ডায়াগনস্টিক সেন্টার
রক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রামের কেন্দ্র। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স লাগে, বার্ষিক ফি শ্রেণি ও এলাকাভেদে ৳১৫,০০০–৫০,০০০।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৮,০০,০০০ – ৳১,৫০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৯০ – ৩৬৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ২০ – ৩৫ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · কঠিন
ব্যবসাটি কী
রক্ত-প্রস্রাব পরীক্ষা, এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম আর তার উপরের স্তরে সিটি স্ক্যান বা এমআরআই — এসব করে রিপোর্ট দেওয়ার প্রতিষ্ঠান। আইনে একে বলা হয় বেসরকারি ল্যাবরেটরি, আর ১৯৮২ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী এর নিয়ন্ত্রক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। লাইসেন্স ফি বছরে বছরে দিতে হয় এবং তা নির্ভর করে কী কী পরীক্ষা করবেন আর কোথায় বসছেন তার উপর। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ০৪-০৯-২০১৮ তারিখের পরিপত্র অনুযায়ী সিটি স্ক্যান ও এমআরআইসহ 'এ' শ্রেণির ল্যাবের বার্ষিক ফি সিটি কর্পোরেশন বা বিভাগীয় এলাকায় ৳৫০,০০০, জেলায় ৳৪০,০০০ আর উপজেলায় ৳২৫,০০০। সিটি-এমআরআই ছাড়া 'বি' শ্রেণিতে তা ৳৩৫,০০০ / ৳২৫,০০০ / ৳২০,০০০, আর কেবল রুটিন প্যাথলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, হেমাটোলজি, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম করলে 'সি' শ্রেণিতে ৳২৫,০০০ / ৳২০,০০০ / ৳১৫,০০০। এই ফি আগে ছিল মাত্র ৳১,০০০ — এক লাফে যা বেড়েছে তা ছোট কেন্দ্রের জন্য বড় ধাক্কা। কিন্তু আসল টাকা যায় যন্ত্রে। যন্ত্র একবার কিনলে সেটা বসে থাকলেও দাম হারায়, তাই দিনে কত রোগী আসছে তার উপরেই সব নির্ভর করে। নিয়মও কড়া: রোগীর নাম-ঠিকানার রেজিস্টার রাখতে হবে, ছাপানো রসিদ দিতে হবে আর তার মুড়ি জমা রাখতে হবে, আর কোন পরীক্ষার কত দাম তা দেয়ালে টাঙিয়ে রাখতে হবে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,৫০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩০০ – ৳২,০০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৯০ – ৳৮০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৬০% – ৭০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৯০ – ৩৬৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ২০ – ৩৫ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৩০ – ২৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- শ্রেণি অনুযায়ী যন্ত্রপাতি: 'সি' শ্রেণিতে রুটিন প্যাথলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও হেমাটোলজির বিশ্লেষক, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন; 'বি'-তে অতিরিক্ত হিস্টোপ্যাথলজি, মাইক্রোবায়োলজি, ইমিউনোলজি ও হরমোন পরীক্ষার ব্যবস্থা; 'এ'-তে সিটি স্ক্যান ও এমআরআই। যন্ত্রের দাম এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
- রোগীর রেজিস্টার ও ছাপানো রসিদ — প্রতিটি বেসরকারি ল্যাবরেটরিকে রোগীদের নাম ও ঠিকানার রেজিস্টার রাখতে হবে, আদায়কৃত প্রতিটি টাকার বিপরীতে ছাপানো রসিদ দিতে হবে এবং রসিদের মুড়ি পরিদর্শনের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। পরীক্ষার দামের তালিকা প্রতিষ্ঠানে স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে। (১৯৮২ সালের অধ্যাদেশ, ধারা ৬ ও ৭)লাইসেন্স
- বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স — স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (মহাপরিচালক), হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা। বার্ষিক লাইসেন্স ও নবায়ন ফি: ডায়াগনস্টিক ল্যাব ক্যাটাগরি-এ (সিটি স্ক্যান ও এমআরআইসহ) বিভাগীয়/সিটি কর্পোরেশন ৳৫০,০০০, জেলা ৳৪০,০০০, উপজেলা ৳২৫,০০০; ক্যাটাগরি-বি ৳৩৫,০০০ / ৳২৫,০০০ / ৳২০,০০০; ক্যাটাগরি-সি ৳২৫,০০০ / ৳২০,০০০ / ৳১৫,০০০। (স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পরিপত্র, ০৪-০৯-২০১৮; এর আগের ফি ছিল ৳১,০০০।)লাইসেন্স
- রিপোর্টে স্বাক্ষরের জন্য নিবন্ধিত চিকিৎসক বা প্যাথলজিস্ট, আর প্রতিটি বিভাগের জন্য প্রশিক্ষিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। ভুল রিপোর্টে রোগীর ক্ষতি হয় এবং তা মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ হিসেবে যায়।দক্ষতা
- রিএজেন্ট ও কিটের নিয়মিত সরবরাহকারী, এক্স-রে ফিল্ম বা ডিজিটাল প্রিন্টের সরবরাহ, আর যন্ত্রের সার্ভিসিং চুক্তি। যন্ত্র নষ্ট হয়ে এক সপ্তাহ বসে থাকলে সেই সপ্তাহের আয় ফিরে আসে না।সরবরাহকারী
- আলাদা নমুনা সংগ্রহের ঘর, বিশ্লেষণের ঘর, এক্স-রের জন্য সুরক্ষিত কক্ষ, আর রোগী ও তাঁদের সঙ্গীদের বসার জায়গা। যদি একই প্রতিষ্ঠানে রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসাও হয়, তবে সেটি আর ল্যাবরেটরি নয় — তখন আলাদা ক্লিনিকের লাইসেন্স লাগবে, যেখানে প্রতি রোগীর জন্য অন্তত ৮০ বর্গফুট জায়গা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অপারেশন থিয়েটার বাধ্যতামূলক।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ঠিক করুন কোন শ্রেণিতে যাবেন। সিটি স্ক্যান ও এমআরআই রাখলে 'এ', সেগুলো ছাড়া কিন্তু হিস্টোপ্যাথলজি-মাইক্রোবায়োলজি-হরমোন রাখলে 'বি', আর কেবল রুটিন প্যাথলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, হেমাটোলজি, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম হলে 'সি'। শ্রেণি বদলালে বার্ষিক ফি বদলায়।
- 2জায়গা দেখুন — ডাক্তারের চেম্বার, হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজের কাছাকাছি। ব্যবস্থাপত্র যেখানে লেখা হয়, রোগী সেখান থেকে হেঁটে যেতে পারে এমন দূরত্বেই পরীক্ষা করায়।
- 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী; ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু হয়।
- 4স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার অনলাইন ব্যবস্থায় 'প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার' হিসেবে নতুন নিবন্ধনের আবেদন করুন। একই ব্যবস্থায় পরে অনলাইনে নবায়নও হয়।
- 5শ্রেণি ও এলাকা অনুযায়ী বার্ষিক লাইসেন্স ফি চালানের মাধ্যমে জমা দিন — 'এ' শ্রেণিতে সিটি কর্পোরেশনে ৳৫০,০০০, জেলায় ৳৪০,০০০, উপজেলায় ৳২৫,০০০; 'সি' শ্রেণিতে যথাক্রমে ৳২৫,০০০, ৳২০,০০০ ও ৳১৫,০০০।
- 6যন্ত্র কিনুন ও বসান। এটাই পুঁজির সবচেয়ে বড় অংশ, আর এখানেই সবচেয়ে বেশি ভুল হয় — যে যন্ত্রের রোগী নেই, সেটা কিনে ফেলা।
- 7লোক নিন: মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রামের জন্য দক্ষ কর্মী, আর রিপোর্টে স্বাক্ষর করার জন্য নিবন্ধিত চিকিৎসক বা প্যাথলজিস্ট।
- 8রোগীর নাম ও ঠিকানার রেজিস্টার চালু করুন, প্রতিটি আদায়ের বিপরীতে ছাপানো রসিদ দিন আর রসিদের মুড়ি পরিদর্শনের জন্য জমা রাখুন — এগুলো আইনি বাধ্যবাধকতা।
- 9কোন পরীক্ষার কত দাম, তার তালিকা কেন্দ্রের ভেতর স্পষ্টভাবে টাঙিয়ে রাখুন। এটিও আইনে বলা আছে।
- 10ডাক্তার ও হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন — রোগী আসে ব্যবস্থাপত্রের পথ ধরে, বিজ্ঞাপনের পথে নয়।
- 11প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়ন করুন। নবায়ন ফি নতুন লাইসেন্স ফি-র সমান, আর এটি প্রতি বছরের খরচ হিসেবে ধরে রাখতে হবে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাবেশি
- আগবেশি
- সেপ্টেবেশি
- অক্টোবেশি
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের চিকিৎসাকেন্দ্র; আশপাশের কয়েক জেলার রোগী এখানে পরীক্ষা করাতে আসে, আর জেলা পর্যায়ে লাইসেন্স ফি ঢাকার চেয়ে কম।
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বন্দরকেন্দ্রিক জনসংখ্যা; বিদেশগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার চাহিদাও আছে।
- খুব উপযোগীঢাকা · মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ডাক্তারের চেম্বারের সবচেয়ে ঘন এলাকা; তবে লাইসেন্স ফিও এখানে সর্বোচ্চ ধাপে এবং প্রতিযোগিতা সবচেয়ে বেশি।
- খুব উপযোগীময়মনসিংহ · মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘিরে বড় রোগী প্রবাহ, আর আশপাশের জেলা থেকেও মানুষ আসে।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়ক ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘিরে রোগী; জেলা পর্যায়ের ফি হওয়ায় নিয়মিত খরচ কম।
- সম্ভবগাজীপুর · কারখানার শ্রমিকদের ঘন বসতি; নিয়োগের আগে ও বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক কাজ পাওয়া যায়, তবে সেই বিল দেরিতে আসে।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও দক্ষিণাঞ্চলের রোগী।
- সম্ভবরংপুর · বিভাগীয় শহর ও মেডিকেল কলেজ আছে, কিন্তু ক্রয়ক্ষমতা কম — তাই সিটি স্ক্যান বা এমআরআইয়ের মতো দামি যন্ত্রের রোগী কম পাওয়া যায়।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি হওয়ায় দামি পরীক্ষার চাহিদা তুলনামূলক ভালো।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্স বার্ষিক, আর ফি ২০১৮ সালে ৳১,০০০ থেকে এক লাফে শ্রেণিভেদে ৳১৫,০০০–৫০,০০০ করা হয়েছে। প্রতি বছর এই টাকা তুলে রাখতে না পারলে নবায়ন আটকে যায়, আর নবায়ন ছাড়া চলা কেন্দ্র যেকোনো দিন বন্ধ হতে পারে। ১৯৮২ সালের অধ্যাদেশে মহাপরিচালক বা তাঁর মনোনীত কর্মকর্তা যেকোনো ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করতে পারেন এবং অনিয়ম পেলে সরকারের কাছে ল্যাব বন্ধের সুপারিশ করতে পারেন।
- বেশিচলতি মূলধন: টাকাটা যন্ত্রে ঢালা হয়, আর যন্ত্র বসে থাকলেও দাম হারায়। এক্স-রে বা আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন দিনে পাঁচজন রোগী দেখলেও যা খরচ, পঞ্চাশজন দেখলেও প্রায় তাই। ফলে এই ব্যবসায় হার-জিত ঠিক হয় রোগীর সংখ্যায়, দামে নয়। যন্ত্র কিনে ফেলার পর রোগী না এলে টাকা ফেরানোর কোনো পথ থাকে না — যন্ত্র পুরোনো হয়ে যায়, আর বিক্রি করলেও অর্ধেক দামও ওঠে না।
- বেশিনির্ভরশীলতা: রোগী নিজে এসে পরীক্ষা করায় না — ডাক্তার লিখে দিলে তবেই আসে। তাই আয়ের উৎস আসলে আশপাশের চেম্বার ও হাসপাতাল। কাছের একজন বড় ডাক্তার চেম্বার সরিয়ে নিলে বা হাসপাতাল নিজেই ল্যাব খুললে বিক্রি রাতারাতি পড়ে যায়, অথচ যন্ত্রের কিস্তি একই থাকে।
- মাঝারিঅন্যান্য: ভুল রিপোর্ট এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় বিপদ, আর ১৯৮২ সালের অধ্যাদেশের জরিমানা সেই বিপদের মাপ ধরতে পারে না — বেসরকারি ল্যাবরেটরির মালিকের জন্য সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড মাত্র ৳৫,০০০, তার সঙ্গে ল্যাবের অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে। ফলে আসল শাস্তি আইনের নয়, এলাকার — একবার নাম খারাপ হলে ডাক্তাররা আর রোগী পাঠান না।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, নগদ চক্র · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ৪ সেপ, ২০১৮
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
রিসোর্ট ও কটেজ
পর্যটন এলাকায় ছোট রিসোর্ট বা কটেজ চালানো। ভরা মৌসুমে সাজেকে শতভাগ বুকিং, কিন্তু মৌসুম ছোট আর ২০২৫ সালে এক আগুনেই ৯৪টি রিসোর্ট-কটেজ পুড়ে গেছে।
- পুঁজি
- ৳৮ লাখ – ৳২ কোটি
- জনবল
- ৩ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ১৮০ – ৫৪০ দিন
অ্যাম্বুলেন্স সেবা
রোগী ও মরদেহ পরিবহনের গাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা। জাতীয় ভাড়ার তালিকা নেই; চমেক হাসপাতালের নির্ধারিত ভাড়া ৳১,১৪৪ থেকে ৳৫,৭৮৫।
- পুঁজি
- ৳৭ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
গাড়ি ভাড়া সেবা
দিনের ট্রিপে বা মাসিক চুক্তিতে গাড়ি ভাড়া দেওয়া। ঢাকায় সেডান দিনে ৳৪,০০০ (১০ ঘণ্টা/১০০ কিমি), হায়েস ৳৫,৫০০ — তবে চালকের বেতন আর গাড়ির ক্ষয় বাদ দিলে ওটা লাভ নয়।
- পুঁজি
- ৳৬ লাখ – ৳৩৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
সিকিউরিটি গার্ড সেবা
চুক্তিতে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহ। একজন গার্ডের সার্ভিস চার্জ ৯–১০ হাজার টাকা আর বেতনই ৮–১৫ হাজার — মাঝের ফাঁকটাই পুরো ব্যবসা।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ১০ – ২০০ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
