ওয়েল্ডিং ও গ্রিল কারখানা
লোহা কেটে জোড়া দিয়ে গ্রিল, রেলিং, স্টিলের দরজা ও গেট বানানো। সাধারণ এমএস গ্রিল প্রতি বর্গফুট ৳১৬০–২২০, আর এক বছরে এমএস রডের দাম বেড়েছে ১০–১৭ শতাংশ।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,২০,০০০ – ৳৬,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম বিক্রি
- ২১ – ৬০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৪ – ৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
লোহা কেটে, জোড়া দিয়ে, রং করে জানালার গ্রিল, সিঁড়ির রেলিং, বারান্দার রেলিং, স্টিলের দরজা আর বাড়ির গেট বানানোর কারখানা। ছোট একটা ঘর, একটা ওয়েল্ডিং মেশিন, একটা গ্রাইন্ডার আর দুজন কারিগর — এতেই কাজ শুরু হয়। দাম হিসাব হয় বর্গফুটে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে ঢাকার উত্তরা-মিরপুরে সাধারণ এমএস গ্রিল প্রতি বর্গফুট ৳১৬০–২২০, মাঝারি ডিজাইনের গ্রিল ৳২৪০–৩৫০, থাই গ্রিল ৳৩৫০–৫০০ আর এসএস ৩০৪ গ্রিল ৳৪৫০–৭০০ দরে করা হচ্ছিল; গুলশান-বনানীতে দর কিছুটা বেশি। ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান একেকটা এমএস জানালার গ্রিল ৳৫,০০০–১০,০০০ আর বাড়ির বড় এমএস গেট ৳১,২০,০০০–১,৯০,০০০ দরে বিক্রি করছে। কিন্তু এই ব্যবসার আসল বিপদ অন্য জায়গায়। কাজের দর ঠিক হয় আগে, আর রড কেনা হয় পরে। টিসিবির ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের হিসাবে ৬০ গ্রেড এমএস রডের দাম প্রতি মেট্রিক টন ৳৯২,৫০০–৯৪,৫০০ আর ৪০ গ্রেডের ৳৮৯,০০০–৯১,০০০। এক বছরে ৬০ গ্রেড বেড়েছে ১০.৩ শতাংশ আর ৪০ গ্রেড বেড়েছে ১৬.৯ শতাংশ। যে কারিগর ফেব্রুয়ারিতে দর দিয়ে জুনে মাল কেনে, তার লাভ রডের বাজারই নির্ধারণ করে দেয় — সে কত ভালো ওয়েল্ডিং করে তাতে কিছু যায় আসে না।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,০০,০০০ – ৳৫,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৬০ – ৳৭০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১১৫ – ৳৪৮০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২৮% – ৩১% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ২১ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১৫ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৪% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৩০ – ১৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ইনভার্টার এমএমএ ওয়েল্ডিং মেশিন ১৩০–২২৫ অ্যাম্পিয়ার (৳৮,০১০–২৬,০৯১), টিগ/এমএমএ মেশিন ১৬০ অ্যাম্পিয়ার (৳২৫,২০০–২৬,৯৯১), ইলেকট্রোড হোল্ডার (৳৫৮৫–৮৫৫), গ্রাইন্ডার, কাটিং হুইল, ভাইস, হাতুড়ি, ড্রিল, মাপার ফিতা, মুখোশ ও হাতমোজা। দর সেফস্টল বিডি, ১৬-০৯-২০২৬।যন্ত্রপাতি
- এমএস রড ৬০ গ্রেড (প্রতি মেট্রিক টন ৳৯২,৫০০–৯৪,৫০০) ও ৪০ গ্রেড (৳৮৯,০০০–৯১,০০০), এমএস স্কয়ার বার ও পাইপ, ১৬ গেজ শিট, ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোড, প্রাইমার ও রং।প্রাথমিক মাল
- ফায়ার লাইসেন্স — বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি)। কারখানার জন্য বাধ্যতামূলক, মেয়াদ এক বছর, প্রতি বছর নবায়ন। কোনো নির্দিষ্ট ফি-তালিকা প্রকাশ করা নেই — পরিদর্শনের পর সম্পত্তির মূল্যায়ন ও ব্যবসার ধরন দেখে ডিমান্ড নোটে অঙ্ক বসিয়ে দেওয়া হয়, ব্যাংক চালানে জমা দিতে হয়।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু, প্রতি বছর নবায়ন।লাইসেন্স
- ওয়েল্ডিং, মাপ নেওয়া আর ডিজাইন দেখে কত লোহা লাগবে তা আগেই হিসাব করা। শেষেরটাই আসল — লোহার হিসাব ভুল হলে ফিক্সড দরের কাজে লোকসান নিশ্চিত।দক্ষতা
- রড ও শিটের নিয়মিত সরবরাহকারী যিনি দর লিখিত দেন, ইলেকট্রোড ও রঙের দোকান, আর প্রয়োজনে গ্যালভানাইজিং বা পাউডার কোটিংয়ের ব্যবস্থা।সরবরাহকারী
- রাস্তার পাশে টিন বা পাকা শেড, যেখানে লম্বা রড ঢোকানো যায় এবং আগুনের ফুলকি ছড়ালেও পাশের ঘরে সমস্যা হয় না। মাল রাখার ও তৈরি গেট বের করার জায়গা দরকার।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1নতুন বাড়ি উঠছে এমন এলাকায় রাস্তার পাশে ঘর নিন। লম্বা রড ঢোকানো, মাল নামানো আর তৈরি গ্রিল-গেট বের করার জায়গা লাগবে।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — উৎপাদনমুখী কারখানার জন্য ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসার ধরন ঠিকভাবে লেখাতে হয়।
- 3ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে ফায়ার লাইসেন্স লাগবে কি না জেনে নিন। এটি কারখানার জন্য বাধ্যতামূলক, প্রতি বছর নবায়ন, আর ফি নির্ধারিত হয় পরিদর্শনের পর ডিমান্ড নোটে।
- 4তিন-ফেজ বিদ্যুতের সংযোগ নিন। ওয়েল্ডিং মেশিন ও গ্রাইন্ডার একসঙ্গে চললে সাধারণ সংযোগে চলে না, আর বিদ্যুৎ গেলে কাজও বন্ধ।
- 5মেশিন কিনুন: ইনভার্টার এমএমএ ওয়েল্ডিং মেশিন (১৩০–২২৫ অ্যাম্পিয়ার) ৳৮,০০০–২৬,০০০, টিগ/এমএমএ মেশিন ৳২৫,০০০–২৭,০০০, সঙ্গে গ্রাইন্ডার, কাটিং হুইল, ভাইস, হাতুড়ি ও মাপার সরঞ্জাম।
- 6রডের সরবরাহকারী ঠিক করুন আর দর কোন দিনের তা লিখে রাখুন। এমএস রড ৬০ গ্রেড এখন প্রতি মেট্রিক টন ৳৯২,৫০০–৯৪,৫০০, ৪০ গ্রেড ৳৮৯,০০০–৯১,০০০।
- 7কাজের দর দেওয়ার সময় বলুন দরটি কত দিনের জন্য এবং রডের দাম বাড়লে দর বদলাবে কি না। এই এক লাইন না থাকলে রডের বাজারই আপনার লাভ ঠিক করে দেবে।
- 8নিজে গিয়ে মাপ নিন এবং লিখে সই করিয়ে নিন। গ্রিল ছোট হলে আবার বানাতে হয়, বড় হলে দেয়াল ভাঙতে হয়।
- 9কেটে, জোড়া দিয়ে, ঘষে, প্রাইমার ও রং দিয়ে তারপর সাইটে নিয়ে বসান। জোড়ার ঘষা আর রং ঠিক না হলে এক বছরে মরিচা ধরে, আর তখন নাম নষ্ট হয়।
- 10ঠিকাদার, ডেভেলপার আর আশপাশের হার্ডওয়্যারের দোকানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখুন — নিয়মিত কাজ এখান থেকেই আসে, তবে বিলের শর্ত লিখিত রাখুন।
- 11পুরনো গ্রিল-গেট মেরামত আর ছোট ঝালাইয়ের কাজ ফেলে দেবেন না। এগুলোতে মাল কম লাগে, টাকা নগদ আসে আর দিনের খরচ এখান থেকেই ওঠে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাকম
- আগকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের ফাউন্ড্রি ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং কেন্দ্র; কৃষিযন্ত্র ও যন্ত্রাংশের কাজ থাকায় দক্ষ কারিগর সহজে পাওয়া যায়।
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দরনগরীতে নতুন ভবন, গুদাম ও শিল্পকারখানার কাজ; ইস্পাতের বড় কারখানাগুলোও এই অঞ্চলে।
- খুব উপযোগীঢাকা · নতুন ফ্ল্যাট, দোকান ও গুদামের কাজ সবচেয়ে বেশি; ঢোলাইখাল ও জিঞ্জিরার লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এলাকায় যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ হাতের কাছেই মেলে।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানা, শ্রমিক আবাসন আর গুদামের গেট-গ্রিলের কাজ নিয়মিত, আর বড় নির্মাণ ঠিকাদারও এখানে আছে।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও কারখানা এলাকা; নতুন ফ্ল্যাট ও দোকানের কাজের পাশাপাশি মেরামতের কাজও প্রচুর।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কঘেঁষা নতুন বাড়ি ও দোকানের কাজ, আর প্রবাসী পরিবারের বাড়িতে গেট-গ্রিলের চাহিদা।
- সম্ভবখুলনা · শহরে নতুন ভবন ও গুদামের কাজ আছে, আর লবণাক্ত বাতাসে মরিচা ধরায় মেরামত ও রং করার কাজ নিয়মিত আসে।
- সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহরে নতুন ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাজ আছে, তবে বড় ঠিকাদার কম।
- সম্ভবরংপুর · শহর ও উপজেলা সদরে নতুন বাড়ির কাজ; মজুরি কম বলে খরচও কম, কিন্তু দরও কম।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের বাড়িতে ডিজাইন করা গেট ও এসএস রেলিংয়ের কাজ বেশি, তাই প্রতি বর্গফুট দরও বেশি।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনির্ভরশীলতা: ফিক্সড দরে কাজ নিলে লাভটা রডের বাজার ঠিক করে দেয়, আপনি নন। টিসিবির ১৫-০৯-২০২৬ হিসাবে ৬০ গ্রেড এমএস রড প্রতি মেট্রিক টন ৳৯২,৫০০–৯৪,৫০০ আর ৪০ গ্রেড ৳৮৯,০০০–৯১,০০০; এক বছরে ৬০ গ্রেড বেড়েছে ১০.৩ শতাংশ আর ৪০ গ্রেড ১৬.৯ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছর আগের দরে কথা দেওয়া থাকলে এক টন মালেই প্রায় ৳৮,৭০০ থেকে ৳১৩,২০০ বাড়তি গুনতে হতো। বড় গেট বা লম্বা রেলিংয়ের কাজ কয়েক মাস ধরে চলে, আর দর দেওয়া হয় শুরুতেই — এই ফাঁকেই লোকসান ঢোকে।
- বেশিচলতি মূলধন: মাল আগে, টাকা পরে। রড, শিট আর রং কিনতে হয় কাজ শুরুর আগেই, কারিগরের মজুরি দিতে হয় সপ্তাহে, আর খদ্দেরের টাকা আসে গ্রিল বসানোর পর। এক টন রডেই ৳৮৯,০০০–৯৪,৫০০ চলে যায়, তাই দুটো কাজের টাকা আটকে গেলে তৃতীয় কাজটা আর ধরা যায় না।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: ঠিকাদার ও ডেভেলপারের কাজ বড় আর নিয়মিত, কিন্তু টাকা আসে বিল পাশের পর। মালিক ভবন হস্তান্তর না করা পর্যন্ত শেষ কিস্তি আটকে রাখলে সেই টাকা মাসের পর মাস বসে থাকে, অথচ রডের দাম ততদিনে বেড়ে যায়।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: কারখানার জন্য ফায়ার লাইসেন্স বাধ্যতামূলক আর প্রতি বছর নবায়ন করতে হয়, কিন্তু কোনো প্রকাশিত ফি-তালিকা নেই — পরিদর্শনের পর ডিমান্ড নোটে অঙ্ক বসে। আগে থেকে জানা যায় না বলে বাজেট করা যায় না, আর কাগজ না থাকলে বড় ঠিকাদার কাজ দেয় না।
- মাঝারিচাহিদা: কাজ পুরোটাই নির্মাণের উপর নির্ভর করে। বর্ষায় ছাদ ঢালাই ও ফিনিশিংয়ের কাজ কমে গেলে গ্রিল-রেলিংয়ের কাজও কমে যায়, অথচ ঘরভাড়া, বিদ্যুৎ বিল আর কারিগরের মজুরি চলতেই থাকে।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: মাসিক চলতি মূলধন · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
জুতা তৈরির কারখানা
ছোট কারখানায় স্যান্ডেল ও জুতা বানিয়ে পাইকারের কাছে বিক্রি। স্যান্ডেল ৳২৫০–৭০০, চামড়ার জুতা ৳১,২০০। ভৈরবে ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
থাই গ্লাস ও অ্যালুমিনিয়াম
অ্যালুমিনিয়াম ও কাচ মেপে কেটে দরজা-জানালা-পার্টিশন বানিয়ে লাগানো। সাধারণ কাজের দর প্রতি বর্গফুট ৳৪৭০–৭৫০, আর মাপ ভুল হলে কাটা মাল ফেরত যায় না।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ২০ – ৬০ দিন
খাতা তৈরির কারখানা
কাগজ কেটে, ভাঁজ করে, মলাট দিয়ে খাতা বানানো। অনলাইনে ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯ আর ১২০ পৃষ্ঠার ৳৭৫, অথচ এক বছরে কাগজের প্যাকেট ১০০–১৫০ টাকা বেড়েছে।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৭ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
আগর-আতর উৎপাদন
আগরগাছের কাঠ ভিজিয়ে জ্বাল দিয়ে সুগন্ধি আতর নামানো। বড়লেখার সুজানগরে প্রায় ২৫০টি কারখানা, মানভেদে তোলাপ্রতি ৳৬,০০০–১০,০০০, আর প্রায় পুরোটাই রপ্তানি হয়।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ২,৫৫৫ – ১০,৯৫০ দিন
