পোলট্রি ফিড মিল
ভুট্টা, সয়াবিন মিল ও কুঁড়া মিশিয়ে মুরগির খাবার বানিয়ে ৫০ কেজির বস্তায় বিক্রি। বস্তার দর ৳৩,০০০–৩,৬৬৯, আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও বিএসটিআই সিএম দুটোই বাধ্যতামূলক।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৮,০০,০০০ – ৳৬০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৪৫ – ১৫০ দিন সরকারি সূত্র
- খরচ উঠবে
- ১৫ – ২৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · কঠিন
ব্যবসাটি কী
ভুট্টা, সয়াবিন মিল, চালের কুঁড়া, খুদ, শুঁটকির গুঁড়া আর ভিটামিন-মিনারেল মিশিয়ে মুরগির খাবার বানিয়ে ৫০ কেজির বস্তায় বিক্রি করার কারখানা। কেন এই ব্যবসা গুরুত্বপূর্ণ তার উত্তর একটাই সংখ্যায়: একটি পোলট্রি খামারের মোট উৎপাদন ব্যয়ের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই খাদ্য বাবদ খরচ। অর্থাৎ খামারির লাভ-লোকসান ঠিক করে দেয় ফিড মিল। দাম কেমন, তার একটা দলিল আছে। ২৫ আগস্ট ২০২৬-এ গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজারে খামারিরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন ফিডের দাম বাড়ার প্রতিবাদে। তাঁদের ও ব্যবসায়ীদের ভাষ্য: আগের রোববার পর্যন্ত যে ৫০ কেজির বস্তা ৳৩,৫৫৭ টাকায় বিক্রি হতো, তার দাম বেড়েছে ৳১০০ থেকে ৳১১২; আর যে বস্তা ৳২,৯৬০ টাকায় বিক্রি হতো, সেটির দাম তিন হাজার ছাড়িয়েছে। কেজিতে বেড়েছে প্রায় দুই টাকা। দুই হাজার মুরগির একটি খামারে এতে মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা বাড়তি খরচ হচ্ছে। লাইসেন্স ছাড়া এখানে এক কেজিও বানানো যায় না। মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০-এর ৪ ধারা অনুযায়ী ৬ ধারার লাইসেন্স ছাড়া পশুখাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন, বিক্রয় বা বিতরণ — কিছুই করা যাবে না। লাইসেন্স দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তাঁর ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। ৬ ধারায় শর্ত পূরণ হলে ৩০ দিনে লাইসেন্স, না হলে শর্ত পূরণে আরও ৩০ দিন আর তারপর ১৫ দিনে সিদ্ধান্ত। লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছর। ভাঙলে ২০ ধারায় এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা দুটোই। এর উপরে পোলট্রি ফিড বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় ৫ নম্বরে (BDS 233:2019), আর এর নমুনা পরীক্ষার ফি ৳২০,০০০ — খাদ্যপণ্যের মধ্যে সবচেয়ে চড়াগুলোর একটি।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৫,০০,০০০ – ৳৩৫,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩,০৬০ – ৳৩,৬৬৯ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২,৭০০ – ৳৩,১৫০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ১২% – ১৪% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৪৫ – ১৫০ দিন | সরকারি সূত্র | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১৫ – ২৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৮ – ৪০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- গ্রাইন্ডার বা হ্যামার মিল, ব্যাচ মিক্সার, দানাদার ফিড বানালে প্যালেট মেশিন ও কুলার, কনভেয়ার বা এলিভেটর, ওজন করার যন্ত্র, বস্তা ভরা ও সেলাইয়ের ব্যবস্থা, আর উপকরণ ও তৈরি ফিড রাখার শুকনা গুদাম।যন্ত্রপাতি
- বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স — পোলট্রি ফিড বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় ক্রমিক ৫, মান BDS 233:2019 (৩য় সংশোধিত)। নতুন আবেদন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳১,০০০। নমুনা পরীক্ষার ফি ৳২০,০০০ (১৪ কর্মদিবস) বা জরুরি ৳২৫,০০০ (৪ কর্মদিবস)। বাৎসরিক সিএম ফি এক্স-ফ্যাক্টরি উৎপাদনমূল্যের ০.১০%, সর্বনিম্ন ৳৩,৫০০, সর্বোচ্চ ৳৩৫,০০,০০০। উল্লেখ্য, গবাদিপশুর খাদ্য এই তালিকায় নেই, কিন্তু পোলট্রি ফিড ও মৎস্যখাদ্য আছে।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু হয়।লাইসেন্স
- পশুখাদ্য উৎপাদনের লাইসেন্স — মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ২ নং আইন)। ৪ ধারা: ৬ ধারার লাইসেন্স ছাড়া উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, আমদানি, রপ্তানি, বিপণন, বিক্রয় ও বিতরণ নিষিদ্ধ। ৫ ধারা: লাইসেন্স দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তাঁর ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। ৬ ধারা: শর্ত পূরণ হলে ৩০ দিনে লাইসেন্স, নইলে শর্ত পূরণে আরও ৩০ দিন ও পরে ১৫ দিনে সিদ্ধান্ত। ৭ ধারা: মেয়াদ এক বছর, নবায়নের আবেদন মেয়াদ শেষের ৩০ দিন আগে। ৮ ধারা: ফি বিধি দ্বারা নির্ধারিত — অঙ্কটি আইনে নেই।লাইসেন্স
- মিশ্রণের সূত্র জানা আর উপকরণের মান চোখে-হাতে যাচাই করতে পারা। সয়াবিন মিলে ভেজাল বা কুঁড়ায় তুষ বেশি থাকলে ফিডের প্রোটিন কমে যায়, আর তা নমুনা পরীক্ষায় ধরা পড়ে।দক্ষতা
- ভুট্টা, সয়াবিন মিল, চালের কুঁড়া ও পলিশ, খুদ, শুঁটকি বা মাছের গুঁড়া, ঝিনুকের গুঁড়া আর ভিটামিন-মিনারেল প্রিমিক্সের নিয়মিত সরবরাহকারী। প্রিমিক্স সাধারণত আমদানি হয়, তাই ডলারের দর ও শুল্ক সরাসরি খরচে লাগে।সরবরাহকারী
- পাকা মেঝে ও উঁচু ভিতের শুকনা গুদামসহ কারখানা, তিন-ফেজ বিদ্যুতের সংযোগ, আর ট্রাক ঢোকা-বেরোনোর জায়গা। উপকরণ ভিজে গেলে ছত্রাক ধরে আর পুরো লট নষ্ট হয়।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কী বানাবেন — ব্রয়লার স্টার্টার, গ্রোয়ার, ফিনিশার, না লেয়ার ফিড। প্রতিটির আদর্শমাত্রা আলাদা, আর আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী সরকার-নির্ধারিত আদর্শমাত্রা মানা বাধ্যতামূলক।
- 2জায়গা বাছুন খামারের বলয়ের ভেতরে। গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও নরসিংদীর মতো এলাকায় খামার ঘন, তাই পরিবহন খরচ কম আর অর্ডার নিয়মিত।
- 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন, আর পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের প্রয়োজন আছে কি না জেনে নিন।
- 4প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে পশুখাদ্য উৎপাদনের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করুন। আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া উৎপাদন, বিপণন বা বিক্রয় — কিছুই করা যাবে না।
- 5যন্ত্র বসান: গ্রাইন্ডার বা হ্যামার মিল, মিক্সার, প্যালেট মেশিন (দানাদার ফিড বানালে), কনভেয়ার, ওজন করার যন্ত্র আর সেলাই মেশিনসহ বস্তা ভরার ব্যবস্থা।
- 6মিশ্রণের সূত্র ঠিক করুন আর প্রতিটি ব্যাচের হিসাব লিখে রাখুন। ভুট্টা ও সয়াবিন মিলের দাম ওঠানামা করলেই সূত্র বদলাতে হয়, নইলে হয় খরচ বাড়ে নয় মান পড়ে।
- 7বিএসটিআই-তে সিএম লাইসেন্সের আবেদন করুন — পোলট্রি ফিড বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় ক্রমিক ৫, মান BDS 233:2019। নমুনা পরীক্ষার ফি ৳২০,০০০ (১৪ কর্মদিবস) বা জরুরি ৳২৫,০০০ (৪ কর্মদিবস)।
- 8বস্তায় লেবেল লাগান। আইনের ১৩ ধারা পাত্র ও লেবেলিং নিয়ে আলাদা বিধান রেখেছে, আর ১৪ ধারায় খাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিক, গ্রোথ হরমোন, স্টেরয়েড ও কীটনাশক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
- 9প্রতিটি ব্যাচের নমুনা রেখে দিন। ১১ ধারা অনুযায়ী নমুনা পরীক্ষায় অনুপযোগী প্রমাণিত হলে খাদ্য বাজেয়াপ্ত হয়, আর ১৬ ধারায় তা বিনষ্ট করা যায়।
- 10ডিলার নিয়োগ করুন আর প্রান্তিক খামারিদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক গড়ুন। কোম্পানির বস্তার চেয়ে আপনার বস্তা কত টাকা কমে দিতে পারবেন — খামারি সেই একটি প্রশ্নেই সিদ্ধান্ত নেন।
- 11মেয়াদ শেষের অন্তত ৩০ দিন আগে লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করুন — ৭ ধারায় মেয়াদ এক বছর, আর নবায়নের আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত লাইসেন্স বহাল থাকে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীগাজীপুর · দেশের অন্যতম ঘন পোলট্রি বলয়; শ্রীপুরের জৈনা বাজার এলাকায় প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন এতটাই সক্রিয় যে ফিডের দাম বাড়ায় তাঁরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। ক্রেতা এখানে হাতের নাগালে।
- খুব উপযোগীময়মনসিংহ · ব্রয়লার ও লেয়ার খামারের বড় কেন্দ্র, আর ভুট্টা আবাদের এলাকাও কাছে — কাঁচামাল ও ক্রেতা দুটোই এক জায়গায়।
- খুব উপযোগীনরসিংদী · ঢাকার লাগোয়া পোলট্রি এলাকা; ছোট খামারের সংখ্যা বেশি আর ডিলারের নেটওয়ার্ক তৈরি।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র, ভুট্টা ও চালের উপজাতের বড় বাজার; খামারও অনেক।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · বন্দর কাছে হওয়ায় আমদানি করা সয়াবিন মিল ও প্রিমিক্স সবচেয়ে কম খরচে পাওয়া যায়।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের উপরে, খামারের ঘনত্ব বেশি আর ঢাকা-চট্টগ্রাম দুই দিকেই সরবরাহ করা যায়।
- সম্ভবদিনাজপুর · দেশের সবচেয়ে বড় ভুট্টা উৎপাদনের এলাকাগুলোর একটি, তাই প্রধান উপকরণ মাঠের পাশেই।
- সম্ভবকিশোরগঞ্জ · হাওরের পাশে ধান ও ভুট্টার এলাকা; কুঁড়া ও খুদ সস্তায় মেলে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্স ছাড়া চালালে বা নমুনা পরীক্ষায় মান না মিললে বিপদ সরাসরি। মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০-এর ২০ ধারায় শাস্তি এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, বা দুটোই। ১৪ ধারায় অ্যান্টিবায়োটিক, গ্রোথ হরমোন, স্টেরয়েড ও কীটনাশক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, আর তা ব্যবহার করলেই অপরাধ। ১৫ ধারায় কর্মকর্তারা কারখানায় ঢোকার ক্ষমতা রাখেন আর ১৬ ধারায় ভেজাল খাদ্য বাজেয়াপ্ত ও বিনষ্ট করা যায়। পোলট্রি ফিড আবার বিএসটিআইয়েরও বাধ্যতামূলক পণ্য, তাই দুই কর্তৃপক্ষের কাছেই জবাবদিহি করতে হয় — খামারিরা নিজেরাই ফিড মিলে 'বিএসটিআইয়ের হয়রানি' বন্ধের দাবি তুলেছেন।
- বেশিচলতি মূলধন: উপকরণ নগদে কিনতে হয় কিন্তু ফিড বিক্রি হয় বাকিতে। খামারি টাকা দেন মুরগি বা ডিম বেচার পরে, আর ডিমের দাম পড়ে গেলে সেই টাকা আসেই না। ২৫ আগস্ট ২০২৬-এ শ্রীপুরে খামারিরা বলেছেন, একদিকে ফিডের দাম বাড়ছে আর অন্যদিকে ডিম-মুরগির ন্যায্য দাম না পেয়ে অনেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন — খামারি গুটিয়ে নিলে মিলের বাকি টাকাও ডুবে যায়।
- বেশিনির্ভরশীলতা: ভুট্টা আর সয়াবিন মিল ছাড়া পোলট্রি ফিড হয় না, আর দুটোরই দাম আমদানি ও বিশ্ববাজারের হাতে। শ্রীপুরের খামারিরা ভুট্টা ও কাঁচামালের উপর আরোপিত কর প্রত্যাহার এবং সয়াবিন ও ভুট্টায় সরকারি ভর্তুকির দাবি জানিয়েছেন — অর্থাৎ শুল্ক-কাঠামোর একটি বদলই এই ব্যবসার খরচ উল্টে দিতে পারে।
- মাঝারিচাহিদা: খামারি লোকসানে পড়লে ফিডের চাহিদা সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যায়, কারণ তিনি হয় ব্যাচের সংখ্যা কমান নয় খামার বন্ধ করে দেন। বাজারে আকিজ, প্যারাগন ও নারিশের মতো বড় কোম্পানির ফিড আগে থেকেই বসা, আর তারা ডিলারকে বাকি ও প্রণোদনা দেয় — ছোট মিলকে দাম কমিয়ে সেই জায়গা কিনতে হয়।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: ভুট্টা, কুঁড়া আর সয়াবিন মিল ভিজলে ছত্রাক ধরে আর অ্যাফ্লাটক্সিন তৈরি হয়। ওই উপকরণ দিয়ে বানানো ফিড খেলে মুরগির উৎপাদন পড়ে যায়, খামারি অভিযোগ করেন আর নমুনা পরীক্ষাতেও ধরা পড়ে। বর্ষায় গুদাম শুকনা রাখতে না পারলে পুরো লট বাতিল করতে হয়।
সূত্র
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
সি এম লাইসেন্স ফি শিডিউল — পাতা সর্বশেষ হালনাগাদ ২৭-০৭-২০২৫
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
জার পানি ও ওয়াটার প্ল্যান্ট
পানি শোধন করে জারে ও বোতলে ভরে বিক্রি। বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক, আর লাভের বড় অংশ যায় দোকানি ও পরিবেশকের ঘরে — কারখানার নয়।
- পুঁজি
- ৳৮ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১০০ দিন
চা প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিং
নিলাম থেকে খোলা চা কিনে মিশিয়ে নিজের নামে প্যাকেট করা। ২০২৬-২৭ নিলামবর্ষে চট্টগ্রামে গড় দর ৳২৮০.৮৮ কেজি, আর দোকানে প্যাকেট চা ৳৪২৮–৬৫০।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ২ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১০০ দিন
চালের মিল
ধান কিনে সেদ্ধ-শুকিয়ে চাল করে বিক্রি। ২৪ হাজার কেজি ধানে চাল হয় ১৫ হাজার কেজি, আর তুষ-কুঁড়া-খুদ বেচে চালের কেজিতে আরও ৳৬.৪৫ ফেরত আসে।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১২০ দিন
ফলের জুস ও ড্রিংকস
ফলের রস ও ফ্রুট ড্রিংকস বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে এক লিটারের দাম ৳৮০–৯০। বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স ছাড়া বিক্রি করলে জরিমানা — সম্প্রতি ৳৩০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ১৮০ দিন
