ড্রাইভিং স্কুল
মোটরযান চালনা শেখানোর প্রতিষ্ঠান। বিআরটিএ-র লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, রেজিস্ট্রেশন ফি ৳১৫,০০০, আর সারা দেশে নিবন্ধিত স্কুল মাত্র ১৫২টি।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৪,০০,০০০ – ৳২০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৪৫ – ১২০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ১০ – ২৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
ড্রাইভিং স্কুলের আসল বাধা লাইসেন্স। সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ৬৩(১) ধারায় পরিষ্কার লেখা আছে — কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মোটরযান ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ স্কুল প্রতিষ্ঠা বা পরিচালনা করতে পারবে না। ভাঙলে ৯৬ ধারায় অনধিক ১ লাখ টাকা জরিমানা, আর কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে স্কুল বন্ধ করে দিতে পারে। বিআরটিএ-র ফি তালিকা অনুযায়ী ড্রাইভিং স্কুল রেজিস্ট্রেশন ফি ৳১৫,০০০ আর পরিদর্শন ফি ৳৭৫০। ইনস্ট্রাক্টর লাইসেন্স আলাদা — বিআরটিএ-র সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতিতে ফি ৳২,৩০০ (ভ্যাটসহ), সময় ৩০ কার্যদিবস, আর শর্ত হলো পেশাদার লাইসেন্স, ভারী যানের তিন বছরের অভিজ্ঞতা এবং এসএসসি বা সমমান। বাজারটা ছোট নয় কিন্তু সরবরাহ অবিশ্বাস্য রকম কম। বিআরটিএ-র নিজের তালিকায় সারা দেশে নিবন্ধিত ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুল মাত্র ১৫২টি, অথচ মে ২০২৬ পর্যন্ত নিবন্ধিত মোটরযান ৬৭ লাখ ২৪ হাজার ৬৪৭টি। সবচেয়ে বড় খবর ২২ অক্টোবর ২০২৫-এর। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বলেছেন, ভবিষ্যতে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে স্বীকৃত প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে হবে, লাইসেন্স দেওয়ার কমিটি বাদ যাচ্ছে আর বিআরটিএ-র বেশির ভাগ কাজ ড্রাইভিং ইনস্টিটিউটে হস্তান্তর করা হবে। এটা কার্যকর হলে প্রতিটি নতুন চালককে একটা স্কুলের ভেতর দিয়ে যেতে হবে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৬০,০০০ – ৳৩,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৯,০০০ – ৳১৫,০০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩,৩৫০ – ৳৫,০৭৫ / একক | সরকারি সূত্র | |
| মোট লাভের হার | ৬৩% – ৬৬% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৪৫ – ১২০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১০ – ২৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০.৪ – ২ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- প্রশিক্ষণের গাড়ি, ডুয়াল কন্ট্রোল ব্রেক, আর হালনাগাদ ফিটনেস সনদ। ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন ভারী যানে ৳৯০০, অন্যান্যে ৳৪৫০, পরিদর্শন ফি ৳৪৫০।যন্ত্রপাতি
- মোটরযান ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ স্কুলের লাইসেন্স — বিআরটিএ। আবেদন ফরম-৩৬, লাইসেন্স ফরম-৩৭। রেজিস্ট্রেশন ফি ৳১৫,০০০ (০১-০১-২০১৪ থেকে কার্যকর) এবং পরিদর্শন ফি ৳৭৫০। আইনি ভিত্তি সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৬৩(১); লাইসেন্স ছাড়া চালালে ধারা ৯৬-এ অনধিক ১ লাখ টাকা জরিমানা ও তাৎক্ষণিক বন্ধ।লাইসেন্স
- ড্রাইভিং ইনস্ট্রাক্টর লাইসেন্স — বিআরটিএ। সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতিতে ফি ৳২,৩০০ (ভ্যাটসহ), সময় ৩০ কার্যদিবস; শর্ত: পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভারী মোটরযানে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা, কারিগরি জ্ঞানসহ এসএসসি বা সমমান। আবেদন আইএলএ ফরমে, মোটরযান বিধিমালা ১৯৮৪-এর বিধি ২৫(৩) অনুযায়ী; মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা হয় বিধি ২৫(৫) অনুযায়ী।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
- সড়কের চিহ্ন ও ট্রাফিক আইন শেখানো এবং গাড়ি চালানো শেখানো — এই দুই ভাগেই পাঠ্যক্রম। আইনের ৬৩(৪) ধারা অনুযায়ী ইনস্ট্রাক্টরের লাইসেন্স, পাঠ্যক্রম ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।দক্ষতা
- শ্রেণিকক্ষ ও প্রশিক্ষণের মাঠ বা খোলা জায়গা। বিআরটিএ লাইসেন্স দেওয়ার আগে প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করে, তাই জায়গা আগেই তৈরি রাখতে হয়।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1লাইসেন্স ছাড়া শুরু করবেন না। সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ৬৩(১) ধারায় কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স ছাড়া ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ স্কুল প্রতিষ্ঠা বা পরিচালনা নিষিদ্ধ, আর ৯৬ ধারায় অনধিক ১ লাখ টাকা জরিমানা ও তাৎক্ষণিক বন্ধ।
- 2বিআরটিএ-র বিভাগীয় কার্যালয়ে ফরম-৩৬-এ আবেদন করুন — 'মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ স্কুল স্থাপন ও পরিচালনার লাইসেন্সের জন্য আবেদন'। লাইসেন্স দেওয়া হয় ফরম-৩৭-এ, আর ইস্যু করেন বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং)।
- 3রেজিস্ট্রেশন ফি ৳১৫,০০০ ও পরিদর্শন ফি ৳৭৫০ জমা দিন। বিআরটিএ পরিদর্শনে আসবে, তাই আবেদনের আগেই প্রশিক্ষণের জায়গা, গাড়ি ও শ্রেণিকক্ষ তৈরি রাখুন।
- 4ইনস্ট্রাক্টর ঠিক করুন এবং তাঁর লাইসেন্স করান। বিআরটিএ-র সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইনস্ট্রাক্টর লাইসেন্স ফি ৳২,৩০০ (ভ্যাটসহ), সময় ৩০ কার্যদিবস, আর শর্ত পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভারী মোটরযানে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা এবং কারিগরি জ্ঞানসহ এসএসসি বা সমমান।
- 5প্রশিক্ষণের গাড়ি ঠিক করুন এবং তার ফিটনেস হালনাগাদ রাখুন। ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন ভারী যানে ৳৯০০, অন্যান্যে ৳৪৫০, সঙ্গে পরিদর্শন ফি ৳৪৫০।
- 6শিক্ষার্থীর শিক্ষানবিশ লাইসেন্স করিয়ে দিন। এক শ্রেণিতে ৳৫১৮, দুই শ্রেণিতে ৳৭৪৮, মেয়াদ ৬ মাস। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নবায়নে ৳২৮৮।
- 7পাঠ্যক্রম দুই ভাগে সাজান — সড়কের চিহ্ন বোঝা, আর গাড়ি সঠিকভাবে চালানো। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ২২ অক্টোবর ২০২৫-এ এই দুই ভাগের কথাই বলেছেন এবং ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিয়েছেন।
- 8শিক্ষার্থীর যোগ্যতা আগে যাচাই করুন। অপেশাদার লাইসেন্সে ন্যূনতম বয়স ১৮, পেশাদারে ২১; অষ্টম শ্রেণি বা সমমান পাস; শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ। যোগ্যতা না থাকলে প্রশিক্ষণের টাকা নষ্ট।
- 9দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করুন এবং ফেল করলে কী হবে তা আগেই বলে দিন — পুনঃপরীক্ষা প্রতি শ্রেণিতে ৳২৩০। পাসের হার ভালো থাকলে মুখে মুখেই খদ্দের আসে।
- 10লাইসেন্স হাতে পেতে দেরি হতে পারে — সেটা শিক্ষার্থীকে আগে বলুন। ২৭ অক্টোবর ২০২৪-এ প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সোয়া ছয় লাখের বেশি আবেদনকারী স্মার্ট কার্ড লাইসেন্সের অপেক্ষায় ছিলেন, কারও কারও তিন বছর।
- 11প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসী কর্মীর দিকে আলাদা করে নজর দিন। ১৩(১) ধারায় বৈধ লাইসেন্স ছাড়া কাউকে চালক হিসেবে নিয়োগ বা গাড়ি চালাতে দেওয়া নিষিদ্ধ, আর ১৩(২) ধারায় গণপরিবহনের চালকের সঙ্গে শ্রম আইনের অধীনে লিখিত চুক্তি ও নিয়োগপত্র বাধ্যতামূলক — তাই কোম্পানির নিজের চালক প্রশিক্ষণের চাহিদা আছে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর ও ভারী যানবাহনের কেন্দ্র, তাই পেশাদার লাইসেন্সের চাহিদা বেশি — আর পেশাদার প্রশিক্ষণেই ইনস্ট্রাক্টরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগে।
- খুব উপযোগীঢাকা · দেশের সবচেয়ে বড় গাড়ির বাজার ও বিআরটিএ-র সদর দপ্তর; নতুন চালকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি, আর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রশিক্ষণের কাজও এখানেই।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানা ও পরিবহন প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব বেশি; ১৩(১) ধারার কারণে প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্সধারী চালক নিয়োগ করতেই হয়।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · শিল্প ও পণ্য পরিবহনের কেন্দ্র, ভারী যানের চালকের চাহিদা স্থিতিশীল।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের পরিবহন ও বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলা থেকেও শিক্ষার্থী আসে।
- সম্ভবকুমিল্লা · প্রবাসে যাওয়ার জন্য পেশাদার লাইসেন্সের চাহিদা বেশি, আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ঘিরে পরিবহন ব্যবসা।
- সম্ভবখুলনা · বন্দর ও পণ্য পরিবহনের কারণে ভারী যানের চালকের চাহিদা আছে।
- সম্ভবরংপুর · বিভাগীয় শহর, বিআরটিএ কার্যালয় আছে; তবে ক্রয়ক্ষমতা কম বলে ফি কম রাখতে হয়।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ব্যক্তিগত গাড়ি বেশি, তাই অপেশাদার প্রশিক্ষণের চাহিদা আছে এবং ফি দেওয়ার সামর্থ্যও বেশি।
- কম উপযোগীবান্দরবান · নিবন্ধিত মোটরযান কম, আর পাহাড়ি রাস্তায় প্রশিক্ষণের উপযুক্ত সমতল জায়গা পাওয়া কঠিন।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্স ছাড়া চালানোর শাস্তি তাৎক্ষণিক। ৬৩(১) ধারা ভাঙলে ৯৬ ধারায় অনধিক ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, আর 'কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ স্কুল বন্ধ করিতে পারিবে'। আদালতের অপেক্ষা নেই, বন্ধ করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষের হাতেই। সারা দেশে নিবন্ধিত স্কুল যেখানে মাত্র ১৫২টি, সেখানে অনিবন্ধিতভাবে শেখানো লোকের সংখ্যা যে অনেক বেশি তা নিয়ে সন্দেহ নেই — এবং তাঁরা সবাই এই ধারার আওতায়।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: নিয়মটা এখন বদলাচ্ছে, আর কোন দিকে যাবে তা এখনো খোলা। ২২ অক্টোবর ২০২৫-এ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বলেছেন, লাইসেন্স পেতে হলে স্বীকৃত প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে হবে, সরকার নিজেই সেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে এবং প্রশিক্ষণার্থীকে ভাতাও দেবে। তিনি আরও বলেছেন, বিআরটিসি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের প্রতিষ্ঠান আছে, পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও উৎসাহিত করা হবে। অর্থাৎ চাহিদা বিপুল বাড়তে পারে, কিন্তু সরকারি ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রের সঙ্গে ভাতাসহ প্রতিযোগিতা করতে হবে। 'স্বীকৃত' হওয়ার শর্ত কী হবে তা এখনো ঘোষিত হয়নি।
- বেশিনির্ভরশীলতা: আপনার পণ্যের শেষ ধাপটা আপনার হাতে নেই। শিক্ষার্থী শিখে ফেললেও লাইসেন্সটা দেয় বিআরটিএ, আর সেখানে দেরি হলে দোষ পড়ে স্কুলের ঘাড়ে। ২৭ অক্টোবর ২০২৪-এ প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সোয়া ছয় লাখের বেশি আবেদনকারী স্মার্ট কার্ডের অপেক্ষায় ছিলেন, কারও কারও তিন বছর ধরে। সরকারকে ২৫ আগস্ট ২০২৬-এ আবার প্রজ্ঞাপন দিয়ে জরিমানা ছাড়া নবায়নের সময় ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়াতে হয়েছে — ব্যবস্থাটা চাপে আছে।
- মাঝারিচলতি মূলধন: গাড়ি আর জ্বালানি — দুটোই আগে দিতে হয়। ডিজেল সরকার-নির্ধারিত ৳১১৫ প্রতি লিটার (০১-০৬-২০২৬ থেকে কার্যকর), অকটেন ৳১৪৫ আর পেট্রোল ৳১৪০। ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক হলে প্রতি শিক্ষার্থীর পেছনে জ্বালানির খরচ অনেক বেড়ে যাবে, অথচ ফি আদায় হয় আগে বা কিস্তিতে।
- মাঝারিচাহিদা: শিক্ষার্থীর যোগ্যতাই চাহিদা কমিয়ে দেয়। ৬(২) ধারায় অপেশাদারে ন্যূনতম বয়স ১৮, পেশাদারে ২১, আর দুটোতেই অষ্টম শ্রেণি বা সমমান পাস থাকতে হবে। বহু আগ্রহী চালক এই শিক্ষাগত শর্তেই আটকে যান, আর তাঁরা প্রশিক্ষণ নিলেও লাইসেন্স পাবেন না — স্কুলকে ভর্তির আগেই এটা যাচাই করতে হয়।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
বিআরটিএ — সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি (সিটিজেন্স চার্টার)
সংগ্রহ: ৬ মে, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
বিআরটিএ — ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত ফি-এর তালিকা (শিক্ষানবিশ, স্মার্ট কার্ড ইস্যু ও নবায়ন)
সংগ্রহ: ২ মার্চ, ২০২৩সমর্থন করে: পরিবর্তনশীল খরচ · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১০ মার্চ, ২০২২
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৭ নং আইন) — ধারা ৪, ৬, ১৩, ৬৩, ৬৬, ৯৬ ও ১২৫
সংগ্রহ: ৮ অক্টো, ২০১৮সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
সিএনজি ও অটোরিকশা ভাড়া
অটোরিকশা কিনে চালকের কাছে দিয়ে দৈনিক জমা নেওয়ার ব্যবসা। বিআরটিএর বাঁধা জমা ৳৯০০, বাস্তবে নেওয়া হয় ৳১,০০০–১,২০০, দুই বেলায় দিলে ৳১,৮০০ পর্যন্ত।
- পুঁজি
- ৳৩.৮ লাখ – ৳১৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
ডে-কেয়ার সেন্টার
কর্মজীবী বাবা-মায়ের শিশুকে দিনভর দেখে রাখার কেন্দ্র। ২০২১ সালের আইনে নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক — সনদ ছাড়া চালালে ২ বছর কারাদণ্ড বা ৳৫–১০ লাখ জরিমানা।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১৮০ দিন
সিকিউরিটি গার্ড সেবা
চুক্তিতে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহ। একজন গার্ডের সার্ভিস চার্জ ৯–১০ হাজার টাকা আর বেতনই ৮–১৫ হাজার — মাঝের ফাঁকটাই পুরো ব্যবসা।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ১০ – ২০০ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
ফিজিওথেরাপি সেন্টার
স্ট্রোক, দুর্ঘটনা ও ব্যথার রোগীকে ব্যায়াম ও যন্ত্র দিয়ে সারিয়ে তোলার কেন্দ্র। রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের অনুমোদন ছাড়া চালালে দুই বছরের জেল বা ২ লাখ টাকা জরিমানা।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
