দর্জি ও ছোট গার্মেন্টস ইউনিট
প্যান্ট সেলাই ৳৬০০, কারিগর পান ৳২২০, খরচ ৳৯০ — দোকানের থাকে ৳২৯০। একজন কারিগর দিনে ৫টা প্যান্ট বা ১০টা শার্ট করেন। বড় টাকা সাব-কন্ট্রাক্টে, আর সেখানকার নিয়ম এখন কড়া।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৬০,০০০ – ৳৮,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৩০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৫ – ৯ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
দর্জির দোকানের হিসাব কারিগরের হাতেই লেখা থাকে। দিনাজপুরের বাহাদুর বাজারে এক কারিগর বলেছেন, মালিক প্যান্ট সেলাইয়ের মজুরি নেন ৳৬০০, তিনি পান ৳২২০, আর বিভিন্ন খরচ ৳৯০ — অর্থাৎ দোকানের থাকে ৳২৯০। শার্ট সেলাই ৳৪৫০, কারিগরের মজুরি ৳১৪০। একজন কারিগর দিনে ৫টা প্যান্ট বা ১০টা শার্ট সেলাই করতে পারেন, দৈনিক আয় প্রায় ৳১,০০০। একজন নারী কারিগর দিনে ৫টা থ্রি-পিস সেট সেলাই করেন। এই সংখ্যাগুলোই ঠিক করে দেয় কয়টা মেশিন বসালে কত আয় হবে। কিন্তু স্থানীয় সেলাইয়ে বড় টাকা নেই। বড় টাকা আছে ঢাকার বায়িং হাউস আর বড় কারখানার সাব-কন্ট্রাক্টে — যখন বড় কারখানার লিড টাইম কম পড়ে, তারা ছোট কারখানায় কাজ দেয়; আর ছোট কারখানার নিজের অর্ডার না থাকলে পরিচালন খরচ তুলতে তারা এই কাজ নেয়। সাব-কন্ট্রাক্টে দেশের মোট পোশাক রপ্তানির মাত্র ২–৩ শতাংশ হয়। এই কাজের নিয়ম ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কঠিন হয়েছে। এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে সাব-কন্ট্রাক্টের লেনদেন শুধু বৈদেশিক মুদ্রায় করতে হবে, বন্ড কমিশনারের অনুমোদন ও ব্যাংক গ্যারান্টি লাগবে, আর চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনারকে জানাতে হবে। শর্ত ভাঙলে ১৫ শতাংশ ভ্যাট। বিজিএমইএর সহসভাপতি বলেছেন, সাব-কন্ট্রাক্টে সাধারণ চর্চাই নগদ লেনদেন, কারণ ব্যাংকের মাধ্যমে গেলে ছোট কারখানা সময়মতো টাকা পায় না — ব্যাংক দেনা থাকলে কেটে রাখে, আর তখন শ্রমিকের বেতন আটকে যায়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২৬,০০০ – ৳১,৩০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৪৫০ – ৳৬০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৪০ – ৳৩১০ / একক | বাজারদর | |
| মোট লাভের হার | ৪৮% – ৬৯% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৫ – ৯ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১% – ৪% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫ – ১৫ | বাজারদর |
শুরু করতে যা লাগবে
- সেলাই মেশিন (প্রতি কারিগরে একটি), ওভারলক মেশিন (বাটারফ্লাই ৩ থ্রেড ৳১১,৮৯০), কাটিং টেবিল, কাঁচি, ইস্ত্রি, মাপের ফিতা, ডামি ও আলমারি। শিল্প-মানের সোজা সেলাই মেশিনের যাচাই করা দর পাওয়া যায়নি।যন্ত্রপাতি
- সুতা, বোতাম, জিপার, আস্তর ও ইন্টারলাইনিং। কাপড় সাধারণত ক্রেতা নিজে আনেন, তাই স্থানীয় দর্জির বড় মজুত লাগে না — এটাই এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় সুবিধা।প্রাথমিক মাল
- সাব-কন্ট্রাক্টে রপ্তানির কাজ করতে হলে: বন্ড কমিশনারের অনুমোদন, ব্যাংক গ্যারান্টি, বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন এবং চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনারকে অবহিত করা — ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এনবিআর প্রজ্ঞাপন। শর্ত ভাঙলে ১৫ শতাংশ ভ্যাট। রপ্তানির নগদ সহায়তা পেতে 'Sub-Contracting Guidelines in RMG Industry-2019' এবং 'Direct Export-Oriented RMG Establishment (Warehouse Method) Rules, 2024' মানতে হবে।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
- মাপ নেওয়া ও কাটা — এখানেই সব ঠিক হয়। কাটা ভুল হলে কাপড় নষ্ট, আর কাপড় ক্রেতার। একজন দক্ষ কারিগর ১৪ বছর ধরে একই কাজ করেও দিনে ৫টার বেশি সেট করতে পারেন না, অর্থাৎ দক্ষতা সময় লাগে।দক্ষতা
- সুতা, বোতাম, জিপার ও আস্তরের পাইকারি সরবরাহকারী; আর সাব-কন্ট্রাক্টের জন্য ঢাকার বায়িং হাউস বা বড় রপ্তানিকারক কারখানার সঙ্গে যোগাযোগ।সরবরাহকারী
- থানকাপড়ের বাজারের কাছে দোকান বা ঘর, প্রতি মেশিনের জন্য জায়গা আর ভালো আলো। রপ্তানির সাব-কন্ট্রাক্ট করতে হলে আলাদা কারখানা ও নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থা লাগবে — শুধু ব্যবসায়ী হলে হবে না।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন আপনি কোন কাজটা করবেন — স্থানীয় সেলাই, ইউনিফর্মের অর্ডার, নাকি ঢাকার সাব-কন্ট্রাক্ট। তিনটার পুঁজি, নিয়ম আর ঝুঁকি আলাদা।
- 2থানকাপড়ের দোকানের কাছে জায়গা নিন। দিনাজপুরের বাহাদুর বাজার ও মালদহপট্টির মতো যেখানে কাপড়ের দোকান বেশি, সেখানেই দর্জির দোকান জমে।
- 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর কারখানা হলে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধনও করান।
- 4মেশিন কিনুন এবং প্রতিটি মেশিনের পিছনে কোন কাজ হবে তা আগে ঠিক করুন — সোজা সেলাই, ওভারলক, কাজ ও বোতাম। বাটারফ্লাই ৩ থ্রেড ওভারলক মেশিন ৳১১,৮৯০।
- 5কারিগর নিন। কারিগরই ব্যবসা — একজন কারিগর দিনে ৫টা প্যান্ট বা ১০টা শার্ট করেন, আর তাঁর দৈনিক আয় প্রায় ৳১,০০০।
- 6প্রতিটি পোশাকের মজুরি আর কারিগরের ভাগ খাতায় লিখে রাখুন। প্যান্টে ৳৬০০ নিলে ৳২২০ কারিগরের আর ৳৯০ অন্য খরচ — এই হিসাব না রাখলে লাভ দেখা যায় না।
- 7ঈদের অন্তত দুই মাস আগে মৌসুমি কারিগর ঠিক করে রাখুন। দিনাজপুরের দোকানগুলো ২৪–২৫ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেয় আর ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত ডেলিভারি দেয়।
- 8স্কুল, কলেজ ও কারখানার ইউনিফর্মের অর্ডার ধরুন। এক অর্ডারে অনেক পিস হয়, দাম কম হলেও কাজ নিয়মিত — আর ঈদের বাইরের মাসগুলোতে এটাই টিকিয়ে রাখে।
- 9সাব-কন্ট্রাক্ট ধরতে চাইলে আগে নিয়ম জানুন। এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে লেনদেন শুধু বৈদেশিক মুদ্রায়, বন্ড কমিশনারের অনুমোদন ও ব্যাংক গ্যারান্টি বাধ্যতামূলক, আর চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনারকে জানাতে হবে।
- 10সাব-কন্ট্রাক্টের কাজ বিজিএমইএ বা বিকেএমইএর মাধ্যমে ইস্যু হয়; সদস্যপদ ও কাগজপত্র ঠিক না থাকলে কাজ পাওয়া যায় না।
- 11প্রতিটি সাব-কন্ট্রাক্টের কাগজ ও পেমেন্টের শর্ত লিখিত রাখুন। শর্ত ভাঙলে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বসে, আর দায় পড়ে আপনার উপরেই।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · চট্টগ্রাম বন্ড কমিশনারেটের তথ্য অনুযায়ী এখানকার অধিকাংশ কারখানাই সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করে; ব্যাংকিং জটিলতার কারণে ছোট মালিকরা এখানেই সবচেয়ে চাপে।
- খুব উপযোগীঢাকা · বায়িং হাউসগুলো এখানেই; ইসলামপুর ও গুলিস্তানের কাপড়ের পাইকারি বাজার আর সাব-কন্ট্রাক্টের কাজ দুটোই ঢাকা থেকে ছড়ায়।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · রপ্তানিমুখী কারখানার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি; বড় কারখানার লিড টাইম কম পড়লে আশপাশের ছোট ইউনিটেই কাজ যায়।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · নিটওয়্যার ও হোসিয়ারির পুরোনো কেন্দ্র; ছোট ইউনিটের সংখ্যা বেশি আর কাপড় কাছেই মেলে।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলার ক্রেতা এখানকার বাজারে আসেন।
- সম্ভবকুমিল্লা · ইপিজেড ও মহাসড়কের সুবিধা; ঢাকার কারখানার উদ্বৃত্ত কাজ এদিকে আসে।
- সম্ভবদিনাজপুর · বাহাদুর বাজার ও মালদহপট্টিতে থানকাপড় ও দর্জির দোকান ঘন; প্যান্ট সেলাই ৳৬০০ ও শার্ট ৳৪৫০ — মফস্বলের দর এখান থেকেই নেওয়া।
- সম্ভবযশোর · সীমান্ত ও বেনাপোলের কারণে কাপড়ের সরবরাহ ভালো; স্থানীয় বাজার বড়।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি, তাই মাপের পোশাক বানানোর চাহিদা তুলনামূলক বেশি।
- সম্ভবটাঙ্গাইল · তাঁত ও কাপড়ের পুরোনো এলাকা; কাপড় স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায় বলে দর্জির কাজও চলে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: সাব-কন্ট্রাক্টের নিয়ম হঠাৎ বদলে গেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন বন্ধ করে দেয় — এখন শুধু বৈদেশিক মুদ্রা, সঙ্গে বন্ড কমিশনারের অনুমোদন ও ব্যাংক গ্যারান্টি, আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জানানোর বাধ্যবাধকতা। শর্ত না মানলে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বসে। চট্টগ্রাম বন্ড কমিশনারেট বিজিএমইএ ও বিকেএমইএকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, অনুমোদন ও ব্যাংক গ্যারান্টি ছাড়াই সাব-কন্ট্রাক্ট ইস্যু হচ্ছে। যেসব কারখানা ব্যাংকের সহযোগিতা পাচ্ছে না, তারা কার্যত এই কাজ থেকে ছিটকে যাচ্ছে।
- বেশিবাকিতে বিক্রি: সাব-কন্ট্রাক্টের টাকা সময়মতো আসে না। বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরীর ভাষ্য: 'সাব-কন্ট্রাক্টের ক্ষেত্রে সাধারণ প্র্যাকটিস হলো ক্যাশ লেনদেন। কারণ এই লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে হলে অনেক ক্ষেত্রে যারা সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করে থাকেন, তারা সময়মতো অর্থ পান না। ব্যাংকের দেনা-পাওনা থাকলে কেটে রেখে দেয়। এতে কাজ করার পর সঠিক সময়ে শ্রমিকের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যায় না।' বেতন আটকালে শ্রমিক আন্দোলনে নামেন — ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরেও আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে অবস্থান হয়েছে।
- বেশিচাহিদা: কাজ ঈদকেন্দ্রিক আর বাকি সময় শূন্যের কাছাকাছি। ঈদের আগে দোকান রাতভর খোলা থাকে, আবার ঈদের পর মাসের পর মাস মেশিন বসে থাকে অথচ ভাড়া ও কারিগরের খরচ চলতেই থাকে। দিনাজপুরের ইউনিক টেইলার্সের মো. ফোরকান ২০২৬ সালের মার্চে বলেছেন, গতবারের চেয়ে অর্ডার কম। কারণটাও তিনি বলেছেন — সব কিছুর দাম বাড়ায় সেলাইয়ের মজুরিও বেড়েছে, তাই অর্ডার কমেছে।
- বেশিচাহিদা: রেডিমেড শোরুম দর্জির খদ্দের নিয়ে যাচ্ছে। দিনাজপুরের কারিগর মাসুদ রানা সুমনের কথায়: 'বেশিরভাগ ক্রেতারা শোরুমে যাচ্ছে। কারণ সেলাই করার মজুরি বেশি, আর শো-রুমে গেলে তৈরি পোশাক কম দামে পায়।' ৳৬০০ টাকার সেলাই মজুরির সঙ্গে কাপড়ের দাম যোগ করলে অনেক সময় রেডিমেড প্যান্টের চেয়ে বেশি পড়ে যায়।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: সাব-কন্ট্রাক্টের কাজ নিজের হাতে নেই। বিজিএমইএ নিজেই জানিয়েছে, ছোট ও মাঝারি কারখানা সাব-কন্ট্রাক্ট নেয় তখনই, যখন নিজের অর্ডার থাকে না এবং পরিচালন ব্যয় তুলতে হয়; আর বড় রপ্তানিকারক সাব-কন্ট্রাক্ট দেয় তখনই, যখন লিড টাইমে কুলিয়ে উঠতে পারে না। দেশের মোট পোশাক রপ্তানির মাত্র ২–৩ শতাংশ এই পথে হয়, তাই কাজের পরিমাণ সীমিত ও অনিয়মিত।
- মাঝারিচলতি মূলধন: কারিগরের টাকা দিনে বা সপ্তাহে দিতে হয়, খদ্দেরের টাকা আসে ডেলিভারিতে। একজন কারিগরের মাসিক খরচই প্রায় ৳২৬,০০০ (দিনে ৳১,০০০ × ২৬ দিন)। ঈদের আগে মৌসুমি কারিগর আনতে হলে আগে থেকেই টাকা লাগে, অথচ অর্ডারের টাকা আসে ডেলিভারির পর।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
তাঁত ও জামদানি
কাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। শাড়ি বিক্রি হয় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩ লাখে, অথচ একজন তাঁতির মাসিক আয় প্রায় ৳৪,৫৯০ — লাভ থাকে মহাজনের হাতে।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ১৮০ দিন
রাজমিস্ত্রি ও ঠিকাদারি
গাঁথুনি, ঢালাই ও ফিনিশিংয়ের শ্রম চুক্তি। ঢাকায় প্লিন্থের প্রতি বর্গফুটে নির্মাণ খরচ ৳১৮০০–৩০০০, আর রাজমিস্ত্রির সরকারি ন্যূনতম হাজিরা শহরে ৳৯৪০।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
স্ক্রিন প্রিন্ট ও টি-শার্ট
কাপড়ে নকশা ছাপার কাজ। পুঁজি কম, কিন্তু প্রতিটি নকশা ও প্রতিটি রঙের আলাদা স্ক্রিন লাগে — তাই অর্ডার ছোট হলে প্রতি পিসের খরচ অনেক বেড়ে যায়।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
মৃৎশিল্প ও টেরাকোটা
মাটির হাঁড়ি-পাতিল, টব ও টেরাকোটার শোপিস তৈরি। বিজয়পুরের পণ্য বিদেশে যায়, কিন্তু গ্যাস না থাকায় লাকড়িতে পোড়াতে হয় আর মাল নষ্ট হয়।
- পুঁজি
- ৳৪০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
