তাঁত ও জামদানি
কাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। শাড়ি বিক্রি হয় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩ লাখে, অথচ একজন তাঁতির মাসিক আয় প্রায় ৳৪,৫৯০ — লাভ থাকে মহাজনের হাতে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৬০,০০০ – ৳৪,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ১৮০ দিন অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
- খরচ উঠবে
- ১২ – ২০ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · কঠিন
ব্যবসাটি কী
কাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। একটা তাঁতে সাধারণত দুইজন বসেন — একজন সুতো চালান, আরেকজন নকশা তোলেন। সাধারণ একটা জামদানি শাড়ি নামাতে ৭ থেকে ১৫ দিন লাগে, নকশা জটিল হলে কয়েক মাস, আর সত্যিকারের ভালো মানের একটায় ছয় মাসও লেগে যায়। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তাঁতিরা ৫ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা দামের শাড়ি বোনেন; ২০২৬ সালের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় জামদানি বিক্রি হয়েছে ৳১,৫০০ থেকে ৳৬৫,০০০ টাকায়। কিন্তু এই দামের টাকাটা তাঁতির হাতে যায় না। বেশির ভাগ তাঁতি মহাজনের দাদনে বাঁধা — মহাজনের সুতা, মহাজনের নকশা, তাঁতি শুধু মজুরি পান। তাঁত মালিক আজগর আলীর কথায়, ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা দাদন দিয়েও এখন কারিগর মেলে না। নিউ এজের ২০২৫ সালের জুলাইয়ের হিসাবে একজন হস্তচালিত তাঁতি মাসে পান প্রায় ৳৪,৫৯০ — দিনে দেড়শ টাকারও কম। এই একটা সংখ্যাই বলে দেয় কেন রূপগঞ্জে কয়েক বছর আগের ৫ হাজার তাঁতি কমে সাড়ে ৩ হাজারে নেমেছে। জামদানি বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, ২০১৫ সালে নিবন্ধন হয়েছে। কিন্তু ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন বলছে, বিসিক সূত্রেই জানা যায় জামদানি শাড়িতে আজও জিআই ট্যাগ লাগানো শুরু হয়নি। অর্থাৎ কাগজে স্বীকৃতি আছে, বাজারে তার বাড়তি দাম নেই। লাভ বাড়ানোর একটাই রাস্তা দেখা যাচ্ছে — মহাজন এড়িয়ে ফেসবুক, ওয়েবসাইট বা নিজের শোরুম থেকে সরাসরি বিক্রি করা।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৫০,০০০ – ৳৮০,০০০ | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১,৫০০ – ৳৩,০০,০০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১,১০০ – ৳১,৫০,০০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২৭% – ৫০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ১৮০ দিন | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১২ – ২০ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৭ – ১৮০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০ – ০.৭ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- কাঠের হস্তচালিত তাঁত — প্রতি তাঁতে দুইজন বসেন। সঙ্গে চরকা, নলি, মাকু, নকশার ছক আর সুতা রঙের ব্যবস্থা।যন্ত্রপাতি
- ট্রেড লাইসেন্স — পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশন থেকে। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। সাধারণত ৩–৫ কার্যদিবসে পাওয়া যায়।লাইসেন্স
- ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের অনুমোদিত ব্যবহারকারী হিসেবে নিবন্ধন — শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি), ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন ২০১৩ অনুযায়ী। জামদানি ২০১৫ সালে দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়, আবেদন করেছিল বিসিক। তবে ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন বলছে, শাড়িতে জিআই ট্যাগ লাগানো এখনো শুরুই হয়নি — ফি ও শর্ত ডিপিডিটি থেকে জেনে নিতে হবে।লাইসেন্স
- নকশা তোলার হাত। সূক্ষ্ম সুতোয় নকশা কাপড়ের গায়ে ভাসিয়ে রাখা — এটাই জামদানির আসল বৈশিষ্ট্য আর এটাই শেখা সবচেয়ে কঠিন। রূপগঞ্জে এখন এই হাতের কারিগরেরই টান পড়েছে।দক্ষতা
- সুতা ও রঙের ব্যবসায়ী, আর নিয়মিত কারিগর। কারিগরকে ধরে রাখতে ৫০–৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাদন দিতে হয়।সরবরাহকারী
- আলো আসে এমন তাঁতঘর, মেঝেতে তাঁতের গর্ত, আর সুতা রাখার শুকনো জায়গা। রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভার নোয়াপাড়ায় বিসিকের প্রায় ২০ একরের জামদানি শিল্পনগরীতে ৪১৬টি প্লট, তার ৪০৭টি জামদানির জন্য বরাদ্দ।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন আপনি কী হচ্ছেন — তাঁতি, না তাঁত মালিক। তাঁতি মজুরি পান, তাঁত মালিক দাদন দেন আর লাভ-লোকসান দুটোই নেন। এই দুটো সম্পূর্ণ আলাদা ব্যবসা।
- 2কাজ শিখুন বা শেখা কারিগর জোগাড় করুন। জামদানির নকশা তোলা বছরের পর বছরের হাতের কাজ, বই দেখে হয় না। রূপগঞ্জের বিসিক জামদানি শিল্পনগরী ও গবেষণা কেন্দ্র প্রশিক্ষণ ও নকশা উন্নয়নে সহায়তা দেয়।
- 3জায়গা ঠিক করুন। তাঁতঘরে আলো দরকার আর মেঝেতে গর্ত কাটতে হয়। বিসিক জামদানি শিল্পনগরীতে ৪১৬টি প্লটের ৪০৭টিই জামদানির জন্য বরাদ্দ — সেখানে প্লট পাওয়া যায় কি না খোঁজ নিন।
- 4তাঁত বসান। একটা তাঁতে দুইজন কাজ করেন — একজন সুতো চালান, একজন নকশা তোলেন। তাই তাঁতের সংখ্যা ঠিক করার আগে কারিগরের সংখ্যা ঠিক করুন।
- 5সুতা ও রঙের জোগান ঠিক করুন। সুতার দাম বাড়াই এখন তাঁতিদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ, তাই দরটা লিখে রাখুন আর কয়েক জায়গা থেকে দর নিন।
- 6নকশা ঠিক করুন। কলকা, ফুল, জাল, তেরছা, পানা, হাজার বুটি, জলপাই — নকশার জটিলতাই ঠিক করে শাড়ি সাত দিনে নামবে না ছয় মাসে।
- 7এক সঙ্গে দামি আর সস্তা দুই ধরনের শাড়ি রাখুন। সুমাইয়া জামদানি হাউজ যেভাবে করে — কম ও মাঝারি দামের শাড়ি স্টকে রাখে, বেশি দামের শাড়ি অর্ডার নিয়ে বানায়। এতে টাকা আটকে থাকে কম।
- 8বিসিক শিল্পনগরীর সাপ্তাহিক জামদানির হাটে যান। সপ্তাহে একদিন হাট বসে, পাইকাররা সেখানেই আসেন।
- 9মহাজন এড়িয়ে সরাসরি বিক্রির পথ খুলুন — ফেসবুক পেজ, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, নিজের ওয়েবসাইট। এখন যারা সরাসরি তাঁতির কাছ থেকে শাড়ি নিয়ে বিক্রি করছেন, তাঁতিরা তুলনামূলক ভালো দাম পাচ্ছেন।
- 10শুধু শাড়িতে আটকে থাকবেন না। রূপগঞ্জের তাঁতিরা এখন জামদানির থ্রি-পিস, ওড়না, পাঞ্জাবির কাপড় ও স্কার্ফও বুনছেন — ছোট পণ্যে টাকা দ্রুত ফেরে।
- 11দুই ঈদের জন্য আগে থেকে মাল তুলুন। ব্যবসায়ীরা বলেন, সারা বছরের বিক্রির ৩০ থেকে ৪০ শতাংশই হয় ঈদ মৌসুমে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিবেশি
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাকম
- আগকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীঢাকা · শোরুম, অনলাইন উদ্যোক্তা ও ক্রেতা সবই এখানে; রূপগঞ্জ-সোনারগাঁয়ের শাড়ির বড় অংশ ঢাকার শোরুম ও ফেসবুকভিত্তিক বিক্রেতার হাত ধরেই ক্রেতার কাছে যায়।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · রূপগঞ্জের তারাবো, গোলাকান্দাইল, ভুলতা, গাউছিয়া, কাঞ্চন ও পাশের সোনারগাঁ জুড়ে তাঁতঘর; নোয়াপাড়ায় বিসিক জামদানি শিল্পনগরীর ৪০৭টি প্লট আর সপ্তাহে একদিনের জামদানির হাট।
- খুব উপযোগীসিরাজগঞ্জ · শাহজাদপুর, বেলকুচি ও এনায়েতপুর ঘিরে দেশের সবচেয়ে বড় তাঁতের এলাকা। এখানে জামদানির চেয়ে সুতি ও তাঁতের শাড়ি বেশি হয়, তাই কারিগর ও সুতার জোগান সহজ।
- খুব উপযোগীটাঙ্গাইল · টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির ঘাঁটি; ২০২৬ সালের বাণিজ্য মেলায় টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি বিক্রি হয়েছে ৳৭৫০ থেকে ৳৩,০০০ টাকায়। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারত টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই দাবি করার পর বাংলাদেশ আট দিনে আরও ১০টি পণ্যের স্বীকৃতি নেয়।
- সম্ভবকুষ্টিয়া · কুমারখালীর হস্তচালিত তাঁতের পুরোনো পাড়া; তবে চালু তাঁতের সংখ্যা কমছে।
- সম্ভবমৌলভীবাজার · মণিপুরীদের কোমর তাঁতের এলাকা; শাড়ি নয়, ওড়না-চাদর-শাল ধরনের পণ্যে কাজ বেশি হয়।
- সম্ভবনরসিংদী · মাধবদী-বাবুরহাটের কাপড়ের বড় বাজার পাশেই, তাই সুতা ও কাপড়ের জোগান এবং পাইকার দুটোই হাতের নাগালে।
- সম্ভবপাবনা · সিরাজগঞ্জ লাগোয়া পুরোনো তাঁতের এলাকা; সুতার আড়ত ও কারিগর দুটোই কাছাকাছি পাওয়া যায়।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনির্ভরশীলতা: মহাজনের দাদনে বাঁধা পড়ে গেলে তাঁতি আর নিজের শাড়ি নিজে বাজারে নামাতে পারেন না। মহাজনের সুতা, মহাজনের নকশা, আর শাড়িপ্রতি মজুরি — সপ্তাহের পর সপ্তাহ খেটেও কম। রূপগঞ্জের কারিগরদের ভাষ্য, কাঁচামালের খরচ বাদে লভ্যাংশের অর্ধেক তাঁতি পান, বাকিটা মহাজন। ফলে শাড়ি তিন লাখে বিক্রি হলেও তাঁতির ঘরে তার সামান্যই যায়।
- বেশিচলতি মূলধন: একটা শাড়ি তাঁতে থাকে এক সপ্তাহ থেকে ছয় মাস, আর তত দিন সুতার টাকা, কারিগরের মজুরি আর দাদনের টাকা আটকে থাকে। একজন কারিগরের পেছনেই ৫০–৮০ হাজার টাকা আগাম দিতে হয়। পুঁজি না থাকলে তাঁতি নিজের তাঁত বসাতেই পারেন না — রূপগঞ্জের তাঁতিরা ঠিক এই কথাটাই বলেন।
- বেশিঅন্যান্য: কারিগর ফুরিয়ে যাচ্ছে। রূপগঞ্জে কয়েক বছর আগেও প্রায় ৫ হাজার তাঁতি ছিলেন, এখন সাড়ে ৩ হাজার। দেশে ১৯৯০ সালে চালু তাঁত ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ৪২১টি, ২০১৮ সালের শুমারিতে তা ১ লাখ ১৬ হাজার। মজুরি কম বলে নতুন কেউ আসছে না — তাঁত মালিক ৫০–৮০ হাজার টাকা দাদন দিয়েও কারিগর পাচ্ছেন না।
- মাঝারিচাহিদা: বিক্রির ৩০ থেকে ৪০ শতাংশই হয় দুই ঈদে। ঈদের জন্য মাল তুলে রাখতে হয় মাসখানেক আগে থেকে, আর সেই মাল না চললে টাকা পরের ঈদ পর্যন্ত পড়ে থাকে। ২০২৬ সালে ক্রেতার ঝোঁক ছিল হালকা রঙের দিকে — অফ-হোয়াইট, প্যাস্টেল, আকাশি, পিঙ্ক, মিন্ট গ্রিন; রঙের হিসাব ভুল হলে পুরো স্টক আটকে যায়।
- কমআইনি বাধ্যবাধকতা: জিআই স্বীকৃতি থেকে এখনো বাড়তি দাম আসছে না। জামদানি ২০১৫ সাল থেকে দেশের প্রথম জিআই পণ্য হলেও বিসিক সূত্রেই জানা যায়, শাড়িতে জিআই ট্যাগ লাগানো শুরু হয়নি। বিশ্ববাজারে জিআই পণ্য সাধারণত ২০–৩০ শতাংশ বেশি দাম পায়, কিন্তু সেই সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারেনি। তাই জিআইয়ের ভরসায় দাম ধরে হিসাব করলে সেটা মিলবে না।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
দর্জি ও ছোট গার্মেন্টস ইউনিট
প্যান্ট সেলাই ৳৬০০, কারিগর পান ৳২২০, খরচ ৳৯০ — দোকানের থাকে ৳২৯০। একজন কারিগর দিনে ৫টা প্যান্ট বা ১০টা শার্ট করেন। বড় টাকা সাব-কন্ট্রাক্টে, আর সেখানকার নিয়ম এখন কড়া।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
রাজমিস্ত্রি ও ঠিকাদারি
গাঁথুনি, ঢালাই ও ফিনিশিংয়ের শ্রম চুক্তি। ঢাকায় প্লিন্থের প্রতি বর্গফুটে নির্মাণ খরচ ৳১৮০০–৩০০০, আর রাজমিস্ত্রির সরকারি ন্যূনতম হাজিরা শহরে ৳৯৪০।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
স্ক্রিন প্রিন্ট ও টি-শার্ট
কাপড়ে নকশা ছাপার কাজ। পুঁজি কম, কিন্তু প্রতিটি নকশা ও প্রতিটি রঙের আলাদা স্ক্রিন লাগে — তাই অর্ডার ছোট হলে প্রতি পিসের খরচ অনেক বেড়ে যায়।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
মৃৎশিল্প ও টেরাকোটা
মাটির হাঁড়ি-পাতিল, টব ও টেরাকোটার শোপিস তৈরি। বিজয়পুরের পণ্য বিদেশে যায়, কিন্তু গ্যাস না থাকায় লাকড়িতে পোড়াতে হয় আর মাল নষ্ট হয়।
- পুঁজি
- ৳৪০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
