কম্পিউটার ও কম্পোজের দোকান
আয় আসে সরকারি সেবার আবেদন থেকে, টাইপ থেকে নয়। ভূমিসেবার নির্ধারিত সেবা ফি নামজারিতে ৳২০০–৩০০, পর্চায় ৳১০০–১৫০, দাখিলার প্রিন্টে ৳২০।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১
- শুরুর পুঁজি
- ৳৬০,০০০ – ৳৩,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠবে
- ৩ – ৪.৫ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি কী
নাম শুনে মনে হয় টাইপ করে আয়, আসলে তা নয়। কম্পোজের দোকানের টাকা আসে সরকারি সেবার আবেদন থেকে — জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি সংশোধন, পাসপোর্ট, খতিয়ান-পর্চা, নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর আর ভর্তির ফরম। মানুষ নিজে অনলাইনে আবেদন করতে পারে না, তাই দোকানে আসে। সরকারি ফি আর দোকানের সেবা ফি — দুটো আলাদা জিনিস, আর এই দুটো না বুঝলে ব্যবসাটাই বোঝা যায় না। সরকারি ফি ধরাবাঁধা। জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন বিনা ফিসে, ৪৫ দিন থেকে ৫ বছর ৳২৫, ৫ বছরের পর ৳৫০; জন্মতারিখ সংশোধন ৳১০০, নাম-ঠিকানা সংশোধন ৳৫০, সনদের নকল ৳৫০। এনআইডির তথ্য সংশোধনে প্রথমবার ৳২৩০, দ্বিতীয়বার ৳৩৪৫, এরপর ৳৪৬০। ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট সাধারণ ডেলিভারিতে ৳৪,০২৫, জরুরি ৳৬,৩২৫, অতি জরুরি ৳৮,৬২৫। খতিয়ান বা পর্চার কপি ৳১২০ — এর ভেতর সরকারি ফি ৳১০০ আর সেবা ফি ৳২০। মৌজা ম্যাপ ৳৫৪৫। দোকানের নিজের আয় ওই সেবা ফি-টুকু। ২০২৫ সালের ভূমিসেবা সহায়তা নির্দেশিকায় প্রথমবারের মতো এই সেবা ফি সরকার ঠিক করে দিয়েছে: নামজারির অনলাইন আবেদন ইউনিয়ন ও উপজেলা সদরে ৳২০০, পৌর এলাকায় ৳২৫০, সিটি কর্পোরেশনে ৳৩০০; খতিয়ান বা পর্চার আবেদন ৳১০০, ৳১২০ ও ৳১৫০; কবুলিয়ত ফরম ৳৮০; দাখিলার প্রিন্ট কপি ৳২০। বিশ পৃষ্ঠার বেশি স্ক্যান হলে পৃষ্ঠাপ্রতি আরও ৳৩। এতদিন দোকানগুলো যার কাছ থেকে যা পারত নিত; এখন লাইসেন্স আর নির্ধারিত দর — দুটোই আসছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| বিষয় | পরিসর | সূত্র | সংশোধন দিন |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৫,০০০ – ৳২০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২০ – ৳৩০০ / একক | সরকারি সূত্র | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৮ – ৳৪০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৬০% – ৮৭% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩ – ৪.৫ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১৫ – ৯০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- কম্পিউটার, লেজার প্রিন্টার, স্ক্যানার, ফটোকপি মেশিন, ওয়েবক্যাম বা ক্যামেরা, ল্যামিনেটিং মেশিন, আইপিএস বা ইউপিএস। বিদ্যুৎ ও সার্ভার — দুটোর একটাও না থাকলে আয় শূন্য।যন্ত্রপাতি
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
- ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র (এলএসএফসি) — জেলা প্রশাসকের অনুমতি, ভূমিসেবা সহায়তা নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী। অনুমতি ফি ইউনিয়ন ৳৩,০০০, উপজেলা সদর পৌর এলাকা ৳৫,০০০, সিটি কর্পোরেশন ৳৮,০০০। শর্ত: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন, সব ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব, নিজস্ব বা অন্তত দুই বছরের ভাড়া চুক্তিতে ন্যূনতম ৮০ বর্গফুট জায়গা, বিদ্যুৎ সংযোগ ও অন্তত ১০ এমবিপিএস ইন্টারনেট। জেলার মোট সহায়তাকারীর অন্তত এক-তৃতীয়াংশ নারী হতে হবে।লাইসেন্স
- বাংলা ও ইংরেজি টাইপ, স্ক্যান ও অনলাইন ফরম পূরণ — আর সবচেয়ে বড় দক্ষতা: কোন সেবায় কোন কাগজ লাগে তা জানা। ভূমি মন্ত্রণালয় নিজেই বলেছে, দোকানগুলো ভুল করলে তার কোনো জবাবদিহি নেই; নতুন নির্দেশিকা সেটাই বদলাতে চায়।দক্ষতা
- কাগজ, টোনার ও ল্যামিনেশন ফিল্মের পাইকারি সরবরাহকারী। সাদা লেখার কাগজ দিস্তা ৳৩৪–৪০।সরবরাহকারী
- সরকারি অফিসের কাছাকাছি দোকান, ন্যূনতম ৮০ বর্গফুট (ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের শর্ত), বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগসহ।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1সরকারি অফিসের কাছে দোকান নিন — ভূমি অফিস, উপজেলা পরিষদ, নির্বাচন অফিস, পাসপোর্ট অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আশপাশ। দূরত্বই এখানে বিক্রি।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসার ধরন ঠিকভাবে লেখান।
- 3ভূমিসেবার আবেদন করতে চাইলে ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের অনুমতি নিন — জেলা প্রশাসক দেন। অনুমতি ফি ইউনিয়ন পর্যায়ে ৳৩,০০০, উপজেলা সদর পৌর এলাকায় ৳৫,০০০, সিটি কর্পোরেশনে ৳৮,০০০।
- 4কম্পিউটার, লেজার প্রিন্টার, স্ক্যানার, ওয়েবক্যাম, আইপিএস আর অন্তত ১০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট নিন। বিদ্যুৎ গেলে কাজ বন্ধ, তাই আইপিএস বাদ দেওয়া যায় না।
- 5সব ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খুলুন। খতিয়ান, মৌজা ম্যাপ ও ভূমি উন্নয়ন করের ফি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে শুধু অনলাইনে জমা দিতে হয়।
- 6প্রতিটি সেবার সরকারি ফি আর নিজের সেবা ফি আলাদা করে লিখে দোকানে টাঙিয়ে দিন। খদ্দের এই দুটো গুলিয়ে ফেলে, আর সেখান থেকেই ঝগড়া বাধে।
- 7আবেদনের কাগজপত্রের তালিকা মুখস্থ রাখুন। কাগজ কম থাকলে আবেদন বাতিল হয়, খদ্দের আবার আসে, আর দোষ পড়ে দোকানের উপর।
- 8ফি বদলালে সঙ্গে সঙ্গে তালিকা হালনাগাদ করুন। ২০২৬ সালেই খতিয়ানের ফি ফেব্রুয়ারিতে আর এনআইডির ফি জুলাইয়ে বদলেছে।
- 9ভর্তি ও ফলাফলের মৌসুমের জন্য আগে থেকে কাগজ ও টোনার মজুত রাখুন। ওই সময় ফরম পূরণ ও প্রিন্টের চাপ কয়েক গুণ বাড়ে।
- 10খদ্দেরের এনআইডি, জন্মসনদ ও জমির কাগজের কপি কম্পিউটারে জমিয়ে রাখবেন না। অনুমতি ছাড়া তথ্য তৃতীয় পক্ষকে দিলে ভূমিসেবা কেন্দ্রের অনুমতি বাতিল হয়।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনবেশি
- জুলাস্বাভাবিক
- আগস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস, একাধিক আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আর বিদেশগামী কর্মীর বড় সংখ্যা।
- খুব উপযোগীকুমিল্লা · প্রবাসী-প্রধান জেলা; পাসপোর্ট, জন্মসনদ ও এনআইডি সংশোধনের চাপ সারা বছর।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বেশি অফিস ও আবেদনকারী; ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের পাঁচটি পরীক্ষামূলক কেন্দ্রও এখানেই বসেছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সেবা ফির হারও সবচেয়ে বেশি — নামজারিতে ৳৩০০।
- খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবার ও জমির লেনদেন দুটোই বেশি, তাই পাসপোর্ট ও নামজারি — দুই দিকেই কাজ।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘিরে দোকান।
- সম্ভবব্রাহ্মণবাড়িয়া · প্রবাসগামী মানুষ বেশি; পাসপোর্ট ও জন্ম নিবন্ধনের আবেদন সারা বছর।
- সম্ভবযশোর · সীমান্ত ও বেনাপোল বন্দরের কারণে পাসপোর্ট ও ভ্রমণ সংক্রান্ত কাগজের চাহিদা বেশি।
- সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহর, বড় শিক্ষা কেন্দ্র; ভর্তি ও ফরম পূরণের মৌসুমে চাপ বাড়ে।
- সম্ভবনোয়াখালী · প্রবাসী-প্রধান এলাকা আর জমি নিয়ে মামলা বেশি, তাই পর্চা ও খতিয়ানের চাহিদা।
- সম্ভবরংপুর · বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস; আশপাশের জেলার মানুষও এখানে আসে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনির্ভরশীলতা: সার্ভার বন্ধ মানে আয় বন্ধ। জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ২০২৩ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সার্ভার না থাকায় আবেদনই করা যাচ্ছিল না, আর ঢাকা দক্ষিণে ফি কার কোষাগারে যাবে সেই বিরোধে দুই মাসের বেশি নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। দোকানের সব আয় সরকারি পোর্টাল চালু থাকার উপর নির্ভর করে, অথচ পোর্টালের উপর দোকানের কোনো হাত নেই।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: এই কাজ এখন লাইসেন্সের আওতায় আসছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলেছেন, 'কম্পিউটারের দোকানগুলো ইচ্ছেমতো ফি নিচ্ছে; তারা আবেদনের ক্ষেত্রে ভুল করলেও কোনো জবাবদিহি নেই।' ভূমিসেবা সহায়তা নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া এবং নির্ধারিত ফির বাইরে টাকা নেওয়া বন্ধ হবে, আর নাগরিকের তথ্য অনুমতি ছাড়া তৃতীয় পক্ষকে দিলে জেলা প্রশাসক অনুমতিপত্র বাতিল করতে পারবেন। ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচটি কেন্দ্র বসেছে, বাকি বিভাগে কাজ চলছে।
- মাঝারিচাহিদা: সরকার যত সেবা সহজ করে, দোকানের তত আয় কমে। মোবাইলে নিজে ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, অনলাইনে নিজে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করা — প্রতিটি সহজীকরণে একটা করে আয়ের লাইন কমে। উল্টোদিকে ফি ঘন ঘন বদলায়: ২০২৬ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপের ফি আর ৩০ জুলাই এনআইডির ফি বদলেছে। পুরোনো দর ধরে টাকা নিলে খদ্দের ঠকে আর দোকানের নাম খারাপ হয়।
- মাঝারিঅন্যান্য: দালালের সঙ্গে এক কাতারে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি। পাসপোর্ট, ভূমি ও নিবন্ধন অফিসের সামনের দোকানগুলো নিয়ে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ বারবার সংবাদপত্রে এসেছে, আর অভিযান হলে বৈধ দোকানও ধাক্কা খায়। নির্ধারিত ফি ও রসিদ ছাড়া কাজ করলে এই ঝুঁকি বাড়ে।
- কমচলতি মূলধন: সরকারি ফি আগে নিজের টাকায় জমা দিয়ে দিলে ঝুঁকি দোকানের। আবেদন বাতিল হলে বা খদ্দের আর না এলে ওই টাকা ফেরত পাওয়া কঠিন — বিশেষ করে পাসপোর্টের মতো বড় অঙ্কে, যেখানে এক আবেদনেই ৳৪,০২৫ থেকে ৳১৩,৮০০ পর্যন্ত জমা হয়।
সূত্র
ই-পাসপোর্ট ফি — আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট ফি
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: মাসিক চলতি মূলধন · বাংলাদেশ
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ফিসমূহ — ফিস আদায়ের বিবরণী
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: নগদ চক্র · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬সমর্থন করে: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
সমর্থন করে: মাসিক চলতি মূলধন · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।
মিল আছে এমন ব্যবসা
এসি ও ফ্রিজ সার্ভিসিং
বাসা ও অফিসে গিয়ে এসি-ফ্রিজ সার্ভিসিং ও মেরামত। মার্চ-জুনে কাজের চাপ, শীতে প্রায় বন্ধ — তাই বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ছাড়া বারো মাস চালানো কঠিন।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
কার ওয়াশ ও সার্ভিসিং
গাড়ি ধোয়া, ভেতর পরিষ্কার ও পলিশ। ঢাকায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের দর ৳১,৭৯০–৫,৭০০ প্রতি গাড়ি, আর প্রেশার ওয়াশার ৳৭,২৫০ থেকেই কেনা যায়।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
পেস্ট কন্ট্রোল সেবা
বাসা, রেস্টুরেন্ট ও গুদামে পোকামাকড় ও ইঁদুর নিয়ন্ত্রণের সেবা। বার্ষিক চুক্তিতে আয় নিশ্চিত হয়, আর লাইসেন্স ছাড়া এই কাজ করা আইনে নিষেধ।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৩ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
মোটরসাইকেল সার্ভিসিং
মোটরসাইকেল সার্ভিসিং ও যন্ত্রাংশ বিক্রি। দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেল ৪৯ লাখ ৮০ হাজার, ২০২৫ সালের নতুন নিবন্ধনের ৮৬ শতাংশই মোটরসাইকেল।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১০ – ৪৫ দিন
