• আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

আইপিএস ও ব্যাটারি বিক্রি ও সার্ভিসিং

আইপিএস বসানো আর ব্যাটারি বদলানোর দোকান। মেশিন একবার বিক্রি হয়, ব্যাটারি প্রতি ১৮–৩০ মাসে আবার — আর পুরো সেটের দামের বেশির ভাগটাই ব্যাটারির।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳২,০০,০০০ – ৳৬,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
৮ – ১৫ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি কী

আইপিএস বিক্রি করে টাকা আসে একবার, ব্যাটারি বিক্রি করে টাকা আসে বারবার। এই ব্যবসার আসল কথাটা এখানেই। আইপিএসের মেশিন দশ বছরও চলে, কিন্তু ব্যাটারির ওয়ারেন্টিই দেড় থেকে আড়াই বছর — ফ্ল্যাট প্লেট ব্যাটারিতে ১৮ মাস, টিউবুলারে ২ বছর, আর টল টিউবুলারে ৩০ মাস। অর্থাৎ আজ যাকে একটা সেট বিক্রি করলেন, দুই-আড়াই বছর পর সে আবার আপনার কাছেই ব্যাটারি কিনতে আসবে। যত সেট বসাবেন, ততগুলো ভবিষ্যৎ খদ্দের তৈরি হবে। দামের হিসাবেও ব্যাটারিই বড়। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ দারাজে জেবি এন্টারপ্রাইজ রহিমআফরোজের ৬০০ ভিএ আইপিএস আর ১৩৫ অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি — পুরো সেট ৳৩৩,৪৪০ টাকায় বিক্রি করছিল, আর একই বিক্রেতার কাছে শুধু ১৩৫ অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারিই ৳২২,০০০ থেকে ৳২৭,৯২৭। অর্থাৎ পুরো সেটের দামের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ থেকে পাঁচ-ষষ্ঠাংশই ব্যাটারি। একই দিনে ১০০ অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি ছিল ৳১৪,৭২৮–২১,০০০, ১৫০ অ্যাম্পিয়ার ৳২০,২৬৬–৩৫,০০০ আর ২০০ অ্যাম্পিয়ার ৳২৬,৪৯৮–৪৩,০০০। গরমকালে লোডশেডিং বাড়লে বিক্রি বাড়ে, শীতে প্রায় বন্ধ। তাই টাকা আটকে থাকে ব্যাটারিতে, আর ব্যাটারি দোকানে বসে থাকলে নিজেই দুর্বল হয়ে যায়। এই দুইয়ের মাঝখানে হিসাব মেলানোই কাজ।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳১,৭০,০০০ – ৳২,৯০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১৪,৭২৮ – ৳৪৩,০০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳১২,১০০ – ৳৩৮,৭০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার১০% – ১৮%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৪৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৮ – ১৫ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র১৫ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১% – ৪%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা২ – ৬সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • হাইড্রোমিটার, মাল্টিমিটার, ব্যাটারি লোড টেস্টার, চার্জার, ডিস্টিলড ওয়াটার, ওয়্যারিংয়ের যন্ত্রপাতি আর ব্যাটারি টানার ট্রলি।যন্ত্রপাতি
  • ব্যাটারি ও আইপিএস মেশিনের মজুত। ১৬-০৯-২০২৬ তারিখে খুচরা দর: ১০০ অ্যাম্পিয়ার ৳১৪,৭২৮–২১,০০০, ১৩৫ অ্যাম্পিয়ার ৳২২,০০০–২৭,৯২৭, ১৫০ অ্যাম্পিয়ার ৳২০,২৬৬–৩৫,০০০, ২০০ অ্যাম্পিয়ার ৳২৬,৪৯৮–৪৩,০০০; আইপিএস মেশিন ৬০০ ভিএ ৳১০,৫০০–১৬,০০০, ২০০০ ভিএ ৳১৬,০৮২–২৫,৫০০।প্রাথমিক মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০; ইস্যু ৩–৫ কার্যদিবসে।লাইসেন্স
  • আইপিএস বসানোর কাজ — ওয়্যারিং, আর্থিং, লোড হিসাব আর ব্যাটারির চার্জিং পরীক্ষা। ভুল লোড হিসাবে ব্যাটারি ওয়ারেন্টির আগেই শেষ হয়ে যায়।দক্ষতা
  • ব্র্যান্ডের পরিবেশক বা ডিলার। রহিমআফরোজ, হ্যামকো, সাইফ পাওয়ার, ইস্টার্ন, লুমিনাস, মাইক্রোটেক। ওয়ারেন্টির দাবি ব্র্যান্ডের নিজস্ব পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি হয় — রহিমআফরোজের ক্ষেত্রে এসএমএস দিয়ে অনলাইনে ওয়ারেন্টি নিবন্ধন করতে হয়।সরবরাহকারী
  • রাস্তার পাশে দোকান, ভারী ব্যাটারি রাখার মতো শক্ত মেঝে আর বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা। লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি চার্জ হওয়ার সময় গ্যাস ছাড়ে, তাই বদ্ধ ঘরে চার্জ করা বিপজ্জনক।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1এলাকায় লোডশেডিং কেমন তা দেখে দোকানের জায়গা ঠিক করুন। যেখানে বিদ্যুৎ বেশি যায়, সেখানেই ব্যবসা। দোকান রাস্তার পাশে হওয়া দরকার, কারণ ব্যাটারি ভারী আর বারবার ওঠানো-নামানো লাগে।
  2. 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০ আর লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী।
  3. 3ব্র্যান্ড বেছে নিন আর ডিলারশিপ বা পরিবেশকের সঙ্গে কথা বলুন। রহিমআফরোজ, হ্যামকো, সাইফ পাওয়ার, ইস্টার্ন, লুমিনাস — প্রতিটির আলাদা ওয়ারেন্টি ও রিপ্লেসমেন্ট পদ্ধতি আছে, সেটা আগে বুঝে নিন।
  4. 4মজুত ছোট রাখুন কিন্তু ধরন বেশি রাখুন। ১০০, ১৩৫ আর ২০০ অ্যাম্পিয়ার — তিন আকারই রাখুন, কারণ খদ্দের 'কত ঘণ্টা চলবে' জিজ্ঞেস করে, ব্র্যান্ড নয়।
  5. 5প্রতিটি বিক্রির সঙ্গে ওয়ারেন্টি কার্ড দিন আর নিজের খাতায় লিখে রাখুন — কার বাড়িতে কোন ব্যাটারি, কবে বসেছে, ওয়ারেন্টি কবে শেষ। এই খাতাটাই আপনার ভবিষ্যৎ বিক্রির তালিকা।
  6. 6ওয়ারেন্টি শেষ হওয়ার দুই-তিন মাস আগে খদ্দেরকে নিজে ফোন করুন। ফ্ল্যাট প্লেটে ১৮ মাস, টিউবুলারে ২ বছর, টল টিউবুলারে ৩০ মাস — এই সময়েই ব্যাটারি দুর্বল হতে শুরু করে।
  7. 7বসানোর কাজটা নিজে শিখুন বা একজন দক্ষ লোক রাখুন। ওয়্যারিং, আর্থিং আর লোড হিসাব ভুল হলে ব্যাটারি তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় আর দোষ আসে আপনার ঘাড়ে।
  8. 8সার্ভিসিং আলাদা আয়ের পথ করুন — পানি দেওয়া, টার্মিনাল পরিষ্কার, চার্জিং পরীক্ষা। এই কাজে খদ্দেরের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে, আর ব্যাটারি কখন বদলাতে হবে তা আপনিই আগে জানেন।
  9. 9পুরনো ব্যাটারি ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা রাখুন এবং সীসা কেনেন এমন নিবন্ধিত ক্রেতার কাছে দিন। রাস্তার পাশে সীসা গলানো স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক এবং আইনি ঝুঁকিও আছে।
  10. 10গরমের আগে, ফেব্রুয়ারি-মার্চে মজুত ভরুন আর শীতে মজুত খালি করুন। শীতে ব্যাটারি দোকানে বসে থাকলে চার্জ হারায় আর নিজেই দুর্বল হয়।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাবেশি
  8. আগবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেকম
  12. ডিসেকম
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের যন্ত্রপাতির বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলার খুচরা দোকান এখান থেকেই মাল নেয়।
  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, আমদানিকারক ও পরিবেশকের প্রধান ঘাঁটি — মজুত তোলা সহজ ও সস্তা।
  • খুব উপযোগীঢাকা · ঘন বসতি, অসংখ্য ছোট দোকান ও অফিস, আর নবাবপুর-পাটুয়াটুলীতে যন্ত্রাংশের পাইকারি বাজার কাছেই।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানা, মেস আর ভাড়াটে বসতির ঘনত্ব বেশি; লোডশেডিং হলে একসঙ্গে অনেক গ্রাহক নড়ে।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ছোট কারখানা ও দোকানের সংখ্যা বেশি, আর ঢাকার পাইকারি বাজার একদম কাছে।
  • সম্ভবকক্সবাজার · হোটেল ও রিসোর্টে বিদ্যুৎ বিভ্রাট সহ্য করা যায় না, তাই বড় সেট ও নিয়মিত সার্ভিসিংয়ের কাজ আছে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কঘেঁষা বাজার আর প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা — বড় ব্যাটারির চাহিদা তুলনামূলক বেশি।
  • সম্ভবযশোর · সীমান্ত বাণিজ্য ও ছোট শিল্পের কারণে দোকান-ভিত্তিক চাহিদা স্থিতিশীল।
  • সম্ভবরংপুর · সেচের মৌসুমে ও গরমে লোডশেডিং বেশি, তবে ক্রয়ক্ষমতা কম বলে ছোট ব্যাটারিই বেশি চলে।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের বাড়িতে বড় সেট বসে, আর সেখানে দাম নিয়ে দর কষাকষি কম।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: টাকা মজুতে আটকে থাকে আর মজুত নিজেই নষ্ট হয়। একটা ২০০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির দামই ৳২৬,৪৯৮–৪৩,০০০, তাই ছয়টা ব্যাটারি রাখলেই দুই থেকে তিন লাখ টাকা বসে যায়। শীতে বিক্রি কমে, আর না বিক্রি হওয়া লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি বসে থেকেই চার্জ হারায় ও সালফেশনে দুর্বল হয়। মজুত বেশি রাখলে টাকা মরে, কম রাখলে খদ্দের পাশের দোকানে চলে যায়।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: ওয়ারেন্টির দায় দোকানের ঘাড়ে, কিন্তু সিদ্ধান্ত ব্র্যান্ডের হাতে। ব্যাটারি ১৮, ২৪ বা ৩০ মাসের ওয়ারেন্টিতে বিক্রি হয়, আর সেই সময়ের মধ্যে নষ্ট হলে খদ্দের দোকানেই এসে দাঁড়ায়। কোম্পানি যদি দাবি নামঞ্জুর করে বা রিপ্লেসমেন্ট দিতে দেরি করে, খদ্দের দোকানদারকেই দোষ দেয় আর সেই খদ্দের ও তার পরিচিত সবাই হারিয়ে যায়।
  • বেশিচাহিদা: চাহিদা পুরোপুরি লোডশেডিংয়ের উপর। যে বছর বিদ্যুৎ ভালো থাকে, সে বছর বিক্রি পড়ে যায়; গরমের মাসে হঠাৎ বেড়ে যায়। শীতের তিন-চার মাস প্রায় শুধু সার্ভিসিংয়ের কাজ চলে। এই ওঠানামার সঙ্গে মজুত ও কর্মীর খরচ মেলানো কঠিন।
  • মাঝারিঅন্যান্য: সস্তা মেশিনের প্রতিযোগিতা। একই দিনে দারাজে ১০০০–৩০০০ ওয়াটের আমদানি করা ইনভার্টার-চার্জার ৳২,৫৫০ থেকে ৳৬,৪৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, যেখানে ব্র্যান্ডের ৬০০ ভিএ আইপিএস ৳১০,৫০০–১৬,০০০। খদ্দের দাম দেখে সস্তাটা কেনে, তারপর নষ্ট হলে সারাতে আপনার কাছেই আসে — কিন্তু বিক্রির লাভটা আপনি পাননি।
  • মাঝারিঅন্যান্য: পুরনো ব্যাটারির সীসা। প্রতিটি বিক্রির সঙ্গে একটা পুরনো ব্যাটারি জমা পড়ে, আর সেটার সীসা মূল্যবান বলেই অনিয়ন্ত্রিতভাবে গলানো হয়। অনিবন্ধিত ক্রেতার কাছে ব্যাটারি দিলে সেটা কোথায় গলছে তার দায় আপনার নামের সঙ্গে জড়িয়ে যেতে পারে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ডেকোরেশন

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের গেট, মঞ্চ, আলো ও ঘর সাজানোর ব্যবসা। ৫০–৭০ শতাংশ অগ্রিমে বুকিং হয়, তাই টাকা আসে কাজের আগেই।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ভেটেরিনারি ওষুধ ও সেবা

পশু-পাখির ওষুধ বিক্রি ও চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসা করতে ভেটেরিনারি কাউন্সিলের নিবন্ধন লাগে, প্রতিষ্ঠানের জন্য কাউন্সিলের স্বীকৃতি, আর ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

জিম ও ফিটনেস সেন্টার

ভাড়া ঘরে যন্ত্র বসিয়ে মাসিক বা বার্ষিক ফি-তে সদস্য নেওয়ার ব্যবসা। টাকা আসে আগে, খরচ চলে সারা বছর; সদস্য ধরে রাখার হারই সব ঠিক করে।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ডে-কেয়ার সেন্টার

কর্মজীবী বাবা-মায়ের শিশুকে দিনভর দেখে রাখার কেন্দ্র। ২০২১ সালের আইনে নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক — সনদ ছাড়া চালালে ২ বছর কারাদণ্ড বা ৳৫–১০ লাখ জরিমানা।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
৩ – ১২ জন
প্রথম আয়
৩০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
আইপিএস ও ব্যাটারির দোকান: দাম, ওয়ারেন্টি ও লাভের হিসাব · আয়রোজগার