অ্যাম্বুলেন্স সেবা
রোগী ও মরদেহ পরিবহনের গাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা। জাতীয় ভাড়ার তালিকা নেই; চমেক হাসপাতালের নির্ধারিত ভাড়া ৳১,১৪৪ থেকে ৳৫,৭৮৫।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৭,০০,০০০ – ৳৩০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ৯০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৩২ – ৫৭ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘুরে ঘুরে সেবা · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
রোগী আর মরদেহ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নেওয়ার গাড়ি ভাড়া দেওয়া। চাহিদা কখনো কমে না, কিন্তু এই কাজের কোনো জাতীয় ভাড়ার তালিকা নেই। ভাড়া ঠিক হয় হাসপাতাল ধরে ধরে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের 'রোগী ও লাশ পরিবহন নীতিমালা, ২০২৫' অনুযায়ী হাসপাতাল থেকে ফটিকছড়ির এসি ও ফ্রিজার ভ্যানের ভাড়া ছিল ৳৩,০৭১, গলি বা গ্রামের রাস্তায় ঢুকলে আরও ৳৫০০। ৮ জুন ২০২৬-এ সিটি মেয়রের সভায় ওই ভাড়া এক দফায় ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয় — সর্বনিম্ন ৳১,১৪৪, আর সবচেয়ে দূরের লোহাগাড়ায় নন-এসি বড় অ্যাম্বুলেন্স ৳৫,৪০০ ও এসি ৳৫,৭৮৫। বাস্তবে কী হয়? ২০২৬ সালের মার্চে ফটিকছড়িতে লাশ নেওয়ার একটি রসিদে ভাড়া লেখা ছিল ৳৮,০০০ — তালিকার দ্বিগুণেরও বেশি। গাড়ির কাগজেও গোলমাল। চমেক হাসপাতালের ১২টি অ্যাম্বুলেন্সের নথি দেখে জানা গেছে, ৭টিই বিআরটিএতে মাইক্রোবাস হিসেবে নিবন্ধিত, আর সেগুলোর ফিটনেস সনদ ও হালনাগাদ ট্যাক্স টোকেন নেই। অ্যাম্বুলেন্সের নিবন্ধন নম্বর শুরু হয় ৭১ দিয়ে, মাইক্রোবাসের ১১ বা ৫১ দিয়ে — নম্বর দেখেই ধরা যায়। এই ব্যবসায় সবচেয়ে বড় বাধা কাগজ নয়, হাসপাতালের গেটে বসা সমিতি ও দালাল।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২৫,০০০ – ৳৭০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১,১৪৪ – ৳৫,৭৮৫ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৪০০ – ৳৩,২০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৪৪.৭% – ৬৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩২ – ৫৭ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১ দিন | বাজারদর | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০ – ১ | বাজারদর |
শুরু করতে যা লাগবে
- গাড়ি ও তার ভেতরের ব্যবস্থা: স্ট্রেচার, অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মাস্ক, সাকশন যন্ত্র, স্যালাইন স্ট্যান্ড, সাইরেন ও বাতি। এসি ও ফ্রিজার ভ্যানের ভাড়া চমেকের তালিকায় আলাদা, অর্থাৎ ওই দুটি সরঞ্জাম সরাসরি আয় বাড়ায়। যন্ত্রপাতির দাম এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- মোটরযান নিবন্ধন — বিআরটিএ, অ্যাম্বুলেন্স শ্রেণিতে। অ্যাম্বুলেন্সের নিবন্ধন নম্বর ৭১ দিয়ে শুরু হয়; মাইক্রোবাসের ১১ বা ৫১ দিয়ে। ব্যক্তিগত মাইক্রোবাসের নম্বর প্লেটে 'চ' আর ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাসে 'ছ' বর্ণ ব্যবহৃত হয়। মাইক্রোবাসের নিবন্ধনে অ্যাম্বুলেন্স চালানো বিআরটিএর অভিযানের বিষয়।লাইসেন্স
- ফিটনেস সার্টিফিকেট — বিআরটিএ। ভারী ব্যতীত অন্যান্য মোটরযানের ইস্যু ও নবায়ন ফি ৳৪৫০, পরিদর্শন ফি ৳৪৫০, প্রতিলিপি ৳১৫০। হালনাগাদ ট্যাক্স টোকেনও বাধ্যতামূলক।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
- রুট পারমিট (কন্ট্রাক্ট ক্যারেজ) — বিআরটিএ। বার্ষিক ফি: এক জেলা ৳৩২৫, তিন জেলা পর্যন্ত ৳৪৮৩, ছয় জেলা পর্যন্ত ৳৬৪৫, বারো জেলা পর্যন্ত ৳৯৭০, তার বেশি ৳১,২৯০; আবেদনপত্র ৳১৫০।লাইসেন্স
- ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী চালক, আর সম্ভব হলে অক্সিজেন ও স্ট্রেচার সামলাতে জানা একজন সহকারী। রোগীর স্বজনদের সবচেয়ে বড় অভিযোগই হলো প্রশিক্ষিত জনবলের অভাব।দক্ষতা
- অক্সিজেন সিলিন্ডার রিফিলের নির্ভরযোগ্য উৎস আর একটি গ্যারেজ। রাত-বিরাতে ডাক আসে বলে দুটোই ২৪ ঘণ্টা ধরা যায় এমন হওয়া দরকার।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কোন হাসপাতাল ধরে কাজ করবেন। এই ব্যবসার বাজার একটা হাসপাতালের গেট, আর সেই গেটে কে বসে আছে সেটাই আগে জানতে হবে।
- 2গাড়ি কিনুন ও অ্যাম্বুলেন্স হিসেবেই বিআরটিএতে নিবন্ধন করান। অ্যাম্বুলেন্সের নিবন্ধন নম্বর শুরু হয় ৭১ দিয়ে; মাইক্রোবাস হিসেবে নিবন্ধন করালে সেটি ১১ বা ৫১ হয়, আর সেই ফাঁকি বিআরটিএর অভিযানে ধরা পড়ে।
- 3ফিটনেস সনদ করান ও প্রতি বছর নবায়ন করুন — ভারী নয় এমন মোটরযানের ফি ৳৪৫০, পরিদর্শন ফি ৳৪৫০। ট্যাক্স টোকেনও হালনাগাদ রাখুন।
- 4রুট পারমিট নিন। ভাড়ায় চালিত যাত্রীবাহী গাড়ি হিসেবে কন্ট্রাক্ট ক্যারেজ পারমিট — এক জেলা ৳৩২৫, তিন জেলা পর্যন্ত ৳৪৮৩, ছয় জেলা পর্যন্ত ৳৬৪৫ বার্ষিক। দূরের লাশ টানতে চাইলে বেশি জেলার পারমিট নিন।
- 5সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন।
- 6গাড়ির ভেতরটা সাজান: স্ট্রেচার, অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মাস্ক, সাকশন, স্যালাইন স্ট্যান্ড, আলো ও সাইরেন। মরদেহ টানতে চাইলে ফ্রিজার ভ্যান — চমেকের তালিকায় ফ্রিজার ভ্যানের ভাড়া আলাদা করে লেখা।
- 7চালক ঠিক করুন এবং সম্ভব হলে সঙ্গে একজন প্রশিক্ষিত সহকারী রাখুন। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, বেশির ভাগ অ্যাম্বুলেন্সে জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত জনবল থাকে না।
- 8যে হাসপাতালে কাজ করবেন, সেখানকার নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা সংগ্রহ করুন এবং গাড়িতে রাখুন। চমেকের ক্ষেত্রে মেয়র বলেছেন রেট চার্ট দৃশ্যমান জায়গায় টাঙানো হবে এবং বেশি নিলে মালিক সমিতিকে জরিমানা করা হবে।
- 9প্রতিটি যাত্রার ছাপানো রসিদ দিন ও মুড়ি রেখে দিন। ভাড়া নিয়ে ঝগড়া হলে রসিদই একমাত্র প্রমাণ — চমেকে বাড়তি ভাড়ার প্রমাণ মিলেছে রসিদ থেকেই।
- 10টোল মওকুফের নিয়মটি জেনে নিন। সড়ক ও জনপথের রাস্তা, ফেরি ও সেতুতে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সের টোল লাগে না, তবে শর্ত হলো ওই টাকা ভাড়া থেকে কম রাখতে হবে।
- 11হাসপাতালের বাইরেও খদ্দের বানান — ডায়ালাইসিস ও কেমোথেরাপির নিয়মিত রোগী, বেসরকারি ক্লিনিক, বৃদ্ধনিবাস। গেটের সমিতির উপর নির্ভরতা কমানোর এটাই একমাত্র পথ।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · চমেক হাসপাতালকে ঘিরে বড় বাজার; ২০২৬ সালের জুনে নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা আছে, তবে মালিক সমবায় সমিতির নিয়ন্ত্রণও কড়া।
- খুব উপযোগীঢাকা · ঢাকা মেডিকেল, বিএসএমএমইউ, জাতীয় হৃদরোগ ও ক্যানসার হাসপাতাল ঘিরে সারা দেশ থেকে রেফার হওয়া রোগীর চাপ; ফেরার পথে লাশ টানার কাজও মেলে।
- খুব উপযোগীরাজশাহী · রামেক হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে শৃঙ্খলা ফেরাতে নির্ধারিত ভাড়ায় 'অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার' গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (সেপ্টেম্বর ২০২৬)।
- সম্ভববরিশাল · শেবাচিম হাসপাতাল ঘিরে বিভাগীয় চাহিদা; নদীপথ ও ফেরির কারণে দূরের যাত্রায় সময় বেশি লাগে।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাঝপথ; দুর্ঘটনার রোগী ও দুই দিকের রেফারেল দুটোই মেলে।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় হাসপাতাল ও খুলনা সদর হাসপাতালের রোগীর চাপ; সাতক্ষীরা-বাগেরহাট থেকেও রোগী আসে।
- সম্ভবময়মনসিংহ · মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকায় রেফার হওয়া রোগীর নিয়মিত যাতায়াত; ঢাকার পথ মহাসড়কে সোজা।
- সম্ভবরংপুর · রমেক হাসপাতালে রোগীর অসহায়ত্বের সুযোগে ভাড়া-বাণিজ্যের অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে এসেছে; অর্থাৎ চাহিদা আছে, শৃঙ্খলা নেই।
- সম্ভবশরীয়তপুর · জেলার হাসপাতাল অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট ও দালাল চক্রের নিয়ন্ত্রণে বলে প্রতিবেদন হয়েছে; নতুন মালিকের জন্য কঠিন বাজার।
- সম্ভবসিলেট · ওসমানী মেডিকেল ঘিরে চাহিদা, আর প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি বলে এসি অ্যাম্বুলেন্সের কাজ মেলে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনির্ভরশীলতা: হাসপাতালের গেট নিয়ন্ত্রণ করে মালিক সমিতি ও দালাল। চমেক হাসপাতালে রোগী ও মরদেহ পরিবহনের পুরো নিয়ন্ত্রণ চট্টগ্রাম অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির হাতে। ভুক্তভোগীরা বলেছেন, বাইরের কোনো অ্যাম্বুলেন্স এলে চালককে হুমকি দেওয়া হয়, সিরিয়াল নিতে বলা হয়, আর বাড়তি ভাড়ার ভাগ সমিতিকে দিতে বলা হয়। সমিতির বাইরে থেকে এই বাজারে ঢোকা কার্যত অসম্ভব।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: কাগজের ফাঁকি এখানে নিয়ম হয়ে গেছে, আর সেটাই ঝুঁকি। চমেকের ১২টি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ৭টি মাইক্রোবাস হিসেবে নিবন্ধিত এবং সেগুলোর ফিটনেস সনদ বা হালনাগাদ ট্যাক্স টোকেন নেই। বিআরটিএ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক বলেছেন অভিযান নিয়মিত চলছে। যে নতুন মালিক সব কাগজ ঠিক করে নামবেন, তাঁর খরচ বেশি হবে আর প্রতিযোগীর খরচ কম — শুরুতেই এই অসম প্রতিযোগিতা।
- বেশিচাহিদা: গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে বেশি, চলে কম। চট্টগ্রামে ১৪০টি অ্যাম্বুলেন্স মিলে দিনে গড়ে ৭০-এর বেশি যাত্রা করে — প্রতি গাড়িতে দিনে আধখানার মতো। অথচ চালকের বেতন, কিস্তি, বিমা ও কাগজের খরচ প্রতিদিনই চলে। ডাক না এলে সেই দিন পুরো লোকসান।
- মাঝারিঅন্যান্য: ভাড়া নিয়ে ঝগড়া সহজেই হাতাহাতিতে গড়ায়। ৭ জুন ২০২৬-এ চমেক এলাকায় বাড়তি ভাড়া নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালক-মালিকদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মীদের হাতাহাতি হয়, আর পরদিনই মেয়রের সভায় ভাড়া ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়। মরদেহ বা মুমূর্ষু রোগী নিয়ে দর-কষাকষি করতে হয় বলে এই ব্যবসায় সামাজিক ঝুঁকিও আছে।
- মাঝারিচলতি মূলধন: টাকা আটকে থাকে গাড়িতে, আর আয় আসে যাত্রা ধরে। ভাড়া নগদে মেলে বলে বাকির ঝুঁকি কম, কিন্তু এক মাসে যাত্রা কম হলে জ্বালানি, মেরামত ও চালকের বেতন দেওয়ার টাকা কোথা থেকে আসবে তার কোনো বিকল্প উৎস নেই।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
রিসোর্ট ও কটেজ
পর্যটন এলাকায় ছোট রিসোর্ট বা কটেজ চালানো। ভরা মৌসুমে সাজেকে শতভাগ বুকিং, কিন্তু মৌসুম ছোট আর ২০২৫ সালে এক আগুনেই ৯৪টি রিসোর্ট-কটেজ পুড়ে গেছে।
- পুঁজি
- ৳৮ লাখ – ৳২ কোটি
- জনবল
- ৩ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ১৮০ – ৫৪০ দিন
গাড়ি ভাড়া সেবা
দিনের ট্রিপে বা মাসিক চুক্তিতে গাড়ি ভাড়া দেওয়া। ঢাকায় সেডান দিনে ৳৪,০০০ (১০ ঘণ্টা/১০০ কিমি), হায়েস ৳৫,৫০০ — তবে চালকের বেতন আর গাড়ির ক্ষয় বাদ দিলে ওটা লাভ নয়।
- পুঁজি
- ৳৬ লাখ – ৳৩৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
ডায়াগনস্টিক সেন্টার
রক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রামের কেন্দ্র। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স লাগে, বার্ষিক ফি শ্রেণি ও এলাকাভেদে ৳১৫,০০০–৫০,০০০।
- পুঁজি
- ৳৮ লাখ – ৳১.৫ কোটি
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ৩৬৫ দিন
সিকিউরিটি গার্ড সেবা
চুক্তিতে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহ। একজন গার্ডের সার্ভিস চার্জ ৯–১০ হাজার টাকা আর বেতনই ৮–১৫ হাজার — মাঝের ফাঁকটাই পুরো ব্যবসা।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ১০ – ২০০ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
