• আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

লেবু ও আনারস চাষ

টিলা ও পতিত জমিতে লেবু-আনারসের বাগান। ঢাকায় লেবুর হালি সেপ্টেম্বরে ৳২০–৩০, রোজায় ৳১০০–১২০; মধুপুরে আনারস পাইকারিতে প্রতিটি ৳২০–২৫।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳৪১,০০০ – ৳১,৭৫,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম বিক্রি
৪০০ – ৭৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
১৬ – ৩০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি কী

সিলেট বিভাগের টিলা, চা-বাগানের পাশের ঢাল আর পতিত জমিতে লেবু আর আনারস — দুটো ফসল একসঙ্গেই চলে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে শুধু মৌলভীবাজারেই প্রায় ১ হাজার ৭৪২ হেক্টর জমিতে লেবুর চাষ হয়। গাছ একবার বসালে বছরের পর বছর ফল দেয়, তাই বড় খরচটা প্রথম দিকেই। কিন্তু এই ব্যবসার আসল কথা দাম নয়, দামের ওঠানামা। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকায় এক হালি লেবুর খুচরা দর ছিল ৳২০–৩০। আর ২০২৬ সালের রোজার প্রথম দিনে ঢাকায় ভালো মানের এক হালি লেবু বিক্রি হয়েছে ৳১০০–১২০ টাকায় — একটা লেবুর দামই প্রায় ৳৩০। ঈদের পরদিনই সেই দাম নেমে আসে ৳৫০–১০০ টাকায়। অথচ যে মাসে দাম সবচেয়ে চড়া, সেই ফাল্গুন-চৈত্রে চাষির গাছেই লেবু থাকে না — তখন গাছ পরিচর্যার সময়। যারা আগেভাগে কিছু লেবু জমিয়ে রাখতে পারে, লাভটা তারাই নেয়। আনারসের গল্প আলাদা। মধুপুরে ২০২৬ মৌসুমে পাইকারি হাটে প্রতিটি আনারস বিক্রি হয়েছে ৳২০–২৫ টাকায়, আগের বছর একই আকারের আনারস ছিল ৳৩০–৩৫। রাঙামাটিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হিসাবে এক একরে ১৫–১৭ হাজার চারা বসানো যায় আর সব খরচ বাদে একরে ৳৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা থাকে। সমস্যা হলো আনারস একসঙ্গে পাকে। হরমোন দিলে চার-পাঁচ দিনে পুরো খেত পেকে যায়, সবাই একসঙ্গে হাটে নামে, আর দাম পড়ে যায়। লেবুতে যেমন রোজার দুই মাস, আনারসে তেমন আষাঢ়-শ্রাবণ — এই কয়েক সপ্তাহেই বছরের টাকা ওঠে বা ওঠে না।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳৩,০০০ – ৳১২,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳২০ – ৳১২০ / এককসরকারি সূত্র
পরিবর্তনশীল খরচ৳৬ – ৳১৫ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৩০% – ৪৫%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৪০০ – ৭৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১৬ – ৩০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৭ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১০% – ৩০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০ – ৪৫সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • স্প্রে মেশিন, নিড়ানি, ঝুড়ি ও ক্রেট, আর ফল নামানোর জন্য ভটভটি বা পিকআপের ব্যবস্থা। মধুপুরে চাষি নিজেই হাটে নিয়ে যান।যন্ত্রপাতি
  • আনারসের চারা (সাকার) — এক একরে ১৫–১৭ হাজার। মধুপুরে তিনটি জাত চলে: ক্যালেন্ডার বা জায়ান্ট কিউ (২০২৬-এ ৪,৩৭৫ হেক্টর), জলডুগি (২,২৪৫ হেক্টর) ও এমডি-২ (১৮ হেক্টর)। চারার দর যাচাই করা যায়নি।প্রাথমিক মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। শুধু নিজের ফসল বিক্রি করলে দরকার নেই; অন্যের বাগান থেকে কিনে বিক্রি বা আড়তদারি করলে দরকার।লাইসেন্স
  • কোন গাছে কবে ফল আসবে বুঝে নেওয়া আর ধাপে ধাপে ফল তোলা। একসঙ্গে সব পেকে গেলে হাটে দাম পড়ে যায়, তাই পাকা ঠেকিয়ে রাখাটাই দক্ষতা।দক্ষতা
  • চারার উৎস ও উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ; আর হাটের নির্দিষ্ট আড়তদার — মধুপুরের গারোর বাজার ও জলছত্র, রাঙামাটির বনরূপা বাজার।সরবরাহকারী
  • ঢালু, নিকাশমুক্ত জমি। মৌলভীবাজারে প্রায় ১,৭৪২ হেক্টর জমিতে লেবু হয়; মধুপুর উপজেলায় ২০২৬ মৌসুমে ৬,৬৩৮ হেক্টরে আনারস হয়েছে। আনারসে এক একরে ১৫–১৭ হাজার চারা ধরে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1জমি ঠিক করুন। লেবু ও আনারস দুটোই ঢালু, নিকাশমুক্ত জমি চায় — টিলার গা, চা-বাগানের পাশের ঢাল বা বাড়ির আশপাশের পতিত জমি চলে। পানি জমে এমন জমিতে গোড়া পচে যায়।
  2. 2উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে জাত ঠিক করুন। মধুপুরে ক্যালেন্ডার (জায়ান্ট কিউ), জলডুগি আর এমডি-২ — তিনটি জাতের আনারস হয়; লেবুতে কাগজি ও এলাচি চলে বেশি।
  3. 3চারা কিনুন আর হিসাব করে বসান। এক একরে ১৫ থেকে ১৭ হাজার আনারসের চারা ধরে। চার বিঘায় ২২ হাজার চারা বসানোর নজিরও মধুপুরে আছে।
  4. 4প্রথম বছর ফল আসবে না, ধরে নিয়ে টাকার পরিকল্পনা করুন। আনারস গাছে স্বাভাবিকভাবে ৬০টি পাতা হলে ফল ধরে; ততদিন শুধু খরচ।
  5. 5রাসায়নিক নিয়ে নিজে সিদ্ধান্ত নিন। ২৮টি পাতা হলেই স্প্রে করে ফল ধরানো যায় আর চার-পাঁচ দিনে পুরো খেত পাকানো যায়, কিন্তু স্বাদ-ঘ্রাণ নষ্ট হয় বলে ক্রেতা কমছে আর দামও কমছে।
  6. 6হাট ঠিক করুন আর সেখানকার আড়তদারকে চিনুন। মধুপুরের গারোর বাজার ও জলছত্র, রাঙামাটির বনরূপা — এসবই আনারসের পাইকারি জায়গা। লেবুর জন্য শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারের বাজার।
  7. 7লেবুর ক্ষেত্রে ফাল্গুন-চৈত্রের বাজারটা মাথায় রেখে গাছ সাজান। রোজার সময় দাম তিন-চার গুণ হয়, কিন্তু ঠিক তখনই বেশির ভাগ চাষির গাছে লেবু থাকে না।
  8. 8ঢাকায় চালান পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। পাইকাররা বাগান বা ঘাট থেকেই কিনে ট্রাক-পিকআপে তুলে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার আড়তে পাঠায়।
  9. 9ইউনিয়ন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন যদি নিজে কিনে-বেচা শুরু করেন। শুধু নিজের ফসল বিক্রি করলে লাগে না, কিন্তু অন্যের বাগানের ফল কিনে বেচলে লাগে।
  10. 10প্রতি চালানের খরচ আর দাম লিখে রাখুন। একই আকারের আনারস এক বছরে ৳৩০–৩৫ থেকে ৳২০–২৫ টাকায় নেমেছে — লেখা না থাকলে ক্ষতিটা বোঝাই যায় না।

মৌসুম

  1. জানুকম
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাবেশি
  8. আগবেশি
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোকম
  11. নভেকম
  12. ডিসেকম
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীহবিগঞ্জ · বাহুবল ও চুনারুঘাটের টিলা এলাকায় আনারস ও লেবুর বাগান; ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ধরে চালান সহজ।
  • খুব উপযোগীমৌলভীবাজার · কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে জেলায় প্রায় ১,৭৪২ হেক্টর জমিতে লেবু হয়; শ্রীমঙ্গল ও জুড়ীর বাগান থেকে বস্তায় লেবু যায় ঢাকায়।
  • খুব উপযোগীরাঙ্গামাটি · ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২,৬৬০ হেক্টরে আনারস হয়েছে, উৎপাদন ৯০,৪৩৯ টন; বনরূপা বাজার থেকে নৌকা-ট্রাকে সারা দেশে যায়।
  • খুব উপযোগীসিলেট · টিলা ও চা-বাগান লাগোয়া ঢালু জমি লেবু-আনারস দুটোরই উপযোগী, আর বিভাগীয় শহরের বাজার কাছে।
  • খুব উপযোগীটাঙ্গাইল · মধুপুর উপজেলায় ২০২৬ মৌসুমে ৬,৬৩৮ হেক্টরে আনারস হয়েছে, লক্ষ্য প্রায় আড়াই লাখ টন; গারোর বাজার ও জলছত্র দেশের বড় পাইকারি হাট।
  • সম্ভববান্দরবান · লাল মাটি ও ঢালু জমি আনারসের উপযোগী, তবে চালান খরচ বেশি।
  • সম্ভবচট্টগ্রাম · পাহাড়ি এলাকায় আনারস হয়, আর জেলা শহরের চাহিদা বড়।
  • সম্ভবগাজীপুর · মধুপুর গড়ের লাগোয়া এলাকায় আনারস হয় আর ঢাকার বাজার একেবারে কাছে।
  • সম্ভবখাগড়াছড়ি · পাহাড়ের ঢালে আনারসের বাগান হয়; চট্টগ্রামের আড়ত কাছে।
  • সম্ভবসুনামগঞ্জ · টিলা ও পতিত জমি আছে, তবে বর্ষায় যোগাযোগ কঠিন হয়ে যায়।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: আনারসের দাম এক বছরে এক-তৃতীয়াংশ পড়ে গেছে। মধুপুরের জলছত্র হাটে যে আকারের আনারস ২০২৫ সালে পাইকারিতে ৳৩০–৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, ২০২৬ সালে সেটাই ৳২০–২৫ টাকায় বেচতে হয়েছে। চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন কারণ দুটো — অতিরিক্ত হরমোন ও রাসায়নিকে স্বাদ-ঘ্রাণ নষ্ট হওয়ায় ক্রেতার আগ্রহ কমেছে, আর হরমোন দিলে সব আনারস একসঙ্গে পাকে বলে একই সপ্তাহে সবাই হাটে নামে। আগে ধাপে ধাপে বাজারে আসত, তখন বিক্রি ও লাভ দুটোই বেশি ছিল।
  • বেশিচাহিদা: লেবুতে দাম আর ফলন উল্টো দিকে চলে। ২০২৬ সালের রোজার প্রথম দিনে ঢাকায় ভালো মানের এক হালি লেবু ছিল ৳১০০–১২০, দুই সপ্তাহ আগেও মাঝারি হালি ছিল ৳২০–৪০। কিন্তু শ্রীমঙ্গলের চাষি জনক দেববর্মা বলেছেন, ওই সময়েই গাছে লেবু থাকে না — তখন গাছ পরিচর্যার সময়, আর যারা রোজার জন্য কিছু মজুত করেছিল তারা মাত্র ১০–১৫ জন। ঈদের পরদিনই দাম ৳৫০–১০০ টাকায় নেমে যায়। অর্থাৎ যে চাষি সবচেয়ে বেশি ফলায়, সে সবচেয়ে চড়া দামটা প্রায়ই পায় না।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: দুটো ফলই পাকলে আর অপেক্ষা করে না, আর হিমাগার নেই। টাঙ্গাইলের আনারস জিআই স্বীকৃতি পেলেও জেলায় আনারসের হিমাগার হয়নি। অতিবৃষ্টিতে আনারস দ্রুত পেকে নষ্ট হয়, আর তখন ধরে রাখার কোনো জায়গা থাকে না — যে দামেই হোক ছেড়ে দিতে হয়।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: প্রথম ফসল আসতে অনেক সময় লাগে, কিন্তু খরচ প্রথম দিন থেকেই। আনারস গাছে স্বাভাবিকভাবে ৬০টি পাতা না হলে ফল ধরে না, আর লেবুগাছও বসানোর পর বেশ কিছুদিন খালি থাকে। এই মাঝের সময়টায় জমির ভাড়া, সার, শ্রমিক — সব চলতেই থাকে। ঠিক এই চাপেই অনেক চাষি হরমোন দিয়ে আগেভাগে ফল ধরাতে বাধ্য হন।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: মধুপুরের প্রবীণ বাসিন্দারা বলছেন, বাইরের এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এসে জমি ইজারা নিয়ে আনারস চাষ করছেন আর বাড়তি লাভের জন্য বেশি হরমোন-রাসায়নিক দিচ্ছেন। যে সাধারণ কৃষক পরিমিত বা রাসায়নিকমুক্ত আনারস ফলান, তাঁর খরচ বেশি পড়ে আর দামও বেশি চাইতে হয় — ক্রেতা সেই দাম দিতে চায় না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

কৃষি ও খামার

আম বাগান ইজারা ও ব্যবসা

অন্যের আমবাগান এক বা একাধিক মৌসুমের জন্য ইজারা নিয়ে ফল বিক্রি। সখীপুরের এক বাগানে গাছপ্রতি বছরে ইজারা প্রায় ৳৮৩৩; বাগান থেকে পাইকারি দর মণ ৳১,৩২০ থেকে ৳৭,৭০০।

পুঁজি
৳৪২ হাজার – ৳৩০ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
১৮০ – ২৭০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

কোয়েল পাখি পালন

খাঁচায় কোয়েল পালন। ৩৫–৪৫ দিনে ডিম শুরু, ডিমের খরচ ৳১.২০ আর পাইকারি দর ৳২.৮০–৩.৫০। তবে বাজার ছোট — বড় আয় আসে বাচ্চা বিক্রি থেকে।

পুঁজি
৳৩৫ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৩৫ – ৪৯ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

কলা চাষ

বিঘায় ৩৫০–৪০০ গাছ, ফল আসে ১০–১৩ মাসে। গাছপ্রতি খরচ ৳১৫০–২০০, ছড়া বিক্রি ৳৩৫০–৪৫০, আর কৃষি অধিদপ্তরের হিসাবে গাছপ্রতি লাভ ৳১২০–১৮০।

পুঁজি
৳৩৫ হাজার – ৳৮০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩০০ – ৩৯৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

তরমুজ চাষ

উপকূলের তিন মাসের ফসল। বিঘায় খরচ ৳৩০–৩৫ হাজার, ভালো বছরে বিঘায় বিক্রি ৳৮০ হাজার–১ লাখ, কিন্তু বিক্রির জানালা মাত্র দুই সপ্তাহ।

পুঁজি
৳৩৫ হাজার – ৳৩.৫ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৯০ – ১২০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
লেবু ও আনারস চাষ: খরচ, দাম ও মৌসুমের হিসাব · আয়রোজগার