• আমাদের তথ্য কপিরাইট সংরক্ষিত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

প্লাস্টিক ভাঙারি ও রিসাইক্লিং

ফেলনা প্লাস্টিক কিনে আলাদা করে কারখানায় বিক্রি। কেজিতে লাভ ৳২–২০, আর ঢাকায় ভাঙারির কেনা দর প্রতি কেজি ৳২২।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুরুর পুঁজি
৳৮০,০০০ – ৳৬,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠবে
৫ – ১৩ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি কী

ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক কিনে, ধরন অনুযায়ী আলাদা করে, পরিষ্কার করে কারখানায় বিক্রি করাই এই ব্যবসা। সকালে টোকাই, ভ্যানের লোক আর ময়লার গাড়ির কর্মীরা বস্তা নিয়ে আসে, দোকানি ওজন করে নগদ টাকা দেয়। প্রথম আলোর ১৮ মে ২০২৬-এর প্রতিবেদনে ঢাকার ভ্যানকর্মীরা বলেছেন, তাঁরা প্রতি কেজি ভাঙারি বিক্রি করে ৳২২ পান, আর একটা ভ্যান থেকে দিনে প্রায় ১০ কেজি বিক্রিযোগ্য মাল বের হয়। মাল জমিয়ে ট্রাক ভরলে তা যায় গুঁড়ি করার কারখানায়। নাটোরে চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, ভাঙারির দোকান পানির বোতল কেনে ৳১০–১২ আর বিক্রি করে ৳১২–১৬ কেজি দরে; শক্ত প্লাস্টিক কেনে ৳২০–৩০, বিক্রি করে ৳৩০–৫০। ওই জরিপের তথ্য ২০১৯-২০ সালের, তাই পুরোনো। অর্থাৎ কেজিতে লাভ দুই থেকে বিশ টাকা — লাভ আসে পরিমাণ থেকে, দর থেকে নয়। এখানে দাম কেউ বেঁধে দেয় না, বাঁধা ক্রেতাও নেই; সপ্তাহে দাম ওঠানামা করে আর যে বেশি দর দেয় তার কাছেই মাল যায়। কাজটা নোংরা, ধুলোবালিতে ভরা, আর জায়গা লাগে অনেক — কারণ এক সপ্তাহের মাল না জমলে ট্রাক ভরে না। ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সরকার প্লাস্টিক বর্জ্যের ইপিআর নির্দেশিকা গেজেটে প্রকাশ করেছে; এতে বড় কোম্পানিগুলোকে নিজেদের বিক্রি করা প্লাস্টিকের একটা অংশ ফেরত সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহার করতে হবে। প্রথম দুই বছরে ১৫ ভাগ সংগ্রহ আর ৭.৫ ভাগ পুনর্ব্যবহার, তারপর ৩০ আর ১৫ ভাগ। এর মানে সামনের বছরগুলোতে সংগৃহীত প্লাস্টিকের চাহিদা বাড়বে, আর ভাঙারির দোকানই সেই মালের প্রথম হাত।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

বিষয়পরিসরসূত্রসংশোধন দিন
মাসিক চলতি মূলধন৳৬০,০০০ – ৳১,৮০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৭ – ৳৫০ / কেজিবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৫ – ৳৩০ / কেজিবাজারদর
মোট লাভের হার১৭% – ৪০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৪৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৫ – ১৩ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৭ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১৫% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১৪০ – ২০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ডিজিটাল দাঁড়িপাল্লা, বস্তা ও বেল বাঁধার সরঞ্জাম, ঠেলাগাড়ি বা ভ্যান। গুঁড়ি করতে চাইলে শ্রেডার মেশিন, ধোয়ার চৌবাচ্চা আর শুকানোর জায়গা — মেশিনের দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • ধরন অনুযায়ী আলাদা করা প্লাস্টিকের মজুত — অন্তত এক ট্রাকের সমান, নইলে চালান দেওয়া যায় না।প্রাথমিক মাল
  • পরিবেশগত ছাড়পত্র — পরিবেশ অধিদপ্তর। প্লাস্টিক ভাঙা বা গলানোর কারখানার জন্য ছাড়পত্র লাগে; ফি বিনিয়োগের অঙ্ক অনুযায়ী ঠিক হয়, তবে এই ব্যবসার জন্য নির্দিষ্ট অঙ্ক এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে পাওয়া যায়।লাইসেন্স
  • হাতে ধরে, পুড়িয়ে বা গন্ধ শুঁকে প্লাস্টিকের ধরন চেনা। ইসলামবাগ-পোস্তার পুরোনো ব্যবসায়ীরা ছুঁয়ে, কামড়ে আর পুড়িয়ে দানার মান বোঝেন — এই চেনাটাই এখানে মূলধন।দক্ষতা
  • টোকাই, ভ্যানের কর্মী, সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়ির লোক, আশপাশের হোটেল-দোকান-অফিস। এদের নগদ টাকা দিতে হয়, প্রতিদিন।সরবরাহকারী
  • ট্রাক ঢোকার মতো রাস্তাসহ গুদাম, মাল শুকানোর খোলা জায়গা আর ছাদ। নাটোরে সংগ্রহের দোকান গড়ে ৩,৭৭৭ বর্গফুট আর প্রক্রিয়াকরণ দোকান ১৩,৫১৩ বর্গফুট; ঢাকায় ছোট দোকান ২০০–২,০০০ বর্গফুট।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1আগে ক্রেতা ঠিক করুন, দোকান নয়। কোন গুঁড়ি করার কারখানা বা বড় মহাজন আপনার মাল নেবে আর কোন দরে নেবে, সেটা জেনে নিন।
  2. 2গুদাম দেখুন — ট্রাক ঢোকার রাস্তা, মাল শুকানোর খোলা জায়গা আর ছাদ লাগবে। এক সপ্তাহের মাল না জমলে ট্রাক ভরে না, তাই জায়গাই আসল খরচ।
  3. 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং ব্যবসার ধরন হিসেবে ভাঙারি বা পুনর্ব্যবহারের কথা লিখিয়ে নিন।
  4. 4পরিবেশ অধিদপ্তরে গিয়ে জেনে নিন আপনার কাজের জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র লাগবে কি না। শুধু কেনা-বেচা আর মেশিনে গুঁড়ি করা — দুটোর নিয়ম আলাদা।
  5. 5মাল আনার লোক ঠিক করুন: টোকাই, ভ্যানের কর্মী, ময়লার গাড়ির লোক, আর আশপাশের হোটেল-দোকান। এদের নগদ দিতে হয়, প্রতিদিন।
  6. 6ভালো ডিজিটাল দাঁড়িপাল্লা কিনুন। এই ব্যবসার পুরো লাভ ওজনের উপর, আর ওজন নিয়ে ঝগড়াই সবচেয়ে বেশি হয়।
  7. 7ধরন অনুযায়ী আলাদা করা শিখুন ও শেখান — পানির বোতল, তেলের বোতল, শক্ত প্লাস্টিক, চিকন পলিথিন, তার। বাছাই যত ভালো, দর তত বেশি।
  8. 8বোতল থেকে ঢাকনা ও লেবেল আলাদা করুন এবং ধুয়ে শুকিয়ে নিন। ভেজা বা নোংরা মাল কারখানা কম দরে নেয়, নয়তো ফেরত দেয়।
  9. 9প্রতিদিনের কেনা-বেচা খাতায় লিখুন — কার কাছ থেকে কত কেজি, কত দরে। দর সপ্তাহে সপ্তাহে বদলায়, খাতা না থাকলে লোকসান ধরা পড়ে না।
  10. 10ট্রাক ভরলে চালান করুন, আর টাকা হাতে পাওয়ার আগে পরের চালান দেবেন না। বাকিতে মাল দিলে এই ব্যবসা এক চালানেই বসে যায়।
  11. 11বড় কোম্পানিগুলো ইপিআর নিয়ম মানতে গিয়ে এখন সংগ্রহের হিসাব দিতে বাধ্য। তাদের সংগ্রহকারীর তালিকায় ঢোকা যায় কি না খোঁজ নিন।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাস্বাভাবিক
  8. আগস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহরের বর্জ্য আর বন্দর — ফ্লেক রপ্তানির চালান চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই যায়।
  • খুব উপযোগীঢাকা · ইসলামবাগ-পোস্তা-চাঁদনীঘাট এলাকায় ২০০–২৫০টি প্লাস্টিক দানার দোকান; দেশের প্রায় সব ভাঙারি শেষে এখানেই আসে।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানা এলাকা, তাই শিল্পের প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়মিত পাওয়া যায় আর তা বাসাবাড়ির ময়লার চেয়ে পরিষ্কার।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া, অসংখ্য ছোট কারখানা আর ঘন বসতি — বর্জ্যও বেশি, ক্রেতাও কাছে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে, তাই দুই দিকের কারখানাতেই মাল পাঠানো যায়।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহরের বর্জ্য আর বন্দরমুখী পরিবহন সুবিধা।
  • সম্ভবনাটোর · জেলায় ৪২টি সংগ্রহের দোকান ও ১১টি গুঁড়ি করার কারখানা; গুঁড়ি করা মাল ঢাকার ইসলামবাগে পাঠানো হয়।
  • সম্ভবরাজশাহী · শহরের বর্জ্য যথেষ্ট, তবে গুঁড়ি করার কারখানা কম বলে মাল ঢাকায় পাঠাতে হয় — পরিবহন খরচ লাভ খেয়ে ফেলে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিঅন্যান্য: দাম কেউ বেঁধে দেয় না আর বাঁধা ক্রেতাও নেই। নাটোরের জরিপে দোকানমালিকেরা সরাসরি বলেছেন, এই মালের কোনো নির্দিষ্ট দর নেই আর নির্দিষ্ট ক্রেতা-বিক্রেতাও নেই; আবহাওয়া আর বাজার বুঝে দাম ওঠানামা করে। যে দরে মাল কিনে গুদামে রাখলেন, ট্রাক ভরার সময় সেই দর নাও থাকতে পারে — এক সপ্তাহের মজুতেই কেজিতে দুই-তিন টাকা লোকসান হয়ে যেতে পারে, আর কেজিতে লাভই তো ছিল ৳২–২০।
  • বেশিচলতি মূলধন: মাল কিনতে হয় প্রতিদিন, নগদে; টাকা ফেরত আসে ট্রাক ভরার পর। মাঝের ছয়-সাত দিন পুরো টাকা গুদামে পড়ে থাকে। হাতে টাকা ফুরালে সরবরাহকারীরা পরদিন থেকেই পাশের দোকানে চলে যায়, আর একবার গেলে সহজে ফেরে না।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: মাল বিক্রির জায়গা হাতে গোনা। ২০২১ সালে দেশে প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারের কারখানা ছিল প্রায় ৩০০টি, তার মধ্যে ৮০টির বেশি ফ্লেক রপ্তানি করত। আপনার এলাকার দু-একটা কারখানাই আপনার একমাত্র ক্রেতা; তারা দর কমিয়ে দিলে বা মাল নেওয়া বন্ধ করলে বিকল্প নেই। ওই কারখানাগুলো কাঁচামাল আমদানির অনুমতি চাইছে — আমদানি খুললে দেশি ভাঙারির দর পড়ে যাবে।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ভাঙারির গুদাম প্রায়ই বসতি এলাকায়, ধুলো-দুর্গন্ধ আর আগুনের ভয়ে প্রতিবেশীরা অভিযোগ করে। ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে বা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া মেশিন চালালে গুদাম সিলগালা হয়ে যেতে পারে, আর তখন গুদামভর্তি মালও আটকে যায়।
  • মাঝারিচাহিদা: ১৩ আগস্ট ২০২৬-এর ইপিআর নির্দেশিকায় বড় কোম্পানিকে প্রথম দুই বছরে নিজের বিক্রি করা প্লাস্টিকের ১৫ শতাংশ সংগ্রহ ও ৭.৫ শতাংশ পুনর্ব্যবহার করতে হবে, পরে তা ৩০ ও ১৫ শতাংশ হবে। এতে চাহিদা বাড়ার কথা। কিন্তু নিয়ম মানার দায়িত্ব কোম্পানির, আর তারা নিজেরাই সংগ্রহের ব্যবস্থা গড়ে তুললে ছোট ভাঙারির দোকান মাঝখান থেকে বাদ পড়ে যেতে পারে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। প্রথম প্রশ্নটি আপনার হোক।

মিল আছে এমন ব্যবসা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

তাঁত ও জামদানি

কাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। শাড়ি বিক্রি হয় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩ লাখে, অথচ একজন তাঁতির মাসিক আয় প্রায় ৳৪,৫৯০ — লাভ থাকে মহাজনের হাতে।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৭ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

দর্জি ও ছোট গার্মেন্টস ইউনিট

প্যান্ট সেলাই ৳৬০০, কারিগর পান ৳২২০, খরচ ৳৯০ — দোকানের থাকে ৳২৯০। একজন কারিগর দিনে ৫টা প্যান্ট বা ১০টা শার্ট করেন। বড় টাকা সাব-কন্ট্রাক্টে, আর সেখানকার নিয়ম এখন কড়া।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳৮ লাখ
জনবল
১ – ৩০ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

রাজমিস্ত্রি ও ঠিকাদারি

গাঁথুনি, ঢালাই ও ফিনিশিংয়ের শ্রম চুক্তি। ঢাকায় প্লিন্থের প্রতি বর্গফুটে নির্মাণ খরচ ৳১৮০০–৩০০০, আর রাজমিস্ত্রির সরকারি ন্যূনতম হাজিরা শহরে ৳৯৪০।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
জনবল
৩ – ২৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

স্ক্রিন প্রিন্ট ও টি-শার্ট

কাপড়ে নকশা ছাপার কাজ। পুঁজি কম, কিন্তু প্রতিটি নকশা ও প্রতিটি রঙের আলাদা স্ক্রিন লাগে — তাই অর্ডার ছোট হলে প্রতি পিসের খরচ অনেক বেড়ে যায়।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
প্লাস্টিক ভাঙারির ব্যবসা: কেনা-বেচার দর ও লাভের হিসাব · আয়রোজগার