• আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ডেকোরেশন

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের গেট, মঞ্চ, আলো ও ঘর সাজানোর ব্যবসা। ৫০–৭০ শতাংশ অগ্রিমে বুকিং হয়, তাই টাকা আসে কাজের আগেই।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳১০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
৬ – ১২ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি কী

বিয়ে, গায়েহলুদ, জন্মদিন বা অফিসের অনুষ্ঠানের জন্য গেট, মঞ্চ, আলো আর ঘর সাজিয়ে দেওয়া। রেস্টুরেন্টের ঠিক উল্টো ব্যবসা। রেস্টুরেন্টে আগে বাজার করতে হয়, রান্না হয়, তারপর টাকা আসে। এখানে টাকা আসে আগে। আগারগাঁওয়ের ইভেন্ট আয়োজকেরা বলেছেন, স্টল বা আয়োজনের বুকিং নিতে হয় এক থেকে দুই সপ্তাহ আগে, আর তখনই ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ অগ্রিম দিতে হয়। বড় বা ডিজাইনার অর্ডারের বুকিং ১০–১৫ দিন আগে, গেট ও মঞ্চের কাজ ১৫–২০ দিন আগে। অর্থাৎ কাজ করার আগেই হাতে টাকা — মালামাল কেনা, কারিগরের মজুরি আর গাড়ি ভাড়া ওই টাকাতেই চলে। এই সুবিধার দাম হলো দায়। অগ্রিম নেওয়ার পর তারিখটা আপনার নয়, খদ্দেরের। ৬ জানুয়ারি ২০২৬-এর দর অনুযায়ী ইনডোর ডেকোরেশন শুরু হয় ৳৫০,০০০ থেকে — পুরো বাসার সাজ, স্টেজ ও গেট ধরে। শুধু গায়েহলুদের জন্য ঘরের একটা অংশ সাজাতে শুরু ৳২৫,০০০। আউটডোরে এক দিনের ডেকোরেশন প্রায় ৳১,০০,০০০, তিন দিনের ৳১,৫০,০০০। গেট ৳৫,০০০–২০,০০০, সাধারণ মঞ্চ শুরু ৳১৫,০০০, গাড়ি সাজানো ৳২,০০০–১০,০০০, আর একতলা বাড়ি পুরো আলোয় সাজাতে এক দিনে প্রায় ৳১০,০০০। প্রায় সব ডেকোরেশনই ২৪ ঘণ্টার জন্য — সময় বাড়ালে টাকা বাড়ে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳৬০,০০০ – ৳৩,৫০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳২৫,০০০ – ৳১,৫০,০০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳১০,০০০ – ৳৯০,০০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৪০% – ৬০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৬ – ১২ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ দিনবাজারদর
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ১০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতাবাজারদর

শুরু করতে যা লাগবে

  • সাজানোর মালামাল: কাঠের ফ্রেম, ব্যানার, নেট ও টিস্যু কাপড়, তাজা ও কৃত্রিম ফুল, চেয়ার-টেবিল, সোফা সেট, টেবিল টপ, চেয়ার বো, কাঠের টুল। আগারগাঁওয়ে ২৪ ঘণ্টার ভাড়ার দর (০৬-০১-২০২৬): টেবিল টপ প্রায় ৳২০০, চেয়ার বো ৳৫, কৃত্রিম ফুলের এক গুচ্ছ ৳২০; সোফা সেট ও কাঠের টুলের সঙ্গে দূরত্ব অনুযায়ী ডেলিভারি চার্জ যোগ হয়।যন্ত্রপাতি
  • আলোকসজ্জার সরঞ্জাম: এলইডি, মরিচবাতি ও পিক্সেল লাইট, সঙ্গে তার, স্ট্যান্ড ও জেনারেটর বা পাওয়ার সংযোগের ব্যবস্থা। পিক্সেল লাইটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি কিন্তু দামও বেশি। খরচ নির্ভর করে ভবনের আকার, উচ্চতা ও লাইটের ধরনের ওপর।যন্ত্রপাতি
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
  • নকশা বোঝা আর দ্রুত বাঁধতে পারা। গেট, মঞ্চ ও আলো — তিনটি আলাদা হাতের কাজ, আর পুরোটা অনুষ্ঠানের আগের রাতে শেষ করতে হয়। উঁচু ভবনে আলো বসানোর কাজে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আছে, তাই অভিজ্ঞ লোক ছাড়া এ কাজ নেওয়া যায় না।দক্ষতা
  • পাইকারি ফুল ও সাজসজ্জার বাজার। ঢাকার আগারগাঁও মেট্রোস্টেশনের কাছের পাইকারি ফুলবাজারে ফুলের পাশাপাশি আলোকসজ্জা, ইভেন্ট প্ল্যানিং, ক্যাটারিং ও ডেকোরেশন সার্ভিস সবই মেলে। বর্তমানে চায়নিজ গোলাপ, লিলি ও চায়নিজ জিপসির চাহিদা সবচেয়ে বেশি, আর অনেক ফুল চীন থেকে আসে বলে বড় অর্ডার ১০–১৫ দিন আগে বুক করা নিরাপদ।সরবরাহকারী
  • মালামাল রাখার গুদাম ও একটি ছোট শোরুম বা অফিস। কাপড়, কাঠের ফ্রেম ও কৃত্রিম ফুল শুকনো জায়গায় রাখতে হয়, নইলে এক বর্ষায় সব নষ্ট। মালামাল আনা-নেওয়ার জন্য পিকআপ বা ভ্যানের ব্যবস্থাও দরকার।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1পাইকারি বাজারটা আগে চিনুন। ঢাকার আগারগাঁও মেট্রোস্টেশন থেকে হাঁটা দূরত্বের পাইকারি ফুলবাজারে ফুল ছাড়াও আলোকসজ্জা, ইভেন্ট প্ল্যানিং, ক্যাটারিং ও ডেকোরেশনের সব সরঞ্জাম মেলে।
  2. 2ঠিক করুন কোন কাজটা আপনার — শুধু গেট ও মঞ্চ, না আলোকসজ্জা, না পুরো আয়োজন। শুরুতে একটা কাজ ভালো করে শেখাই নিরাপদ, কারণ প্রতিটির আলাদা মালামাল ও আলাদা কারিগর লাগে।
  3. 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর এনবিআর থেকে টিআইএন করান।
  4. 4মালামাল কিনুন ধাপে ধাপে: কাঠের ফ্রেম, ব্যানার, নেট ও টিস্যু কাপড়, কৃত্রিম ফুল, চেয়ার-টেবিল, সোফা সেট, টেবিল টপ, চেয়ার বো। আগারগাঁওয়ের দোকানগুলোতে এসবের বেশির ভাগই ভাড়াতেও পাওয়া যায় — শুরুতে ভাড়া নিয়ে কাজ করলে পুঁজি কম লাগে।
  5. 5আলোর জিনিস আলাদা করে ভাবুন। এলইডি ও মরিচবাতির পাশাপাশি পিক্সেল লাইট এখন সবচেয়ে বেশি চাহিদার, তবে তা তুলনামূলক ব্যয়বহুল। ভবনের উচ্চতা বাড়লে খরচ ও ঝুঁকি দুটোই বাড়ে।
  6. 6ফুলের সরবরাহকারী ঠিক করুন আর বুকিংয়ের সময়সীমা মেনে চলুন: সাধারণ অর্ডার ২–৩ দিন আগে, বড় ও ডিজাইনার অর্ডার ১০–১৫ দিন আগে। অনেক ফুল চীন থেকে আসে, তাই দেরি করলে ফুল পাওয়া যায় না।
  7. 7কারিগরের দল গড়ুন। গেট ও মঞ্চ বাঁধা, কাপড় টানা, আলো বসানো — তিনটি আলাদা কাজ, আর অনুষ্ঠানের আগের রাতেই সব শেষ করতে হয়।
  8. 8দরপত্র লিখিত দিন — কী কী থাকবে, কত ঘণ্টার জন্য, খোলার দায়িত্ব কার, আর দেরি হলে কী। ডেকোরেশন ২৪ ঘণ্টার জন্য ধরা হয়, সময় বাড়লে টাকাও বাড়ে — এটা আগেই লিখে রাখুন।
  9. 9৫০–৭০ শতাংশ অগ্রিম নিন বুকিংয়ের সময়, বাকিটা অনুষ্ঠানের দিন। অগ্রিম ছাড়া তারিখ আটকাবেন না — বিয়ের মৌসুমে একটি তারিখ নষ্ট হওয়া মানে ওই দিনের পুরো আয় হারানো।
  10. 10কনভেনশন হলের কাজ নেওয়ার আগে ভ্যাটের কথা জেনে নিন। কিছু কনভেনশন হলে ইভেন্ট ডেকোরেশনের সঙ্গে অতিরিক্ত ভ্যাট যুক্ত হতে পারে, আর সেটা আগে না জানালে খদ্দেরের সঙ্গে ঝগড়া হয়।
  11. 11মৌসুম শেষে মালামাল গুছিয়ে রাখুন ও মেরামত করুন। কাপড়, কাঠের ফ্রেম ও কৃত্রিম ফুল কয়েক মৌসুম চলে, কিন্তু ভিজে বা ছিঁড়ে গেলে পরের মৌসুমে নতুন করে কিনতে হয়।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনকম
  7. জুলাকম
  8. আগকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের আয়োজন বেশি, আর প্রবাসী পরিবারের বাজেটও বড়।
  • খুব উপযোগীঢাকা · আগারগাঁওয়ের পাইকারি ফুলবাজারই দেশের প্রধান সরবরাহকেন্দ্র, আর কমিউনিটি সেন্টার ও কনভেনশন হলের সংখ্যাও এখানে সবচেয়ে বেশি।
  • খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবারের বিয়েতে খরচ তুলনামূলক বেশি; আউটডোর ও তিন দিনের আয়োজনের কাজ এখানে মেলে।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলার অনুষ্ঠানের কাজও এখান থেকে যায়।
  • সম্ভবকুমিল্লা · প্রবাসফেরত পরিবারের বিয়েতে খরচ বেশি, আর মহাসড়কের কারণে ঢাকা থেকে মালামাল আনা সহজ।
  • সম্ভবগাজীপুর · ঘন বসতি ও কারখানা এলাকা; মাঝারি বাজেটের ঘরোয়া আয়োজনের কাজ নিয়মিত।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, কমিউনিটি সেন্টারের সংখ্যা বাড়ছে।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহর; ঢাকার মহাসড়ক ধরে মালামাল আনা-নেওয়া সহজ।
  • সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া, কমিউনিটি সেন্টার অনেক আর মালামাল আগারগাঁও থেকে সহজেই আনা যায়।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা; শীতের মৌসুমে বিয়ের আয়োজন বেশি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: অগ্রিমের টাকা খরচ করে ফেলা। বুকিংয়ের সময় ৫০–৭০ শতাংশ টাকা হাতে আসে, কিন্তু সেটা আয় নয় — ওই টাকা দিয়ে সাত থেকে চৌদ্দ দিন পর ফুল, কাপড়, আলো ও কারিগরের মজুরি দিতে হবে। মৌসুমে একসঙ্গে অনেক বুকিং নিলে হাতে বড় অঙ্ক জমে যায় আর সেটাকে লাভ মনে হয়; মৌসুম শেষে দেখা যায় শেষ কয়েকটি অনুষ্ঠানের মালামাল কেনার টাকা নেই।
  • বেশিচাহিদা: বছরের অর্ধেক সময় কাজ থাকে না। বিয়ের মৌসুম শীতকালকেন্দ্রিক, আর বর্ষায় খোলা জায়গার আয়োজন প্রায় বন্ধ থাকে। অথচ গুদামভাড়া, মালামালের মেরামত আর স্থায়ী কর্মীর খরচ বারো মাসই চলে। মৌসুমের আয় দিয়ে সারা বছর চালাতে হবে — এই হিসাব না রাখলে মৌসুমের পরপরই টান পড়ে।
  • বেশিঅন্যান্য: তারিখ নষ্ট হওয়া। অগ্রিম নেওয়ার পর সেই তারিখে আর কাজ নেওয়া যায় না; খদ্দের অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিলে বা বাতিল করলে ওই দিনের পুরো আয় চলে যায়, অথচ মৌসুমে দিনের সংখ্যা সীমিত। এক সেট মালামাল দিয়ে দিনে একটির বেশি অনুষ্ঠান করা যায় না বলে ক্ষতি সরাসরি।
  • মাঝারিনষ্ট হওয়া: তাজা ফুল একদিনের জিনিস আর মালামাল ভিজলেই শেষ। বেশির ভাগ খদ্দের এখন কৃত্রিম ফুলের বদলে আসল ফুল চান, আর আসল ফুল অনুষ্ঠানের দিনই আনতে হয়। অনুষ্ঠান পিছিয়ে গেলে ওই ফুল আর কাজে লাগে না। কাপড় ও কাঠের ফ্রেম বৃষ্টিতে ভিজলে পরের অনুষ্ঠানে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যায়।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ভ্যাট ও হলের শর্ত। কিছু কনভেনশন হলে ইভেন্ট ডেকোরেশনের সঙ্গে অতিরিক্ত ভ্যাট যুক্ত হতে পারে, আর সেটা খদ্দেরকে আগে না জানালে টাকা আদায়ের সময় বিরোধ হয়। উঁচু ভবনে আলো বসাতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটলে দায়টাও ডেকোরেটরের ঘাড়েই পড়ে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ভেটেরিনারি ওষুধ ও সেবা

পশু-পাখির ওষুধ বিক্রি ও চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসা করতে ভেটেরিনারি কাউন্সিলের নিবন্ধন লাগে, প্রতিষ্ঠানের জন্য কাউন্সিলের স্বীকৃতি, আর ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

সাউন্ড ও লাইট ভাড়া

মাইক, সাউন্ড বক্স ও আলো কিনে অনুষ্ঠানে দিন হিসেবে ভাড়া দেওয়া। ভেড়ামারায় গাড়িসহ এক দিনের মাইক ভাড়া ৳১,২০০, তার ৳৫০০ যন্ত্রের। শব্দদূষণ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী এখন লিখিত অনুমতি লাগে।

পুঁজি
৳১ লাখ – ৳৪.৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

আইপিএস ও ব্যাটারি বিক্রি ও সার্ভিসিং

আইপিএস বসানো আর ব্যাটারি বদলানোর দোকান। মেশিন একবার বিক্রি হয়, ব্যাটারি প্রতি ১৮–৩০ মাসে আবার — আর পুরো সেটের দামের বেশির ভাগটাই ব্যাটারির।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳৬ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ইজিবাইক চার্জিং স্টেশন

ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার ব্যাটারি চার্জ করার গ্যারেজ। বিদ্যুতের দর এলটি-ডি৩ শ্রেণিতে ইউনিটপ্রতি ৳৯.০৯–১৪.২০, আর আবাসিক সংযোগ থেকে বাণিজ্যিক চার্জিং নিষিদ্ধ।

পুঁজি
৳১ লাখ – ৳৫ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
বিয়ের ডেকোরেশন ব্যবসা: গেট, মঞ্চ ও আলোর দর কত · আয়রোজগার