সিকিউরিটি গার্ড সেবা
চুক্তিতে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহ। একজন গার্ডের সার্ভিস চার্জ ৯–১০ হাজার টাকা আর বেতনই ৮–১৫ হাজার — মাঝের ফাঁকটাই পুরো ব্যবসা।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫,০০,০০০ – ৳৩০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১০ – ২০০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৬০ – ১৮০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ১৮ – ৩৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘুরে ঘুরে সেবা · কঠিন
ব্যবসাটি কী
নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহের ব্যবসা মানে গার্ড নিয়োগ দেওয়া, পোশাক ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, আর মাসিক চুক্তিতে ভবন, কারখানা, ব্যাংক বা এটিএম বুথে পাঠানো। দেশে এখন এমন কর্মী ১০ থেকে ১২ লাখ, আর খাতটির বছরের বাজার আনুমানিক ১২ হাজার কোটি টাকা। প্রথম কোম্পানি সিকিউরেক্স শুরু করে ১৯৮৮ সালে; এখন সবচেয়ে বড় এলিট ফোর্সে কর্মী ২৩ হাজারের বেশি, জি৪এসে ১৩ হাজারের বেশি আর এজিসে সাড়ে আট হাজার। হিসাবটা সহজ কিন্তু কঠিন। এলিট ফোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রথম আলোকে বলেছেন, একজন গার্ডের জন্য সার্ভিস চার্জ পাওয়া যায় মাত্র ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা — এর ভেতর থেকেই বেতন, প্রশিক্ষণ আর ইউনিফর্ম দিতে হয়। গার্ডের বেতন ৮ থেকে ১৫ হাজার টাকা। সরকার এই খাতে সর্বনিম্ন মজুরি ঠিক করেছে শহরে ৯ হাজার ৮০০ আর মফস্সলে ৯ হাজার ১০০ টাকা, কিন্তু সংগঠনের সভাপতির ভাষায় ৭০ শতাংশ ক্লায়েন্ট সেই ন্যূনতম টাকাও দেয় না। অর্থাৎ যে ফাঁকটুকু কোম্পানির লাভ, সেটি প্রায় নেই। নিয়মও কড়া হচ্ছে — বেসরকারি নিরাপত্তা সেবা আইন ২০০৬ অনুযায়ী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হয়, আর ১৯ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে দুই মাসের মধ্যে নিবন্ধন নিতে বলেছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,৬০,০০০ – ৳৩০,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৯,০০০ – ৳১০,০০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৮,০০০ – ৳১৫,০০০ / একক | বাজারদর | |
| মোট লাভের হার | -৯% – ২০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৬০ – ১৮০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১৮ – ৩৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৩০ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০.৩ – ৬.৫ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ইউনিফর্ম, টর্চ, লাঠি, বাঁশি, রেজিস্টার ও যোগাযোগের ব্যবস্থা। বড় প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হয়েছে আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর, স্ক্যানার, সিসিটিভি মনিটরিং ও স্কট; সিকিউরেক্স সেন্ট্রাল মনিটরিং সিস্টেম গড়ে তুলেছে।যন্ত্রপাতি
- ডিআইএফই নিবন্ধন — শ্রম বিধিমালা অনুযায়ী অন্য প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মী সরবরাহ করতে হলে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন নিতে হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সারা দেশে ১,৫৬০টি আউটসোর্সিং কোম্পানি নিবন্ধিত ছিল।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। বিপিএসএসপিএর ২০২০ সালের জরিপে বৈধ ট্রেড লাইসেন্সধারী প্রায় ৩৬৯টি কোম্পানির তথ্য মিলেছিল।লাইসেন্স
- বেসরকারি নিরাপত্তা সেবা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন — বেসরকারি নিরাপত্তা সেবা আইন ২০০৬ অনুযায়ী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় থেকে নিতে হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১৯ আগস্ট গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে দুই মাসের মধ্যে নিবন্ধন নিতে নির্দেশ দিয়েছে। ফি ও মেয়াদ প্রকাশিত সূত্রে পাওয়া যায়নি।লাইসেন্স
- কর্মী যাচাই ও তদারকির ব্যবস্থা — জাতীয় পরিচয়পত্র, স্থায়ী ঠিকানা ও পুলিশ যাচাই, আর রাতে ঘুরে দেখার সুপারভাইজার। যাচাই ছাড়া নিয়োগ দিলে একজনের অপরাধে পুরো প্রতিষ্ঠান ডোবে।দক্ষতা
- কর্মীর উৎস — গ্রামাঞ্চল থেকে আসা কাজপ্রার্থী, আর অবসরপ্রাপ্ত সেনা ও পুলিশ সদস্য। অষ্টম শ্রেণি থেকে স্নাতক-মাস্টার্স পাস পর্যন্ত লোক এই কাজে আসেন।সরবরাহকারী
- একটি অফিস যেখান থেকে নিয়োগ, বেতন ও ডিউটি রোস্টার সামলানো যায়, আর প্রশিক্ষণের জায়গা। এলিট ফোর্সের নিজস্ব চারটি ট্রেনিং একাডেমি আছে।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ঠিক করুন কাদের গার্ড দেবেন — ভবন ও ফ্ল্যাট, নাকি ব্যাংক-এটিএম, নাকি কারখানা। ব্যাংক ও দূতাবাসের কাজে চার্জ বেশি, কিন্তু সেখানে প্রশিক্ষণ ও যাচাইয়ের শর্তও কড়া।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০ আর ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ফি।
- 3বেসরকারি নিরাপত্তা সেবা আইন ২০০৬ অনুযায়ী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় থেকে নিবন্ধন নিন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১৯ আগস্ট গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে দুই মাসের মধ্যে নিবন্ধন নিতে নির্দেশ দিয়েছে — নিবন্ধন ছাড়া চালানোর দিন শেষ।
- 4কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে (ডিআইএফই) আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিবন্ধন নিন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সারা দেশে ১,৫৬০টি আউটসোর্সিং কোম্পানি সেখানে নিবন্ধিত ছিল।
- 5কর্মী নিয়োগের আগে যাচাই করুন — জাতীয় পরিচয়পত্র, স্থায়ী ঠিকানা আর পুলিশ যাচাই। একজন গার্ডের অপরাধে পুরো প্রতিষ্ঠানের চুক্তি চলে যায়।
- 6প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুন। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব একাডেমি চালায় — এলিট ফোর্সের চারটি ট্রেনিং একাডেমি আছে। প্রশিক্ষিত গার্ডের জন্যই বেশি চার্জ চাওয়া যায়।
- 7চুক্তিপত্রে সব লিখুন: কত জন, কত ঘণ্টা, ওভারটাইমের হার, বিল কবে যাবে আর কবের মধ্যে টাকা দিতে হবে। সর্বনিম্ন মজুরির নিচে দর দেবেন না — ৭০ শতাংশ ক্লায়েন্ট সেটাই চাইবে।
- 8গার্ডের বেতন যথাসম্ভব সরাসরি তাঁর ব্যাংক বা মোবাইল হিসাবে দিন। বাংলাদেশ ব্যাংক এই পদ্ধতিতেই ১৮ হাজার টাকা দেয় আর সার্ভিস চার্জ আলাদা দেয় — অভিযোগ কমে এবং বিশ্বাসও তৈরি হয়।
- 9লোক ছেড়ে যাওয়ার হিসাব রাখুন। সিকিউরেক্স বছরে তিন হাজার লোক নেয় আর আড়াই হাজার চলে যায়। রিকশা চালিয়ে এখন ২০ হাজারের বেশি আয় হয়, তাই ১০ হাজারের কম বেতনে লোক ধরে রাখা যায় না।
- 10রাতের তদারকি রাখুন — সুপারভাইজার যেন ঘুরে দেখেন। গার্ড ঘুমিয়ে পড়লে বা চুরি হলে ক্ষতিপূরণ ও চুক্তি দুটোই যায়।
- 11একজন কর্মীকে একই দিনে দুই প্রতিষ্ঠানে পাঠাবেন না। শ্রম বিধিমালা এটি নিষেধ করে, অথচ বাস্তবে এটি হয় — আর ধরা পড়লে দায় আপনার।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর, ব্যাংক ও শিল্পকারখানা — তিনটিই একসঙ্গে; নিরাপত্তাকর্মীর চাহিদা বছরজুড়ে স্থিতিশীল।
- খুব উপযোগীঢাকা · স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তালিকায় দেশের ৩২৩টি নিরাপত্তা কোম্পানির ২২৬টিই ঢাকায়; ব্যাংক, দূতাবাস, করপোরেট ভবন ও এটিএম বুথের ঘনত্বও এখানেই সবচেয়ে বেশি।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার ঘন বলয়; প্রতিটি কারখানায় শিফট ধরে গার্ড লাগে আর নারী গার্ডের চাহিদাও বাড়ছে।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · শিল্প ও গুদাম এলাকা; রাতের নিরাপত্তার চাহিদা বেশি।
- সম্ভবকুমিল্লা · ইপিজেড ও মহাসড়কের গুদাম-কারখানায় চুক্তির সুযোগ আছে।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর ও বন্দর; সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চুক্তি পাওয়া যায়।
- সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহর; ব্যাংকের শাখা, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চুক্তির সুযোগ আছে।
- সম্ভবসিলেট · ব্যাংকের শাখা ও প্রবাসীদের ফাঁকা বাড়ি-ফ্ল্যাটে পাহারার চাহিদা আছে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: বেতন আগে, বিল পরে। ২০ জন গার্ড রাখলেই প্রতি মাসে ১ লাখ ৬০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা বেতন গুনতে হয়, অথচ ক্লায়েন্টের টাকা আসে মাস শেষ হওয়ার পর। দুটি বড় ক্লায়েন্ট একসঙ্গে দেরি করলে বেতন আটকে যায়, আর বেতন আটকালে গার্ড পরদিন ডিউটিতে আসেন না — তখন চুক্তিটাও চলে যায়। এই একটি কারণেই ছোট কোম্পানি সবচেয়ে বেশি বন্ধ হয়।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: নিবন্ধন। বেসরকারি নিরাপত্তা সেবা আইন ২০০৬ অনুযায়ী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের নিবন্ধন লাগে, কিন্তু ডিএমপির কাছে নিবন্ধনের কোনো তথ্যই ছিল না — অর্থাৎ প্রায় সবাই নিবন্ধন ছাড়াই চলছিল। ১৯ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুই মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তালিকায় সারা দেশে ৩২৩টি কোম্পানি, ঢাকাতেই ২২৬টি — অথচ খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন প্রতিষ্ঠান আট শতাধিক। বাকিগুলোর অবস্থা কী হবে তা অনিশ্চিত।
- বেশিবাকিতে বিক্রি: ক্লায়েন্টের দরকষাকষি সরাসরি লাভ খেয়ে ফেলে। সংগঠনের সভাপতি লে. কর্নেল (অব.) খালিদ আজম বলেছেন, সরকার সর্বনিম্ন মজুরি শহরে ৯,৮০০ ও মফস্সলে ৯,১০০ টাকা ঠিক করলেও ৭০ শতাংশ ক্লায়েন্ট ন্যূনতম টাকাও দেয় না। ফলে কোম্পানিকে হয় কম বেতন দিতে হয়, নয়তো একজন গার্ডকে ১৬ ঘণ্টা খাটাতে হয় — দুটোই শ্রম আইনের বিরুদ্ধে এবং দুটোতেই পরে ঝামেলা হয়।
- বেশিনির্ভরশীলতা: কর্মী ধরে রাখা যায় না। সিকিউরেক্স বছরে তিন হাজার লোক নেয় আর প্রায় আড়াই হাজার চলে যায়; কারণ, তাদের এমডির ভাষায়, রিকশা চালিয়ে এখন ২০ হাজারের বেশি আয় করা যায়। ঢাকায় ৩৮ জন গার্ড প্রথম আলোকে বলেছেন অন্য কাজ পেলেই তাঁরা এ পেশা ছাড়বেন — কম বেতন, বেশি কর্মঘণ্টা আর রাতে ঘুমের ব্যাঘাতের কারণে। নতুন লোক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের খরচ তাই প্রতি মাসেই ফিরে আসে।
- মাঝারিঅন্যান্য: একজন গার্ডের কাজেই প্রতিষ্ঠানের নাম যায়। চুরি, অবহেলা বা অপরাধের ঘটনা ঘটলে ক্ষতিপূরণ ও চুক্তি বাতিল — দুটোই আসে। যাচাই ছাড়া নিয়োগ দিলে এই ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়, আর ছোট প্রতিষ্ঠানে একটি চুক্তি হারানোই যথেষ্ট।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
ড্রাইভিং স্কুল
মোটরযান চালনা শেখানোর প্রতিষ্ঠান। বিআরটিএ-র লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, রেজিস্ট্রেশন ফি ৳১৫,০০০, আর সারা দেশে নিবন্ধিত স্কুল মাত্র ১৫২টি।
- পুঁজি
- ৳৪ লাখ – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১২০ দিন
গাড়ি ভাড়া সেবা
দিনের ট্রিপে বা মাসিক চুক্তিতে গাড়ি ভাড়া দেওয়া। ঢাকায় সেডান দিনে ৳৪,০০০ (১০ ঘণ্টা/১০০ কিমি), হায়েস ৳৫,৫০০ — তবে চালকের বেতন আর গাড়ির ক্ষয় বাদ দিলে ওটা লাভ নয়।
- পুঁজি
- ৳৬ লাখ – ৳৩৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
সিএনজি ও অটোরিকশা ভাড়া
অটোরিকশা কিনে চালকের কাছে দিয়ে দৈনিক জমা নেওয়ার ব্যবসা। বিআরটিএর বাঁধা জমা ৳৯০০, বাস্তবে নেওয়া হয় ৳১,০০০–১,২০০, দুই বেলায় দিলে ৳১,৮০০ পর্যন্ত।
- পুঁজি
- ৳৩.৮ লাখ – ৳১৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
ডে-কেয়ার সেন্টার
কর্মজীবী বাবা-মায়ের শিশুকে দিনভর দেখে রাখার কেন্দ্র। ২০২১ সালের আইনে নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক — সনদ ছাড়া চালালে ২ বছর কারাদণ্ড বা ৳৫–১০ লাখ জরিমানা।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১৮০ দিন
