,০০০ – ১০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- শ্যালোমেশিন ও সেচের পাইপ — সেচের জন্য এবং বৃষ্টির পানি সরানোর জন্য দুটো কাজেই লাগে। বরগুনার চাষিরা শ্যালোমেশিন দিয়ে খেত থেকে পানি সরানোর চেষ্টা করেছিলেন।যন্ত্রপাতি
- বীজ, সার ও কীটনাশক — বিঘায় মোট খরচের ভেতরেই ধরা। আলাদা করে বীজের দাম কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি।প্রাথমিক মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। খেত থেকে বিক্রি করলে দরকার নাও হতে পারে, কিন্তু নিজে আড়তে বা ট্রাকে করে পাঠালে লাগে।লাইসেন্স
- কখন ফল পাকল তা বোঝা, আর কত পানি দিলে মিষ্টি হবে তা ধরতে পারা। অপরিপক্ব ফল বাজারে গেলে স্বাদ থাকে না, আর একবার সুনাম গেলে দাম ফেরে না।দক্ষতা
- খেত থেকে ফল কিনে নেওয়া বড় ব্যবসায়ী — এঁরাই ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করেন। একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা জরুরি, কারণ একজন না এলে ফল খেতেই থাকে।সরবরাহকারী
- উপকূলের চর বা উঁচু বেলে-দোআঁশ জমি, বিঘা বা কানি হিসাবে। বরগুনায় এক মৌসুমে ১২ হাজার ৩২৪ হেক্টর জমিতে তরমুজ হয়েছে, তার প্রায় ৬ হাজার হেক্টরই সদর উপজেলায়।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1জমি ঠিক করুন — উপকূলের চর বা উঁচু বেলে-দোআঁশ জমি। পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, খুলনা, বাগেরহাট ও বরিশাল অঞ্চলেই দেশের বেশির ভাগ তরমুজ হয়।
- 2টাকার ব্যবস্থা আগে করুন, আর কত টাকায় কী শর্তে নিচ্ছেন তা লিখে রাখুন। বরগুনার অনেক চাষি জমি বন্ধক, এনজিও ঋণ আর গয়না বন্ধক রেখে চাষে নামেন — ফসল মার খেলে কিস্তি তবু চলতেই থাকে।
- 3জাত ঠিক করুন, আর নাবি জাত রাখবেন কি না ভেবে নিন। নাবি জাত সবার শেষে বাজারে আসে, তখন দাম বেশি থাকে — কিন্তু বৃষ্টি ধরে ফেললে সেটাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
- 4খেতের ভেতর পানি নিষ্কাশনের নালা কেটে রাখুন, আর শ্যালোমেশিন হাতের কাছে রাখুন। দুই দিনের মাঝারি বৃষ্টিতেই খেতে পানি জমে ফল নষ্ট হয়ে যায়।
- 5সেচে হাত খুলবেন না। কম পানি দিলে ফল মিষ্টি হয় — দাকোপের চাষি নিজেই এটা বলেছেন। বেশি পানি দিলে ফল বড় হয় কিন্তু পানসে লাগে।
- 6হরমোন বা দ্রুত বড় করার কিছু দেবেন না। ২০২৬ সালে ক্রেতারা স্বাদ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন, আর বারটানের বিজ্ঞানীরা বলেছেন অতিরিক্ত সার, কীটনাশক ও হরমোনের কারণেই এটা হয়। একবার ক্রেতা মুখ ফেরালে পুরো এলাকার দাম পড়ে।
- 7ফল ওঠার আগেই ক্রেতা ঠিক করে রাখুন — এক-দুইজন নয়, কয়েকজন। বরগুনায় ২০২৬ সালে ট্রাকভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আসেননি, আর একজন চাষির খেতে ১৩ হাজার তরমুজ পড়ে ছিল।
- 8ট্রাকভাড়া আগেই জেনে নিন আর খেয়াল রাখুন। ২০২৬ সালে জ্বালানি সংকটে বরগুনায় ট্রাকভাড়া ৩৫ হাজার থেকে ৫০ হাজারে ওঠে, আর সেই একটা খরচই পুরো বাণিজ্য থামিয়ে দেয়।
- 9রোজার মাস কবে পড়ছে দেখে চাষের সময় ঠিক করুন। ভোলার কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, রোজায় দাম ভালো ছিল বলেই কৃষকেরা লোকসানে পড়েননি।
- 10পানিতে ডোবা ফল আলাদা করে ফেলুন। ব্যবসায়ীরা পানিতে ডোবা তরমুজ কিনতে চান না, আর একটা পচা ফল চালানের বাকিটাও নষ্ট করে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চবেশি
- এপ্রিবেশি
- মেবেশি
- জুনকম
- জুলাকম
- আগকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোকম
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবাগেরহাট · উপকূলীয় চরাঞ্চলের যে জেলাগুলোতে তরমুজ উৎপাদন সবচেয়ে বেশি, তার একটি।
- খুব উপযোগীবরগুনা · উৎপাদনে তৃতীয়; এক মৌসুমে ১২ হাজার ৩২৪ হেক্টর জমিতে আবাদ, তার প্রায় ৬ হাজার হেক্টর সদর উপজেলায়। তবে ২০২৬ সালের এপ্রিলে পরিবহন ও বৃষ্টির ধাক্কাটা এখানেই সবচেয়ে বেশি লেগেছে।
- খুব উপযোগীবরিশাল · মৌসুমের শুরুতেই বরিশালের তরমুজ বাজারে আসে, তাই আগাম দামটা এখানকার চাষিরা পান।
- খুব উপযোগীভোলা · উৎপাদনে দ্বিতীয়; শুধু ভোলাতেই ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ৮ লাখ টন। মৌসুমের শুরুতে বাজারে আসে বরিশাল-ভোলার তরমুজ।
- খুব উপযোগীখুলনা · দাকোপে নাবি জাতের তরমুজ হয়, যা সবার শেষে বাজারে আসে আর তখন দাম বেশি থাকে। বিঘায় ৳৩০–৩৫ হাজার খরচে ৳৮০ হাজার–১ লাখের বিক্রির হিসাবটা এখানকার চাষির।
- খুব উপযোগীপটুয়াখালী · কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে দেশে সবচেয়ে বেশি তরমুজ উৎপাদিত হয় পটুয়াখালীতে।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · নোয়াখালীর কৃষকেরা নিজ এলাকায় ফলন কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামে গিয়ে তরমুজ চাষ করছেন; জেলার কিছু গ্রামে কোটি টাকার তরমুজ হয়।
- সম্ভবকক্সবাজার · ফেলে রাখা লবণমাঠে তরমুজ চাষের নজির আছে — পতিত জমিকে কাজে লাগানোর পথ।
- সম্ভবনোয়াখালী · এখানে ফলন কমে যাওয়ায় অনেক চাষি জমি খুঁজতে অন্য জেলায় যাচ্ছেন — নতুন করে শুরু করার আগে এটা জেনে রাখা দরকার।
- সম্ভবসাতক্ষীরা · উপকূলের লবণাক্ত ও পতিত জমিতে তরমুজ চাষের উদাহরণ আছে; ঘেরের পাড়েও চাষ হচ্ছে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: বিক্রির জানালা একটাই এবং সেটা ছোট। ভরা মৌসুম মার্চ-এপ্রিল; ওই সময়ে ক্রেতা না এলে ফল খেতেই পড়ে থাকে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে বরগুনায় জ্বালানি সংকটে ট্রাকভাড়া ৩৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকায় উঠলে বড় ব্যবসায়ীরা আসা বন্ধ করে দেন; শত শত চাষি বিক্রি করতে পারেননি। এম বালিয়াতলীর হারুনের খেতে প্রায় ১৩ হাজার তরমুজ পড়ে ছিল।
- বেশিনষ্ট হওয়া: বৃষ্টি। টানা দুই দিনের মাঝারি বৃষ্টিতেই খেতে পানি জমে ফল নষ্ট হয় আর গাছ মরে যায়, আর পানিতে ডোবা তরমুজ ব্যবসায়ীরা কিনতে চান না। চাষিদের তখন শ্যালোমেশিন দিয়ে পানি সরাতে হয়, নালা কেটে পানি নামাতে হয়, আর ডুবে থাকা ফল তুলে শুকনো জায়গায় রাখতে হয়।
- বেশিচলতি মূলধন: ঋণ নিয়ে চাষ, আর ফসল মার খেলেও কিস্তি চলতে থাকে। বরগুনা সদরের ইয়াসিন তিন কানি জমি বন্ধক নিয়ে, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ আর স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ করেছিলেন; প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকার কিস্তি দিতে হয়। একই এলাকার আবদুর রব দুই ভাই মিলে ছয় একরে চার লাখ টাকা খরচ করে ক্রেতা পাননি।
- মাঝারিচাহিদা: জোগান বাড়ছে, দাম নামছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে ১৭ লাখ ৮৯ হাজার টন, ২০২৪-২৫ সালে ৩৫ লাখ ৫২ হাজার টন। ২০২৫ সালের এপ্রিলের শুরুতে যে তরমুজ কেজি ৳৫০–৬০ ছিল, ২০২৬ সালের একই সময়ে তা ৳৩০–৩৫। ভোলায় গত বছরের চেয়ে আরও ৪ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে — অর্থাৎ চাপটা বাড়তেই থাকবে।
- মাঝারিঅন্যান্য: স্বাদ নিয়ে অভিযোগ। ২০২৬ সালে ক্রেতারা বলেছেন ভেতরে লাল থাকলেও স্বাদ নেই আর দ্রুত নষ্ট হয়। বারটানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেছেন, দ্রুত বড় করতে গেলে ফল অপরিপক্ব থেকে যায়, আর বাণিজ্যিক চাষ বাড়ায় হরমোনের ব্যবহারও বেড়েছে। একজন ক্রেতা বলেছেন, দুবার কিনে একই অবস্থা দেখে আর কিনবেন না।
সূত্র
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
কোয়েল পাখি পালন
খাঁচায় কোয়েল পালন। ৩৫–৪৫ দিনে ডিম শুরু, ডিমের খরচ ৳১.২০ আর পাইকারি দর ৳২.৮০–৩.৫০। তবে বাজার ছোট — বড় আয় আসে বাচ্চা বিক্রি থেকে।
- পুঁজি
- ৳৩৫ হাজার – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩৫ – ৪৯ দিন
কলা চাষ
বিঘায় ৩৫০–৪০০ গাছ, ফল আসে ১০–১৩ মাসে। গাছপ্রতি খরচ ৳১৫০–২০০, ছড়া বিক্রি ৳৩৫০–৪৫০, আর কৃষি অধিদপ্তরের হিসাবে গাছপ্রতি লাভ ৳১২০–১৮০।
- পুঁজি
- ৳৩৫ হাজার – ৳৮০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩০০ – ৩৯৫ দিন
গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ
ডিসেম্বরে রোপণ, এপ্রিল-জুনে বিক্রি। বিঘায় খরচ ৳৭০–৮০ হাজার, ফলন ৩০০–৪০০ মণ, মণপ্রতি ৳১,০০০–১,৮০০, আর দিনাজপুরের গাবুরা বাজারে দিনে ৩–৪ কোটি টাকার কেনাবেচা।
- পুঁজি
- ৳৩৫ হাজার – ৳১.৬ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ১২০ দিন
ভেড়া পালন
মাঠে ও চরে ঘাস খাইয়ে ভেড়া পালন। ২০২৬ সালের কোরবানির আগে জয়পুরহাটে এক খামারি ২৬টি ভেড়া বিক্রি করেছেন ৳২,৩০,০০০ টাকায় — গড়ে প্রতিটি প্রায় ৳৮,৮০০।
- পুঁজি
- ৳৩০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১৮০ – ৩৬৫ দিন
