খই ও বাতাসা তৈরি
ধান ভেজে খই আর চিনি-গুড় জ্বাল দিয়ে বাতাসা-কদমা বানানো। চিনির পাইকারি ৳১০২–১০৩ কেজি, বাতাসা বিক্রি ৳১৯০–৩০০ কেজি। পুঁজি খুব কম, বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স লাগে না।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳১৫,০০০ – ৳১,৫০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১০ – ৪০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ২ – ৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘরে বসে · সহজ
ব্যবসাটি কী
ধান বালিতে ভেজে খই বানানো আর চিনি বা গুড় জ্বাল দিয়ে বাতাসা-কদমা ঢালা — গ্রামবাংলার সবচেয়ে পুরোনো খাদ্য ব্যবসাগুলোর একটি। পুঁজি প্রায় নেই বললেই চলে: একটা বড় কড়াই, বালি, চুলা, জ্বালানি আর ছাঁচ। শেখার জিনিস একটাই — চিনির শিরা কোন পাকে নামালে বাতাসা ফুলে হালকা হয়। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার ভাটারা গ্রামে এই কাজ একশ বছরের পুরোনো; পয়লা বৈশাখ এলে গোটা গ্রাম দিনরাত চিনি আর গুড়ের মিশ্রণে কদমা-বাতাসা বানায় মেলার জন্য। দাম দুই দিকেই জানা। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ঢাকার পাইকারি বাজারে চিনি ছিল ৳১০২–১০৩ কেজি আর খুচরায় ৳১১০–১১৫। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ দারাজে বাতাসার অনলাইন দর ছিল ৫০০ গ্রাম ৳১০৬–১৫০ আর ১ কেজি ৳১৯০–২৪০, অর্থাৎ কেজিতে মোটামুটি ৳১৯০ থেকে ৳৩০০। খইয়ের দর তার চেয়ে বেশি — ৫০০ গ্রাম ৳১৪০–২১০, কেজিতে ৳২৮০–৪২০। কাঁচামালের দিকটা সস্তা। ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ নওগাঁর হাটে কাটারি ধান ছিল মণপ্রতি ৳৯০০–৯৬০ আর ব্রি-২৮ ৳৮০০–৮২০, অর্থাৎ কেজিতে ৳২০–২৪। তবে খই ভাজার জন্য সাধারণ ধান নয়, নির্দিষ্ট জাত লাগে আর তার দাম বেশি — ২০২৩ সালে পাবনায় খই তৈরির ধান ছিল কেজি ৳১২০। আইন এখানে হালকা। মুড়ি বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় থাকলেও খই আর বাতাসা তালিকায় নেই, তাই সিএম লাইসেন্স লাগে না। কিন্তু মোড়কে ওজন লিখে বিক্রি করলে পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ লাগবে, আর মিষ্টিজাতীয় খাবার বানানোর জন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধনও নিতে হবে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২০,০০০ – ৳১,২০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৯০ – ৳৩০০ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১০২ – ৳১১৫ / কেজি | সরকারি সূত্র | |
| মোট লাভের হার | ৩৫% – ৬০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১০ – ৪০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ২ – ৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১০ – ৬০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- বড় লোহার কড়াই, মাটির বা ইটের চুলা, কাঠ বা খড়ির জ্বালানি, বাতাসা ঢালার ছাঁচ বা টিনের পাত ও কাপড়, খই ভাজার বালি ও চালুনি, আর ঠান্ডা করার জন্য বড় থালা ও বাতাস-নিরোধী টিন।যন্ত্রপাতি
- চিনি (১৫-০৯-২০২৬ পাইকারি ৳১০২–১০৩ কেজি), আখের বা খেজুরের গুড়, আর খইয়ের জন্য উপযুক্ত জাতের ধান। খোলা বিক্রি না করলে প্যাকেট ও লেবেলও লাগবে।প্রাথমিক মাল
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রদান) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক ও মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদকের জন্য বাধ্যতামূলক। নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর।লাইসেন্স
- পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ — বিএসটিআই মেট্রোলজি উইং, ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮। শুধু তখনই লাগে যখন ওজন লেখা মোড়কে বিক্রি করা হয়; খোলা বিক্রিতে লাগে না। সনদ ছাড়া মোড়কজাত বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মামলা হয়।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু হয়।লাইসেন্স
- চিনির শিরার পাক ধরতে পারা। এটাই এই কাজের একমাত্র আসল দক্ষতা — পাক কম হলে বাতাসা চ্যাপটা ও আঠালো হয়, বেশি হলে শক্ত আর লালচে। ঘড়ি নয়, চোখ আর হাতই এখানে মাপকাঠি।দক্ষতা
- চিনির পাইকারি আড়ত, গুড়ের হাট, আর খইয়ের ধানের জন্য স্থানীয় চাষি বা ধানের আড়ত। মেলার দোকানি ও মিষ্টি দোকানের সঙ্গে আগাম অর্ডারের সম্পর্ক।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কী বানাবেন — শুধু বাতাসা ও কদমা, না খইও। খইয়ের জন্য ভাজার বালি, বড় কড়াই আর আলাদা দক্ষতা লাগে।
- 2বাড়ির উঠান বা একটা ছাউনি ঠিক করুন যেখানে চুলা বসানো যায় আর ধোঁয়া বেরোতে পারে। জায়গাটা শুকনা হতে হবে, নইলে বাতাসা নেতিয়ে যায়।
- 3সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০।
- 4মিষ্টিজাতীয় খাবার বানাবেন, তাই বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করুন — ফি ৳১,০০০, মেয়াদ তিন বছর।
- 5চিনি পাইকারি বাজার থেকে বস্তায় কিনুন, খোলা বাজার থেকে নয়। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ পাইকারি ৳১০২–১০৩ আর খুচরা ৳১১০–১১৫ — কেজিতে ৮–১৩ টাকার এই ফারাকটাই লাভ।
- 6চিনি ও পানি জ্বাল দিয়ে সঠিক পাকে আনুন, তারপর ছাঁচে বা কাপড়ের উপর ফোঁটা ফোঁটা ঢেলে বাতাসা বানান। পাক কম হলে চ্যাপটা হয়, বেশি হলে শক্ত ও রং লাল হয়ে যায়।
- 7খইয়ের জন্য ধান আগে ভিজিয়ে, শুকিয়ে, তপ্ত বালিতে ফেলে ফোটান, তারপর চালুনিতে বালি ঝেড়ে আলাদা করুন।
- 8ঠান্ডা হওয়ার আগে হাত দেবেন না, আর ঠান্ডা হলে সঙ্গে সঙ্গে বাতাস-নিরোধী পাত্রে তুলুন। ভেজা বাতাস লাগলেই বাতাসা গলে আর খই নেতিয়ে যায়।
- 9মেলার তারিখ ধরে আগে থেকে উৎপাদন করুন। পয়লা বৈশাখ, চৈত্র সংক্রান্তি, দুর্গাপূজা আর গ্রামীণ মেলাই বছরের বড় বিক্রি।
- 10মিষ্টি দোকান, মুদি দোকান, মন্দির ও মাজারের প্রসাদের জোগানদার আর মেলার দোকানিদের কাছে পাইকারি দিন; খোলা বিক্রি করলে মোড়কের কাগজ লাগে না।
- 11মোড়কে ওজন লিখে নিজের নামে বেচতে চাইলে বিএসটিআইয়ের মেট্রোলজি উইং থেকে পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ নিন।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চবেশি
- এপ্রিবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেবেশি
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীমানিকগঞ্জ · সাটুরিয়ার ভাটারা গ্রামে কদমা-বাতাসা বানানোর কাজ প্রায় একশ বছরের পুরোনো; পয়লা বৈশাখ ঘিরে পুরো গ্রাম দিনরাত 'সাজ খাবার' বানায়। কারিগর, ছাঁচ ও ক্রেতা সবই এখানে তৈরি।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; মিষ্টির দোকান ও মেলার সংখ্যা বেশি, আর চিনির পাইকারি আড়তও আছে।
- সম্ভবঢাকা · সবচেয়ে বড় ক্রেতা আর অনলাইনে বিক্রির সুযোগ; তবে ঘরভাড়া ও শুকনা জায়গার খরচ বেশি।
- সম্ভবযশোর · খেজুর গুড়ের এলাকা, তাই গুড়ের বাতাসা বানানোর কাঁচামাল শীতে সস্তায় মেলে।
- সম্ভবনওগাঁ · ধানের বড় মোকাম, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ হাটে ধান ছিল মণপ্রতি ৳৮০০–৯৬০ — খইয়ের কাঁচামাল এখানেই সবচেয়ে সস্তা।
- সম্ভবপাবনা · দুর্গাপূজায় নাড়ু-মোয়া-খইয়ের বড় চাহিদা, আর উপকরণের দাম নিয়ে স্থানীয় বাজারের হিসাব ভালো জানা যায়; খই তৈরির ধানও এখানে মেলে।
- সম্ভবটাঙ্গাইল · গ্রামীণ মেলার ঘনত্ব বেশি আর ঢাকার বাজার কাছে; মিষ্টির ঐতিহ্যও পুরোনো।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: বিক্রি মেলা আর উৎসবের তারিখে বাঁধা। পয়লা বৈশাখ, চৈত্র সংক্রান্তি, দুর্গাপূজা আর গ্রামীণ মেলা — এই কয়েকটা দিনেই বছরের বড় অংশ বিক্রি হয়। মেলা বাতিল হলে, বৃষ্টি হলে বা মেলার দিন বদলালে বানানো মাল হাতে থেকে যায়, আর বাতাসা বেশি দিন রাখা যায় না। বাকি মাসগুলোয় চুলা প্রায় বন্ধই থাকে।
- বেশিনষ্ট হওয়া: বাতাসা আর খই দুটোই ভেজা বাতাসের শত্রু। বর্ষায় বা কুয়াশায় বাতাসা গলে জোড়া লেগে যায় আর খই নেতিয়ে পড়ে; তখন আর কেউ কেনে না। বাতাস-নিরোধী টিন আর শুকনা ঘর ছাড়া এই ব্যবসা চলে না, আর সেটাই খরচের সবচেয়ে বেশি অবহেলিত দিক।
- মাঝারিচলতি মূলধন: চিনির দাম বাড়লে সরাসরি গায়ে লাগে, কারণ বাতাসার প্রায় পুরোটাই চিনি। অথচ মেলার দোকানি বছরের পর বছর একই দরে বাতাসা কিনতে চান, তাই খরচ বাড়লেও দাম বাড়ানো কঠিন। ফলে চিনির দাম এক লাফে বাড়লে ওই মৌসুমের লাভটাই হাওয়া হয়ে যায়।
- মাঝারিঅন্যান্য: কাজটা আগুন আর ফুটন্ত চিনির শিরা নিয়ে, আর বেশির ভাগ সময় বাড়ির উঠানে, পরিবারের সবাই মিলে। ফুটন্ত শিরা ছিটকে পড়লে পোড়া গভীর হয়, আর খই ভাজার তপ্ত বালিও বিপজ্জনক। ছোট এই ব্যবসায় দুর্ঘটনার বিমা বা চিকিৎসার ব্যবস্থা কিছুই থাকে না।
সূত্র
সমর্থন করে: প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: পরিবর্তনশীল খরচ · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: মোট লাভের হার, মাসিক চলতি মূলধন, পরিবর্তনশীল খরচ · ঢাকা মহানগর
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
মুড়ির কারখানা
চাল ভেজে মুড়ি বানিয়ে বিক্রি। এক কেজি চালে মুড়ি হয় ৯০০ গ্রাম, মোটা চাল ৳৫০–৫৫ কেজি — তাই মেশিনের মুড়িতে কেজিতে থাকে ৪–৬ টাকা, আর হাতে ভাজা খাঁটি মুড়ি পাইকারি ৳৯০ কেজি।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
আচার তৈরি
আম-জলপাই-রসুনের আচার বানিয়ে বয়ামে বিক্রি। দোকানে ব্র্যান্ডের আচার কেজি ৳৩৭৫–৫২৫, আর মোড়কে বিক্রি করলে ঘরের রান্নাঘরেও ৳১,০০০-এর নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধন লাগে।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳৯০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ২৮ দিন
চায়ের দোকান ও ক্যাফে
এক কেজি চা পাতায় প্রায় ২৫০ কাপ; কাপ বিক্রি হয় ৳৫–৩০। ২০ হাজার টাকায় চুলা-সিলিন্ডার-কাপ আর সপ্তাহখানেকের মাল হয়, দোকানের জামানত বা ফ্রিজ হয় না।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳১.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
ঘরে রান্না করে অনলাইনে বিক্রি
ঘরের রান্নাঘরে বানানো আচার-পিঠা-খাবার ফেসবুক পেজে বিক্রি। এক কৌটা আচার ৳১৫০–৪৬৫। ২০২৬ সালের নতুন নিয়মে প্যাকেটজাত খাবারের নিবন্ধন লাগবে — ৳১,০০০, তিন বছর।
- পুঁজি
- ৳৫ হাজার – ৳৬০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
